ওয়ালটন মোবাইল ফোনের বর্তমান পণ্য পরিসীমা ও বিস্তৃত

Share

আপনি যখন বাংলাদেশে আছেন এবং বিক্রির জন্যে মোবাইল ফোন খুঁজছেন, তাহলে ওয়াল্টন মোবাইল ফোনে আপনি পাচ্ছেন অনেক বিস্তৃত সমারহ। এর দ্বারা আপনিকাছাকাছিপর্যন্তমানুষেরসঙ্গেযোগাযোগরাখতেপারেন, এখন যে যত দুরেই থাকুক না কেন যেমন  চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনাএবংঅন্যান্যশহরে আপনি সহজেই যোগাযোগ করতে পারছেন।

আপনি জেখানেই থাকেন না কেন আপনার সাথে একটি মোবাইল ফোনে থাকবেই। এখন পর্যন্ত মোবাইল ফোনের অনেক মডেল আছে এবং সেইজন্য আপনি ওয়ালটন ফোনের পরিসীমা বুঝতে হবে।

সারা বাংলাদেশ জুরে যে অপারেটিং সিস্টেম বহুল ভাবে প্রচলিত হচ্ছে তা হল অ্যানড্রইড ফোন।এর মানে আপনি জিনজার ব্রেড, আইসক্রীম স্যান্ডউইচ এবং জেলি সিম সহ সর্বশেষ সংস্করণ, অ্যাক্সেস করতে পারেবন।এছাড়াও আপনি গুগল স্টোরে গিয়ে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যাবহার করে বিভিন্ন খেলা, দোকান খুঁজা বা অন্য যেকোনো সুবিধা ভগ করতে পারেবন।

ওয়ালটনের পারফর্মেন্স অনেক ভালো বলেই তা বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। ‘প্রিমো’ হচ্ছে সেই মডেল। তবে এই মডেলর ভিতর কিছু ভিন্ন মডেল আছে।
– প্রিমো জেড এক্স

– প্রিমো আর এক্স২

– প্রিমো ই এফ

– প্রিমো এইচ৩

– প্রিমো এস২

প্রত্যেকটি ফোন একটি আরেকটির থেকে অনেক ভালো তাই প্রত্যেকটির ব্যাপারে জেনে রাখা ভালো। যার মাঝে বলতে পারেন যে আপনি কত টাকার মাঝে কিনতে চান এবং কতটুকু পরিমাণ ইন্টারনাল মেমোরি সম্পন্ন মোবাইল কিনবেন।

বিভিন্ন মডেলর সাথে তুলনাঃ

ওয়ালটন এর পূর্ণ পণ্য পরিসীমা ব্যাপক, তাই আপনাকে প্রথমে খরচ উপর ভিত্তি করে নির্বাচন করতে হবে এবং তারপর সাথে কিছু বৈশিষ্ট্য দিক থেকে কিছু তুলনা করতে হবে।স্মার্টফোনের ক্যামেরা আপনার জন্যে গুরুত্বপূর্ণ হয় তাহলে আপনি আপনার ফোন সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গার সুন্দর সুন্দর ছবি তুলতে পারেবেন।

ওজনে প্রত্যেকটি ফোন একটি আরেকটির থেকে খুব বেশি পার্থক্য নেই। গড়ে এক একটি প্রায় ১৩০ থেকে ১৪০ গ্রাম পর্যন্ত। ডাইমেনশনে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও সবগুলি মোবাইল জেলি বিন অপারাতিং সিস্টেমের হয় থাকে।

এর প্রসেসর ভেরী করে ডুয়াল কোর থেকে হেক্সা কোর পর্যন্ত এবং মেমোরি ভেরি করে ৫১২ জিবি থেকে ১ জিবি পর্যন্ত। মেমোরি আপনি চেলে আরও বেশি বাড়িয়ে নিতে পারেবন আপনার সুবিধা অনুযায়ী এক্সত্রা মেমোরি কার্ড কিনে।

প্রিমো আর এক্স২ এর ক্যামেরা কোয়ালিটি বেশ ভালো।যাতে আছে ১৩ মেগা পিক্সেলের আসল ক্যামেরার স্বাদ।এতে রয়েছে ফ্রন্ট এবং রেয়ার ক্যামেরা। ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়া আপনি সেলফি ও তুলতে পারেবন এবং এর কোয়ালিটি বেশ ভালো। আপনি যদি চামেরার বিশিষ্টের দিকে তাকান তাহলে দেখতে পাবেন যে এর পিছনের চামেরাটি বেশি ভালো।

ওয়ালটনের অ্যান্ড্রয়েড ফোনে আপনি পাচ্ছেন দীর্ঘ সময় ধরে ছবি তুলার ক্ষমতা এবং ঘণ্টার ঘণ্টার ফোনে কথা বলার সুযোগ কারন এই মোবাইলের ব্যাটারি বেশ উন্নতমানের।প্রায় প্রত্যেকটি ফোনেই লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যাবহার করা হয়ছে কিন্তু উন্নতমানের মোবাইলগুলী তে হাই কোয়ালিটির লি-প্লোইমার ব্যাটারি ব্যাবহার করা হয়েছে। এইগুলো বেশি ভালো কারন এরা দীর্ঘক্ষণ সার্ভিস দিয়া থাকে।

আপনি ওয়ালটনের মোবাইলে আরও কিছু বিশিষ্ট দেখতে পাবেনঃ

– জিপিএস মডিউল

– এনভাইরনম্যন্ট সেন্সর

–  শব্দ দূষণ কমানোর ডুয়েল মাইক

– অরিয়েন্ট্যেশন

-কম্পাস

তাই অনেক বৈশিষ্ট্য সঙ্গে, আপনি আপনার চাহিদার সব দেখা হবে যে ফোন খুঁজে পেতে পারেন।এর দ্বারা আপনি অনেকগুলি কাজ করতে পারেবেন একই সাথে। অনেকে মানুষ যারা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ব্যাবহার করে তারা অনেকেই ট্যেবলেট অথবা ল্যাপটপ ব্যাবহার করেন না।

ওয়াল্টন এর ব্যাপারে আরও কিছুঃ

এটা শুধু স্মার্টফোন নয় যেটা ওয়াল্টন নির্মাণ করেছে। দেশে ৪৩ টি ওয়াল্টন সার্ভিসিং সেন্টোর রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি আপনার বাংলাদেশের যেকোন প্রান্তে আপনার মোবাইলের কোন সমস্যা হলে সমাধান করতে পারবেন।  ওয়ালটন মোবাইল অধিক পরিচিত কোম্পানী তাই অনেক মানুষ এদের ফোনগুলি পছন্দ করে থাকে।

ওয়ালটন মোবাইলগুলি আরেকটি ক্লাসিক নামে পরিচিত।  এই স্মার্টফোনের বৈশিষ্ট্য অনেকাংশেই একই থাকে।মূল কিছু পরিবর্তন থাকে যে এখানে প্রযুক্তিগত কিছু অ্যাপস ও ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন না। ক্লাসিক T73, C31, T50, এবং অন্যান্য ফোনের সব ওয়ালটন এর থেকে ভিন্ন।এর মাঝে অধিকাংশ ফোনেই ক্যামেরা আছে যার দ্বারা আপানি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ছবি তুলতে পারেবন।
অন্যান্য ফিচার এর মাঝে এই ক্লাসিক মোবাইল গুলোতে লা-ইওন ব্যাটারি আছে, টাচ স্ক্রীন, ব্লু টুথ, ডুয়াল সিম এবং টর্চ লাইট আছে। এই আধুনিক সব অপশনের দ্বারা আপনি নিজেকে বিভিন্ন জায়গাতে অনেক এডভান্টেজ নিতে পারবেন।

ওয়াল্টনের পণ্যগুলি বেশ সুপরিচিত ও বিস্তৃত যার মাধ্যমে আপনি যদি ওয়াল্টন মোবাইল দিয়ে যেকোনো সময়ে সম্য ইন্টারনেট সংযোগ ও ফোন কল করতে পারেন।

বৈশিষ্ট্যের তুলনাঃ

আপনি যদি ওয়াল্টনের বৈশিষ্ট্যের তুলনা করেন তাহলে দেখতে পাবেন যে ওয়াল্টনের পণ্যগুলি বেশ সাশ্রয়ী। এই ফোনগুলি দিয়ে ফোনে কথা বলার সাথেও আপনি অন্য সব কাজও করতে পারবেন যা অন্যসব স্মার্টফোনে রয়ছে।  ফোন অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয়।অ্যান্ড্রয়েড

বর্তমানে সবচেয়ে বহুল আলোচিত অপারেটিং সিস্টেম।  তাদের অ্যাপ স্টোর থেকে বিনামূল্যে ও অল্প কিছু টাকা দিয়েও অ্যাপস ডাউনলোড করা যায়, এবং যেকোনো অ্যাপস পাওয়া যায়।

তথাপি আপনার বাজেট কি, আপনি আপনার পছন্দের মতন একই ফোন পেতে পারেন, যাতে আপনার পছন্দের সকল বৈশিষ্ট থাকবে। আপনি আপনার প্রয়োজন মত সব কিছু পাবেন তাতে। তাদের প্রচেসসরটিও বেশ অ্যাডভান্সড এবং উন্নত। যেখানে ডুয়াল কোর প্রসেসর অনেক বেশি সাশ্রয়ী, হেক্সা কোর প্রসেসর প্রভাইড করে তিনগুন বেশি দ্রুত। যার মাধ্যমে মাল্টিপল কাজ করা অতি সহজ এবং সুবিধা।

এই মোবাইল ফোনে ক্যামেরা বেশ উন্নত মানের। যার দ্বারা আপনি আপনার আসেপাশের যেকোনো দিকের ছবি ও ভিডিও চিত্র তুলতে পারবেন। আপনি তা আপান্র ব্যাবসা এবং ব্যক্তিগত উভয় কাজে ব্যাবহার করতে পারেবন। যা মানুষের জীবন যাত্রায় যোগ করে একটি ভিন্য মাত্রা।

আপনি যখন বাংলাদেশে আছেন তখন বিক্রয়ের জন্যে সবচেয়ে সহজ ফোন হচ্ছে ওয়াল্টন। তাদের বিভিন্ন জাগাতে দোকান আছে, এতে আপনি আপনার প্রোয়জন মতন সহজেই দোকানে গিয়ে মোবাইলটি ব্যবহার করে দেখতে পারবেন। আপনি কি ধরনের মোবাইল ফোনে চাচ্ছেন? এখন তা স্মার্ট হোক আর ব্যসিক ফোন হোক না কেন, আপনি আপনার চাহিদা অনুযায়ী পছন্দের মোবাইলটি বেছে নিতে পারবেন।

 

 

সাবস্ক্রাইব করুন

No spam guarantee.

Comments

comments