ঢাকার সড়কে রাগ-উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ বা মোকাবেলা করা

Share

রাজধানী ঢাকার সড়কগুলোতে চলাচলের সময় আপনি চারটি বিষয় প্রচুর পরিমানে পাবেন। এগুলো হলো- মানুষ, গর্ত, গাড়ি এবং মোটরবাইক। এই অনুবাদটি হচ্ছে একটি বিপর্যয়মূলক বা সর্বনাশা রেসিপি। যা কাচ্চি বিরিয়ানির মধ্যে ডাল দিয়ে এবং এই ঔজ্জ্বল্যহীন খাবার রসজ্ঞব্যক্তি বা রস পণ্ডিত প্রেস্টনকে খায়ানোর চেয়েও খারাপ। আবার সেই খাবারকে আমাদের রিভার্ড ডিসেস এর কাছে সবচেয়ে খাঁটি স্বাদ বলে দাবি করা। এটা কারো জন্যই খুব ভালো কোন কাজ করে না।

এই প্রেক্ষাপটে, অকল্পনীয়ভাবে আরও একটি ফ্যাক্টর রাস্তায় বিশৃঙ্খলা বা জগাখিচুরি তৈরি করে। পাঠক, আপনাদের মাধ্যমেই হয়ে থাকে, সম্ভবত আমাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হত্যা এবং নিয়মমাফিক হত্যা করা হলো। লেখক, ডাল দিয়ে কাচ্চি বিরিয়ানি বানানোর মত জঘণ্য আইডিয়া দিল। এই বাংলা ভূখণ্ডের মানুষের অপর মানুষের প্রতিই নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে ঘৃণা রয়েছে। এজন্য তারা তাদের খুব কাছের বা পছন্দের জিনিস দিয়ে বিশৃঙ্খলা বা তালগোল পাকাতে চায়। তারা তাদের অধিকার চায় এবং তাদের ক্ষমতার মধ্যে থেকে যতটুকু সম্ভব তা যে কোন জিনিস দিয়ে পেতে চায়।

ঢাকার সড়কগুলোর বিষয়ে বিশেষ করে এটি সত্য যে, রাস্তায় বিস্ময়কর বা বিপুল পরিমানে গাড়ি চলাচল করে। চলাচলকারী বিভিন্ন ধরনের যানবাহন সড়কে নিজের স্থান পাওয়ার জন্য যুদ্ধ করে এবং আটোসাটে জায়াগার মধ্যে নিজের গাড়িকে কোনভাবে ঠেসে ঢুকিয়ে দেয় এবং প্রাণপনে চেষ্টা করে একজনের চেয়ে আরেকজন সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার।

ঢাকার মতো একটি বড় শহরের জনসংখ্যা এবং প্রতিদিনের যাত্রী সংখ্যার উপর ভিত্তি করে শহরাঞ্চলে মানসম্মত সড়ক নেটওয়ার্ক মোট এলাকার শহরসীমার প্রায় ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ বা পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে, ঢাকায় সব ফ্লাইওয়ার এবং হাতিরঝিল প্রজেক্টসহ অন্য সব রাস্তা মিলে মাত্র ১০ শতাংশ সড়ক রয়েছে। শুধু এটাই নয়, প্রতিদিনই অভূতপূর্বভাবে বিপুল সংখ্যক বিভিন্ন ধরণের যানবাহন রাস্তায় চলাচল করছে যাদের চলাচলের ন্যূনতম কোন নিয়ম নেই। আমাদের রাস্তাগুলোতে আমারা দেখতে পাই রিক্সা, বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিক্সা, হিউম্যান হোলার, কাভার্ড ভ্যান, রিক্সা ভ্যান, ছোট ট্রাক, বড় ট্রাক, মিনিবাস, মাইক্রোবাস, বাস, দুরপাল্লার বাস, প্রাইভেট কার, স্পোর্ট ইউটিলিটি ভ্যাহিকল (এসইউভি), ফোর হুইলার, পিকআপ, অ্যাম্বুলেন্স এবং আরও অনেক ধরণের যানবাহন। এসব যানবাহন একই সময়ে রাস্তায় বের হয়। এসব যানবাহন যেমন থ্রি-হুইলার এর জন্য রাস্তায় কোন পৃথক লেন নেই। জরুরী মুহুর্তে অ্যাম্বুলেন্স বা ফায়ার সর্ভিসের গাড়ি অথবা ফার্স্ট সার্ভিস ট্রাক চলাচলের জন্য মানুষকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য কোন কাজ করা হয় না এবং কোন নিয়ম বা পদ্ধতি নেই। এমনকি রাস্তায় চলাচলের সময় এক লেন থেকে অন্য লেন পরিবর্তন করারও জন্য নিশ্চিতভাবে কোন নিয়মনীতি নেই বা মানা হয় না। ঢাকা শহরে ড্রাইভিং করে কোন ধরণের ভোগান্তি ছাড়া এবং সময়মত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌছানোর চিন্তা করা, এই পৌছাতে গিয়ে মানসিকভাবে হত্যার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া বা হত্যা হওয়া ছাড়া গন্তব্যে পৌছানো পোস্ট-এপোক্যালিপটিক (পোস্ট-রসহস্যউদঘাটন) বলে মনে করা হয়।

Image 2

ঢাকার রাস্তাগুলোতে ড্রাইভারদের অনিয়ন্ত্রিত ও অবিরত ওভারটেকিং করা একটি নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এতে ড্রাইভাররাও অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। অন্তত তাদের কাছ থেকে এই বিষয়ে কিছুটা প্রত্যাশা ছিল যে, তারা এটা মোকাবেলা করবে। এমনকি যখন ট্যাফিক সিগন্যালে গাড়িগুলো বসে থাকে এবং এক ইঞ্চি সামনের দিকে এগোয় তখনও ওই এক ইঞ্চি পরিমান স্থানেও অতিদ্রুত বেগে এগিয়ে যেতে চায়। গাড়ি ওভারটেকিং করা আমাদের রক্ত-মাংসে মিশে গেছে এবং আমরা যে বাতাস হতে নিশ্বাস নিচ্ছি তার মধ্যেও মিশে গেছে। সাধারণত যেসব ড্রাইভার ভালোভাবে গাড়ি চালাতে চেষ্টা করে আমরা তার প্রতি রাগান্বিত হই। অথচ তার প্রতি প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হওয়া উচিত ছিল না। আর যারা বিশৃঙ্খলভাবে গাড়ি চালানোর চেষ্টা করছে তাদের প্রতি আমাদের রাগান্বিত হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু প্রচণ্ড রাগান্বিত হওয়ার পরিবর্তে বিষয়টিকে খুব স্বাভাবিকভাবেই নিয়ে নিচ্ছি। তাই চোখের সামনে সবস্থানেই ওভারটেকিং দেখা যায়।

এরপর যে বিষয়টি ধারাবাহিকভাবে ঘটছে তা হলো হর্ন বাজানো। ঢাকার সড়কগুলোতে নিয়মিতই অপ্রয়োজনীয় হর্ন বাজানো হয়। এটা প্রায় অকল্পনীয় যে ঢাকার ড্রাইভাররা অনেক টিপিক্যাল। একটি গাড়ি যখন ঢাকার সড়কে চলে তখন কিছুদুর এগিয়েই স্লো হয়ে যেতে পারে অথবা সামনে কোন বাধার কারণে স্থবির হয়ে যেতে পারে। কিন্তু মানুষের মধ্যে এই ট্যাশক্যান কাজ করে এবং বিশ্বাস করে যে, স্থবির অবস্থায় তিনি যে হর্ন বাজাচ্ছেন সেটি ঠিক আছে এবং তারা যে হর্ন বাজিয়ে প্রচন্ড অসহনীয় ও বিরক্তিকর শব্দ করছেন তা সামনের প্রতিবন্ধকতা দুর করে দেবে। গাড়িগুলো মুহুর্তের মধ্যেই যে স্লো হয়ে গেছে এজন্য তারা অসন্তুষ্টি প্রকাশ করতেই এমনটি করছেন।

ঢাকার যাত্রীদের প্রতিদিন যেসব সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় তাই আমাদেরকে চুড়ান্ত ইস্যুতে নিয়ে এসেছে: রাস্তায় গাড়ি চালানোর সময় গাড়ি/স্পোর্ট ইউটিলিটি ভ্যাহিকলের মালিক/ড্রাইভারদের একধরণের সুপ্রিম ইগো (সর্বোচ্চ অহংবোধ) কাজ করে। অ্যাপোক্যালিপটিক ওয়েস্টল্যান্ডে (রহস্যময় পতিত জমি) চলাফেরা করা আপনার এবং আপনার গাড়ির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা তা একজন নির্দেশ করে।

যাদের ব্যক্তিগত গাড়ি আছে তারা রাস্তাকে তাদের অধিকার হিসেবে বিবেচনা করে এবং মনে করে অন্যদের চেয়ে রাস্তায় তাদের স্পেস বেশি থাকবে। কারণ তাদের ব্যক্তিগত গাড়ি রয়েছে। আর রাস্তায় যেসব অন্য যানবাহন যেমন- রিক্সা এবং ঠাসাঠাসি করে ওঠা বাস অথবা সিএনজি চলে বাকিটা তাদের। রাস্তা চলাচলের সময় কিছু মানুষের মাত্রাতিরিক্ত রাগ, ক্ষোভ ও দম্ভোক্তির পেছনে মূল কারণ হিসেবে এধরণের মানসিকতাই কাজ করে। এই মানসিকতার কারণে তারা মনে করে যে, তাদের যেকেউ ঢাকায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারবেন। এধরণের উপলব্ধি অনেক ন¤্র ও ভদ্র গাড়ির মালিককেও প্রভাবিত করে। এই ব্যবহারের অন্যতম আরেকটি কারণ হচ্ছে ব্যক্তিগত গাড়িগুলো অনেক দামে কেনা হয় এবং এর ব্যবস্থাপনায়ও অনেক খরচ হয়। আর ঢাকার রাস্তায় সাধারণ বাসে টিকেট দিয়ে সারাবছর চলাচল করা কোন যাত্রীর খরচের সাথে ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকের খরচের বিষয় যদি বিবেচনা করা হয়, তখন তারা মনে করে যে, সাধারণ একজন যাত্রীর তুলনায় তারা অনেক বেশি টাকা ব্যয় করে থাকেন শুধু এই কারণেই ঢাকার রাস্তায় তাদের ভিআইপি পাস রয়েছে। তাই যখন কোন রিক্সা চালক রাস্তার মধ্যে চলাচলে কোন ভুল করে ফেলে এবং আপনি (ব্যক্তিগত গাড়ির মালিক) সম্পূর্ণ সঠিক তখন আপনি গাড়ি থেকে বের হয়ে ওই গরিব রিক্সা চালকটির মুখে কয়েকটি থাপ্পর মেরে দেন। সম্ভবত ওই রিক্সা চালক আপনি আসছেন সেটা দেখতে পায়নি। এধরণের ঘটনাটি আরও ঘটবে যতক্ষন না এধরণের মানুষ বিষয়টি বুঝবে।

আপনি কিভাবে ঢাকায় কঠোরতার সাথে ড্রাইভিং করাকে মোকাবেলা করবেন?Image 3

এখানে কিছু পয়েন্ট উল্লেখ করা হলো যা আপনাকে সুস্থ্য এবং নিরাপদ রাখবে দীর্ঘ যাত্রা শেষেও আপনাকে কর্মদক্ষ রাখবে।

  • সব সময় এই একটি ভিত্তিমূল নিয়ম মনে রাখুন: রাস্তায় কেউ যখন বের হন তখন তাদের প্রত্যেকেই উত্তেজিত থাকেন। এই উত্তেজনার সত্যিই কোন কারণ নেই। তাই সতর্কতা হিসেবে সবচেয়ে ভালো হয়, যদি আপনি নিজেকে সব সময় সতর্কতার রাষ্ট্রে (সতর্ক অবস্থায় থাকা) রাখেন। উত্তেজিতরা পরবর্তীতে কি করতে পারে তা খুঁজে বের করতে হবে। কোন ঘটনা ঘটবে কিনা বা কোন ঘটনা ঘটার বিষয়ে ভবিষ্যৎবানী করা সত্যিই অসম্ভব একটি বিষয়। কিন্তু আপনি যদি সব সময় সতর্ক থাকেন তাহলে আপনার কাছে সুযোগ থাকে যে কোন ধরণের ঘটনা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া এবং এর ক্ষতির মাত্রাটা কমিয়ে আনা।
  • আপনি যদি একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ ড্রাইভার হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি নিশ্চয় জানেন যে, রাস্তার মধ্যে অধিকাংশ ঘটনার প্রতিক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রকাশিত হয়। আপনি যখন গাড়ি নিয়ে বাম দিকে যেতে চান তখন সিগন্যাল দিয়ে থাকেন। পেছনে থাকা গাড়িগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ এবং দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য রিভিউ মিররের এবং বাম দিকের দরজার আয়নায় সিগন্যাল দিয়ে থাকেন। সিগন্যাল দেয়ার পর বাম দিকে কোন গাড়ি আসছে কিনা তা পরখ করে নেন, এবং এরপর আপনি বাম দিকে যাওয়ার জন্য স্টিয়ারিং এর চাকাটি ঘুরিয়ে থাকেন। তবে এটা হলো আমাদের দ্বিতীয় স্বভাব। কিন্তু পেছনের গাড়ির ছবি বা প্রতিবিম্বও আপনার ডানদিকে দৃষ্টিপাত হোক এটাও কি একটা অংশ নয়। এটা অনির্দিষ্ট মনে হতে পারে। কিন্তু এটা অনেক ভালো একটি অনুশীলন যে, আপনি আপনার যানবাহন কোন দিকে মোড় নেয়ার আগে উভয় পার্শ্বের যানবাহন দেখে নিচ্ছেন। যাতে খুব সহজে ও নিরাপদে আপনি মোড় নিতে পারেন।
  • একদিনের জন্য আপনার হর্নটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিন। আপনি যদি সতর্ক থাকেন এবং দ্রুত সাড়া দিতে পারেন তাহলে ঢাকা শহরে গাড়ি চালানোর জন্য প্রকৃতপক্ষে কোন হর্নের প্রয়োজন হয় না। হর্নের অভাবটিকে (হর্ন না থাকা) আপনি আপনার আচরণের জন্য শাস্তিমূলক ব্যায়াম হিসেবেই মনে করুন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রকৃতপক্ষে আপনার গাড়ির হর্ন বাজানোর কারণে গাড়ির পেছনে আপনাকে অনেক বেশি উত্তেজিত করে তুলে। আর এধরণের বিরক্তিকর শব্দই আপনাকে অনেক বেশি উত্তেজিত ও ক্ষুব্ধ করে তোলে। আপনি এই রাগের বহিঃপ্রকাশ করেন রাস্তায় চলাচলকারী অন্যদের উপর। আসলে আপনার জন্য এটি খুব খারাপ যে, এই হর্নের কারনে আপনার দুইবার একই ধরণের ভুল করার সম্ভাবনা বেশি। এটাকে খুব সহজভাবে নিন। স্বাস্থ্যের জন্য সতর্কীকরণ যন্ত্রপাতি হিসেবে হর্নের ব্যবহার শিখুন এবং কানের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ও ধ্বংসকারী যন্ত্র হিসেবে হর্নের ব্যবহার বন্ধ করুন।
  • অল্প সময়ের জন্য অন্য একটি গাড়ি আপনার গাড়ির সামনে যেতে পারে, যে গাড়িটি আপনার সামনে গেলো সেটিকে যেতে দিন। গাড়ি চালানোর সময় আপনি যদি কোন ইন্টারসেকশনে (ছেদ) থাকেন এবং কোন গাড়ি যদি আপনার বাম দিক (প্রান্ত) থেকে বের হয়ে আসে এবং ডান দিকে মোড় নিতে চায়, তাহলে ওই গাড়ির ড্রাইভারের দিকে তাকান, হাসুন, মাথা নাড়–ন, তাকে যাওয়ার জন্য ইশারা করুন। এধরনের কাজ প্রতিদিন তিনবার করার চেষ্টা করুন। যদিও আপনার কোন স্থানে বা কোথাও যাওয়ার জন্য খুব বেশি তাড়া থাকে। এটা কি করে? আপনার নার্ভাস সিস্টেম, নিউরোট্রান্সমিটার এর মধ্যে সিরোটোনিনকে রিলিজ করে দেয়। কারণ এটি আপনার মন ও শরীরে নির্ধারণ করে আপনি কতটা সুখী অথবা আপনি কোন মুডে বা ভাবে আছেন। এটা কোন হাসির বিষয় নয়, আপনার মুড কেমন? কোন গাড়ি বা ব্যক্তিকে অতিক্রম করে যেতে দেয়ার পর আপনার ব্রেইনে কাজ বা চিন্তা করবে যে, আপনি অনেক বড় একটি কাজ করেছেন এবং এটা আপনার মধ্যে একটা ধারণা তৈরি করবে যে, আপনি অনেক ভালো মানুষ। এমনকি এটি আপনাকে অনেক বেশি সুখী বা আশাবাদীও করবে। আপনাকে এর আগে যখন রাস্তায় কোন ব্যক্তি গাড়ি নিয়ে অতিক্রম করে যেতো এবং আপনি ক্রুদ্ধ হতেন সেই নেতিবাচক অনুভূতি বা অভিজ্ঞতার সাথে নতুন এই অভিজ্ঞতার বা অনুভূতির তুলনা করুন। সে সময় আপনি কতটা বাজে মেজাজে থাকতেন। এবং কল্পনা করুন আপনি যখন কোন ইন্টারসেকশনে কোন গাড়িকে অতিক্রম করে যেতেন তখন অন্য গাড়িতে থাকা ব্যক্তির অনুভূতি কি হতো। এটাই আপনাকে চুড়ান্ত পয়েন্টে নিয়ে যাবে।
  • আপনি কি দিবেন আর কি পাবেন, অসন্তুষ্ট এবং আক্রমনাত্বক হয়ে যুদ্ধ করার জন্য চেষ্টা করছেন বা কোন কিছু খুঁজছেন। অন্যের কাছ থেকে আপনি যা পাবেন সেটাই হলো আপনার ট্রিটমেন্ট বা চিকিৎসা। তাই বিষয়গুলোকে খুব সহজ করে নিন। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন এবং রাস্তার মধ্যে উত্তেজনা, নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ বাদ দিন।
সাবস্ক্রাইব করুন

No spam guarantee.

Comments

comments