All posts by Arifin Hussain

পোকেমন গো এর জন্য নিজেকে প্রস্তূত করুন!

 

পোকেমন গো আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একুশ শতকের সবচেয়ে বড় ঘটনা। কিন্তু দুর্ভাগ্য এটা এখনো বাংলাদেশে আসেনি। তবে গেমটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী যে আগ্রহ, সেইসাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে যে উত্তেজনা, দেখা যাচ্ছে, তাতে বোঝাই যাচ্ছে, পোকেমন গো’র আগমনের জন্য অধীর প্রতীক্ষা করছে সবাই।

বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গে গেমটি যারা খেলেছে এবং এর ভক্ত রয়েছে তারা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, সে বিষয়ে আমরা পর্যবেক্ষণগুলো লিখছি যাতে আপনি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় গেমটির জন্য প্রস্তূত হতে পারেন।

একটি পাওয়ারব্যাঙ্ক যোগাড় করুন

2

এই গেমটি খেলার সময় পোকেমনকে খুঁজতে একটি অগমেন্টেড রিয়েলিটি ম্যাপ দিয়ে পুরো পৃথিবী ঘুরতে হবে। যে কারণে আপনার ডিভাইসটি অন রাখতে হবে যাতে আপনি সহজেই বিভিন্ন প্রাণী ও আগ্রহের জায়গাগুলো সহজেই খুঁজতে পারেন। এতে আপনার ব্যাটারির ওপর চাপ পড়বে। ফলে চার্জের দাগ নেমে আসবে। সেজন্যই আপনার একটি পাওয়ারব্যাঙ্ক অপরিহার্য। মজার বিষয় পোকেমন গো বাজারে আসার পরপরই পাওয়ারব্যাঙ্কের চাহিদা ১০১% বেড়ে গেছে।

ভাল একটি ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করুন

3

এই গেমটি ইন্টারনেট ছাড়া খেলা যায় না। তাই যদি আপনি কয়েক ঘন্টা ধরে পোকেমনকে খুঁজতে চান, নিশ্চিত করুন আপনার নেটওয়ার্কটি ভাল, এবং ইন্টারনেট বিল ঠিকঠাক শোধ করা আছে। এক্ষেত্রে ওয়্যারলেস মডেম একটা ভালো বিকল্প হতে পারে। কারণ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের চেয়ে এর ব্যয় কম।

আরামদায়ক জুতো লাগবে

4

পোকেমন গো খেলতে গেলে আপনার প্রচুর হাঁটতে হবে, তাই আরামদায়ক জুতো প্রয়োজন। (একটি রিকশা নিতে পারেন আপনার আগ্রহের স্থানগুলোতে ভ্রমণের জন্য) অন্যথায় আপনার কালশিটে পড়ে যাবে এবং বিশেষ করে গরম আর্দ্র আবহাওয়ায় ফোসকা পড়ে যেতে পারে।

যত শীঘ্র সম্ভব শুরু করুন

5

আপনি সত্যিই এই গেমটির কড়া অনুরাগী হয়ে থাকেন, তাহলে গেমটি বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গে লেগে পড়ুন। বেরিয়ে পড়ুন, কিছু পোকেমন খুঁজুন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব লেভেল ফাইভে উঠে যান। তারপর নিকটবর্তী কোন জিমে যান, সেখানে পোকেমনকে রাখুন। তাড়াতাড়ি জিমে যেতে পারলে বেশি সুবিধা হবে এবং আপনার পোকেমন দ্রুতই শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

মার্শাল আর্ট শিখে নিতে পারেন

6

এটি মোটেও ফাজলামো না। পোকেমন গো মানুষকে কিছু বাজে পরিস্থিতিতেও ফেলেছে, এবং গেমটি যারা খেলেছে তারা অনেক ক্ষেত্রে আক্রান্তও হয়েছে। ঘোরার সময় অপরিচিত কোন জায়গায় বিপদে পড়লে যাতে আত্মরক্ষার জন্য আপনি কিছু বিষয় শিখে নিতে পারেন।

পোকেমন গো শুরুর আগে কয়েকটি মৌলিক বিষয় শিখে নেওয়া প্রয়োজন। যদি আপনি ইতিমধ্যেই ভিন্ন কোন দেশে খেলাটি খেলে থাকেন, যেহেতু আপনার অভিজ্ঞতা আছেই, সেটি সুবিধেটুকু কাজে লাগান। নিরাপদ থাকুন এবং সবসময় আপনার চোখ ও কান খোলা রাখুন। পোকেমন মাস্টার হয়ে ওঠার জন্য চলার পথে বন্ধু বানান। বাংলাদেশের মধ্যে সবার আগে সবগুলোকে ধরার  চেষ্টা করুন।


Bikroy নিয়ে এলো মীর কাদিমের গরু এবং অন্যান্য কুরবানীর পশুতে ৭০% মূল্য ছাড়

Bikroy এই ঈদ-ঊল-আযহা উপলক্ষে কুরবানীর অনলাইন ক্রেতাদের জন্য নিয়ে এসেছে আকর্ষণীয় অফার। ত্যাগের মহিমার এই কুরবানীতে, Bikroy গ্রাহকদের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে দেশের বিখ্যাত ‘মীর কাদিম’ এবং ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ গরু। এই গরুগুলোর বিশেষত্ব হচ্ছে এগুলো সেরা জৈব খাদ্য খেয়ে পালিত, এর মাংস উৎকৃষ্ট ও স্বাস্থ্যকর এবং এগুলো ক্ষতিকর ইনজেকশন মুক্ত।

সৌভাগ্যবান ক্রেতারা কুরবানীর চমৎকার এই পশুগুলো কিনতে ক্রয় মূল্য থেকে ৭০% মূল্য ছাড়ের সুযোগ পাবেন। এই অফার পেতে আগ্রহী গ্রাহকদের Bikroy কুরবানী শপ (http://www.bikroy.com/qurbani) ভিজিট করতে হবে। সেখান থেকে গ্রাহকদের পছন্দের পশুর বিজ্ঞাপনটি ক্লিক করতে হবে এবং “বিজ্ঞাপনদাতাকে ইমেইল করুন” বাটনে ক্লিক করে গিয়ে পূর্ণাঙ্গ নাম, যোগাযোগের নম্বর এবং ঠিকানা পাঠাতে হবে। ঈদের এক সপ্তাহ আগে বিজয়ীদের সাথে যোগাযোগ করা হবে। অংশগ্রহণকারীরা প্রতিটি পশুর জন্য কেবল একবারই অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

কুরবানীর এই ঈদে Bikroy আরও কিছু দারুণ অফার নিয়ে এসেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, Bikroy মেম্বারদের কাছ থেকে মানসম্মত কয়েক হাজার কুরবানীর পশু, Sheba.xyz থেকে পশু জবাই ও পরিবহন সেবা এবং পশু জবাইয়ের সরঞ্জামসমূহ।

Bikroy- এর মার্কেটিং ডিরেক্টর মিশা আলী বলেন, “পবিত্র ঈদ-ঊল-আযহা” উৎসবে প্রত্যেকেই সেরা মানের পশু কুরবানী দিতে চায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই, উচ্চ মূল্য এবং পশুর নিন্মমানের কারণে গ্রাহকরা পশুর হাটে গিয়েও হতাশ হয়ে ফিরে আসেন। আমাদের ঈদ-ঊল-আযহা অফারে কিছু ভাগ্যবান ক্রেতা সর্বোচ্চ মানের পশু কিনতে পারবেন বিশাল মূল্য ছাড়ে। এছাড়াও ক্রেতারা আমাদের সাইটে সারা দেশের বিশ্বস্ত বিক্রেতাদের কাছ থেকে বিভিন্ন মানের আরও কিছু পশু, বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং সেবাসমূহ গ্রহণ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে আমরা ক্রেতাদের সম্ভাব্য সর্বোত্তম কুরবানীর কেনাকাটায় সেরা অভিজ্ঞতা দিচ্ছি”।


নতুন টয়োটা আভেঞ্জার টেস্ট ড্রাইভ

toyota avanza

টয়োটার নতুন মডেল অ্যাভেঞ্জা ২০১৬ যে একেবারে নতুন কিছু তা ভাবা ঠিক হবে না। এটি ঠিক বাজারে পুরোপুরি নতুন প্রজন্মের গাড়ির সংযোজন হিসেবে নয়, বরং নতুন সংস্করণ হিসেবে দেখা যেতে পারে যা এরকম প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে আস্থা বাড়ানোর লক্ষ্যেই নামানো হয়েছে। আর এ বিষয়ে তো কোন রাখঢাক নেই যে টয়োটা সবসময়ই বাহ্যিক চাকচিক্যের চেয়েও ব্যবহার-উপযোগিতার ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে আসছে। গাড়ির বিভিন্ন মডেলের মধ্যে অ্যাভেঞ্জাই বাংলাদেশে সবচেয়ে বিক্রি হয়। বিশেষ করে, পারিবারিক প্রয়োজনে ব্যবহারের ক্ষেত্রেই এটি বেশি চলে।

আসলে প্রদর্শনযোগ্যতার দিক থেকে অ্যাভেঞ্জা বরং পিছিয়েই থাকবে বাজারে। এটি বানানোই হয়েছে পারিবারিক ব্যবহারের দিক মাথায় রেখেই। খুবই কাজের, সামলানো সহজ, রাস্তায় বেরোতে, বা বেড়াতে যেতে সঙ্গী হবে। এর বিজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবেই বলে দেওয়া আছে, মালামাল, ছেলেমেয়ে, তাদের সরঞ্জামাদি, আত্মীয়স্বজন, গৃহশ্রমিক একসঙ্গে উঠতে পারবেন। সেক্ষেত্রে এটি একটি এমপিভির মতো, অর্থাৎ একটু বড় গাড়ির মতো কাজে দেবে।

toyota test drive

মালের ভারে হাল ছেড়ে দেওয়া ঘোড়ার মতো গাড়ি থামিয়ে দাঁড়িয়ে পড়বে না অ্যাভেঞ্জা। আপনাকেও অসহায়ের মতো মাঝপথে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। অ্যাভেঞ্জা প্রচুর মালামাল বহন করতে সক্ষম। মালপত্তর রাখার নির্ধারিত জায়গাগুলো বাদেও এর বিভিন্ন খাঁজে আপনি জিনিসপত্র আটাতে পারবেন। একটি এসইউভির মতো অত হয়তো পারবে না, কিন্তু হোন্ডা এইচআরভি, জেডিএম ব্রাদার, বা ভেজেলের চেয়ে কম নয়। এগুলোর সবই প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড। বিশেষ করে, ভেজেলের সুবিধা অনেক। দেখতে সুন্দর, চালিয়ে আরাম, প্রয়োজনীয় জায়গা, সাজসরঞ্জাম, যা আপনার দরকার।  আমি নিজে ভেজেল ২০১৩ চালিয়েছি, হাইওয়েতে, প্রতি ঘন্টায় ১৬০ কিলোমিটার গতিতে। তখন ছয়জন প্রাপ্তবয়স্ক ও একটি শিশু ছিল আমার সঙ্গে। সেই সঙ্গে তিনটে প্রমাণ সাইজের স্যুটকেস, বেশ কয়েকটি বড় হ্যান্ডব্যাগ, পিঠব্যাগ, ঠাসা ঝোলা। হ্যাঁ, ভেজেল যে কোনো দিনের জন্যই সই। ভেজেলের মতো বিশেষ কিছু না হলেও অ্যাভেঞ্জা কিন্তু সে তুলনায় খুব খারাপও  না। তাছাড়া হোন্ডা ভেজেলের চৌহদ্দিতে পা দিতে হলে আপনাকে অন্তত ৩২ লাখ টাকা গুণতে হবে। আপনার পরিবারের জন্য দেরা গারিতা খুঁজতে দেখুন “বেছে নিন আপনার পরিবারের জন্য সেরা গাড়িটি!

toyota dashboard

হুডের নিচে একটি ১.৫ লিটারের ডুয়াল ভিভিটিআই ৪ সিলিন্ডার, ২ এনআর-ভিই মোটর যা দিয়ে ১০৩ এইচপি এবং ১০০ পাউন্ড-ফুট টর্ক বা ঘুর্ণনবল তৈরি হয়। এটি আপনার নিশ্চয়তা দেবে না, বা প্রাইয়াসের মতো জ্বালানি সাশ্রয়ীও নয়। অ্যাভেঞ্জা সে অর্থে আহামরি কোন গাড়ি নয়। গাড়ির গতি বাড়ানো বা মাল বহনের ক্ষমতাও আহামরি লাগবে না। কিন্তু গাড়িটিকে আপনার সম্পূর্ণ ও সমর্থ মনে হবে। আপনি অবাক হবেন এর ইঞ্জিনের জোর দেখে, যখন সে একটি এমপিভির মতো সাতজনকে অনায়াসে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

toyota seat

বিশেষ করে এর তিনসারিতে আসন এবং সেগুলো ভাজ করার সুবিধা দিয়েই বাজিমাত করেছে অ্যাভেঞ্জা। বুদ্ধিমান যারা তারা নিশ্চয়ই লক্ষ করবেন  যে একটি ভেজেলে পাঁচটি আসন থাকে, এবং সেগুলো ভাঁজ করার সুবিধে নেই। ঠিকই ধরেছেন, কিন্তু এত জায়গা সবার লাগে না। আর অ্যাভেঞ্জার শেষ সারিতে বসতে গেলে জড়োসড়ো হয়েই বসতে হবে। সিএনজিতে কনভার্ট করার কথা, বা আরও মালামাল নেওয়ার কথা না হয় বাদই দিলেন। তার ওপর মাঝের ও পেছনের আসনগুলো সেভাবে নোয়ানোও যায় না। তাই ভাজ করার সুবিধা থাকা না থাকায় কিছু আসে যায় না, যদি সেটা জায়গার কথা ভেবেই করা হয়ে থাকে। যেহেতু গোমর ফাঁক হয়েই গেলো, ধরে নিই অ্যাভেঞ্জার ভেতরে প্রচুর জায়গার বিষয়টি পুরোটাই গল্প, একটি বাড়িয়েই বলা। এছাড়াও দেখুন টয়োটা বাংলাদেশে নিয়ে আসছে নতুন করোলা আলটিস

toyota seat front

আবার ৩০ লাখ টাকার বেশি যে গাড়ির দাম, তার ভেতরের দিকে প্রথমবার তাকিয়ে আপনি একটু হতাশও হতে পারেন। কিন্তু ভালভাবে দেখলে, কাজের দিকগুলো খেয়াল করলে আপনার সে সংশয় কেটে যাবে। কাজে লাগানোর মতো করেই সাজানো হয়েছে ভেতরটা। বিশেষ করে, সম্ভাব্য পারিবারিক ব্যবহারের দিকগুলোর প্রায় সব ব্যবস্থাই করা হয়েছে। অনেকগুলো ছোট গর্তের মতো জায়গার সংস্থান করা আছে যাতে আপনি এটা-ওটা রাখতে পারেন। সেসব এমন সুবিধেজনক করে সাজানো হয়েছে যে আপনার ভাল লাগবে। দেখার মতো উন্নতি যা ঘটানো হয়েছে তার বেশ কয়েকটি আছে বাইরের দিকে। সামনের দিকটা একেবারে নতুনভাবে বানানো, যেখানে গ্রিলের মধ্যে নতুন ধরনের হেডলাইট, তারপর বাম্পার এবং ফেন্ডার, আর পেছনের দিকে হালকা আলোর সমাবেশ। আগের গাড়িগুলোর চেয়ে এটিকে পোক্ত মনে হয়, সুন্দরও দেখায়।

toyota car

পরিশেষে, ব্যবহারগত দিকই অ্যাভেঞ্জার এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক। হতে পারে বাজারে অনেক গাড়ি আছে, যেগুলো বিলাসবহুল, দেখতে দারুণ, কিন্তু অ্যাভেঞ্জা প্রকৃত অর্থেই ফ্যামিলি কার, অর্থাৎ পারিবারিক ব্যবহারের বিবেচনায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী। আর যদি অ্যাভেঞ্জার নতুন সংস্করণটি আপনার কাছে বেশি ব্যয়সাধ্য মনে হয়, অন্তত দ্বিতীয় প্রজন্মের সেকেন্ডহ্যান্ড অ্যাভেঞ্জাও কিনতে পারেন। সেটির দাম হবে ২২ থেকে ২৪ লাখের মধ্যে। পরিবারের ব্যবহারের জন্য সেটি কিনলেও লোকসান হবে না।


কিনুন এবং জিতে নিন

 

আমাদের “Buy Now” সার্ভিস ব্যবহার করে যে ক্রেতারা পণ্য ক্রয় করবেন তারা ক্রয়কৃত পণ্যের উপর ১০০% মূল্য ফেরতের সুযোগ জিতে নিতে পারবেন। Bikroy ২০১৬ এর, অগাস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসের প্রতি সপ্তাহের জন্য “Buy Now” ব্যবহারকারীদের মধ্য থেকে একজন সৌভাগ্যবান বিজয়ী ঘোষণা করবে।

তাই আজই  “Buy Now” এর মাধ্যমে অনলাইনে শপিং করে এই সুবর্ণ সুযোগটি গ্রহণ করুন। বেশি বেশি ক্রয় করে জয়ী হওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করুন।

যেভাবে জয়ী হবেনঃ
• Bikroy.com থেকে Buy Now প্রক্রিয়া ব্যবহার করে যেকোন দ্রব্য ক্রয় করুন
• ক্রয়কৃত দ্রব্য হাতে পাওয়ার পর মূল্য পরিশোধ করুন
• Bikroy ক্রেতাদের লিস্ট  রিভিউ  করে, একজন কে বিজয়ী ঘোষণা করবে
• পূর্ববর্তী সপ্তাহের ক্রেতাদের মধ্য থেকে প্রতি সপ্তাহে একজন সৌভাগ্যবান বিজয়ী বাছাই করা হবে
• Bikroy.com সৌভাগ্যবান বিজয়ীর সাথে যোগাযোগ করবে
• যোগাযোগ করার পরবর্তী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে সৌভাগ্যবান বিজয়ীকে Bikroy.com এর অফিসে এসে পুরস্কার বুঝে নিতে হবে

শর্তাবলীঃ
• বিজয়ীর নাম এবং ছবি Bikroy প্রচারণার জন্য ব্যবহার করার অধিকার রাখবে
• Bikroy থেকে গৃহীত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং কোন প্রকার দাবি বা অনুসন্ধানের সুযোগ থাকবে না
• Bikroy যেকোনো সময় পূর্ব ঘোষণা ছাড়া এই প্রচারণার শর্তাবলী পরিবর্তনের অধিকার সংরক্ষণ করে। Bikroy এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শর্তাবলীর পরিবর্তনগুলো যেকোনো সময় কার্যকরী হবে

Buy Now সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতেঃ
http://bikroy.com/bn/buy-now


ডিজিটাল সেন্টারে ই-কমার্স সেবা দেবে এটুআই ও Bikroy

 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) কর্তৃক স্থাপিত ডিজিটাল সেন্টার সমূহে ই-কমার্স সেবা চালু করার লক্ষ্যে বিক্রয় ডট কম কাজ করবে। এ উপলক্ষ্যে সম্প্রতি একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম এবং বিক্রয় ডট কমের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক ও এটুআই প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার এবং বিক্রয় ডট কমের বিপণন পরিচালক মিশা আলী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। সমগ্র দেশব্যাপী একটি ই-কমার্স ইকোসিস্টেম প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ই-কমার্স বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রচার, সচেতনতা তৈরী, বিভিন্ন প্রশিক্ষণের চাহিদা নিরুপণ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচী পরিচালনা এবং কারিগরী সহায়তা প্রদানের বিষয়ে এটুআই প্রোগ্রাম ও বিক্রয় ডট কম যৌথভাবে কাজ করবে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রামের পলিসি এডভাইজর আনীর চৌধুরী, জনপ্রেক্ষিত বিশেষজ্ঞ নাঈমুজ্জামান মুক্তা, বিক্রয় ডট কম ব্যবস্থাপক (ক্যাটাগরি ম্যানেজমেন্ট) ঈসা আবরারসহ উভয় প্রতিষ্ঠান এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিক্রয় ডট কমের মার্কেটিং ডিরেক্টর মিশা আলী বলেন,   দেশব্যাপি এটুআই-এর ডিজিটাল সেন্টারগুলোতে তাদের ডিজিটাল সেবাসমূহ বাড়াতে গত বছরের শেষ দিক থেকে আমরা এটুআই-এর সাথে কাজ করছি এবং  এটি  অন্যতম একটি  সন্তোষজনক উদ্যোগ যার সাথে আমরা যুক্ত হয়েছি। ই-কমার্স-এর মাধ্যমে আমাদের দেশের মানুষের উপকারিতার প্রকৃত চিত্র দেখতে পাওয়া যাবে এবং ঢাকার মতো যাদের অবাধ তথ্যের ব্যবহারের সুবিধা নেই এই উদ্যোগ তাদের পরিপুরক অভিজ্ঞতা দেবে। এটি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগর অন্যতম একটি নির্দেশনা। আমি দেশব্যাপি এই উদ্যোগ সম্প্রসারণের জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি”।


৫ টি অতি প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন

Must Have Applications

১. পকেট 

Apps-Pocket-icon

মোবাইলে ইন্টারনেট সেবার যে বেহাল অবস্থা বাংলাদেশে, তা থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে পকেট নামের একটি অ্যাপ। এটি এমন একটি সেবা যাতে ওয়েবপেজ গুলোকে সংকুচিত করে, মানে কম্প্রেসড ভার্সন আকারে সংরক্ষণ করা যায়, যেগুলো আপনি অফলাইন অবস্থায় দেখতে পারবেন। ধরুন, আপনি যখন যানজটে আটকে আছেন, এমন সময়ে এই অ্যাপ দিয়ে মোবাইল ডাটা ব্যবহার না করেই আপনি সাংবাদ বা আপনার পছন্দের যে কোন বিষয় জেনে নিতে পারবেন। আরও সুবিধার দিক হচ্ছে, ওয়েবপেজ গুলো ডেস্কটপে গুগল ক্রম এক্সটেনশনের মাধ্যমে আপনার পার্সোনাল কম্পিউটার বা ম্যাক থেকে সেভ করতে পারবেন যা আপনি পরে আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে দেখতে পারবেন।

২. গুগল কীপ
google keep icon

প্রতিদিন আমাদের বহু কাজের খেয়াল রাখতে হয়, যা অনেক সময় চাপ হয়ে দাঁড়ায়, বিশেষ করে যখন অনেক কিছু একসঙ্গেী জমা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে গুগল কীপ অ্যাপটি হাতের নাগালের মধ্যে কাজের লিস্ট/ তালিকা রাখার সবচেয়ে বহুমুখী অ্যাপ্লিকেশন গুলোর একটি। এটি অন্যান্য অনেক গুগল অ্যাপস বা সার্ভিসের মতোই, পিসি বা ম্যাকের পাশাপাশি মোবাইলেও   ব্যবহার উপযোগী। কীপ-এর মাধ্যমে আপনার কাজ গুলোর তালিকা করতে পারবেন, নোট নিয়ে রাখতে পারবেন, এমনকি কাজের সময় ও স্থান অনুযায়ী সে আপনাকে যথাসময়ে আপনার কাজ গুলো স্মরণ করিয়ে দেবে।

৩. সুইফটকী 

SwiftKey-Keyboard-Icon1
সাধারণভাবে বলতে গেলে, প্রোডাক্টিভিটির জন্য প্রচুর টাইপ করতে হয়, এবং সুইফটকী গত পাঁচ বছর ধরে এন্ড্রয়েড কীবোর্ড অ্যাপ্লকিশেন হিসেবে ছিলো  অপ্রতিদ্বন্দ্বী  (এটি সম্প্রতি আইওএসে প্রবর্তন করা হয়েছে, যেখানেও সেটি সর্বোচ্চ মানের)। সুইফটকী প্রাথমিকভাবে জায়গা করে নেয় এর অবিশ্বাস্য টেক্সট প্রিডিকশন এলগরিদমের জন্য, যা আক্ষরিকভাবেই নিজেই বুঝে নেয় আপনি কীভাবে টাইপ করেন। এটি যেমন বিভিন্ন ভাষার শব্দগুলো শিখে নেয়, পাশাপাশি আপনি কোন ব্যক্তির সঙ্গে কীভাবে কথা বলেন, এমনকি আপনার ইমোজির ব্যবহারও শিখে নেয়। সত্যি কথা বলতে কি, শুধু সুইফটকী’র ওয়ার্ড প্রিডিকশন ব্যবহার করেই আমি কথা চালিয়েছি। সর্বোপরি, সুইফটকী দিচ্ছে জেশ্চার টাইপিং সিস্টেম বা হাত চালিয়ে লেখার পদ্ধতি, এছাড়া এটি একটি দারুণ থিম স্টোর।

৪. গুগল ইনবক্স 
google inbox

সব ইমেইল ক্লায়েন্ট একরকম করে বানানো হয়নি। অনেকেই স্বীকার করবেন, দীর্ঘকাল ধরে জিমেইলই সেরা ইমেল ক্লায়েন্ট। জিমেইলের কর্মীরা ২০১৪ সালের শেষের দিকে বিশেষভাবে এই ইমেইল অ্যাপটির ডিজাইন করেন, যেটা বিশেষভাবে জিমেইলের ইনবক্স তথা প্রোডাক্টিভির কথা মাথায় রেখেই বানানো হয়েছিল। এই অ্যাপটি এন্ড্রয়েড, আইওএস, ক্রম, ফায়ারফক্স ও সাফারিতে পাওয়া যায়। শুরুর দিকে হয়তো ইনবক্সটি ব্যবহারের জন্য কিছু বিষয় আপনার শিখে নিতে হবে, কিন্তু যখন আপনি অভ্যস্ত হয়ে যাবেন তখন আপনি আপনার ইমেইলের ইনবক্সের জটিল টাস্কগুলোও খুব অনায়াসেই করে ফেলতে পারবেন। এই অ্যাপের মাধ্যমে আপনি আপনার টাস্ক বা কাজগুলো ‘পিন’ করে রাখতে পারবেন বা সেঁটে রাখতে পারবেন যাতে আপনি সহজেই গুরুত্বপূর্ণ ইমেইলগুলো চিহ্নিত করে রাখতে পারেন এবং এটিতে শুধু পিনড করে রাখা টাস্কগুলো দেখার ব্যবস্থাও রয়েছে। ইমেইলের  প্রকার বা ক্যাটাগরি করাটা ইনবক্স ব্যবহারের অন্যতম দিক। একইসঙ্গে যে ইমেইলগুলোর কাজ হয়ে গেছে সেগুলো চিহ্নিত থাকাও দরকার। মানে যেসব ইমেইলের কাজ হয়ে গেছে সেগুলোকে ইনবক্সের মেইন ভিউ থেকে আলাদা করে দেখতে পাবেন, যাতে আপনার যে কাজগুলো এখনো বাকি বা ঝুলে আছে তা আপনি বুঝতে পারেন।

৫. ব্রেইন ফোকাস প্রোডাক্টিভিটি টাইমার


brain focus logo

যদি একটি কাজ নিয়ে আপনার দীর্ঘ সময় ধরে পড়ে থাকতে হয় সে ক্ষেত্রে এই অ্যাপ্লকিশেনটি বিশেষভাবে সহায়ক। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য এটি খুবই দারুণ। এই অ্যাপটি “পোমোদরো” পদ্ধতি ব্যবহার করে (আপনি ২৫ মিনিট নিরবিচ্ছিন্ন কাজ করলেন, তারপর একটি ৫ মিনিটের বিরতি নিলেন)। এর একটি সহজে ব্যবহার করার মতো লেআউট আছে যাতে আপনার কাজে ব্যাঘাত না ঘটে। এটি কাজ সম্পন্ন করাতে সাহায্য করবে এবং কাজের ফাঁকে প্রয়োজনীয় অবকাশ সৃষ্টি করে আপনার প্রোডাক্টিভিটি বা উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে তুলবে । অ্যাপ স্টোরে অনেক অ্যাপ্লকিশেন আছে.যেগুলোর কাজ মোটামুটি একই ধরনের। তাই যেটি আপনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন, স্রেফ সেটি বেছে নেওয়ার ব্যাপার (আপনি আইওএস-এ পোমোদরো কিপার ব্যবহারের চেষ্টা করে দেখতে পারেন)।


সুলভমূল্যে বিএমডব্লিউ : সবার নতুন এক্স ওয়ান

মাত্র এক মাস আগেই ২০১৬ সালের নতুন ব্র্যান্ডের বিএমডব্লিউ (ব্যাভারিয়ান মোটর ওয়ার্কস) এক্স ওয়ান ঢাকায় উদ্বোধন করা হয়েছে। এক্সিকিউটিভ মটরস এর মাধ্যমে অত্যন্ত সুলভমূল্যে (আলোচনা সাপেক্ষে প্রত্যাশিত মূল্যেই) অর্থ্যাৎ ৮০ লাখ টাকারও কমে পাওয়া যাচ্ছে অত্যাধুনিক এই গাড়ি। বিএমডব্লিউ এর নতুন এক্স ওয়ান গাড়িগুলোতে আগের সব বৈশিষ্ট্যে পরিপূর্ণ হয়েই বাজারে এসেছে এবং গাড়িটি চালানোও অত্যন্ত আনন্দদায়ক।

1 (2)

এক্স ওয়ান গাড়িটি তাদের জন্য, যারা বা যেসব পরিবার প্রথমবারের মতো জার্মানীর লাক্সারিয়াস গাড়ি কিনবেন অথবা যেসব পরিবারে ইতোমধ্যে থ্রি অথবা ফাইভ সিরিজের সিডান গাড়ি রয়েছে কিন্তু তারা এর পাশাপাশি আরও একটি এসইউভি (স্পোর্ট ইউটিলিটি ভ্যাহিকল) গাড়ি নিতে চান, তাদের জন্যই এক্স ওয়ান। বিএমডব্লিউ এর এক্স রেইঞ্জ-এ এক্স ওয়ান মডেলটি হচ্ছে এসইউভি এর বাচ্চা (বেবী)। এক্স থ্রি এবং ফ্ল্যাগশিপ এক্স ফাইভ এই দুটির চেয়ে এক্স ওয়ান মডেলের গাড়িটি একটু ছোট, তবে অনেক বেশি কার্যকর এবং গাড়িটি চালানো এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা অনেক সহজ, খরচও কম। এক্স ওয়ান গাড়িটি অন্যান্য এসইউভি এর মতো আপনার পকেট ফাঁকা করে (খুব বেশি খরচ করে) নয়, বরং প্রত্যাশিতভাবেই বিএমডব্লিউ এর অভিজ্ঞতা প্রদান করবে।

গত পাঁচ বছর ধরে বিএমডব্লিউ এর মূল তত্ত্বই হচ্ছে মূলত গাড়িটিতে যথাযথ সক্ষমতা এবং অত্যধিক বিলাসিতা সঠিকভাবে বজায় রাখা। এছাড়া আর অন্য কিছু তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, গাড়িগুলোতে ১.৫ লিটারের তিনটি সিলিন্ডার, দুটি পাওয়ার টার্বো পেট্রোল ইঞ্জিন রয়েছে। মূলত তারা টু এবং থ্রি সিরিজের অপেক্ষাকৃত নতুন মোটর গাড়িগুলোতে যত বেশি সম্ভব শক্তির উৎস নিযুক্ত করেছে। এটি ছোট কিন্তু এখনো অনেক শক্তিশালী। গাড়িটি ছোট হওয়ার ফলে বিএমডব্লিউ গাড়ির উপর যে নিয়ন্ত্রণমূলক আমদানি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে তা এড়াতে সহায়তা করবে এবং আমাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মার্কেটেও এটিকে পৌঁছাতে সহযোগিতা করবে।

বিএমডব্লিউ তাদের টার্বোচার্জ ইঞ্জিনের ধারণাটি গ্রহণ করেছে এবং এটি তাদেরকে তাদের মূলের দিকেই ফিরিয়ে নিয়েছে অর্থ্যাৎ ৭০’র দশকে। টার্বো চার্জার হচ্ছে ডিসপ্লেসমেন্টের সাথে সাথে ইঞ্জিনের সাইজ কমানোর অন্যতম একটি পদ্ধতি। কিন্তু এই পরিবর্তন করতে গিয়ে পাওয়ার যেন ঠিক আগের মতোই থাকে সেই বিষয়টি অবশ্যই নিশ্চিত করতে হয়েছে। প্রয়োজনীয় পাওয়ারের জন্যই মূলত ফুয়েলের পরিমানটা কমানো হয়েছে। আর এটাই অটোমোবাইল পারফরমেন্সের বিশ্বে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। কিন্তু এটা কি বিশ্বব্যাপী তেল সঙ্কটের মোকাবেলা করতে গাড়ি এবং গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহযোগিতা করা করা কিনা।

এবং বিএমডব্লিউ তাদের সবচেয়ে ছোট এসইউভি’তে ছোট মোটর স্থাপন করে সেটির রেইঞ্জ পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়। টুইনপাওয়ার নামকরণের বা নামাবলীর কারণে অনেক মানুষ মনে করছেন যে এই ইঞ্জিনটি টুইন টার্বোর মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এই টুইন টার্বো ইঞ্জিনটি তৈরি করা হয়েছে একটি সিঙ্গেল টুইন স্ক্রল টার্বোচার্জারে। এটি যেনো নিঃশব্দে কাজ করে সেভাবেই ডিজাইন এবং ব্যাকগ্রাউন্ড করা হয়েছে। ইঞ্জিনের নিম্ন এবং মধ্যম রেইঞ্জের সমন্বয় করার জন্য পাওয়ার এবং টর্ক সংযুক্ত করা হয়েছে। যখন এটি কাজ করে তখন ঠিক প্রকৃতিকভাবে এ্যাসপাইরেটেড ইঞ্জিনের মতোই কাজ করে। এটি প্রাকৃতিকভাবে এ্যাসপাইরেটেড ইঞ্জিনের মতো মনে হবে, যদি না জাপানিজ এবং জার্মানরা টার্বোচার্জারের প্রমানগুলো লুকিয়ে এবং গোপন করতে চান। ইঞ্জিনটি ১৩২ এইচপি (হর্সপাওয়ার) এবং ১৬২ এলবি-এফটি (পাউন্ড-ফুট) টর্কে সজ্জিত। ১.৫ লিটারের মোটরটি অনেক শক্তিশালী এবং নিশ্চিদ্র। তাই থ্রি সিলিন্ডার আপনাকে বোকা বানাক এটা হতে দেবেন না।

2

যখন আপনি এক্স ওয়ান গাড়িটি চালাবেন, তখন এক্স ওয়ান এর পরিপূর্ণ মিড রেইঞ্জ মোটর আপনাকে অনেক বেশি আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা দিবে। এই গাড়ির ইঞ্জিন ৪৫০০ থেকে ৫৫০০ আরপিএম বা রেভ্যুলুশন পার মিনিট (রোটেশন বা ঘূর্ণনের ফ্রিকোয়েন্সির পরিমাপ) রেইঞ্জে ভালো চলে। যতক্ষণ না আপনি ইঞ্জিনের স্বাভাবিকতা নষ্ট করে আকস্মিক কোন নির্দেশনা ভঙ্গ করবেন বা প্রয়োজন মনে করবেন ততক্ষণ ইঞ্জিনটি মৃদুস্বরে গরগর আওয়াজ করবে। যদি আপনি আলতোভাবে ট্রোটল এর উপর চাপ দেন, এর ফল হবে প্রাণবন্ত, নিঃশব্দ আওয়াজ এবং স্পীড মিটার বাড়তে থাকবে। এটা এক্সিলারেশনের তীব্রতা পরিমাপের জন্য নয়, যদিও যখন আপনি গাড়িটি খুব বেশি ঠেলাঠেলি করবেন তখন অমসৃণ সিলিন্ডারের কনফিগারেশন ইঞ্জিন একটু রুক্ষ ও অনিয়মিত শব্দ করবে।

আপনি যদি আপনার বিএমডব্লিউ এসইউভি গাড়িটি নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যেতে চান অথবা রোডট্রিপে (লং ট্রিপে) যেতে চান তাহলে এটি মহাসড়কে খুব ভালোভাবেই চলবে এবং আপনার দারুন অভিজ্ঞতা হবে। তবে হাইওয়েতে গাড়ি চালানোর সময় যেখানে শহরের ট্রাফিক সঙ্কেত চোখে পড়বে সেখানে গাড়ি ধীরে ধীরে চালানো, গতি নিয়ন্ত্রণের জন্য আপনার ডান পায়ে প্রয়োজনীয় টর্ক রয়েছে এবং ৮ স্পীড স্টেপট্রোনিক গিয়ারবক্স স্টপ স্টার্ট ট্রাফিকে মৃদুমন্দ বায়ু নেভিগেইট করে।

3

একটি বিএমডব্লিউ গাড়িতে আপনি যেধরণের সুযোগ-সুবিধা বা আরামদায়ক প্রত্যাশা করেন এক্স ওয়ান মডেলের গাড়িটির ভিতরে আপনি তার সবধরণের সুযোগ-সুবিধাই পাবেন। বিএমডব্লিউ এর সিগন্যাচার ইনফটেনমেন্ট সিস্টেম, বিএমডব্লিউ আই-ড্রাইভ প্রযুক্তি সত্যিই অবিশ্বাস্য। এই প্রযুক্তি বিএমডব্লিউ এর মূল দুই প্রতিদ্বন্ধী মার্সেডিজ বেনজ এবং লেক্সাসে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি সহজ এবং ব্যবহার উপযোগী (ইজার ফ্রেইন্ডলি)। বিএমডব্লিউ এর সিগন্যাচার ইনফটেনমেন্ট সিস্টেম, বিএমডব্লিউ আই-ড্রাইভ প্রযুক্তির মাধ্যমে আপনি অন-বোর্ড ভেহিকল ইনফরমেশন এবং ডিজিটাল ইউজার ম্যানুয়ালের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় মাল্টিমিডিয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করতে সক্ষম হবেন। গাড়িটিতে আপনি পাচ্ছেন ব্লুটুথ হ্যান্ডসফ্রি এরসাথে একটি সুবিন্যাস্ত ও পরিপূর্ণ অডিও অপশন, ফোনবুক সিন্ক এবং স্টিয়ারিং মাউন্টেড কন্ট্রোল। পাশাপাশি থাকছে ডুয়েল জোন ক্লাইমেট কন্ট্রোল, রিয়ার এয়ার-কন্ডিশনিং, একটি যান্ত্রিক শক্তি সম্পন্ন প্যানেরোমিক ছাদ এবং আটটি এয়ারব্যাগসহ নিরাপত্তার আরও অনেক বৈশিষ্ট্য, পার্কিং সেন্সর এবং সেইফটি রেস্ট্রেইনিং সিস্টেম। এক্স ওয়ান গাড়িটিতে যেসব উপকরণ ব্যবহার এবং যেভাবে সাজসজ্জিত করা হয়েছে তা যদি আপনি অন্য কোন গাড়িতে পেয়ে যান তাহলে আপনি একজন সন্তুষ্ট গাড়ি ব্যবহারকারী হবেন।

সামনের এবং পিছনের দিকের সীটগুলো সুন্দর সেনসেইটেক চামড়া দিয়ে সুসজ্জিত। আপনার জার্নি বা যাত্রা যদি অনেক দীর্ঘ হয় তারপরও রেশমের তৈরি এসব সীট আপনার জন্য আরামদায়ক হবে। যদিও এক্স ফাইভ এবং এক্স সেভেন সিরিজের ফ্ল্যাগশিপে যে অভিনব ব্যাক ম্যসেজ এবং ভ্যান্টিলেশন ট্রিকারি (বাতাস চলাচলের জন্য জানালা) ছিল তা এই এক্স ওয়ান গাড়িটিতে নাই। যদি তাদের ছোট এসইউভি গাড়ির সিটগুলো চামরা দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে তারপরও এখন পর্যন্ত বিএমডব্লিউ এর অনেক প্রিমিয়াম নেচার বা প্রকৃতি সম্পর্কে বলা যায়। পিছনের দিকের সিটে বসার জন্য পা রাখার পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে এবং পেছনের দিকে যে লাগেজ রাখার জায়গা রয়েছে সেখানে যে কোন ধরনের লাগেজ রাখা যাবে। তবে গাড়ির প্রস্থ নিয়ে ছোট একটি অভিযোগ আছে, এক্স ওয়ান গাড়িতে যদি যাত্রীর সিটে একজন মোটাসোটা ব্যক্তি বসে এবং ড্রাইভিংয়ের সঙ্কীর্ণ সিটে একজন বেশ মোটাসোটা ব্যক্তি একসঙ্গে বসে তাহলে মাঝখানের কনসোল আর্মেস্ট (চেয়ারে যেমন হাত রাখার জন্য হাতল থাকে) এর উপর হাত রাখতে গেলে ঘষা খাবে বা হাত রাখার জায়গার জন্য যুদ্ধ করতে হবে।

4

অন্যান্য গাড়ির চেয়ে এক্স ওয়ান গড়িটির আয়তন সরু ও সংকীর্ণ, তবে আপনাকে বিএমডব্লিউ এসইউভি এর অভিজ্ঞতা গ্রহণের জন্য খুব বেশি দুরে নিতে হবে না। গাড়িটির সাসপেনশন খুব সুন্দরভাবে টিউন (মিল বা ঐক্য) করা হয়েছে, এর ফলে আপনি যখন সুন্দর সড়ক এবং গ্রামের কর্দমাক্ত রাস্তা বা ভূ-খণ্ড দিয়ে গাড়ি চালাবেন উভয় ক্ষেত্রেই আপনাকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে চলতে সহায়তা করবে, চালানোর সময় কোন ধরণের ড্রপ হবে না এবং সুইচওভার (পক্ষপরিবর্তন) খুব আরামদায়ক। এই এসইউভি গাড়িটি অমসৃণ (খানা খন্দের রাস্তা বা উচু-নিচু) সড়কে সম্পূর্ণ সফট-রোডারের মতো করে চলবে না। আপনি আপনার পাজেরো অথবা প্রাডোর গাড়িটি যেভাবে ব্যবহার করেন এই গাড়িটিও সেইভাবেই ব্যবহার করতে পারবেন। তবে তা সত্ত্বেও সম্ভবত ছোট একটি ডিগ্রির ব্যবধান আছে।

এসব বিষয় মাথায় রেখেই বলা যায়, বিএমডব্লিউ এক্স ওয়ান তাদের জন্য বিষয়টি পুরোপুরি ইদ্রিয়গ্রাহ্য (বোধগম্য) করে তুলেছে যারা প্রথমবারের মতো বিএমডব্লিউ কেনার কথা ভাবছিলেন এবং কেনার জন্য খুঁজছিলেন। যতক্ষণ না আপনি ৯০’র দশকের থ্রি সিরিজের মধ্য থেকে কোন একটি ঠিক করবেন, আপনি দেখবেন বিক্রয় ডটকমে পাঁচ লাখ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বিএমডব্লিউ গাড়ির মালিক হওয়ার জন্য এক্স ওয়ান হচ্ছে পথম পদক্ষেপ বা প্রবেশদ্বার। আর এসইউভি এর জন্য আপনাকে কেন যেতে হবে না, এটি হচ্ছে কোয়াইট, লাক্সরিয়াস, এখনো অনেক বেশি মিতব্যায়ী, আধুনিক প্রযুক্তিতে পরিপূর্ণ এবং অনেক পথ পাড়ি দিতে সক্ষম।


বাংলাদেশে ব্যবহৃত গাড়ী কেনার কৌশল

এখনকার দিনে ব্যবহৃত গাড়ীর বাজার উল্লেখযোগ্য পরিমানে কার্যকরি হতে দেখা যাচ্ছে। এটাকে মোবাইলের উর্ধ্বমুখী, মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিস্তৃতির সাথে সাথে নিজস্ব গাড়ী চালানোর আকাক্সক্ষা এবং প্রতি তিন থেকে চার বছরে পরিবারগুলো ভেঙে যে নতুন পরিবার গঠন হচ্ছে তারই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বলা যেতে পারে। অনলাইনে সেকেন্ডহ্যান্ড (অন্যের হাতে আগে ব্যবহার হওয়া) গাড়ী বিক্রির সংখ্যাও প্রতিনিয়ত ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

যদি কেউ একজন একটি ব্যবহৃত গাড়ী কিনতে যান তাহলে, এই ব্যবহৃত গাড়ী ক্রয় করার ক্ষেত্রে তার অনেক বেশি মানসিক চাপের অভিজ্ঞতা হবে। কেননা যখন আপনি একটি ব্যবহৃত গাড়ী দেখবেন এবং কেনার জন্য ঠিক করবেন তখন আপনাকে অনেক অজানা পরিবর্তন ও বিষয়ই অকপটে বিবেচনায় নিতে হবে এবং মেনে নিতে হবে। আর গাড়ীটি নির্ধারণের ক্ষেত্রে যখন চিন্তা করবেন এটি কি আপনার জন্য সঠিক হবে কিনা। এক্ষেত্রে একটি অনুশীলন যথেষ্ট। যখন একটি ব্র্যান্ড নিউ গাড়ী কেনা হয় তখন সেই গাড়ী সম্পর্কে তথ্য পাওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়। কারণ নতুন গাড়ী সম্পর্কে আপনার যেসব তথ্য প্রয়োজন তার সবই ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। কিন্তু ব্যবহৃত গাড়ীর ক্ষেত্রে, ওই গাড়ীর আগের অবস্থা এবং মানের ইতিহাস এবং গাড়ীটি কিভাবে ড্রাইভিং করা হয়েছে ও কিভাবে রক্ষাণাবেক্ষণ করা হয়েছে ইত্যাদির একটি বড় অংশ আপনি জানেন না, যা শুধু আগের ব্যবহারকারীই সবচেয়ে ভালো জানেন। গাড়ীর অধিকাংশ মেকানিক্যাল পার্টস আপনার কাছে সত্যিই দৃশ্যমান হবে না। আর এটা গাড়ী কেনার ক্ষেত্রে আপনার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে। এজন্য যদি সম্ভব হয়, গাড়ীর আগের মালিক গাড়ীটি কিভাবে যতœ নিয়েছে, চালিয়েছে তা খুঁজে বের করুন এবং অতীতে সম্ভাব্য বড় ধরণের কোন যান্ত্রিক সমস্যা, ত্রুটি বা ব্যর্থতা হয়েছিল কিনা তাও জানার চেষ্টা করুন।

যখন আপনি ব্যবহৃত একটি গাড়ী কিনতে যাবেন তখন কিভাবে সঠিকভাবে যাচাই করবেন এবং ঝুঁকি কমাবেন তার কিছু উপায় বা কৌশল রয়েছে। নিচে এধরণের কিছু টিপস উল্লেখ করা হলো:

2

ব্যবহৃত গাড়ী কিনতে গেলে অবশ্যই মধ্যস্বত্বভোগী অথবা শোরুম হতে কেনা থেকে বিরত থাকুন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে, যে সব মধ্যস্বত্বভোগী অথবা শোরুমে আপনাকে ব্যবহৃত গাড়ীটি দেখানো হচ্ছে সেই গাড়ী এবং গাড়ীর বিগত দিনের ইতিহাস (অতীতে ব্যবহার) সম্পর্কে তাদের সম্পূর্ণ ধারণা নেই এবং গাড়ীর কন্ডিশন সম্পর্কে যেসব উদ্দীপনা ও অনুপ্রেরণাদায়ক কথা বলা হবে তার কোনটিই সত্য নয় (কথাটি শুনতে খারাপ লাগবে, তবে কিছু কিছু গাড়ীর মালিক সত্যিই অনেক সত্যবাদী ও ন্যায়পরায়ন)। উপরন্তু অধিকাংশ মধ্যস্বত্বভোগী তাদের লাভের সীমাকেই সবার আগে এবং সবচেয়ে বেশি বিবেচনা করে ও অটুট রাখার চেষ্টা করবে। তাই তাদের সাথে গাড়ীর দাম নিয়ে আলোচনা করা (দাম নিয়ে দরাদরি) একটু কঠিন এবং তাদের সাথে আলোচনা করে গাড়ী কিনলে আপনাকে প্রয়োজনের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বেশি পরিশোধ করতে হবে।

ব্যবহৃত গাড়ী কেনার ক্ষেত্রে সবসময় গাড়ীটি ড্রাইভিং করে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করার উপর জোড় দিন। কারণ গাড়ী বাইরে থেকে দেখা এবং গাড়ীতে চড়া (আরোহন করা) এটা আসলে ড্রাইভিং করে বোঝা থেকে সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন। গাড়ী বাইরে থেকে দেখে সুন্দর ও ভাল মনে হলেও যতক্ষণ না আপনি গাড়ী ড্রাইভ করবেন ততক্ষণ কিছু বিষয় যেমন গাড়ীর ব্রেক, স্টিয়ারিং এর রেসপনস (প্রতিক্রিয়া বা কেমন কাজ করে), চাকার বিয়ারিং এর শব্দ বা এর কোন সমস্যা আছে কিনা এবং এক্সিলারেটের (গতি বৃদ্ধি) ক্ষেত্রে ইনপুট ইঞ্জিনের সংবেদনশীলতা (মান ও অবস্থা) কেমন তা বোঝা সম্ভব নয়। আপনি নিজে গাড়ী ড্রাইভ না করলে গাড়ীর এই গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো সম্পর্কে কখনই প্রকৃত অবস্থা বুঝতে পারবেন না। আপনি যদি এই বিষয়গুলো ভালোভাবে না জানেন বা সঠিকভাবে বিচার বিবেচনা করতে না পারেন তাহলে এমন একজন পরিচিত মেকানিক অথবা একজন বন্ধুকে সাথে নিয়ে যান যিনি ওই নির্দিষ্ট মডেলের গাড়ী (যেটি কেনার জন্য মনস্থির করা হয়েছে) সম্পর্কে ভালো জানে এবং যখন গাড়ীটি ড্রাইভ করা হয় তখন ইনপুট ইঞ্জিন কেমন রেসপনস করে তা বুঝতে পারে।

যখন গাড়ী কেনার জন্য দেখা হয় তখন চেসিসের স্টিফনেস এবং স্ট্রেইটনেস পরীক্ষা করেছেন তা নিশ্চিত হয়ে নিন। এই দেশে যেখানকার সড়কে এমন আইন দৃষ্টিগোচর হচ্ছে এবং প্রতিনিয়তই ঘটছে যে, যেভাবেই হোক “আপনার নিজের পথ নিজে তৈরি করে নেয়া”। বর্ধিত সময়সীমার মধ্যে ব্যবহৃত হয় এসব গাড়ীরই অন্তত একটি দৃষ্টান্ত অবশ্যই আছে যেখানে এগুলো ফেন্ডর বেন্ডরে (মোটরযানের মধ্যে ছোটখাট সংঘর্ষ) জড়িত হয়েছে। তাই এটি নিশ্চিত করতে হবে যে, গাড়ীর চেসিস কি নষ্ট হয়েছে নাকি ভালো আছে। একটি টর্চলাইট নিন, হুডটি তোলেন, এর পার্শ্বগুলো পরীক্ষা করুন, ইঞ্জিনের দুই পার্শ্বের মেটালের উপরিভাগ, পাশাপাশি দুই হেডলাইট জুড়ে যে মেটালগুলো রয়েছে তা পরীক্ষা করুন। যদি সেখানে কোন ধরণের ঢালাইয়ের প্রমান বা চিহ্ন (উচু-নিচু, এবড়ো-থেবড়ো, স্কুইগলি লাইন বা অস্বাভাবিক দাগ, সমতল মেটাল থেকে মেটাল কিছুটা বর্ধিত) পাওয়া যায় অথবা যদি বেকে যাওয়ার কোন চিহ্ন বা প্রমান, বাড়তি খোলা কোন মেটাল পাওয়া যায়, তাহলে নিশ্চিতভাবে বলা যায় এবং এই চিহ্নগুলোর অর্থ হচ্ছে গাড়ীর চেসিসটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং পরবর্তীতে এটি মেরামত করা হয়েছে। একইভাবে কার্পেটটি সরিয়ে নিয়ে গাড়ীর ট্রাঙ্ক (গাড়ীর মূল বডিটি) এবং অতিরিক্ত চাকার দুই সাইডই পরীক্ষা করে নিন।

গাড়ীর বডিতে এক্সিডেন্ট অথবা অন্য কোন কারণে কোন ধরনের ক্ষতির চিহ্ন আছে কিনা তা দেখে নিন। কিছুটা ঝুঁকে গিয়ে (নিচু হয়ে বা কাছ থেকে) গাড়ীর পিছন থেকে সামনের দিক পর্যন্ত এবং গাড়ীর নিচের দিকের অংশটুকু ভালোভাবে দেখে নিন। পুনরায় অন্য পাশটিও ভালোভাবে দেখে নিন। যদি বডি প্যানেলে (যা দিয়ে বডিটি তৈরি) উচু-নিচু, এবড়ো-থেবড়ো বা ঢেউ খেলানো থাকে তাহলে বুঝতে হবে গাড়ীর বডির ওই পাশটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাড়ীর দরজাগুলোর প্যানেলে, হুড এবং ট্রাঙ্কে কোন ধরণে ফাঁকা আছে কিনা তাও পরীক্ষা করে নিন। বডির যে অংশগুলো খোলা হয় সেগুলোর মধ্যে যদি ফাঁকা থাকে এবং উভয় অংশের মধ্যে যদি সঙ্গতিপূর্ণ না হয় (উদাহরণ স্বরূপ, হুডের ডান এবং বাম দিকের হুড ও ফেন্ডরের মধ্যে ছোট গ্যাপ), তাহলে বুঝতে হবে গাড়ীর এই বডিটিতে বড় ধরণের ক্ষতি হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর তা মেরামত করা হয়েছে।

যখন আপনি কোন ব্যবহৃত গাড়ী কিনবেন তখন ওই গাড়ীর ইঞ্জিন পরীক্ষা করা হলো সবচেয়ে সহজ। ইঞ্জিন পরীক্ষার সহজ পদ্ধতি হলো, ড্রাইভারের সিটে বসুন এবং ড্রাইভ করে দেখুন। ড্রাইভ করার সময় যদি ইঞ্জিন স্লো রেসপনস করে এবং এর শব্দ যদি হুইজি এবং নিয়ন্ত্রিত মনে হয়, তাহলে নিশ্চিতভাবে ধরে নিন ওই গাড়ীর ইঞ্জিনটি অন্তিমশয্যায় (সময় শেষ)। গাড়ী দাঁড় করিয়ে এর হুডটি তুলুন, ইঞ্জিন চালু রাখুন এবং এসি অন করে দিন- ইঞ্জিনের শব্দ পরীক্ষার জন্য পিকআপ বাড়িয়ে কমিয়ে খড় খড় শব্দ শুনুন, ক্রমাগত কম শব্দ করুন এবং আকস্মিকভাবে দ্রুত অত্যধিক শব্দ করুন। হ্যান্ডব্রেক অন করে গাড়ী গিয়ারের মধ্যে রাখুন, যখন গিয়ারের মধ্যে রাখা হয় তখন যদি ইঞ্জিন অত্যধিক শব্দ করে এবং ঝাঁকি দেয় তাহলে ইঞ্জিন ও গিয়ারবক্স মাউন্টিংস ক্ষতিগ্রস্ত। আর গাড়ীটি কেনার আগে অবশ্যই কোন ওয়ার্কশপে নিয়ে যান এবং সেখানে গাড়ীর ফ্যাসিলিটিজগুলো পরীক্ষা করুন এবং ইঞ্জিনের চাপও পরীক্ষা করে নিন।

গাড়ীর স্কাফ মার্কসের অভ্যন্তরে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করুন। বিশেষ করে দরজার হ্যান্ডলগুলো, জানলার সুইচ এবং ড্যাশবাক্স। দরজায় স্কাফ মার্কসসহ সেকেন্ডহ্যান্ড (অন্যের হাতে ব্যবহার হওয়া) গাড়ী কেনা মানে হচ্ছে, এতে আপনি দেখতে পাবেন ধোলাইখাল থেকে স্কাফ মার্কস কিনে দরজায় লাগিয়ে দেয়া হয়েছে এবং এটি সস্তাও নয়। আর গাড়ীর ছাদের ভিতরের অংশে যদি খোঁচা-খোঁচা রুক্ষ রেশমের কার্পেট এবং কিছুটা বেড়ে থাকে, তাহলে এই গাড়ীটিতে পানি ঢুকেছে (প্লাবিত হয়েছে)। আর আপনি নিশ্চয় এমন একটি গাড়ী কিনতে চান না যে গাড়ীটি পানিতে ভিজেছে এবং পানিতে ছিল, সেটা যে কারণেই হোক।

আর অবশেষে যখন গাড়ী কেনার সিদ্ধান্ত হবে তখন বড় বিষয় হচ্ছে গাড়ীর যেসব পার্টস বা অন্যান্য সমস্যা আছে তা ঠিক করা এবং মূল্য নিয়ে দরাদরি করা। বিক্রেতা আপনাকে বলবে গাড়ীটি আপনার কাছে বিক্রি বা হস্তান্তরের আগে আপনাকে সবকিছু ঠিকঠাক করে দেবে। কিন্তু এটা কখনই করবেন না। কারণ অনেকক্ষেত্রেই এমন হয় যে, বিক্রেতা আপনার কাছে গাড়ী হস্তান্তর করার আগে নিম্নমানের এবং নকল পার্টস দিয়ে ঠিক করে হস্তান্তর করে। আর এটি সব সময় ভালো হয়, যদি আপনি দাবি করেন যে, আপনি নিজে গাড়ীর পার্টসগুলো কিনবেন এবং ঠিক করে নিবেন।

3

এটা খুব কঠিন কাজ না, যে একটা ভালো ব্যবহৃত গাড়ী খুঁজে পাওয়া এবং ওই গাড়ী খুব সুন্দরভাবে ৫ থেকে ৬ বছর চালানো। এটা নির্ভর করে আপনি যখন গাড়ী খুঁজেন সেই প্রচেষ্টা এবং আপনার স্মার্ট সিদ্ধান্তের উপরই। যদিও রিকন্ডিশন অথবা ব্র্যান্ড নিউ গাড়ী কেনার চেয়ে সেকেন্ডহ্যান্ড গাড়ী কেনার পরও আরও অনেক কাজ আছে। তারা (বিক্রেতারা) আপনাকে খুব কম দামে একটি ভালো গাড়ী কেনার সুযোগ করে দিচ্ছে এবং সত্যিই আপনার নিজের একটি গাড়ীর অভিজ্ঞতা হবে। কারণ এটি আপনি সারিয়ে নিবেন এবং এরপর অনেক দিন চালাবেন। সম্পর্কের মতো করে এটি চিন্তা করুন যার সাথে আপনাকে ক্রমাগত কাজ করতে হবে এবং আপনার নিজেকে জিজ্ঞেস করুন এটা আপনার কাছে কতটা মূল্যবান।


মিলওয়ার্ড ব্রাউনের জরিপ মতে বিক্রয় ডট কম প্রথম সারির তিনটি ওয়েবসাইটের একটি, টানা দুই বছর ধরে শীর্ষে

দেশব্যাপি ১,০০৮ জন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ওপর মিলওয়ার্ড ব্রাউন পরিচালিত একটি জরিপ প্রতিবেদনে দেখা যায়, স্থানীয় সকল অনলাইন কেনা-বেচার ওয়েবসাইটের মধ্যে বিক্রয় ডট কম সিংহভাগ মানুষের টপ অব মাইন্ডে রয়েছে। এতে দেখা যায় বিক্রয় ডট কম ৯০% মানুষের পছন্দের সাইট, যা ২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ১৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তরদাতাদের কাছে সেই সব ওয়েবসাইটের কথা জানতে চাওয়া হয় যা তাদের পছন্দের ও বারবার ভিজিট করেন, এটা আশ্চর্যের বিষয় নয় যে ফেসবুক এক নম্বরে ও গুগল দুই নম্বরে ছিল। উত্তরদাতাদের কাছে স্থানীয় অথবা আন্তর্জাতিক সব শীর্ষ ইন্টারনেট সাইটের মধ্যে বিক্রয় ডট কম তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

Pic 1

Pic 2

 

উত্তরদাতাদের কাছে যখন নির্দিষ্ট করে অনলাইন বেচা-কেনা সাইট সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয় তখন জানা যায় যে, বিক্রয় ডট কম কেবল জনপ্রিয় ওয়েবসাইটই নয় বরং এটি বারবার ভিজিটকৃত একটি ওয়েবসাইট। বিক্রয় ডট কম যে কোনো বেচা-কেনা অনলাইন সাইট যেমন এখানেই ডট কম থেকে অনেক এগিয়ে রয়েছে। অনান্য ব্র্যান্ডগুলো গ্রাহকদের রি-ভিজিটকৃত ওয়েবসাইট হিসেবে আকর্ষিত করতে এবং নিয়মিত ভিজিটর তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে বিক্রয় ডট কম ভিজিটর ধরে রাখতে বেশ কার্যকরী হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে গত মাসের মধ্যে ৫৯% উত্তারদাতা বিক্রয় ডট কম ভিজিট করেছিলেন যেখানে এখানেই ডট কমের ভিজিটর ৩১%।

 

Pic 3

Pic 4

 

এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে একটি বিষয় জানা যায় যে, অনলাইনে যেকোনো পণ্য কেনা-বেচার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের মাঝে কিছু বাধা এখনো কাজ করে। বিক্রয় ডট কমের ভিজিটরদের মধ্যে মাত্র ২১% বিক্রি করতে অথবা কিনতে সাইটটি ভিজিট করেন যা বেচা-কেনা অনলাইন সাইটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এখানেই ডট কম দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, এর কেনাবেচার জন্য ভিজিট সংখ্যা ১১%।

বিক্রয় ডট কম ধারাবাহিকভাবে শীর্ষ স্থানে অবস্থান করছে। এর মধ্যে ৭৫% উত্তরদাতার প্রথম পছন্দ হচ্ছে ইলেকট্রনিক্স/সাধারণ ক্যাটাগরি, ৫২% এর প্রোপার্টি ক্যাটাগরি এবং ৫৪% যানবাহন ক্যাটাগরি পছন্দ করেন। চাকরি ক্যাটাগরিতে বিডিজবস দীর্ঘদিন ধরে প্রথম অবস্থানে রয়েছে, ৬২% উত্তরদাতার এই সাইটটি পছন্দ করেন। এই ক্ষেত্রে বিক্রয় ডট কম দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, ১৫% উত্তরদাতা এই সাইটটি প্রথম সাইট হিসেবে পছন্দ করেন এবং ৪৮% উত্তরদাতা জব ক্যাটাগরির ক্ষেত্রে বিক্রয় ডট কমকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করেন।

বিক্রয় ডট কম-এর মার্কেটিং ডিরেক্টর মিশা আলী বলেন, “মিলওয়ার্ড ব্রাউনের এই জরিপ প্রতিবেদনের ফলাফলে আমরা সত্যিই খুব আনন্দিত। যদিও আমরা মনে করি যে, আমাদের মার্কেটিং এবং পণ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রচেষ্টাগুলো সঠিক নির্দেশনায় পরিচালিত হয়েছে। এটা সহজেই অনুমেয় যে গত কয়েক বছর ধরে আমাদের কর্ম পরিচালনা, গ্রাহকদের সন্তুষ্ট করতে পেরেছে। এই প্রতিবেদনটি আগামীতে নির্ভরযোগ্য ক্রয় ও বিক্রয় সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রাহকদের অনলাইন সংক্রান্ত সকল বাধা দুর করতে সাহায্য করবে”।


২০০ ডলারে স্যামসাংয়ের ফিটনেস ওয়্যারেবল (পরিধানযোগ্য) গিয়ার ফিট ২

স্যামসাং নতুন করে তাদের জনপ্রিয় ডিভাইস গিয়ার ফিট ২ বাজারে এনেছে। ২০১৪ সালের গিয়ার ফিট ২ অর্থ্যাৎ পূর্বসূরী সেই ডিভাইসটিকে পুনরুজ্জীবিত করে নতুন করে বাজারে অবমুক্ত করা হয়েছে। নতুন এই গিয়ার ফিট ২-এ মূল পণ্যটিতে গুরুত্বপূর্ণ উন্নতিসাধন করা হয়েছে এবং একই ধরণের কৌশল ও গঠন প্রণালী রাখা হয়েছে। এই পরিবর্তন এবং উন্নতি ক্রেতাদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হওয়ার কারণেই এটি গিয়ার ফিটকে অনেক বেশি জনপ্রিয় করে তুলেছে।

 

tracking

 

গিয়ার ফিট ২ এর মূল শক্তি বা আকর্ষণ হচ্ছে এর একটি ১গিগাহার্টজ প্রসেসর এবং ৫১২ মেগাবাইট এর র্যাম। ডিভাইসটিতে ব্যবহৃত ব্যাটারিটি ২০০ এমএএইচ (মিলি অ্যাম্পিয়ার আওয়ার) এর এবং নিয়মিত ব্যবহারের পরেও এটি তিন থেকে চার দিন পর্যন্ত স্থায়ী ও কার্যকর থাকবে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে স্ট্যানবাই অবস্থায় পাঁচদিন পর্যন্ত কার্যকারিতা থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া ডিভাইসটিতে যুক্ত করা হয়েছে ৪জিবি মেমোরি স্টোরেজ সুবিধা। এখানে আপনি মিউজিক স্টোর করতে পারবেন এবং স্মার্টফোনের ব্যবহার ছাড়াই গান শুনতে পারবেন।

 

gps

hr

 

 

স্যামসাং গিয়ার ফিট ২ দুই ধরণের সাইজ (ছোটটি হচ্ছে কবজীর সাইজে ১২৫-১৭০ মিলিমিটার এবং বড়টির সাইজ ১৫৫-২১০ মিলিমিটার) এবং তিন ধরণের কালারে (গোলাপি, নীল এবং কালো) বাজারে এসেছে। আপনি জেনে আনন্দিত হবেন যে, গিয়ার ফিট ২ ডিভাইসটি কেবল ৪.৪ কিটক্যাটে পরিচালিত অ্যান্ড্রোয়েড ডিভাইস অথবা এর চেয়ে উচ্চ মানের (কমপক্ষে ১.৫ জিবি র্যামের সাথে অ্যান্ড্রয়েড ৪.৩ জেলিবিনে পরিচালিত স্যামসাং স্মার্টফোন) ডিভাইসের সাথেই সামঞ্জস্যপূর্ণ। পরিধানযোগ্য এই ডিভাইসটি খুচরা মূল্য ১৭৯ মার্কিন ডলারে পাওয়া যাবে। যদিও আমরা এখনো নিশ্চিত নই যে, এই ডিভাইসটি বাংলাদেশের বাজারে অবমুক্ত করা এবং মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে কিনা।

 

 

compatibility

 

ফিটনেসের দিক দিয়ে যদি এই ডিভাইসটির কথা বলি, তাহলে দেখতে পাবো গিয়ার ফিট ২-এ রয়েছে একটি হার্ট রেট সেন্সর, জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম), অ্যাক্সিলেরোমিটার (গতি মাপার যন্ত্র) এবং ব্যারোমিটার (বায়ুর চাপ পরিমাপের যন্ত্র)। হার্ট সেন্সরটি হার্টের বিভিন্ন কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্র্যাকিং করবে এবং এটি এস হেলথ অ্যাপ্লিকেশনে দেখা যাবে। যখন আপনি সড়ক দিয়ে কোথাও যাবেন অথবা সাইক্লিং করবেন তখন গিয়ার ফিট ২ এর জিপিএসের মাধ্যমে রুট ম্যাপিং (মানচিত্রে সড়ক দেখে নেয়া) গ্রহণ করতে পারবেন। পরিধানযোগ্য এই ডিভাইসটি আইপি৬৮ মাত্রার ধূলিকণা বা ধুলাবালু এবং পানি প্রতিরোধী। গিয়ার ফিট ২ এর আগের মডেলটি থেকে নতুন মডেলে এই বিষয়টির অগ্রগতি হয়েছে।

 

GearFit2vsGearFit_Main_1