মার্কেটিং এ কিভাবে চাকরি নিবেন?

Share

বাংলাদেশে অসংখ্য মার্কেটিং পদ আছে যেখানে আপনি ইন্টারনেট মার্কেটিং, সোসাল মিডিয়া, সার্স ইঞ্জিন অপটিমিজম এমনকি প্রথাগত প্রিন্ট মার্কেটিং এবং এডভারটাইজিং জব নিয়ে কাজ করতে পারবেন। যদি আপনি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে অধিক পরিচিত এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হন অথবা বাজারে প্রচলিত পদ্ধতিতে পন্য বিপনন এবং ব্রান্ডিং পছন্দ করেন। তবে আপনি আপনার নিজস্ব যোগ্যতা এবং পেশাগত দক্ষতার উপর নির্ভর করে এ অসংখ্য  পদ থেকে নিজেরটা পছন্দ করতে পারবেন।

যদি আপনি ইন্ডস্ট্রিতে অভিজ্ঞ হন অথবা নিজেই পেশাগতভাবে শুরু করতে চান তবে আপনি স্থানীয় কোম্পানীতে ব্যাবসায়িক আগ্রগতি, দোকান ও স্টোরপন্টের মাধ্যমে মার্কেটিং ক্ষেত্রে আর্ভিভুত হতে পারেন।  আপনি যেখানে থাকছেন সেখানের স্থানীয় ব্যবসা অথবা কোম্পানীর কাছাকাছি যাওয়া মার্কেটিং ইন্ডস্ট্রিতে পেশাগতভাবে নিজেকে আর্ভিভুত করা নয়। বরং এটি আপনার পর্টপলিও তৈরি করবে যখন আপনি মার্কেটিং এ নিয়মিত হিসেবে অধিক সুযোগ-সুবিধা খুঁজবেন তখন এটি আপনার এবং আপনার পরিবারের জন্যে আর্দশ হবে।

এর মাধ্যমে পেশাগতভাবে মার্কেটিং ফার্মে কাজও করা যাবে। অধিক ভোক্তার সাথে আপনার চাকুরি এবং পদ নির্ভর কাজ করতে গিয়ে প্রাপ্ত যোগ্যতা আপনাকে যোগ্য করবে। অফিসিয়াল মার্কেটিং ফার্মে কাজ করার মাধ্যমে এডভারটাইজিং, মার্কেটিং এবং শ্রোতার কাছাকাছি যাওয়া অথবা নির্দিষ্ট জনতাত্ত্বিকতার বিপরীতে আপনি যথেষ্ট জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং নিজের যোগ্যতা দক্ষতা তুলে ধরতে পারবেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ

যদিও এটা সবসময় বাধ্যতামূলক নয় তথাপিও মার্কেটিংএ এডুকেশন ব্যাকগ্রাউন্ড থাকলে আপনি অধিক বেশি নিয়মিত মার্কেটিং পজিশনে কাজ করার সুযোগ পাবেন। এজন্যে আপনাকে  ব্যাচেলর ইন মার্কেটিং , ব্যাচেলর ইন বিজনেস ¯œাতকসহ মার্কেটিংএ ভালো জানাশুনা থাকতে হবে।  শিক্ষা লাভ হল একটি মাধ্যম এটি নিশ্চিত করে আপনি বিভিন্ন মার্কেটিং টার্ম, স্ট্রাটেজি এবং বিভিন্ন কৌশলের সাথে পরিচিত যেগুলো কোম্পানী এবং অন্যান্য বার্তাগুলোকে তরান্বিত করে। যদি আপনি আনুষ্ঠানিক শিক্ষা পান তবে আপনার মতো একই পদে আবেদনকারী অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে আপনি এগিয়ে থাকবেন।

মার্কেটিং এ ডিগ্রি অর্জন মার্কেটিং টার্মস, কৌশল এবং বিভিন্ন ব্যক্তি এবং গ্রুপের কাছে পৌছার পদ্ধতি অধিক জানা নয়। বরং এটি আপনাকে মার্কেটিং এবং এডভারটাইজিং এ মনস্তাত্বিক গভীরতা অর্জনে সাহায্য করবে।  অতিরিক্ত মনস্তাত্বিক কোর্স সর্ম্পকিত জ্ঞান অর্জন এবং মানবিক আচরণ, ধরন এবং কিভাবে অন্যকে কার্যকরভাবে প্রভাবিত করা যায় এমন জ্ঞানই হল একমাত্র পথ যার মাধ্যমে আপনি আপনাকে পেশাগতভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন।

মার্কেটিং, সফল মার্কেটরস এবং এডভারটাইজিং প্রপেশনাল বিষয়ক বেশি বেশি বই পড়ে আপনি মার্কেটিং সর্ম্পকিত নতুন নতুন কলা-কৌশল জানতে পারবেন যেগুলোর সাথে আপনি পূর্বে পরিচিত ছিলেন না। আপনি যত বেশি সময় মার্কেটিং বিষয়ক পড়াশুনায় ব্যয় করবেন তত বেশি প্রপেশনাল এক্সপার্ট হয়ে উঠবেন। এটি আপনাকে পরবর্তীতে আবেদনকৃত পদে অধিক যোগ্য করে তুলবে।

মার্কেটিং এ কাজঃ

আপনি যদি মার্কেটিং প্রপেশনে কাজ করতে চান অথবা কেরিয়ার গড়তে চান তবে আপনাকে সবসময় মার্কেটিং, সেলস, প্রযুক্তি এবং ব্যবসায়িক বিষয়ক নিত্য নতুন সংবাদ এবং ট্রেন্ডস এর সাথে পরিচিত থাকতে হবে। একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী অথবা শ্রোতা কিভাবে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, প্রয়োগ এবং সম্পদকে সহজলভ্য করেছে এ বিষয়ে জানাশুনাই নতুন সম্ভাবনাময় ভোক্তা খোজার উত্তম মাধ্যম যেখানে আপনি আপনার মার্কেটিং সর্ম্পকিত যোগ্যতা এবং দক্ষতাকে বাড়াতে পারবেন আপনি অনলাইনে অথবা অফ লাইনে যেভাবেই কাজ করেন না কেন।

আপনি যদি মার্কেটিং এ কাজ করতে পছন্দ করেন তবে ব্যাপক পরিসরে মানুষের সাথে যোগাযোগ করার মানুষকে জানার বিস্তৃত চোখ লাগবে। যার মাধ্যমে আপনি মার্কেট বৃদ্ধিতে শিশুদের নিয়ে অথবা কলেজ স্টুডেন্টদের নিয়ে অথবা বড়দের নিয়ে ক্যাম্পেইন করার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। বিভিন্ন প্রোগাম, টুলস, এপ্লিকেশন এবং পণ্যের অভিগমনই মার্কেটিং সফলতার জন্যে অধিক প্রয়োজন।

বর্তমানে মার্কেটিং বিশ্বে সামাজিক মাধ্যমকে ইমপ্লেমেন্টিং এবং যথাযথ ব্যবহার করার কোন বিকল্প নেই। কেননা এর মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানী নিজেদের ব্যবসা, কোম্পানী অথবা ব্রান্ড এর মাধ্যমে যতদূর সম্ভব মানুষের কাছে নিজেদের সেবাকে নিয়ে যাচ্ছে। সামাজিক মাধ্যম ফেইসবুক এবং টুইটার শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ব্রান্ড, পন্য এবং সেবাকে তরান্বিত করার মাধ্যম নয় বরং মার্কেটিং ভিত্তিক আপনার অতিত, বর্তমান এবং ভবিষ্যত প্রকল্প নিয়ে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখছে।

মার্কেটিং এ কাজ করার সুবিধা

পেশাগত মার্কেটারস দের অন্যকে জানা এবং অন্যের সাথে যোগাযোগ করার প্রখর অনুভুতি থাকে। মার্কেটিং এ কাজ করার মাধ্যমে ব্যক্তির সামাজিক দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। মানুষ এবং সামাজিক আচরণ সর্ম্পকেও তার জানাশুনা বেশি থাকে। এছাড়া পেশাগতভাবে মার্কেটিং এ কাজ করার মাধ্যমে আপনি এমন অভিজ্ঞতা অজর্ন করবেন যাতে খুব সহজে আপনি কোন কোম্পানি এবং কোন বার্তা অন্যের সাথে শেয়ার করতে  পারবেন।

আপনি যদি মার্কেটিং এ কাজ করতে পছন্দ করেন তবে ব্যাপক পরিসরে মানুষের সাথে যোগাযোগ করার মানুষকে জানার বিস্তৃত চোখ লাগবে। যার মাধ্যমে আপনি মার্কেট বৃদ্ধিতে শিশুদের নিয়ে অথবা কলেজ স্টুডেন্টদের নিয়ে অথবা বড়দের নিয়ে ক্যাম্পেইন করার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। বিভিন্ন প্রোগাম, টুলস, এপ্লিকেশন এবং পণ্যের অভিগমনই মার্কেটিং সফলতার জন্যে অধিক প্রয়োজন।

মার্কেটিং ক্ষেত্রে আপনি যতবেশি যোগাযোগ এবং নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারবেন ততই আপনি আপনার আগ্রহ এবং বিভিন্ন জিনিসকে প্রমোট করতে খুব সহজে কাজ করতে পারবেন। মার্কেটিং এ যথেষ্ট জ্ঞান এবং জানাশুনা থাকলে প্রমোশন এবং এ্যাডভারটাইজিং নিজের অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব হবে।

ঢাকা অথবা বাংলাদেশে মার্কেটিংএ চাকুরি খোঁজার আগে যেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ তা হলো নিজের আগ্রহের বিষয়টি এবং পেশাগত যোগ্যতা বিবেচনায় রেখে সিভি এবং রিজিউম তৈরি করা। নিজের জন্যে পদ নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে আবেদনের আগে প্রতিটি মার্কেটিং জবের দায়িত্বের ধরন সর্ম্পকে জানা উচিত।

প্রাতিষ্ঠানিক নির্দেশক এবং চাকুরির লিষ্ট এবং অনলাইনে খুঁজে বাংলাদেশের মার্কেটিং জব পেতে পারেন। ঢাকায় মার্কেটিং জব খোঁজার ক্ষেত্রে অনলাইন হল অন্যতম মাধ্যম যার মাধ্যমে কোম্পানীর সাথে মিটিং ছাড়া এবং সরাসরি যোগাযোগ ছাড়াই ব্যক্তিগত এবং পেশাগত তথ্যাদি সাবমিট করা যায়।

অনলাইনে ঢাকা অথবা পুরো বাংলাদেশে মার্কেটিং জব খোঁজার অতিরিক্ত সুবিধা হল আঞ্চলিকভাবে ব্রাউজ করার মাধ্যমে দ্রুত পাওয়া যায়। অনলাইনে চাকুরি খোঁজা শুধু দায়িত্ব-কর্তব্য, কর্মস্থান এবং পার্টটাইম না ফুল টাইম এসব বিষয়ের তুলনা করা নয় বরং আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বেতন কত তা জানার সুযোগ থাকে।

বাংলাদেশে কিভাবে একটি চাকুরি পাওয়া যাবে বিষয়টি জানা যেই পদের উপযুক্ত সেই পদে আবেদন করার সম্ভাব্যতাকে প্রসারিত করে। অনলাইনে এবং স্থানীয়ভাবে চাকুরি খুঁজতে গিয়ে অনেক সময় ব্যয় হয় তাই সহজে চাকুরি খোঁজার জন্যে আগে নিজের পেশাগত দক্ষতাকে নির্ধারণ করতে হবে।

 

সাবস্ক্রাইব করুন

No spam guarantee.

Comments

comments