All posts by Arifin Hussain

Bikroy থেকে ফোর্ড গাড়ি কিনলেই ৫০,০০০ টাকা ডিসকাউন্ট!

ফোর্ডের গাড়ি

 

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস Bikroy.com থেকে বিশ্বখ্যাত মার্কিন ব্র্যান্ড ফোর্ডের গাড়ি কিনলেই গ্রাহকরা পাবেন ৫০,০০০ টাকা ডিসকাউন্ট। গত ৪ অক্টোবর, বৃহষ্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত দি ডেইলি স্টার সেন্টারের তৌফিক আজিজ সেমিনার হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে Bikroy এবং বাংলাদেশে ফোর্ড গাড়ির একমাত্র আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এজি অটোমোবাইলস-এর মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন Bikroy.com – এর হেড অব ভেহিকেলস জনাব ইসা আবরার আহমেদ; Bikroy.com – এর কী অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার অব ভেহিকেলস জনাব মিজান খান; এজি অটোমোবাইলস – এর অপারেশনস ডিরেক্টর জনাব ইউসুফ আমান এবং এজি অটোমোবাইলস – এর ব্র্যান্ড ম্যানেজার তুলি তারিক

বিক্রয় ভেহিকেলস এ আছে ৬,২০০ এরও বেশি গাড়ির বিজ্ঞাপন। Bikroy সাধারণত ব্যবহৃত ও রিকণ্ডিশনড গাড়ির জন্য জনপ্রিয় হলেও এখানের প্রায় ২৫% নতুন গাড়ির বিজ্ঞাপন রয়েছে। গ্রাহকরা বর্তমানে ফোর্ড ব্র্যান্ডের “ইকোস্পোর্ট” এবং “রেঞ্জার” মডেলের গাড়িগুলো Bikroy থেকে কিনতে পারবেন এবং কিনলেই পাবেন ৫০,০০০ টাকা ডিসকাউন্ট। খুব শীঘ্রই আরো নতুন মডেলের গাড়ী যুক্ত হবে। ফোর্ড ব্র্যান্ডের গাড়ি খুঁজে পেতে ভিজিট করুন- bikroy.com/FordBangladesh.

ফোর্ড ইকোস্পোর্ট গাড়িটি টাইটানিয়াম প্লাস সংস্করণের এবং এর মডেল ইয়ার ২০১৭। অটোমেটিক ট্রান্সমিশন সম্পন্ন গাড়িটির বডি টাইপ এসইউভি/ ৪x৪ এবং এর ফুয়েল টাইপ পেট্রোল। এর ইঞ্জিন ক্ষমতা ১,৫০০ সিসি।

অপরদিকে ফোর্ড রেঞ্জার গাড়িটির মডেল ইয়ার ২০১৮। ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন এবং ডিজেল ফুয়েল টাইপ এর ইঞ্জিন ক্ষমতা ২,২০০ সিসি।

Bikroy.com – এর হেড অব ভেহিকেলস জনাব ইসা আবরার আহমেদ বলেন, “বিশ্বখ্যাত মার্কিন গাড়ি নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফোর্ড মোটর কোম্পানি’র ফোর্ড গাড়ি ইতোমধ্যে বাংলাদেশের গ্রাহকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। গ্রাহকদের আগ্রহের তাগিদেই আমরা ফোর্ড-এর সাথে যুক্ত হয়ে আকর্ষণীয় অফার নিয়ে এসেছি। Bikroy.com – এ বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গাড়ির তালিকা রয়েছে এবং সাড়ে তিন লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী তাদের পরবর্তী গাড়িটি কিনতে Bikroy.com ভিজিট করেন। আমরা আশা করি, এই অফার গ্রাহকদের সত্যিকার অর্থেই উপকৃত করবে।”

এজি অটোমোবাইলস – এর অপারেশনস ডিরেক্টর জনাব ইউসুফ আমান বলেন, “বিশ্বস্ত গাড়ির ব্র্যান্ড হিসেবে ফোর্ড তার গ্রাহকদের জন্য নতুন সব সেবা নিয়ে আসার চেষ্টা করে। তার অংশ হিসেবে ঘরে বসেই পছন্দের ফোর্ড গাড়ির কেনার সুযোগ করে দিতে আমরা বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত মার্কেটপ্লেস Bikroy – এর সাথে যুক্ত হয়েছি। আমাদের এই যাত্রায় Bikroy-কে পাশে পেয়ে আমরা সত্যিই আনন্দিত।”


Bikroy-এ মোটরবাইকের বিজ্ঞাপন দিয়ে জিতে নিন আকর্ষণীয় LG স্মার্টফোন!

Bikroy-lg-motorbike-seller-campaign

 

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস Bikroy মোটরবাইক বিক্রেতাদের জন্য নিয়ে এসেছে দুই সপ্তাহের একটি দারুণ ক্যাম্পেইন। Bikroy তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য দিচ্ছে মোটরবাইক এর বিজ্ঞাপন পোস্ট করে দারুন একটি LG স্মার্টফোন জিতে নেয়ার মতো আকর্ষণীয় সুযোগ। ৫ মার্চ, ২০১৮ থেকে ১৮ মার্চ, ২০১৮ পর্যন্ত এই অফারটি চলবে।

২ সপ্তাহের এই ক্যাম্পেইনে যারা Bikroy এ তাদের মোটরসাইকেল বিক্রয়ের জন্য বিজ্ঞাপন পোস্ট করবেন তাদের জন্য রয়েছে LG স্মার্টফোন জিতে নেয়ার সুযোগ। ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ের প্রতি সপ্তাহে লটারীর মাধ্যমে এসব বিজ্ঞাপন দাতাদের মধ্য থেকে একজনকে বিজয়ী হিসেবে বেছে নেয়া হবে। বর্তমানে সাইটটিতে ৭,০০০ এরও বেশি মোটরবাইকের বিজ্ঞাপন রয়েছে এবং প্রতিজন বিজ্ঞাপনদাতা দিনে গড়ে ৫-১০টি আগ্রহী গ্রাহকদের থেকে ফোন পাচ্ছেন।

Bikroy এর অ্যাড সেলস এবং মার্কেটিং এর প্রধান ঈশিতা শারমিন বলেন, “আমরা এলজি এর সাথে ‘আপনার বাইকটি বিক্রি করুন আর এলজি স্মার্টফোন জিতুন’ ক্যাম্পেইনটির মাধ্যমে পার্টনারশিপ করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। Bikroy  সবসময়ই চায় তাদের মূল্যবান গ্রাহক এবং পার্টনারদেরকে আরো সুবিধা দিতে”।

এলজি এর সিইও মোঃ আবদুর রউফ বলেন, “আমরা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস বিক্রয় ডট কমের পার্টনার হতে পেরে খুবই আনন্দিত। সম্প্রতি Bikroy Deals -এর মাধ্যমে LG তাদের মোবাইল ফোন বিক্রয় করা শুরু করেছে। এখন আমরা বিক্রয়ের সকল ব্যবহারকারীর নিকট আমাদের LG স্মার্টফোনের অভিজ্ঞতা পৌঁছে দিতে চাই”।

তাই আর দেরী না করে আজই আপনার অ্যাডটি পোষ্ট করুনঃ https://bikroy.com/bn/users/login-options

 


টয়োটা বাংলাদেশে নিয়ে আসছে নতুন করোলা আলটিস

 

টয়োটা বিশ্বের অটোমোবাইল শিল্পের বৃহত্তম এবং সর্বাধিক জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে একটি। বিশ্বের অন্যান্য জায়গার মত বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে টয়োটার আধিপত্য পরিষ্কার। ২০১৭ সালের শেষ দিকে, এটি বাংলাদেশে ১১তম জেনারেশন টয়োটা করোলা উদ্বোধন করে যা বিশ্ববাজারে আলটিস নামে পরিচিত।

২০১৭ সালের ১৯ নভেম্বর, বাংলাদেশে টয়োটার অনুমোদিত ডিস্ট্রিবিউটর নাভানা লিমিটেড, দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে অনুষ্ঠিত মিট দ্য প্রেস ইভেন্ট নামের একটি লঞ্চ ইভেন্টের আয়োজন করে ।

নতুন কি!
অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রিতে বিশ্বাস এবং নির্ভরযোগ্যতার অপর নাম টয়োটা কোরোলা। ১১তম জেনারেশনের করোলা আলটিস, টয়োটার আগের কোয়ালিটি ফিচারগুলোর সাথে নতুন কিছু অসাধারণ ফিচারের সমন্বয়ে তৈরি করেছে একটি অনন্য সংস্করণ। আশা করা যাচ্ছে, বাংলাদেশের গাড়ির বাজারে এটি খুব ভাল পারফরম্যান্স দেখাবে। সেডান ক্লাসের গাড়িগুলোর মধ্যে এই মডেলটি হবে আরও বড় এবং আরও ডায়নামিক। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়, এই গাড়িটি স্থানীয় পরিবেশের উপর ভিত্তি করে এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যা অত্যন্ত ব্যবহার উপযোগী। টয়োটার মতে এই মডেলটি ভাঙ্গাচুড়া, উঁচুনিচু রাস্তায় সার্ভিস দেয়ার জন্য তৈরি যাতে সংযোজন করা হয়েছে আরও বেশি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স আর এর আন্ডারবডিকে করা হয়েছে আরও বেশি শক্তিশালী। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদানের ক্ষেত্রে এই সমন্বয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রোডাক্ট লঞ্চের সময় প্রেজেন্টেশনে বারবার এই কয়েকটি ফিচারই হাইলাইট করা হয়েছে যে- এটি বাংলাদেশের স্থানীয় ভাঙ্গাচুড়া রাস্তাঘাটের জন্য অত্যন্ত উপযোগী, এর ফুয়েল কোয়ালিটিও যথেষ্ট উন্নত এবং বাংলাদেশের আবহাওয়ায় টিকে থাকার জন্য পারফেক্ট। টয়োটা আলটিসএর স্থায়িত্ব দিয়ে অনায়াসে নিশ্চিত করে যে এটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে সলিড গাড়ি।

এখনই কিনুন!

টয়োটা করোলা আলটিসের সেফটি ফিচারগুলোর একটি হল ৭টি এসআরএস এয়ারব্যাগ এবং ১০ ইঞ্চি জিপিএস এনাবলড টাচ স্ক্রীন যা গাড়িটিকে কিছু অতিরিক্ত সুবিধা দেয়। এতে আরও ১২৩ হর্স পাওয়ার সমৃদ্ধ ১.৬ লিটার ডুয়াল ভিভিটি-আই ৪-সিলিন্ডার মোটর যা প্রায় ১৮৫০ সিসি এর চেয়ে বেশি অনুবাদ করে। এটি একটি প্রিমিয়াম ক্লাস সেডান যা বাজারের অন্যান্য রিকন্ডিশন্ড গাড়িগুলোকে সহজেই ছাড়িয়ে যেতে সক্ষম। এটি বর্তমানে ছয়টি এক্সটেরিওর কালারে এবং অত্যন্ত সুলভ মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে। Bikroy-এ গাড়িটি আজই খুঁজে নিন!

ফিচারের লিস্ট
যারা বাংলাদেশে নতুন গাড়ি কেনার কথা ভাবছেন তাদের কাছে আলটিসের অভূতপূর্ব সেফটি ফিচার এবং ক্লাটার-ফ্রী আধুনিক ফিচারগুলো আসলেই অত্যন্ত আকর্ষণীয়। চলুন দেখা যাক পাওয়ারফুল ইঞ্জিন সমৃদ্ধ সেডান ক্লাসের ব্র্যান্ড নিউ টয়োটা করোলা আল্টিসের অসাধারণ সব ফিচারগুলো।

পাওয়ার এবং পারফরম্যান্স:

  • স্ফিস্টিকেটেড ইঞ্জিন টেকনোলজি এবং আরও অনেক কিছু
  • রবাস্ট ১জেডআর-এফই ইঞ্জিন
  • ইঞ্জিন টাইপ: ৪ সিলিন্ডার, ইন-লাইন
  • ইএফআই (এসএফআই) ফুয়েল সিস্টেম
  • ১৬-ভাল্ভ, ডিওএইচসি ভাল্ভ মেকানিজম
  • ডুয়াল ভিভিটি-আই এবং আরও অনেক কিছু

আডভান্সড সেফটি মেজারস:

  • আনইকুয়ালড সেফটি মেজারস
  • আনরাইভাল্ড ৭ এসআরএস এয়ারব্যাগস
  • ভেহিক্যাল স্ট্যাবিলিটি কন্ট্রোল
  • প্রেজেন্টেশন ও ফোর্স ফিল্টার ৩ ইএলআর ফ্রন্ট সিট বেল্ট
  • ব্যাক সোনার
  • রাফ রোড প্যাকেজ এবং আরও অনেক কিছু

অন্যান্য:

  • এক্সট্রাঅরডিনারি লেগ রুম
  • অটোমেটিক এয়ার কন্ডিশনার
  • অপ্টিট্রন মিটার
  • রিয়ার সিট ৬০:৪০ স্প্লিট
  • লাক্সারিয়াস ক্যাবিন
  • টিল্ট এবং টেলেস্কোপিক স্টিয়ারিং কলাম এবং আরও অনেক কিছু

কোয়ালিটি:

  • হাই-টেক ও কোয়ালিটি ক্র্যাফটসম্যানশিপ
  • টয়োটা প্রোডাকশন প্ল্যান্ট থেকে একেবারে ওভেন ফ্রেশ: ব্র্যান্ড নিউ
  • টয়োটা মোটর কর্পোরেশনে ম্যানুফ্যাকচারিং ওয়ারেন্টি
  • সার্টিফাইড ইউরো-৩ এক্সহস্ট এমিশন কন্ট্রোল
  • কমিটেড কাস্টমার সার্ভিস
  • কমপ্লিমেন্টারি আফটার সেলস সার্ভিস এবং আরও অনেক কিছু

Bikroy.com এ যান এবং নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে সাশ্রয়ী মূল্যের গাড়ি খুঁজুন। বাংলাদেশের বৃহত্তম এই পোর্টালে – ব্যবহৃত গাড়ি, রিকন্ডিশন্ড গাড়ি ও ব্র্যান্ডের নতুন গাড়ি ব্রাউজ করুন।


নতুন এবং আরও উন্নত প্রপার্টি পোর্টাল!

প্রোপার্টি পোর্টাল

 

সারা বিশ্বে প্রপার্টি ইনভেস্টমেন্ট একটি অন্যতম জনপ্রিয় ইনভেস্টমেন্ট। বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশ হোক আর আমেরিকার মত উন্নত হোক, রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট সব ধরণের দেশেই ইনভেস্টারদের আকর্ষণ করে। সবাই স্বপ্ন দেখে একটি একান্তই নিজস্ব ছিমছাম বাড়ি কিংবা এ্যাপার্টমেন্টের। অনেকেই এই নতুন এ্যাপার্টমেন্ট কিংবা ফ্ল্যাট কিনতে গিয়ে শিকার হন নানা ধরণের ভোগান্তির। এদের মাঝে অনেকেই আবার ফ্ল্যাট কিংবা এ্যাপার্টমেন্ট কিনতে চান ভাড়া দিয়ে আয় করার উদ্দেশ্যে। রিয়েল এস্টেটে ইনভেস্ট করা যেমন অনেক লাভজনক তেমনি এখানে ভালো রকমের ঝুঁকিও আছে।

আমাদের লক্ষ্য যা-ই হোক না কেন, রিয়েল এস্টেটে ইনভেস্ট করার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। বাংলাদেশ এখন এমন একটি সময় অতিক্রম করছে যখন দেশে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের প্রসার ঘটছে, ব্যবসায়ের নতুন নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি হচ্ছে, ইন্ডাস্ট্রি বাড়ছে, বাড়ছে চাকরির সুযোগ এবং খুলছে নতুন নতুন সম্ভাবনার দরজা। বিগত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট সেক্টর বেড়েছে অনেক দ্রুত এবং বড় পরিসরে। জমির মালিক এবং ডেভেলপারদের মেলবন্ধনে রাতারাতি বেড়েছে এ্যাপার্টমেন্টের সংখ্যা, শহরে বেড়েছে মানুষের সমাগম আর ঢাকা পরিণত হয়েছে ব্যস্ত শহরে।

কিভাবে একজন সম্ভাব্য ইনভেস্টার নতুন এ্যাপার্টমেন্ট, নতুন ফ্ল্যাট বা অন্য কোন নতুন প্রপার্টি কেনার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পারেন যা তার ইনভেস্ট করার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করবে?

Bikroy একটি নতুন প্রপার্টি পোর্টাল চালু করেছে যা আপনাকে বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেটে ইনভেস্ট করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাহায্য করবে।

ঢাকা বাংলাদেশের প্রাণকেন্দ্র। ঢাকায় জনসংখ্যা যত বাড়ছে ততই বাড়ছে বাসস্থানের চাহিদা। ফ্ল্যাট মালিকানা থেকে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এ্যাপার্টমেন্ট মালিকানার ট্রেন্ড। বিশ্বব্যাপী ইনভেস্টমেন্ট বৃদ্ধি পাবার কারণে শহরের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে বহু গুণ। শিক্ষা কেন্দ্র, কর্পোরেট অফিস ইত্যাদি বেড়ে যাবার কারণে শহরে ভিড় জমাচ্ছে মানুষ। তবে যারা ঢাকায় থাকছেন তাদের কাছে সঠিক যায়গায় রিয়েল এস্টেটের জন্য ইনভেস্ট করাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার।

আমাদের নতুন ফিচারে আছে একটি কমপ্লিট প্রপার্টি সল্যুশন। আমরা মার্কেটের ট্রেন্ড, রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে কি কি বিষয় অনুসরণ করতে হয় ইত্যাদি রিসার্চ করে এই সল্যুশনটি তৈরি করেছি। নতুন প্রপার্টি ক্রয় বা রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা উচিত।

প্রতিদিনের যাতায়াত ব্যবস্থা এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির সহজলভ্যতা

আপনি যেখানে প্রপার্টি কিনতে চাচ্ছেন বা রিয়েল এস্টেটে ইনভেস্ট করতে চাচ্ছেন সেখান থেকে আপনার দৈনিক গন্তব্য যেমন, অফিস, স্কুল, মার্কেট ইত্যাদি যায়গায় যাতায়াত ব্যবস্থা কতটা সহজ তা বিবেচনা করতে হবে। আপনার অবস্থান থেকে আপনার গন্তব্যগুলোতে যাতায়াত করতে কেমন খরচ পরে, কত সময় লাগে এগুলোও মাথায় রাখা জরুরি। আপনার অবস্থান থেকে পাবলিক ট্রান্সপোর্টের সহজলভ্যতা কতটুকু সে বিষয়টিও যাচাই করে নিবেন। প্রপার্টি ক্রয় করার আগে আপনার অবস্থানের আশেপাশে দোকানপাট, বাজার, ফার্মেসী ইত্যাদি কতটা কাছে বা দূরে আছে এ বিষয়গুলোও যাচাই করে দেখে নিন।

সামাজিক জীবনযাত্রার মান এবং বিনোদন

আপনার অবস্থানের আশেপাশে সামাজিক মিলনস্থল, খেলার মাঠ, এবং গেট টুগেদার করার জায়গা আছে কিনা তা যাচাই করে নিন। হোক কফি খেতে, হাঁটতে, কিংবা বাচ্চাকে বাইরে খেলতে নিয়ে যেতে আশেপাশে পর্যাপ্ত পরিমাণে জায়গা আছে কিনা তা দেখে নিন। কোন একটি এলাকায় এই বিষয়গুলো থাকা একটি আদর্শ রেসিডেন্সিয়াল এলাকার বৈশিষ্ট্য।

জীবনযাত্রার মান এবং নিরাপত্তা

একটি এলাকার বাহ্যিক সৌন্দর্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেও তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এলাকার জীবনযাত্রার মান। একটি ভালো এলাকায় একই রকমের মন-মানসিকতার মানুষজন বা পরিবারই বাস করতে আসবে যেখানে ভিন্ন মন-মানসিকতার মানুষেরা আসবে না, আসলেও খাপ খাওয়াতে পারবে না। নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। ভাল জীবনযাত্রা এবং সুনিশ্চিত নিরাপত্তা আছে এমন স্থানই আপনার আদর্শ বাসস্থান হওয়া উচিত।

বাংলাদেশে নতুন প্রপার্টি ক্রয় করতে গেলে যেসব বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হয় সেগুলো হল রিয়েল এস্টেটের অবস্থান, যাতায়াত ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা। Bikroy.com বাংলাদেশের অন্যতম সেরা অনলাইন প্রপার্টি পোর্টাল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবার জন্য সম্ভাব্য ক্রেতাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে নতুন ফিচার সংযোজন করেছে। আপনি এখন সহজেই আপনার মোবাইল ডিভাইস দিয়ে নতুন আবাস খোঁজার কাজটি করতে পারবেন। আমাদের পোর্টালটি আপনাকে আপনার পছন্দ অনুসারে সেরা যায়গায় সেরা জমি বা ফ্ল্যাট বা এ্যাপার্টমেন্ট পেতে এবং আপনার রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্টকে ঝুঁকিমুক্ত ও নিরাপদ করতে সাহায্য করবে।

বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় একটি পোর্টাল যেখানে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ ভিজিট করেন। এই পোর্টালের মাসে পেইজ ভিউ ২.৫ মিলিয়ন, ১৫০,০০০ জন আগ্রহী ক্রেতা এবং ১১,০০০ লাইভ বিজ্ঞাপন থাকে। Bikroy বাংলাদেশে এর অনলাইন মার্কেটিং দক্ষতা, তথ্য এবং প্ল্যাটফর্ম দিয়ে সারা বাংলাদেশে প্রোপার্টি খোঁজার জন্য ক্রেতাদের নির্ভরযোগ্য পোর্টাল হিসেবে কাজ করার লক্ষ্যে অবিচল।

বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে তৈরি সেরা নতুন প্রপার্টি পোর্টালটি এখনই ভিজিট করুন : Bikroy.com/new-developments


২০১৮ সালে বাংলাদেশে যে চাকরি গুলোর প্রধান্য থাকবে

বাংলাদেশে চাকরি

এসেছে নতুন বছর, বদলেছে চাকরির বাজারের হাল-চাল। গত বছরের সাথে তুলনা করলে এ বছরের পরিবর্তনগুলো সহজেই লক্ষ্য করা যায়। ২০১৮ সালের বৈশ্বিক এবং বাংলাদেশের চাকরির বাজারের দিকে তাকালে লক্ষ্য করা যায় যে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রযুক্তি নির্ভর চাকরির চাহিদাও বেড়েছে বেশ। প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে পরিবর্তন হচ্ছে চাকরির ধরণ এবং চাকরিতে সাফল্যের মাপকাঠি। নতুন ধাঁচের কাজের সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে মানুষ। যদিও প্রযুক্তির প্রভাবে অনেক চাকরিই এখন প্রযুক্তি-নির্ভর, সব চাকরির ক্ষেত্রে আবার তা নয়।

একেক জনের কাছে কর্মক্ষেত্রে সফলতা এবং ক্যারিয়ার গোলের সংজ্ঞা একেক রকম হলেও আমরা ২০১৮ সালের বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ১০টি সেরা চাকরির একটি লিস্ট তৈরি করেছি। আমাদের মতে এই চাকরিগুলো আপনাদের এনে দিতে পারে একটি সফল ক্যারিয়ার। চাকরির চাহিদা, স্কিল ডিমান্ড এবং সম্ভাব্য সফলতার ভিত্তিতে এই চাকরিগুলো বর্তমানে বাংলাদেশের সেরা চাকরি। যদিও এখানে কোন র‍্যাঙ্কের ভিত্তিতে লিস্টটি সাজানো হয়নি।

১. কাস্টমার সাপোর্ট চাকরি

আপনি যে ইন্ডাস্ট্রিতেই কাজ করুন না কেনো, সব জায়গায় কাস্টমারই রাজা! প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের কারণে হঠাৎ করেই সব ইন্ডাস্ট্রির সব ধরণের ফিল্ডে এবং সেক্টরে বেড়েছে ব্যবসায়ের পরিধি। সব প্ল্যাটফর্মে বেড়েছে বিক্রি, সুতরাং যত বেশি কাস্টমার তত বেশি সাফল্য। একারণে কাস্টমারের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। কাস্টমারের কাছে পৌঁছানো সহজ হলেও কাস্টমারের সন্তুষ্টি নিশ্চিত করা এখনও একটি চ্যালেঞ্জ। কাস্টমার সাপোর্ট চাকরি এখন কেবল মাত্র কল সেন্টারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানেই বর্তমানে কাস্টমার সাপোর্টের জন্য বিশেষভাবে নিয়োজিত ডিপার্টমেন্ট রয়েছে। এ ধরণের জবে চ্যাট সাপোর্ট, ই-মেইল সাপোর্ট, ভয়েস এবং ভিডিও কল সাপোর্ট ইত্যাদি কার্যক্রম রয়েছে। দেখে নিতে পারেন আমাদের পূর্বের একটি লেখা কাস্টমার সার্ভিসে চাকরির জন্য যে ৫টি সফট স্কিল থাকা জরুরি

বেতনঃ নিম্ন থেকে মাঝারি

সুযোগঃ অনেক

ক্যারিয়ার আউটলুকঃ ভালো

২. কল সেন্টার চাকরি

কল সেন্টার ইন্ডাস্ট্রি বহুদিন ধরেই ইন্ডিয়ানরা একচেটিয়াভাবে দখল করে রেখেছিলো। এ ধরণের কাস্টমার সার্ভিস জাতীয় আউটসোর্সিং চাকরির মূল চাবিকাঠি হল ইংরেজিতে দুর্দান্ত কমিউনিকেশন স্কিল। বর্তমানে বাংলাদেশে কল সেন্টার জবের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে কারণ বাইরের কোম্পানিগুলো আউটসোর্স করার জন্য ইন্ডিয়াকে আর বেছে নিতে চাইছে না। এখন যেহেতু কাস্টমারদের সেলফ-সার্ভিসের সুযোগ রয়েছে সেহেতু কল সেন্টারগুলোতে আরও অ্যাডভান্সড সেবা প্রদান করার দিকে মনোনিবেশ করছে। যদিও ২৪ ঘণ্টা দিন-রাত সার্ভিসের কারণে এ ধরণের চাকরির সময়সূচি কিছুটা উদ্ভট, কল সেন্টারে চাকরির জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

বেতনঃ নিম্ন থেকে মাঝারি

সুযোগঃ অনেক

ক্যারিয়ার আউটলুকঃ মোটামোটি

৩. ডাটা এন্ট্রি চাকরি

ডাটা এন্ট্রি চাকরির চাহিদা বাংলাদেশে বরাবরই বেশি ছিল, বরং বর্তমানে এই চাহিদা আরও বহুগুণে বেড়েছে। সরকারি এবং বেসরকারি উভয় সেক্টরেই ব্যাপক ব্যবসায়িক প্রসারের কারণে এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও ডিজিটালাইজেশনের কারণে ডাটা এন্ট্রি স্পেশালিষ্টদের চাকরির সুযোগ বেড়েছে বহুগুণ। এই চাকরি সম্পর্কে একটি ভুল ধারণা আছে। অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশে এ চাকরির কোন ভালো ভবিষ্যৎ নেই। কিন্তু বাস্তবতা তার ঠিক বিপরীত। এই চাকরি শুধুমাত্র ডাটা টাইপিং-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। টেকনিক্যাল ডাটা, প্রেজেন্টেশনের জন্য বিভিন্ন তথ্য রি-অ্যারেঞ্জ করা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজ ডাটা এন্ট্রি স্পেশালিষ্টরা করে থাকেন।

বেতনঃ নিম্ন থেকে মাঝারি

সুযোগঃ অনেক

ক্যারিয়ার আউটলুকঃ মোটামোটি

৪. সেলস এবং মার্কেটিং চাকরি

সেলস এবং মার্কেটিং চাকরির চাহিদা বাংলাদেশে সবসময়েই বেশি। অর্থনৈতিক অবস্থা যেমনই হোক না কেন, এ ধরণের চাকরির চাহিদা কখনই কমেনি। অর্থনৈতিক মন্দা বা সমৃদ্ধি যা-ই হোক, সেলস এবং মার্কেটিং জব সবসময়ই পাওয়া যায়। এই চাকরির চাহিদা অনেক বেশি এবং কোম্পানিগুলো সবসময়ই অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের তুলনায় সেলস এবং মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টে আরও বেশি বেশি কর্মী নিয়োগ দিতে আগ্রহী থাকেন। কেননা একমাত্র সেলস এবং মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট থেকেই সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত আর্থিক টার্ন-ওভার এসে থাকে।

বেতনঃ নিম্ন থেকে মাঝারি

সুযোগঃ অনেক

ক্যারিয়ার আউটলুকঃভালো

৫. অনলাইন মার্কেটিং চাকরি

অনলাইন মার্কেটিং চাকরি নিশ্চিতভাবেই ২০১৮ সালের সবচেয়ে বেশি চাহিদার চাকরি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী স্কিলড অনলাইন মার্কেটারের ডিমান্ড ক্রমাগত বেড়ে চলছে। বাংলাদেশে মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে এই চাকরির অনেক নতুন নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়েছে। হোক প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিস, রিটেইল কিংবা হোলসেল, অনলাইন মার্কেটিং-এর চাহিদা সবসময়েই ক্রমবর্ধমান।
বেতনঃ নিম্ন থেকে মাঝারি

সুযোগঃ অনেক

ক্যারিয়ার আউটলুকঃ ভালো

৬. পার্ট টাইম চাকরি

রিসিপশনিস্ট, ওয়েইটার, ক্যাশিয়ার, ট্রান্সপোর্টেশন, ডেলিভারি এবং অন্যান্য কাজের জন্য বাংলাদেশে পার্ট টাইম জবের সুযোগও ক্রমশ বেড়ে চলেছে। কিছু কিছু বিষয় যেমন চাহিদার আধিক্য এবং ফ্লেক্সিবিলিটি বাংলাদেশের পার্ট টাইম জবের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক। শিক্ষার্থী বা সাধারণ চাকরিজীবী প্রায় সবাই কিছু অতিরিক্ত আয়ের জন্য এ ধরণের চাকরি করতে পারেন। বাংলাদেশে পার্ট টাইম চাকরির আধিক্যের কারণে অনেকেই এটিকে ফুলটাইম অপশন হিসেবে গ্রহণ করে থাকেন।

বেতনঃ নিম্ন থেকে মাঝারি

সুযোগঃ অনেক

ক্যারিয়ার আউটলুকঃ মোটামোটি

৭. আইটি এবং টেলিকম চাকরি

প্রযুক্তিগত চাহিদা সবসময় থাকবে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন উদ্ভাবন আমাদের আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতেও উদ্ভাবনের এই চাকা চলতেই থাকবে। আইটি-এর একচেটিয়া চাহিদা সব সেক্টরেই সবসময় একই রকম থাকবে। এই কারণে বাংলাদেশে আইটি এবং টেলিকম সেক্টরে চাকরির সুযোগ অনেক বেশি। বর্তমানে বাংলাদেশে বলতে গেলে আইটি সাপোর্ট ছাড়া কোন কাজ করা সম্ভব নয়। যে কোন অফিসিয়াল কাজেই আইটি সাপোর্ট প্রয়োজন পরে। আইটি স্কিল প্রতিটি কোম্পানির জন্য অ্যাসেটের মত। চাকরিদাতারাও শুধুমাত্র আধুনিক স্কিলসেটসম্পন্ন কর্মীদেরই নিয়োগ দিতে আগ্রহী থাকেন।

বেতনঃ নিম্ন থেকে মাঝারি

সুযোগঃ অনেক

ক্যারিয়ার আউটলুকঃ ভালো

৮. ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরি

প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের কারণে সারা বিশ্বেই ক্রমেই বেড়ে চলেছে ইঞ্জিনিয়ারদের কদর। বাংলাদেশেও ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরির চাহিদা অনেক বেশি থাকবে বলেই আশা করা যাচ্ছে। অন্ততপক্ষে আগামি দশকের জন্য হলেও ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা এমনটিই থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটিই একমাত্র সেক্টর যেখানে বেকারত্বের হার সবচেয়ে কম। তবে এই সেক্টরের একটি বড় সমস্যা হল ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরিজীবীদের স্যালারি তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

বেতনঃ উচ্চ

সুযোগঃ অনেক

ক্যারিয়ার আউটলুকঃ ভালো

৯. মেডিক্যাল চাকরি

বাংলাদেশে মেডিক্যালের চাকরির চাহিদা কখনও কমে না। মেডিক্যাল ইন্সটিটিউশন বৃদ্ধি পাবার সাথে সাথে মেডিক্যাল সেক্টরে বাড়ছে মেডিক্যাল প্রফেশনালদের সংখ্যা। প্রতিদিনই এমন সব নবীন প্রফেশনালদের সংখ্যা বাড়ছে যারা নতুন প্রযুক্তি এবং মেডিক্যাল সম্পর্কে প্রায় সবকিছুর সাথেই পরিচিত। প্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে সাথে চিকিৎসা সেবা মানের স্ট্যান্ডার্ড বদলালেও বাংলাদেশে মৌলিক মেডিক্যাল জ্ঞানসম্পন কর্মীদের অত্যন্ত প্রয়োজন।

 

বেতনঃ উচ্চ

সুযোগঃ অনেক

ক্যারিয়ার আউটলুকঃ ভালো

১০. ফ্রীল্যান্স চাকরি

ফ্রীল্যান্স জবকে আপাত দৃষ্টিতে পার্টটাইম চাকরি মনে হলেও এই জবের ধরণ ভিন্ন। ফ্রীল্যান্স চাকরি বাংলাদেশে সাধারণত প্রোজেক্ট নির্ভর। ভাল পারফরম্যান্স আর ডেডলাইন মিট করতে পারার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে ফ্রীল্যান্সের সাফল্য ফ্রীল্যান্সাররা যদি কিছু নিয়মিত ক্লায়েন্ট হাতে রাখতে পারেন তবে তা লাভজনক। বলতে গেলে হাতে গোনা খুব কম মানুষই ফ্রীল্যান্সার হিসেবে সফল ক্যারিয়ার গড়তে সক্ষম হয়েছেন।

বেতনঃ উচ্চ

সুযোগঃ অনেক

ক্যারিয়ার আউটলুকঃ কম

বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশ শক্তিশালী অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে ভাল আরোও ভাল করতে সক্ষম হয়েছে যার দরুন বেশ কিছু সেক্টরে চাকরির ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়েছে এবং খুলেছে নতুন সম্ভাবনার দরজা। আমরা যেহেতু ২০১৮ সালে বাংলাদেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় চাকরিগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি, সেহেতু আমরা আশা করবো আপনি এসব চাকরির ব্যাপারে আরও বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেবেন। বাংলাদেশে চাকরি খোঁজার সময় আপনার স্কিল সেট, স্যালারি রেঞ্জ, ক্যারিয়ার আউটলুক এবং আপনার কাজের ভিত্তিতে কোম্পানি কি কি সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে সেগুলো ভাল করে যাচাই করে নিন। ভবিষ্যতের কঠিন প্রতিযোগিতাময় চাকরির বাজারের সব ধরণের চাকরিতেই কিছু না কিছু প্রযুক্তিগত স্কিলের প্রয়োজন হবে। আপনার সব দক্ষতাগুলো ভালোভাবে জেনে নিন এবং নতুন দক্ষতা অর্জন করার চেষ্টা করুন। প্রচুর রিসার্চ করুন এবং পড়ুন।

আপনাদের জন্য শুভ কামনা! কমেন্ট সেকশনে লিখে জানান আপনার মতামত।


টেসলা মডেল ৩ – সবার জন্য ইলেকট্রিক গাড়ি

tesla car

 

প্রযুক্তি বিশ্বে ইলেক্ট্রিক গাড়ির বেশ সমাদর রয়েছে। সাধারণ যে হাই এন্ড ইলেকট্রিক গাড়িটি সবার পছন্দের তালিকায় রয়েছে সেটি টেসলা মডেল এস লাক্সারি সেডান কিন্তু এর রিটেইল মূল্য একটি সাধারণ জো গাড়ির চেয়ে অনেক বেশি। টেসলা কিছুদিন আগে তাদের একটি ব্র্যান্ড নিউ ইলেকট্রিক গাড়ি উন্মোচন করেছে যার নাম- টেসলা মডেল ৩। এই প্রবন্ধে আমরা এই গাড়িটি নিয়ে আলোচনা করব। ধারণা করা হয়, এই গাড়িটিই বিশ্বব্যাপী ইলেকট্রিক গাড়ির চল এবং জনপ্রিয়তার প্রসার ঘটাবে।

tesla electric car

প্রযুক্তি বিশ্বে অ্যাডভান্সড টেকনোলজি ভোক্তাদের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে পৌছায় একটি বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে। সাধারণত, একটি কোম্পানি এমন একটি কিছু রিলিজ করে যেগুলো প্রযুক্তিগতভাবে অনেক উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন, এবং এগুলো বানানো হয় বিশেষ কিছু গ্রুপের জন্য যারা মূলত টেক এন্থুসিয়াসিস্ট ব্যবহারকারী এবং যাদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল কাজে এ ধরণের পণ্যের প্রয়োজন থাকে। এই পণ্যগুলোর বাজারমূল্য অনেক বেশি হয়ে থাকে যে কারণে একান্ত প্রয়োজন ছাড়া এবং নিতান্তই অঢেল অর্থ না থাকলে কেউ এগুলো কেনার কথা চিন্তা করেন না। সময়ের সাথে সাথে এই পণ্যগুলোর উৎপাদন প্রযুক্তি অনেকটাই সহজ এবং উৎপাদন খরচ কমে আসে। যার ফলে ধীরে ধীরে পণ্যগুলোর বাজারমূল্য কমে আসে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার নাগালে চলে আসে এই উচ্চ প্রযুক্তির পণ্যগুলো।

tesla car blog

টেসলা-এর সিইও এলন মুস্কের “মাস্টার প্ল্যান” ঠিক ওপরের বর্ণনাটির মতই। কোম্পানিটি প্রথমে খুবই দামি স্পোর্টস কার তৈরি করত এবং এরপর ধীরে ধীরে অর্থ ব্যয় করে লাক্সারি মডেল এস সেডান কার তৈরি করা শুরু করে। বছরের পর বছর তারা তাদের প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে অবশেষে এমন একটি গাড়ি ডিজাইন করতে সক্ষম হয়েছে যা এই কোম্পানির আগের মডেলগুলোর তুলনায় অনেক সস্তা। তবে টেসলা তাদের অসাধারণ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং অনন্য ডিজাইনের ধারা অব্যাহত রেখে আজকের দিনের অন্যতম সফল এবং প্রভাবশালী অটোমোটিভ কোম্পানি হিসেবে বিশ্বে সামনে মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে।

tesla car no gas stations

মডেল ৩ এর বাজারমূল্য হবে ৩৫,০০০ ডলার। দাম শুনে অনেক বেশি মনে হলেও আন্তর্জাতিক পরিসরে এটি অনেক ক্রেতার ক্রয়ক্ষমতার নাগালে। আপনি বলতে পারেন এর সাথে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গাড়ির বাজারের কি সম্পর্ক, তবে চিন্তা করবেন না, অবশ্যই যুক্তি দিয়ে আমরা সেটা বিশ্লেষণ করব। বাজারে মডেল ৩ এর আগমন মোটরগাড়ি শিল্পে এক নতুন যুগের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভক্সওয়াগেন, শেভরলেট, বিএমডব্লিউ এবং আরো অনেক অটোমোটিভ কোম্পানি খুব শীঘ্রই ইলেকট্রিক গাড়ির নিজস্ব সংস্করণ দ্রুত বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে। যখন অন্যান্য অটোমোটিভ কোম্পানিগুলো পরিবেশবান্ধব এবং একেবারেই নতুন ইলেকট্রিক গাড়ির প্রযুক্তি বাজারে নিয়ে আসবে তখন টেসলার জন্য ব্যাপক প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে এবং বাজারে টিকে থাকার জন্য টেসলাকে তাদের গাড়িগুলোর জন্য প্রতিযোগিতামূলক দাম নির্ধারণ করতে হবে।

tesla car road map

যখন গাড়ির মূল্য এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছাবে যেখানে ফসিল ফুয়েল চালিত গাড়ির সাথে ইলেক্ট্রিক গাড়ির দামের পার্থক্য খুব বেশি থাকবেনা তখন ক্রেতারা আকর্ষণীয় নতুন প্রযুক্তির দিকেই ঝুঁকবেন। তখন প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য সব বড় বড় অটোমোটিভ কোম্পানিগুলো তাদের উৎপাদন তালিকার প্রথম সারিতে কিছু ইলেকট্রিক গাড়ি রাখতে বাধ্য হবে। যখন টয়োটা বা হোন্ডা পুরোপুরি এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নেবে তখন বাংলাদেশের গাড়ির বাজারও এই বৈশ্বিক ট্রেন্ডটি গ্রহণ করা শুরু করবে।

মডেল ৩-কে উন্নত বিশ্বের গাড়ি মনে হলেও এর আলোকেই তৈরি হতে যাচ্ছে আগামী প্রজন্মের মোটরগাড়ি। রাতারাতিই সবাই ইলেক্ট্রিক গাড়ি কিনবে না। তবে আমরা যে পথ ধরে এগিয়ে যাচ্ছি তা দেখে খুব সহজেই অনুমান করা যায় যে আগামী দশকের সব প্রযুক্তিই হবে ইলেক্ট্রিক নির্ভর।

গাড়ির বেচাকেনা করতে ভিজিট করুন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস Bikroy


কাস্টমার সার্ভিসে চাকরির জন্য যে ৫টি সফট স্কিল থাকা জরুরি

soft skill in customer service job

 

সফট স্কিল বলতে কি বুঝায়? এটি এমন এক ধরনের দক্ষতা যা একজন ব্যক্তি যখন অন্য কারও সাথে কথা বলে তখনই বুঝা যায়। এ ধরণের স্কিল “হার্ড স্কিল”-এর মত নয়, হার্ড স্কিল সহজেই সনাক্ত করা যায় এবং ফর্মাল প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রপ্ত করা যায়। সফট স্কিল সব ধরণের চাকরির ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ তবে কাস্টমার সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রিতে অর্থাৎ যেখানে মানুষের সাথে ভাবের আদান প্রদান করাটাই মুখ্য উদ্দেশ্য সেখানে সফট স্কিল সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই স্কিলগুলো আপনার জন্য শুধু অনেক নতুন চাকরির সম্ভাবনার সুযোগই সৃষ্টি করবে না, ভবিষ্যতে আপনার সফলতাকেও ত্বরান্বিত করবে। নিচে এমন কিছু সফট স্কিল নিয়ে আলোচনা করা হল যেগুলো কাস্টমার সার্ভিস সম্পর্কিত চাকরিতে আপনাকে সাফল্য এনে দেবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

১. মনোযোগ দিয়ে শোনা:

কোন সমস্যা সমাধান করতে হলে আগে সমস্যাটি বুঝতে হবে। এখানেই ভাল শ্রোতা হবার সার্থকতা, এবং মনোযোগ দিয়ে শোনার ক্ষমতাটি এখানেই কাজে লাগবে। আপনাকে আপনার কাস্টমারের সব কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে এবং বুঝতে হবে। আপনি যখন ফোনে কথা বলবেন তখন আপনার কাস্টমারের কথা আপনি পুরোটুকু শুনবেন, তার কথার মাঝে প্রশ্ন করে বা তাকে থামিয়ে দিয়ে নিজে কথা বলা শুরু করে ব্যাঘাত ঘটাবেন না। কেননা কথার মাঝে ব্যাঘাত ঘটালে অপর ব্যক্তিটির চিন্তা করার সাবলীল ধারাটি নষ্ট হয়ে যায়। কাস্টমার সার্ভিস চাকরি করতে গেলে আপনি হয়ত বুঝতে পারবেন যে কাস্টমাররা চান তাদের কথা বা মতামত মনোযোগ দিয়ে গুরুত্বের সাথে শোনা হোক এবং কাস্টমার সার্ভিস প্রোভাইডারের পক্ষ থেকে সেগুলো আন্তরিকভাবে সমাধানের আশ্বাস দেয়া হোক এবং সত্যিকার অর্থেই সমাধান করা হোক। এতটুকু যদি কাস্টমারের জন্য করা যায় তবেই কাস্টমারের সন্তুষ্টি আক্ষরিক অর্থেই নিশ্চিত করা যাবে।

২. ভাবের আদান প্রদান

ভাবের আদান-প্রদান ভাল ভাবে করার মত স্কিল ভার্চুয়াল জগতের সব ধরণের কাজের জন্য আবশ্যক। অনেক সময়েই মানুষ সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে কিভাবে সমস্যাকে ব্যাখ্যা করতে হবে তা বুঝতে পারেন না সুতরাং কোন ব্যক্তি কি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন তা সঠিকভাবে খুঁজে বের করতে তার সাথে কার্যকারী উপায়ে কথা বলতে পারার দক্ষতা থাকতে হবে। ভাবের সঠিক আদান প্রদানের জন্য প্রয়োজন সক্রিয় মিথস্ক্রিয়া। এর অর্থ হচ্ছে কেউ যখন আপনার সাথে কথা বলছে তখন আপনি শুধু হা করে তাদের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। আপনি প্রথমে তাদের যথা মনোযোগ দিয়ে শুনবেন, তারপর বিভিন্ন আনুষাঙ্গিক প্রশ্ন করে বা বর্ণনা করে পরস্পর বোঝাপড়া করে একটি অবস্থানে আসবেন। ভাবের আদান প্রদান করার আরেকটি ভাল দক্ষতা হল পরিষ্কার করে কথা বলা এবং যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু কথা বলা। সময়ের অপর নাম টাকা, সুতরাং কথা অল্প সময়ে সেরে ফেলুন এবং যতটুকু সময়ে ভাবের আদান প্রদান চলবে তা যেন অর্থপূর্ণ হয়।

৩. দেহ ভঙ্গি

বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বা দেহ ভঙ্গি সবচেয়ে বেশি এড়িয়ে চলা বা উপেক্ষিত সফট স্কিল। বডি ল্যাঙ্গুয়েজ শেখাটাও অনেক কঠিন কারণ এটি আমাদের অনেক দিনের অভ্যাসের সমষ্টি। আপনি যখন কারো সাথে কথা বলেন তখন বডি ল্যাঙ্গুয়েজ আপনার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে অনেক কিছুর জানান দেয়, এটি অবচেতনভাবে মানুষদের বলে দেয় যে আপনি কথা বলার সময় কেমন অনুভব করছেন। সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রিতে আপনি নিশ্চয়ই আপনার কাস্টমারদেরকে আপনার সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা দিতে চাইবেন না। সুতরাং কথা বলার সময় হাত দুটো একটি অপরটির উপর বেঁধে আপনার বুকের উপর রেখে বা টেবিলে হেলান দিয়ে কথা বলবেন না। দেহ ভঙ্গি সাবলীল রাখুন, সবসময় হাত ছেড়ে রাখুন এবং মুখে হাসি রাখুন। এতটুকু দেহভঙ্গি দিয়েই আপনি আপনার কাস্টমারের দিনটি সুন্দর করে দিতে পারেন।

৪. ইতিবাচক মনোভাব

যেকোনো ক্ষেত্রে ইতিবাচক মনোভাব রাখা একটি ভালো অভ্যাস। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কাস্টমার সার্ভিসের চাকরির ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা খুবই খারাপ কিংবা খুবই ভাল যেকোনোটিই হতে পারে। ইতিবাচকতা এবং আশাবাদ দুটো একই পথের নির্দেশক। যখন আপনি এ দুটোকেই আয়ত্ত করতে পারবেন তখন দেখবেন সমস্যা সমাধান করা যেমন সহজ হয়ে গেছে তেমনি কাস্টমারদের সামলানোর কাজও সহজ হয়ে গেছে। ইতিবাচকতা এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে আপনি আপনার তরফ থেকে ইতিবাচক শক্তি আপনার হতাশ সহকর্মী কিংবা কাস্টমারের দিকে সঞ্চালন করতে সক্ষম হবেন এবং তারাও ইতিবাচক হয়ে উঠবেন।

৫.সহমর্মিতা

সহমর্মীতা এমন একটি স্কিল যা অনুভব করতে হয়। কিভাবে সহমর্মী হতে হয় তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। সহজ ভাষায় বলতে গেলে আপনাকে কাস্টমারের জায়গায় দাড়িয়ে তার সমস্যাটি নিজের সমস্যা মনে করে বোঝার চেষ্টা করতে হবে এবং তার মানসিক অবস্থাটি বুঝতে হবে। এটি বলা যতটা সহজ, করা ততটাই কঠিন এবং এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্কিল। যেসব কর্মীরা সহমর্মীতায় পারদর্শী তারা খুব সহজেই কাস্টমারদের কাছে প্রিয় হয়ে ওঠেন। সহমর্মিতার মাধ্যমে আপনি পরিস্থিতির মাত্রা নির্ধারণ করতে সক্ষম হবেন। কাস্টমার হিসেবে একজন ব্যক্তি যদি বুঝতে পারেন যে তার সমস্যাটি কেউ একজন বুঝতে পেরেছেন এবং তার মত করে অনুভব করতে পেরেছেন তবে সেই ব্যক্তি বিষয়টিতে অত্যন্ত খুশি হবেন এবং প্রশংসা করবেন।

কোন চাকরির ব্যাপারে আমরা প্রতীয়মান দিকগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেই। আমরা কেবল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কাজের অভিজ্ঞতাকে অধিক প্রাধান্য দিয়ে থাকি এবং ছোট ছোট বিষয়গুলো যেগুলো প্রকৃতপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সেগুলোকে কম প্রাধান্য দেই। উপরে আলোচিত সফট স্কিলগুলো যদি আপনি রপ্ত করতে পারেন তবে আপনি আপনার কাস্টমারকে সেরা সার্ভিস দিতে সক্ষম হবেন। যা আপনাকে ভবিষ্যতে আরও ভাল কাজের সুযোগ করে দেবে এবং সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেবে।

Bikroy.com/Jobs এ কাস্টমার সার্ভিসে খুঁজে নিন হাজারো চাকরির অফার! আজই আবেদন করুন।


ভালো চাকরির জন্য নিজেকে এগিয়ে রাখতে করনীয়

চাকরি

আমরা অনেকেই চাকরি খুঁজছি। এমনও যদি হয় যে আমরা চাকরি খুঁজছি না বা করতে চাচ্ছি না কিন্তু তার পরও সুন্দর ভাবে বেচে থাকার জন্য আমাদের একটি নিরবিচ্ছিন্ন আয়ের উৎস প্রয়োজন। প্রতিদিনই নতুন নতুন ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছেন যারা অত্যন্ত মেধাবী কিন্তু কাজ করার জন্য মনের মত কর্মক্ষেত্রের সন্ধান পাচ্ছে না। চাকরি পাওয়া এতটা সহজ নয় তবে খুব কঠিনও নয়। আমরা প্রায়ই কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এড়িয়ে যাই যা একজন চাকরির প্রার্থীকে চাকরিদাতার কাছে গুরুত্ববহ করে তোলে। আমাদের আজকের লেখাটিএসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়েই সাজানো হয়েছে যাতে করে আপনি চাকরির জন্য সেরা প্রার্থী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারেন।

পাবলিক স্পিকিং রপ্ত করুন

আপনি যদি ইন্টারভিউয়ারের সাথে কথা বলে একটি গভীর সংযোগ স্থাপন করতে না পারেন তবে আপনার চাকরি পাবার সম্ভাবনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যথার্থভাবে ভাব আদান প্রদান করার ক্ষেত্রে আপনাকে যথার্থভাবে সক্ষম হতে হবে। আপনি যদি এই স্কিলটি দেখাতে না পারেন তবে আপনার সম্পর্কে ইন্টারভিউয়ারের ভাল ধারণা হবে না। সুন্দরভাবে কথা বলতে পারার ক্ষমতা নির্ভর করে মনোযোগের সাথে ওপর ব্যক্তির শুনতে পারার ক্ষমতার উপর। আপনি যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলে যেতে পারেন তবে অপর ব্যক্তির কথা শোনার মানসিকতা আপনার না থাকে তবে এখন থেকেই নিজেকে ভাল শ্রোতা হিসেবে গড়ে তুলুন। ভাল বলতে পারার ক্ষমতা আপনাকে অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে কিন্তু আপনার টেকনিক্যাল স্কিলগুলোতে যদি কোন ঘাটতি থেকে থাকে তবে সেগুলো এড়িয়ে যেতে সক্ষম হবে না। সুতরাং আপনার ভাল বলতে পারার ক্ষমতা এমন ভাবে ব্যবহার করুন যাতে করে সেটি আপনার কর্মদক্ষতাকে আরও বিকশিত করে।

ফিটফাট হয়ে নিজেকে উপস্থাপন করুন

ফেইসবুক পোস্ট কিংবা মোটিভেশনাল কোট আপনাকে হয়ত আশ্বস্ত করার জন্য বলবে যে আপনার স্মার্টনেস বা চাকচিক্য অপ্রয়োজনীয়। তবে বাস্তব জগতে আপনি কতটা ফিটফাট হয়ে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারছেন তার প্রভাব অকল্পনীয়। আপনি যদি চাকরি পেতে চান তবে আপনি নিজেকে এমন ভাবে উপস্থাপন করুন যে আপনি চাকরির জন্য তৈরি হয়ে এসেছেন। আপনি যখন ইন্টারভিউয়ের জন্য প্যানেলে ঢুকবেন তখন আপনাকে একটি ভাল ইম্প্রেশন দিতে হবে। আপনি কিভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন তা আপনাকে কোন রকম প্রশ্ন করা ছাড়াই আপনার সম্পর্কে অনেক কিছু বলে দিতে সক্ষম। সুতরাং নিজেকে উপস্থাপন করার ব্যাপারে আপনি অসচেতন হয়ে থাকলে একেবারেই চলবে না। বেশিরভাগ ইন্টারভিউতেই ইন্টারভিউয়াররা বিজনেস ক্যাজুয়াল পোশাক আশা করে থাকেন তবে আপনি যদি আপনার সম্পর্কে ভাল ইম্প্রেশন রাখতে চান তবে আপনাকে আরও অনেকদূর যেতে হবে। আপনি যদি শার্ট পড়েন তবে খেয়াল রাখুন সেটি ঠিকমত আয়রন করা কিনা, আপনি যদি চশমা পরে থাকেন তবে চশমার গ্লাস যেন স্পটলেস থাকে। আপনার অঙ্গভঙ্গিতেও আনতে হবে আমূল পরিবর্তন, কোনভাবেই জুবুথুবু হয়ে ইন্টারভিউয়ারের সামনে বসা চলবে না। এই ছোটখাটো ডিটেইলসগুলো হয়ত আপনার কর্মদক্ষতার প্রতিফলন ঘটাবে না কিন্তু এসব ছোটখাটো ব্যাপারে আপনার অবহেলা আপনার সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রাণবন্ত থাকুন

আপনি হয়ত কোন সময় চাকরি পাবার ক্ষেত্রে সফল হতে পারেননি তাই এই লেখাটি পড়ছেন এবং এটি খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। সব কিছুই আসলে একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনি আপনার ভুলগুলো শুধরে বা ঘাটতিগুলো পূরণ করে আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাবেন। কখনও হয়ত এমন সময় আসবে যে আপনি হতাশ হয়ে পড়বেন। কখনও হয়ত আপনি আপনার দক্ষতা এবং আত্মসম্মানবোধ নিয়ে নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করবেন বা আঙ্গুল ওঠাবেন। প্রায় প্রতিটি মানুষই এই ধরণের পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে এসেছেন এবং দুর্গম পথ অতিক্রান্ত করেছেন। আপনার চাকরি না পাওয়া কিংবা বেকারত্ব কোনটিই যাতে আপনার মোটিভেশন কমে যাওয়া কিংবা হাল ছেড়ে দেবার কারণ হয়ে না দাঁড়ায়। চাকরি পাবার সবচেয়ে বড় মন্ত্রটি হল লেগে থাকা এবং হাল ছেড়ে না দেয়া।

বাস্তবসম্মত প্রত্যাশা রাখুন

সবাই যার যার ফিল্ডের সেরা কোম্পানিতেই চাকরি করতে চান। ভাল বেতন, সুযোগ সুবিধা এবং ছুটি সব কিছুই প্রত্যাশিত থাকে। অনেকেই হয়ত এগুলো পেতে সক্ষম হন। সবার ক্ষেত্রে হয়ত এই সুবিধাগুলো পুরোপুরি মিলে না। একজন চাকরি প্রার্থী হিসেবে আপনাকে এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে যে প্রথম চাকরিটিতেই আপনি হয়ত সমস্ত সুযোগ সুবিধা একবারে পেয়ে যাবেন না। আপনি সুযোগ অবশ্যই পাবেন তবে তার জন্য আপনাকে কাজে আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং ডেডিকেশন দেখাতে হবে। ভাল কাজের দাম আপনি পাবেন তবে আপনাকে প্রথমে আপনার যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে। সুতরাং শুরুতেই সব ধরণের সুযোগ সুবিধা একসাথে আশা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

ব্যক্তিগতভাবে রিসার্চ করুন

আমরা চাকরি সংক্রান্ত যত প্রবন্ধ লিখি সেগুলোর প্রত্যেকটিতেই আমরা রিসার্চের কথা বলি। আমরা আপনাকে সবসময়েই পরামর্শ দিই ইন্টারভিউ দিতে যাবার আগে কোম্পানি, যে পদের জন্য ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছেন সেই পদ ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিন। তবে আজকের এই টিপসটি একটু ব্যতিক্রমী। অনেক মানুষই সাধারণ সময়ের চেয়ে বেশি সময় ধরে বেকার থাকেন। এই সময়টিতে আপনি নিজেকে ব্যবসায় সংক্রান্ত বিষয়ে আপডেটেড রাখুন। আপনি যেই ফিল্ডের চাকরি খুঁজছেন সেই ফিল্ডে কি অবস্থা তা সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখার চেষ্টা করুন। আপনার ফিল্ডের কাজের নতুন টেকনিক, ব্রেকথ্রু যাই আছে সবকিছু নিজে শেখার চেষ্টা করুন। এতে করে আপনি সমসাময়িক অবস্থা সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা নিয়ে চাকরিতে প্রবেশ করতে পারবেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ব্যবসায়ের কোন বিষয় সম্পর্কে আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় তবে আপনি যদি উত্তর দিতে না পারেন তবে আপনি একটি লজ্জাজনক পরিস্থিতির শিকার হবেন। সুতরাং বেশি বেশি রিসার্চ করুন এবং নিজেকে আপডেটেড রাখুন।

Bikroy.com/Jobs এ আছে ১০০০+ চাকরির অফার! আজই আবেদন করুন।


Bikroy.com/Jobs – নতুন এবং আরও উন্নত চাকরির প্ল্যাটফর্ম

 

মাসে ২৫ লক্ষেরও এর বেশি ওয়েবসাইট ভিজিটর এবং দেশের দ্বিতীয় সেরা চাকরির প্ল্যাটফর্ম নিয়ে সত্যিকার অর্থেই Bikroy বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস। Bikroy.com/Jobs এর চাকরির বিজ্ঞাপনগুলোতে প্রতি মাসে ৫ লক্ষেরও বেশি আবেদন জমা হয়। এই প্লাটফর্মে সব ধরনের চাকরির বিজ্ঞাপন গুলোকেই প্রাধান্য দেয়া হয়ে থাকে, বিশেষ করে সাপোর্ট স্টাফ, এন্ট্রি লেভেল এবং বিভিন্ন রকম পেশার চাকরি প্রার্থী নিয়োগ দেয়ার ক্ষেত্রে এই প্লাটফর্মটি অনবদ্য। এছাড়াও ফেইসবুক, ইউটিউব এবং গুগলের পর Bikroy বাংলাদেশের চতুর্থ বহুল পরিচিত অনলাইন ব্র্যান্ড*।

*সূত্রঃ কান্তার মিলওয়ার্ড ব্রাউন, এপ্রিল, ২০১৭

Bikroy.com/Jobs নিয়ে এসেছে নতুন এবং আরও উন্নত প্ল্যাটফর্ম

Bikroy.com/Jobs প্ল্যাটফর্ম টি এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে নতুন এবং উন্নত সেবা নিয়ে এসেছে। নিয়োগকারীগণ এখন আরও দ্রুত এবং সহজে যোগ্য প্রার্থীদের খুঁজে পাবেন।

Bikroy.com/Jobs প্ল্যাটফর্মে নতুন যা আছেঃ

  • এমপ্লয়ার ড্যাশবোর্ডে এক নজরেই সকল আবেদনকারীদের দেখতে পারবেন
  • যোগ্য প্রার্থী খুঁজে পেতে ইমেইলে আর হাজার হাজার সিভি দেখার দরকার নেই
  • যোগ্য প্রার্থীদের খুব দ্রুত এবং সহজে শর্টলিস্ট করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন
  • অপ্রাসঙ্গিক আবেদন গুলো ফিল্টার করা যাবে খুব সহজে

মেম্বারশিপের সুবিধাঃ
বিশ্বমানের চাকরির প্ল্যাটফর্ম Bikroy.com/Jobs  এর সুবিধা গ্রহণ করতে যেকোনো প্রতিষ্ঠান তাদের সুবিধামত বিজনেস প্লাস অথবা প্রিমিয়াম মেম্বারশিপে সাবস্ক্রাইব করে উক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মী নিয়োগের খরচ ৯০% পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পারবেন। Bikroy তার সম্মানিত মেম্বারদের মার্কেটের সবচেয়ে সাশ্রয়ী দাম অফার করছে এবং বিনামূল্যে প্রিমিয়াম লিস্টিং এর সুবিধা দিচ্ছে। এছাড়াও নিম্নোক্ত সুবিধা গুলো পাওয়া যাবেঃ

  • Bikroy.com এ নিজস্ব কাস্টমাইজড পেইজ
  • Bikroy.com এ থাকবে প্রতিষ্ঠানের জন্য পছন্দমত একটি নিজস্ব লিংক
  • মেম্বারশিপের মাধ্যমে আরও বেশি চাকরির বিজ্ঞাপন পোস্ট করার সুবিধা

আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য স্বল্প খরচে যোগ্য প্রার্থী খুঁজে নিতে Bikroy এর মেম্বারশিপের সুবিধাটি গ্রহন করতে এবং বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ Bikroy.com/Jobs অথবা ইমেইল/ফোন করুনঃ support@bikroy.com, ০৯৬১৩ ৫৫৫ ৪৪৪


২০১৬ হোন্ডা সিআরভি টেস্ট ড্রাইভ রিভিউ

 

বাজারে আসার পর থেকে চারটি বছর ভালই চললো বর্তমান প্রজন্মের হোন্ডা সিআরভি। অবিশ্বাস্যরকম ভাল চলার দুটি কারণ: প্রথমত, এটি হোন্ডার, এবং দ্বিতীয়ত, এই মাঝারি আকারের গাড়িটি দামি হলেও খুব চমৎকার। তাছাড়া বাজার বিবেচনা করলে দেখা যায়, এই দামে সিআরভিকে এমন কিছু একটা দিতে হতো যা এর চেয়ে সস্তা গাড়িতে বা রিকন্ডিশন্ড গাড়িতে পাওয়া যেতো না। এক্ষেত্রে এই দামে এটিই সর্বোচ্চ মানের এবং এর সুবিধাদিও উন্নত।

এটা মাঝারি আকারের শ্রেণিভুক্ত একটি গাড়ি, যেটি নিসান-এর এক্স-ট্রেইল এবং মিটসুবিশি‘র আউটল্যান্ডারের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে। কিন্তু ভেতরের জায়গা হিসেব করলে এটি বড়সড় টয়োটা প্রাডো’র প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে, যদিও এতে পরেরটির মতো তিন সারিতে আসন নেই। বাইরের দিকে, সিআরভি’র প্রান্তগুলো বৃত্তাকার, সামনের দিকটা ঢালু, এবং পেছনের দিকটা এমন সংহত যে এ গাড়িটিকে তার আকারের চেয়ে অনেক ছোট দেখাবে। বিপরীতে, এক্স-ট্রেইল বা আউটল্যান্ডারকে মনে হবে বিশাল, দৈত্যাকার। হোন্ডার গাড়িগুলোর ডিজাইন অনেক সময়ই অন্য কোম্পানির চেয়ে আলাদা হয়ে থাকে। তবে সিআরভির ক্ষেত্রে অধিকাংশ মানুষই একমত হবেন যে এটি একটি দেখার মতো গাড়ি হয়েছে।

Image 2

এর ভেতরের সবকিছু নরম, তুলতুলে এবং বাহারি রং দিয়ে সাজানো। সবকিছুই খুব কাজের, এবং ব্যবহারও খুবই সহজ। সহজ ব্যবহারের বিষয়টি খুবই প্রশংসার যোগ্য। এর ভেতরে সাত ইঞ্চি পর্দায় খবরাখবর দেখা বা বিনোদনের ব্যবস্থা । আপনার গাড়ি চালানোর সময় যে যে তথ্যের দরকার হতে পারে, তার পুরো তালিকাটি রয়েছে। গাড়ির পিছন দিকে শীতাতপনিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা, যা প্রচণ্ড গরমে, যানজটে আপনাকে স্বস্তি দেবে। মোট কথা, আপনার মনে হবে, আপনি গাড়ি চালাচ্ছেন না, গাড়িই আপনাকে চালিয়ে নিচ্ছে।

Image 1

আপনি যদি বাজারে হোন্ডার যে কোনো গাড়ি ড্রাইভ করে দেখতে চান, তাহলে দেখবেন, এতে সবকিছুই আপনি পাবেন। হোন্ডা কখনোই মানের প্রশ্নে আপোষ করে না। এমনকি বড় গাড়ি, এসইউভি’র ক্ষেত্রেও করে না। এটি চালিয়ে আপনি এত আনন্দ পাবেন যে গাড়িটি যে আপনার আছে সে জন্য আপনি গর্ববোধ করবেন। সিআরভি, তার ২.৪ লিটারের চার সিলিন্ডারের মোটর ১৫৫ অশ্বশক্তি এবং 140 পাউণ্ড-ফুট ঘুর্ণন-সঞ্চারক-বল বা টর্ক চালাতে সক্ষম। তার মানে বড় গাড়ির ভারি ইঞ্জিনের মতো না, কিন্তু টর্কের ক্ষমতা অনেক। আই-ভিটেক ভালভ প্রযুক্তি যে শুধু জ্বালানির সাশ্রয়ে সহায়ক, তা-ই নয়, এটি জ্বালানি প্রবাহও গতিশীল রাখে। ভালভের সুক্ষ্ম ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানির অপব্যবহার রোধ ও এর দক্ষ ব্যবহার করার পদ্ধতি হোন্ডা ৮০’র দশকেই আয়ত্ত করে। সময়ের সাথে সাথে এ ক্ষেত্রে আরও দক্ষ হয়ে উঠেছে। ফলে অল্প ব্যয়ে, অল্প আয়াসে জোরে ঘোরে এর ইঞ্জিন, এমনকি তা বিজ্ঞাপনে যেভাবে বলা আছে তার চেয়ে ভাল চলে। এর পাঁচটি গিয়ার খুব সহজে ওঠানামা করানো যায়। এর ফোর হুইল ড্রাইভ অযথা ঘর্ষণ ছাড়াই মসৃণ পথচলায় সাহায্য করে।

Image 4

তাই যদি বলা হয় হোন্ডা সিআরভি যতটা স্পোর্টি দেখায় আসলে তা না, তাহলে জানতে হয় এসইউভি’র কী কী উপযোগিতা আছে। এসইউভির একটা বিশাল বুট বা ডালা রয়েছে পেছনে, তারপর পেছনের আসনটিকে ভাঁজ করে গুটিয়ে, শুইয়ে  রাখা যায় যেখানে বেশ কয়েকটি তাবু, ছোট নৌকা, সাইকেল, বা আরো যা যা থাকলে আপনার জীবনধারাকে খুবই সক্রিয় বলা যাবে, তার সবই রাখা যাবে। তাছাড়া এর ভেতরের বিভিন্ন জায়গায় জিনিসপত্র রাখার জন্য ছোট ছোট খোপ আবার কাপহোল্ডার রয়েছে। সে কারণেই ইউটিলিটি বক্সের কথা বলতেই হয়। এখন কথা হচ্ছে, এর মধ্যে কী আছে, যা সিআরভি দিতে পারে না? সিআরভি খুবই আকর্ষণীয় ও নতুন ধরনের। তা সত্ত্বেও যে দিকটি একে এর প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে এগিয়ে রাখে তা হলো এর স্নিগ্ধতা ও নিখুঁত বৈশিষ্ট্যসমূহ।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যে কারণে এসইউভির চেয়ে ছোট ও দামী হওয়া সত্ত্বেও  অনেক ক্রেতাই রিকন্ডিশন্ড বাজারে টয়োটা হ্যারিয়ারের দিকে ঝুঁকেছিল, সেটি হলো হ্যারিয়ার দেখতে ছিল খুব বাহারি, স্বতন্ত্র। বিশেষ করে এর ব্যাকলাইট আর চাকার ওপর দৃঢ়, সমৃদ্ধ খিলানাকৃতির ঢাকনা। তেমনিভাবে সিআরভি’র সুসংহত ও পরিশীলিত বহির্ভাগ এক কথায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

পরিশেষে, সিআরভি খুবই কাজের, সে কারণেই মাঝারি আকারের এসইউভির মধ্যে এটি একটি রুচিশীল।