All posts by Pujan Kumar

নারী কর্মীদের জন্য Bikroy-এর বিশেষ আয়োজন ‘মনের জানালা’

moner janala

এবারের অতিথি: রুবাবা দৌলা

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস Bikroy, কর্মস্থলে নারী কর্মীদের অংশগ্রহণের অনুপাত বাড়াতে এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের ‘হি ফর শি’ ক্যাম্পেইনের সাথে যুক্ত হয়ে ‘মনের জানালা’ শীর্ষক একটি ফোরাম তৈরি করেছে। ফোরামের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে Bikroy- এর নারী কর্মীদের অংশগ্রহণে গত ১৪ নভেম্বর, বুধবার রাজধানীর প্ল্যাটিনাম গ্র্যান্ড রেস্টূুরেন্টে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।

Bikroy-এর নারী কর্মীরা তাদের যেকোনো ধরনের চিন্তা বা অনুভুতি ‘মনের জানালা’ ফোরামে শেয়ার করতে পারেন। ফোরামটি প্রতিনিয়ত লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণ এবং সকল ক্ষেত্রে নারী সদস্যগণের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে কাজ করছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ফোরামের তিন উপদেষ্টা- নাজ হুসাইন, রেহেনুমা ইসলাম এবং ঈশিতা শারমিন নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। নারী কর্মীদের কেন্দ্র করে আয়োজন করা হলেও, এই ফোরামে পুরুষ কর্মীরাও তাদের মতামত জানাতে পারেন।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পালস হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উদ্যোক্তাদের সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক সংগঠন টাই (টিআইই-দ্যা ইন্ডাস এন্টারপ্রেনার্স) গ্লোবাল-এর ঢাকা চ্যাপ্টারের নব-নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রুবাবা দৌলা। এছাড়াও বিক্রয় এর পক্ষ থেকে অন্যান্যদের মাঝে আরও উপস্থিত ছিলেন বিক্রয় ডট কম-এর হেড অব এইচআর অ্যান্ড কালচার রেহেনুমা ইসলাম, হেড অব মার্কেটিং এন্ড অ্যাড সেলস ঈশিতা শারমিন এবং হেড অব মার্কেটপ্লেস সেজামী খলিল সহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

মনের জানালা প্রসঙ্গে রুবাবা দৌলা বলেন, “একজন নারীকে একই সাথে পেশাগত জীবন এবং ব্যক্তিগত ও সাংসারিক জীবনের চ্যালেঞ্জ সামলাতে হয়। অনেক সময় এসব বিষয়ের সামলাতে গিয়ে নারীরা অনেক সময়ই হাঁপিয়ে উঠেন। অনেকেই এই হাঁপিয়ে ওঠার বিষয়টি কাউকে বলতেও পারেন না। আমি বিক্রয় ডট কম – কে সাধুবাদ জানাতে চাই এমন একটি চমৎকার আয়োজন করেছে যেখানে সবাই তার মনের কথা বলতে পারে”।

বিক্রয় ডট কম-এর হেড অব এইচআর অ্যান্ড কালচার রেহেনুমা ইসলাম বলেন, “বিক্রয় প্রতিটি কর্মীকে নিয়ে অগ্রসর হবার ব্যাপারে উচ্চাকাঙ্ক্ষী। ‘মনের জানালা’ এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আমাদের নারী কর্মীরা তাদের কাজের পরিবেশ এবং কাজ করতে গিয়ে একজন নারী হিসেবে যেসব প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়, তা নিয়ে দ্বিধাহীন ভাবে কথা বলতে পারেন। প্রতিবার অনুষ্ঠানে আমরা এমন একজন নারীকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানাই, যিনি সমাজে প্রতিষ্ঠিত এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত হয়ে উঠার গল্প আমাদের কর্মীদের অনুপ্রেরণা যোগাতে পারে। সফল এসকল নারীদের জীবনের গল্প আমাদের কর্মীদের কর্মজীবনে সাফল্য অর্জন করবে বলে আমি আশাবাদী”।

বিক্রয় ডট কম-এর হেড অব মার্কেটিং এন্ড অ্যাড সেলস ঈশিতা শারমিন বলেন, “‘মনের জানালা’ Bikroy-এর একটি ঐতিহ্য এবং নিয়মিত আয়োজন। গত তিন বছর ধরে প্রতি তিন মাস অন্তর এটি হয়ে আসছে, যাতে তরুণ নারী কর্মীদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণগত মান বাড়ানো যায়। ব্যবস্থাপনা স্তরের আরও বেশি বৈচিত্র্যের ফলাফল সত্ত্বেও, বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানগুলিতে নেতৃত্বের ভূমিকাগুলিতে নারীদের অংশগ্রহণ কম থাকে। বিক্রয় এ আমরা সবসময়ই নারী ও পুরুষ উভয়কে সমান সুযোগ দিয়ে থাকি যাতে করে তারা তাদের কাজে ভালো করতে পারে

উল্লেখ্য, টেলিকম এবং আইটি ইন্ডাস্ট্রির সকল ক্ষেত্রে প্রভাবনমূলক ভূমিকা পালনে একজন সফল পেশাদার, উদ্যোক্তা, পরামর্শদাতা এবং উপদেষ্টা হিসেবে রুবাবা দৌলা’র রয়েছে দীর্ঘ উনিশ বছরেরও বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা। তিনি অনন্য সব রেকর্ডের অধিকারী একজন অভিজ্ঞ নেতা। টেলিনর-এর সাবসিডিয়ারি গ্রামীনফোনকে এক নম্বর ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং বাজারে আধিপত্য বিস্তারের ক্ষেত্রে চিফ অব মার্কেটিং অ্যান্ড চিফ কমিউনিকেশনস অফিসার হিসেবে তিনি অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন।


মোটর সাইকেল রাইডারদের নিরাপত্তার জন্য সেফটি গিয়ার

Motorcycle Safety Gear BD

আপনি কি ছোটবেলা থেকেই সবচেয়ে আধুনিক ও স্বতন্ত্র একটি বাইকের মালিক হওয়ার স্বপ্ন দেখে আসছেন? আসলে ছোটবেলায় ভীষণ হাই-টেক আধুনিক বাইক, গাড়ি, এমনকি একটি বাড়ির মালিক হওয়ার স্বপ্ন দেখাটা খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। আমাদের মধ্যে অনেকেই সেই স্বপ্নগুলো পূরণ করার পথে এগিয়ে যাই, কিন্তু বড় হতে হতে একটা সময় সেই স্বপ্নগুলো অধিক বাস্তবসম্মত জীবনের লক্ষ্যে পরিণত হয়ে যায়।

কিন্তু ছোটবেলায় একটা জিনিস কখনও আমাদের চিন্তা করা হয়ে ওঠে না। তা হল নিরাপত্তা! হয়ত অনেকটা সেই কারণেই পূর্ণবয়ষ্ক হয়ে যাবার পরও আমরা নিরাপত্তা ব্যাপারটাকে ঠিক ভাবে গুরুত্ব দিই না।

বাংলাদেশে একজন নতুন কিংবা অভিজ্ঞ বাইকার অথবা রাইডার হিসেবে, আমরা সব সময়ই এটা নিয়ে ভাবি যে আমাদের কেমন দেখাচ্ছে আর আমাদের মোটর সাইকেলটিকে কেমন দেখাচ্ছে। আমরা আমাদের বাইকিং স্টাইলের কথা মাথায় রেখে দারুণ সব পোশাক পড়ার ব্যাপারে অনেক বেশি মনোযোগী, অথচ যথাযথ মোটর সাইকেল গিয়ারের সাহায্যে নিরাপদ রাইডিং এর কথা চিন্তা করার সময়ই পাই না।

তাহলে আপনি কোনটি চাইবেন?

আপনার কি মনে হয় সম্পূর্ণ গিয়ার সহ পোষাক অর্থাৎ নিরাপদ রাইডিং কি সত্যিই জরুরী? আপনার কি কখনও এমন মনে হয়েছে যে মোটর সাইকেল গিয়ার ব্যবহার করে বাইকারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটা কিছুটা অস্বস্তিকর বা অনাকর্ষণীয়? আজ আমাদের এই প্রতিবেদনে আমরা বাইকারদের নিরাপত্তার স্বার্থে তৈরি কিছু দারুণ আকর্ষণীয় মোটর সাইকেল গিয়ার সম্পর্কে জানবো, একই সাথে স্টাইল এবং আরামের দিকটাও মাথায় রাখবো, বিশেষ করে বাংলাদেশের রাস্তায় চলাফেরা করার জন্য!

যথার্থ মোটর সাইকেল গিয়ারের সাথে নিরাপদ রাইডিং

নিরাপদ রাইডিং হচ্ছে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার যা আমরা প্রায়ই খেয়াল করতে ভুলে যাই। এটা সত্যি যে মুক্তভাবে রাইডিং এর উত্তেজনার কোন তুলনা হয় না, কিন্তু নিরাপদ রাইডিং আপনাকে সম্ভাব্য বড়সড় ক্ষতির হাত থেকে বাঁচিয়ে দিতে পারে। আপনি যদি এমন একজন ব্যক্তি হন যার কাছে নিরাপত্তা গিয়ার তেমন ভালো লাগে না, কেননা সেগুলো পরে কোন আরাম নেই, তাহলে আপনি আপনার জন্য সেরা গিয়ার সেট খুঁজে পাবার কোন চেষ্টাই করছেন না। ক্রিকেটারদের কথা ভাবুন, তারা খেলার সময় বিভিন্ন রকম প্রোটেকশন যেমন প্যাড, হেলমেট ইত্যাদি ব্যবহার করে ক্রিকেট খেলেন এবং ভালো পারফর্মও করেন। গলির ক্রিকেটার হিসেবে এই এত সব এক্সেসরিজ পরতে খুব একটা ভালো না লাগলেও আপনি একজন প্রফেশনাল হিসেবে খেলতে গেলে সঠিক সরঞ্জাম ছাড়া খেলার কথা ভাবতেই পারবেন না।

একই ভাবে যথার্থ মোটর সাইকেল গিয়ার পরিহিত একজন রাইডার হিসেবে আপনি রাস্তার দিকে বেশি মনোযোগ দিয়ে চালাতে পারবেন, আর ছোটখাটো বিক্ষেপ যেমন বাতাসের ঝাপটা, চাপ, ধুলাবালি এবং অন্যান্য আবহাওয়ার সমস্যা, এসবের সময় আপনি নিরাপদ থাকবেন। আপনাকে ক্লান্তি, অবসাদ, দুর্বলতা ইত্যাদি সহজে কাবু করতে পারবে না, যার ফলে আপনি অধিক সময় নিরাপদভাবে বাইক চালাতে পারবেন। আর যদি কোন গুরুতর দুর্ঘটনা ঘটেও যায়, তাহলে অন্তত আপনি বড় ধরণের আঘাত পাওয়া থেকে নিরাপদে থাকতে পারবেন আর বেঁচে যাবেন। আপনি হয়ত দুর্ঘটনা একেবারে এড়িয়ে যেতে পারবেন না, কিন্তু সেরকম কিছু ঘটার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত থাকতে পারবেন এবং আঘাত কমিয়ে আনতে পারবেন।

তরুণ প্রজন্মের জন্য মোটর সাইকেল হচ্ছে একটি স্টাইল অনুষঙ্গ এবং এর বাঁধ না মানা গতি আপনাকে দিতে পারে পরম স্বাধীনতা। কিন্তু বাংলাদেশের মত একটি দেশে রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ এবং বাইকারদের জন্য নিরাপত্তা বেশ বড় একটা চিন্তার বিষয়। বেশির ভাগ মানুষ আজকাল স্টান্টবাজি, রেস এবং অন্যান্য বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে মানুষের বেশি আগ্রহ দেখা যায়। নিরাপত্তা তাই সব সময়ই আগে আসা উচিত এবং যথাযথ মোটর সাইকেল গিয়ার ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি নিশ্চিন্ত মনে আপনার রাইডকে মসৃণ, নিরাপদ এবং উপভোগ্য করে তুলতে পারেন!

বাংলাদেশের রাইডারদের জন্য মোটর সাইকেল নিরাপত্তা গিয়ার এবং পোশাকের সম্পূর্ণ তালিকা

বাংলাদেশের রাস্তায় নিরাপদ রাইডিং এর জন্য আপনার ঠিক কোন গিয়ার এবং পোশাকগুলো প্রয়োজনীয় সেটা দেখার আগে চলুন জেনে নিই নিরাপত্তা গিয়ার কি এবং এটি আপনাকে কি কি সুবিধা দিতে পারে। মোটর সাইকেল গিয়ার হলো যেকোন কিংবা প্রত্যেকটি এমন বিশেষ ডিজাইনে তৈরি করা নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক্সেসরিজ এবং পোশাক, যা মোটর সাইকেল চালানোর সময় আমাদের সবচেয়ে সংবেদনশীল ও নাজুক অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সুরক্ষা দেয়। এই গিয়ার বাইকারদের নিম্নের বিভিন্ন উপায়ে নিরাপত্তা দিতে সক্ষম, যেমন:

  • বাতাসের চাপ, ধুলাবালি, ময়লা অথবা বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচায়।
  • গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা যেকোন আবহাওয়া সংক্রান্ত বিপত্তির সময় সহায়ক।
  • খোলামেলা বাহন যেমন একটি মোটর সাইকেল চালানোর সময় অবসাদ এবং ক্ষয়ক্ষতির হার কমায়।
  • মানবদেহের সংবেদনশীল ও নাজুক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গুলোকে সম্ভাব্য ও সর্বোচ্চ সুরক্ষা দেয়।
  • মাথা, মুখমণ্ডল, কাঁধ, পিঠ, বুক, কুনুই, হাঁটু, হাটুর নিচের অংশ, পায়ের পাতা এবং আরো বিভিন্ন অঙ্গের সুরক্ষা।
  • সংঘর্ষ বা দুর্ঘটনার সময় যেকোন শারীরিক ক্ষয়ক্ষতি কিংবা আঘাতের পরিমাণ অনেকাংশে কমিয়ে আনে।

সুতরাং, নিরাপদ রাইডিং এর জন্য প্রয়োজনীয় সর্বজনীন এবং সবচেয়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা গিয়ার ও পোশাকসমূহ নিম্নরূপ:

নিরাপত্তার জন্য সেফটি গিয়ার

মাথার জন্য : হেলমেট

হেলমেট জিনিসটা সত্যিই জীবন বাঁচাতে পারে!

কেউ মোটর সাইকেল চালাচ্ছে অথচ হেলমেট পরেনি, এমনটা কেন যেন ভাবতেই ভয় করে… বিশেষ করে বাংলাদেশের ব্যস্ত রাস্তাগুলোয়, যেখানে বেশির ভাগ রাস্তার অবস্থা খুবই করুণ আর ভয়াবহ। স্টাইলের জন্য হোক কিংবা নিরাপত্তা, মার্কেটপ্লেসে পছন্দ করার মত বিভিন্ন রকম ডিজাইন এবং বিভিন্ন ধরণের হেলমেট পাওয়া যায়, যেমন:

  • হাফ হেলমেট
  • ফুল ফেস বা মুখ ঢাকা হেলমেট
  • ওপেন ফেস বা মুখ খোলা হেলমেট
  • মড্যুলার হেলমেট
  • অফ-রোড হেলমেট
  • ডুয়াল সাপোর্ট হেলমেট

স্বাভাবিক বা নিত্যদিনের পোশাক

বাইক চালানোর জন্য কি নির্দিষ্ট ধরণের কোন বিশেষ পোশাক পরা আবশ্যক? হ্যাঁ, অবশ্যই!

পোশাক পছন্দ করার ক্ষেত্রে সব সময়ই আপনার আরামের কথা মাথায় রাখা উচিত, সাথে আবহাওয়ার অবস্থাও বিবেচনা করতে হবে। কিন্তু একজন বাইকার হিসেবে আপনাকে ‘নিরাপদ’ পোশাকের কথাও ভাবতে হবে। আপনার হাতকে রোদে পোড়ার থেকে বাঁচানোর জন্য কিছু, পায়ে হালকা পাতলা আঁচড় থেকে বাঁচানোর জন্য কিছু, ঝড়ো বাতাস, বৃষ্টি ইত্যাদি সব কিছুর জন্যই যথাযথ পোশাকের প্রয়োজন। নিম্নের কিছু বেসিক পোশাক একজন বাইকার হিসেব আপনার কাজে আসবে, আবহাওয়া ও আপনার আরামের কথা মাথায় রেখে চাইলে এর মধ্যে কিছু পরিবর্তনও আনতে পারেন:

হাতকে বাঁচানোর জন্য ফুল হাতা টি-শার্ট অথবা হাফ হাতা টি-শার্টের সাথে ট্যাটু স্কিন জাতীয় মোজা।

  • স্টাইলিশ জ্যাকেট, বাতাস প্রতিরোধক কিংবা হালকা যে কোনো জ্যাকেট
  • হাতা কাটা হালকা জ্যাকেট অথবা অন্যান্য এক্সেসরিজ যেমন মাফ্লার, স্কার্ফ
  • লম্বা ফুল প্যান্ট

হাতের জন্য : গ্লাভস

Gloves are a very important accessory which is handy for better control from the rough road conditions and the repeated clutch and brake usage due to traffic jams and long drives. Not only will you get better grip, your hands will be protected as well. The following are some types of gloves and hand wear accessoriesএকজোড়া গ্লাভস একজন বাইকারের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ ও কাজের এক্সেসরি যা কঠোর রাস্তায় চলাচলের জন্য এবং ট্র্যাফিক জ্যাম ও লং ড্রাইভের সময় বার বার ক্লাচ ও ব্রেক ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও হাতের নিয়ন্ত্রণ উন্নত করতে সাহায্য করে। এই গ্লাভস যে শুধু আপনাকে উন্নত গ্রিপ দেবে তা নয়, একই সাথে আপনার হাতকেও সুরক্ষিত রাখবে। নিম্নে হাতে পড়ার মত কিছু এক্সেসরিজ ও গ্লাভসের ধরণ উল্লেখ করা হল:

  • ফোমের গ্লাভস
  • কাপড়ের গ্লাভস
  • চামড়ার গ্লাভস
  • আঙ্গুল খোলা গ্লাভস
  • বাহুর জন্য হাতা বা স্লিভ
  • হাতের গিঁটের সুরক্ষা সহ বাইকার গ্লাভস
  • রোদে পোড়া থেকে বাঁচার জন্য পুরো হাতের মাস্ক/গ্লাভস

পায়ের জন্য : বুটস

পায়ের জুতা বাইকারদের নিরাপত্তার ব্যাপারে বেশ অবহেলিত কিন্তু অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি মোটর সাইকেল গিয়ার। একজন বাইকারের গোড়ালি, গিঁট, পায়ের আঙ্গুল ইত্যাদিকে আকস্মিক ব্রেক কষার সময় সম্ভাব্য নানা রকম দুর্ঘটনা থেকে বাঁচানোর জন্য বুটস সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। আপনি যদি একজন পেশাদার স্টান্টম্যান বা রাইডার হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য বুটস অত্যাবশ্যক, আর যদি তা না হয় তাহলে অন্তত পুরো পা ঢাকা যেকোন জুতা পড়া উচিত। বাংলাদেশে বাইকারদের জন্য উপযুক্ত কিছু পায়ে পরিধেয় অপশন নিম্নরূপ:

  • মোজা
  • জুতা
  • লোফার জুতা
  • সেমি বুটস
  • ফুল বুটস

চোখের জন্য : সানগ্লাস

একজন বাইকার হিসেবে আপনার চোখের দৃষ্টিকে আপনি কোনভাবেই অবহেলা করতে পারবেন না। বিশেষ করে বাংলাদেশের মত দেশে রাস্তার করুণ অবস্থার ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটা বিশেষ ভাবে সত্যি; যেখানে রাস্তাঘাট শুধু যে অনেক বেশি যানবাহনে ভরা তাই নয়, এখানে নারী, পুরুষ, শিশু এবং জীবজন্তুও রাস্তায় চলাচল করে। এই কারণে আপনার জন্য আবশ্যক যে আপনি ধুলায় ভরা নোংরা বাতাস এবং বিভিন্ন আবহাওার অবস্থা যেমন রোদ ও বৃষ্টির দিনে চোখকে নিরাপদ রাখার জন্য যেকোন ধরণের চশমা ব্যবহার করেন। তার উপর স্টাইলিং এর ব্যাপারটা এক্ষেত্রে বিশাল একটি বোনাস বলতে পারেন!

  • দিনে সূর্যের রশ্মি থেকে বাঁচার জন্য সানগ্লাস
  • রাতের বেলায় স্বচ্ছ চশমা
  • বৃষ্টি, ঝড়ো বাতাস কিংবা ঠাণ্ডার সময়ে গগলস

রাস্তায় চলাচলের সময় প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত নিরাপত্তা গিয়ার

মোটর সাইকেল চালানো আমাদের জন্য অন্যতম আনন্দদায়ক কাজগুলোর মধ্যে একটি এবং প্রায় প্রত্যেক বারই বাইকিং আমাদেরকে কিছুটা বাড়তি উত্তেজনা দেয়। কিন্তু এই সব কিছুর পেছনে বেশ কিছু সম্ভাব্য ঝুঁকি রয়ে যায়। রাস্তায় চলাচলের সময় নিরাপত্তা আমাদের কাছে বিশেষ অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত, কিন্তু মোটর সাইকেল চালানোর সময় এটা অনেক অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা খুব সামান্য কোন দুর্ঘটনা থেকেই ঘটে যেতে পারে গুরুতর আঘাত বা ক্ষতি!

রাইডার এবং প্যাসেঞ্জার উভয়ের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত এবং দুই চাকার যেকোন বাহনের জন্য নিরাপত্তা গিয়ারের প্রয়োজনীয়তা বিশ্বব্যাপী গুরুত্ব বহন করে। বাংলাদেশের মত একটি দেশে এই ধরণের সচেতনতা অনেক দরকারী, যেখানে রাইড শেয়ারিং সার্ভিসের প্রসারের দরুন বর্তমানে পরিবহনের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে মোটর সাইকেল । আরও দেখে নিন নতুন মোটরবাইক চালকদের জন্য নিরাপত্তামূলক পরামর্শ

তাহলে চলুন দেখে নিই মোটর সাইকেল নিরাপত্তা গিয়ারের আরো ২টি অতিরিক্ত দিক:

. আবহাওয়ার অবস্থা

বাংলাদেশের ভারী বর্ষণের ঋতু চলাকালীন সময়ে রাস্তাঘাট স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। একজন রাইডার হিসেবে আপনার উচিত সব সময় রেইঙ্কোট, প্যান্ট, অথবা অন্তত মাথা ঢাকার জন্য কোন ধরণের কভার সাথে রাখা। এছাড়াও আপনি বিশেষ ধরণের পানিরোধী গিয়ার বা পোষাকের কথাও ভেবে দেখতে পারেন, যেমন- জুতা, গ্লাভস ও পানিরোধী প্যান্ট ইত্যাদি। ঠাণ্ডার সময় বা শীতকালে আবহাওয়া অনেক বেশি রুক্ষ হয় এবং ঠাণ্ডা তাপমাত্রা ও ঝড়ো বাতাস অনেক প্রবল হয়। এক্ষেত্রে আপনার উচিত বাতাস প্রতিরোধক জ্যাকেট, কানটুপি, গ্লাভস ইত্যাদি গিয়ার সাথে রাখা। এছাড়াও শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালির প্রকোপও অনেক বেশি হয়, অতএব নিজেকে বায়ু দূষণের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য হাতের কাছে মাস্ক রাখার কথাও ভাবতে পারেন। এমনকি গ্রীষ্মকালেও প্রখর রোদ এবং গরম আবহাওয়ার সাথে রোদে পোড়া ও ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি আপনার ক্ষতি করতে পারে। এক্ষেত্রে রোদে পোড়া এবং লম্বা সময় সূর্যের আলোয় থাকার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য আপনার উচিত কোন রকম সান-প্রোটেকশন ক্রিম ব্যবহার করা।

. সুরক্ষা এবং উপলক্ষ

সকল মোটর সাইকেল গিয়ারই ডিজাইন করা হয়েছে কোন না কোন বিশেষ ধরণের প্রোটেকশন বা সুরক্ষা দেয়ার জন্য, কিন্তু কোন দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে অন্যান্য সাধারণ নিরাপত্তা গিয়ারের কথাও চিন্তা ভাবনায় রাখা উচিত। পতন কিংবা সংঘর্ষের ক্ষেত্রে বাঁচার জন্য যেসব জিনিস ব্যবহার করা হয় সেগুলোই হলো প্রতিরক্ষামূলক নিরাপত্তা গিয়ার, যেমন- বুকের বর্ম, পিঠের প্রোটেকশন, কুনুই, কাঁধ, হাঁটু, কোমর বা হিপ প্রোটেকশন, প্রতিফলক জ্যাকেট ইত্যাদি। আপনি যদি একটি স্টান্ট বা রেসিং এর অনুরাগী হন তাহলে এই জিনিসগুলো আপনার জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি একজন রেসার হন তাহলে আপনাকে প্রতিরক্ষামূলক রেসিং স্যুট কেনার কথা ভাবা উচিত, যা বিশেষ ভাবে বাইকারদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এগুলো দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনটাই নড়াচড়ার স্বাধীনতা সহ সব ধরণের প্রয়োজনীয় প্রোটেকশন আপনাকে দিতে সক্ষম।

উপসংহার

এই প্রতিবেদনে আমাদের বিস্তারিত আলোচনার পর আশা করি আমাদের সবার মনে মোটর সাইকেল গিয়ার সংক্রান্ত সব রকম ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তি কিছুটা হলেও দূরীভূত হয়েছে এবং এই প্রতিবেদনটি বাংলাদেশে মোটর সাইকেল চালানোর সময় যথাযথ নিরাপত্তা বজায় রাখার গুরুত্বটাও ভালোভাবে তুলে ধরতে পেরেছে। যখনই আমরা রাস্তায় চলাচল করি, হোক তা বাইসাইকেল কিংবা মোটর সাইকেলে চড়ে, হয়ত একজন রাইডার বা কোন প্যাসেঞ্জার হিসেবে, সঠিক মোটর সাইকেল গিয়ার ব্যবহার করার মাধ্যমে আমরা আরো বেশি আত্মবিশ্বাসী, সচেতন এবং মোটকথা নিরাপদ থাকতে পারবো।

এটা মোটেও সত্যি নয় যে সব নিরাপত্তা গিয়ারই পরতে অস্বস্তিকর বা বিরক্তিকর। ভিন্ন ভিন্ন অপশন ব্যবহার করে দেখে আমরা আমাদের পৃথক প্রয়োজন, রাইডিং এর ধরণ, আরামের মাত্রা এবং বিভিন্ন রকম আবহাওয়ার পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে সঠিক গিয়ারটি খুঁজে পেতে পারি। এই ভাবে আমরা একই সাথে নিরাপদ এবং স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারবো

আপনি যদি ভালো মোটর সাইকেল গিয়ার, এক্সেসরি বা অন্যান্য বিভিন্ন পণ্যের খোঁজ করে থাকেন, তাহলে আজই ভিসিট করুন Bikroy.com-এ। সারা বাংলাদেশের শত শত নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত বিক্রেতাদের পক্ষ হতে হাজার হাজার পণ্যের বিজ্ঞাপন ব্রাউজ করুন আমাদের অনলাইন মার্কেটপ্লেসে।

আজই খুঁজে নিন আপনার জন্য সেরা গিয়ার এবং রাইড করুন নিরাপদে!


সঠিক নিয়মে বিজ্ঞাপন দিন, দ্রুত বিক্রি করুন!

Ad Moderation feature

Bikroy.com এ বিজ্ঞাপন পোস্ট করার ক্ষেত্রে আমাদের রয়েছে কিছু নিয়মাবলী যাতে করে আপনার পোস্ট করা বিজ্ঞাপনটি যাতে সবচেয়ে কম সময়ের মধ্যে সর্বাধিক গ্রাহক বা ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে।

যেকোনো বিজ্ঞাপনের প্রথম ছবিতে অতিরিক্ত টেক্সট/লেখা আমরা গ্রহণ করছি না।  প্রথম ছবি ব্যতীত দ্বিতীয়/তৃতীয়/ চতুর্থ কিংবা পঞ্চম ছবিতে আপনি টেক্সট/লেখা সহ ছবি আপলোড করতে পারবেন।

Ad Moderation

প্রথম ছবিতে বেশি টেক্সট ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন!

তবে, প্রথম ছবিতে প্রয়োজনে ২০% পর্যন্ত টেক্সট/লেখা ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে। এই নিয়মটি কেবল নিচের তথ্যাবলীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্যঃ

  • পণ্যের নাম
  • পণ্যের কোড
  • লোগো বা কোম্পানির নাম
  • প্যাকেজিং টেক্সট/লেখা
  • ছবিতে বিলবোর্ড এর টেক্সট/লেখা

উপরের তালিকাগুলোর ক্ষেত্রেও নিশ্চিত করতে হবে যাতে করে টেক্সট/লেখা এর জন্য ছবিটি যাতে ঢেকে না যায়।

Ad Moderation 2

প্রয়োজনে ২০% এর বেশি টেক্সট/লেখা ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন!

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

  • সর্বদা ছোট ফন্ট সাইজ এবং কম শব্দ ব্যবহার করুন, যাতে ছবির তুলনায় টেক্সট/লেখা এর অনুপাত কম হয়
  • এই নিয়মটি শুধুমাত্র প্রথম ছবির জন্য প্রযোজ্য, তাই বিজ্ঞাপনটির দ্বিতীয়/তৃতীয়/ চতুর্থ বা পঞ্চম ছবির সাথে টেক্সট/লেখা ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই
  • বিজ্ঞাপনের টাইটেলে দুইয়ের অধিক চিহ্ন,ইমোজি বা ইমোটিকন (@, ৳, $, , ) ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন

বিস্তারিত জানতে আপনার Bikroy-এর প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করুন অথবা কল করুনঃ ০৯৬০৯৫৫৫৪৪৪ অথবা ইমেইল করুনঃ support@bikroy.com। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস Bikroy.com এ বিজ্ঞাপন দিন আর দ্রুত বিক্রি করুন যেকোনো কিছু!


আসন্ন সব স্মার্টফোনে সেরা যে ফিচারগুলো না থাকলেই নয়

স্মার্টফোনে সেরা ফিচার

২০১৮ সাল প্রায় শেষের পথে এবং চলতি বছরে আমরা প্রযুক্তিগত দিকগুলোয় যুগান্তকারী কিছু পরিবর্তন ও আপগ্রেড ঘটতে দেখেছি। ইদানিং স্মার্টফোন গুলো উচ্চমূল্যের ল্যাপটপ ও নোটবুকের কার্যকারিতার সমপর্যায়ে এসে পৌঁছেছে, তার উপর এগুলো ওজনে অনেক হালকা এবং অধিক বহনযোগ্য। আজকের আধুনিক স্মার্টফোন উৎপাদনের প্রযুক্তির কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে যুগোপযোগী ও সর্বাধুনিক ফিচারের সংগ্রহ। এদের মধ্যে কিছু ফিচার এমন রয়েছে যেগুলো আগের থেকে কিছুটা আপগ্রেড হয়েছে, আবার কিছু এমন ফিচারও কিছুদিন পর পর বাজারে আসে যেগুলো সম্পূর্ণ নতুন, আকর্ষণীয় এবং এগুলোর জন্য আমাদের পকেট ফাঁকা করে দেয়া যায় অনায়াসে!

অবশ্য আমরা চাইলেও হয়ত সব গুলো সেরা ফিচার একই ডিভাইসে পাব না, কিন্তু নিচে উল্লেখিত ফিচারগুলোর মধ্যে অন্তত কয়েকটি ফিচার আজকের আধুনিক স্মার্টফোনে না থাকলেই নয়। এই নিবন্ধটি পড়ার আগে দেখে নিন এই মুহূর্তে বিক্রির শীর্ষে থাকা স্মার্টফোনগুলো

একটি ফুল স্ক্রিন ১৮:৯ মাপের ডিসপ্লে

ফুল স্ক্রিন ডিসপ্লে

আধুনিক ফিচার সমূহের মধ্যে ফুল স্ক্রিন ডিসপ্লে আসলে এমন একটি ফিচার যা আমরা ব্যবহার না করা পর্যন্ত কখনও বুঝবো না যে এর অনুভব কি রকম আর এটি কেনা ঠিক হবে কি না। বিশ্বাস করুন, আপনি একবার এই ডিসপ্লে কোন রকম ব্যবহার করে দেখার পর পুরনো আর কোন ধরণের ডিসপ্লেই আপনার কাছে ভালো লাগবে না।

এলজি জি৬ এবং স্যামসাং গ্যালাক্সি এস.৯/এস৯+ এর মত ফোনগুলোর মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ ঘটার পর থেকেই আমরা দেখে আসছি যে ১৮:৯ মাপের ডিসপ্লে গুলো সাধারণ যেকোন মাপের ফোন ডিসপ্লের তুলনায় বেশ লম্বাটে। এতে করে ডিভাইসটি দেখতে কিছুটা সরু মনে হয় এবং এক হাতে বা ওয়ান-হ্যান্ডেড মোডে এই ফোনগুলো ধরা ও ব্যবহার করা অনেক বেশি আরামদায়ক ও স্বাচ্ছন্দ্যের। এই মাপের স্ক্রিন সাইজের একটি ছোট্ট সমস্যা হচ্ছে যে বেশির ভাগ অ্যাপস ও মিডিয়া এখনও এই মাপের জন্য তৈরিই করা হয় নি। এই কারণে এই মাপের ডিভাইসে কিছু কিছু অ্যাপ ব্যবহার করা কিংবা ভিডিও দেখার সময় স্ক্রিনের ওপরে ও নিচের দিকে কালো বার দেখা যেতে পারে।

একটা ভালো খবর হচ্ছে যে প্রায় সব গুলো চাইনিজ কোম্পানি তাদের বিভিন্ন নতুন স্মার্টফোনগুলো ১৮:৯ মাপের ফুল স্ক্রিন ডিসপ্লে সহ বাজারে ছাড়ছে। এমনকি তারা তাদের ফ্ল্যাগশিপ মডেল ছাড়া অন্য ডিভাইস গুলোতেও এই রেশিও ব্যবহার করছে! সেই সাথে তাল মিলিয়ে মিডিয়া ডেভেলপার কোম্পানিগুলোও আজকাল সেই চমৎকার রেশিও বজায় রেখে তাদের অ্যাপ গুলো তৈরি করার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। বর্তমানে আপনার বাছাই করে নেয়ার জন্য বাজারে অনেক গুলো স্মার্টফোন মডেল রয়েছে এবং এগুলোর দামও দিন কে দিন কমে যাচ্ছে।

দীর্ঘতর ব্যাটারী লাইফ

দীর্ঘতর ব্যাটারী লাইফ

বিগত কয়েক বছরে ব্যাটারীর প্রযুক্তিতে বিশাল রকম আপগ্রেড এসেছে। আজকের স্মার্টফোন গুলো আগের চেয়ে অনেক দ্রুত চার্জ যেমন হচ্ছে, তেমনই এক চার্জে অনেক লম্বা সময় চার্জ ধরেও রাখছে ও কাজ করছে। আপনার ফোনে হয়ত পৃথিবীর সেরা কনফিগারেশন ও ফিচারের সংগ্রহ থাকতে পারে, কিন্তু সে ফোনে ব্যাটারীর চার্জ যদি বেশিক্ষণ না থাকে তাহলে এ সব কিছুই ফিকে হয়ে যায়। আজকাল মার্কেটপ্লেসগুলোয় বিভিন্ন ভালো দামের স্মার্টফোন পাওয়া যায় যেগুলোর ব্যাটারী লাইফ দুর্দান্ত।

আপনি যদি অন্যান্য আধুনিক সব ফিচারের পাশাপাশি বেশ বড় ব্যাটারী লাইফ আছে এমন একটি স্মার্টফোন কিনতে চান, তাহলে বেছে নেয়ার জন্য বেশ অল্প কিছু অপশন আপনার হাতে রয়েছে। প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং আজকের স্মার্টফোন গুলোর উচ্চ পারফরমেন্স সমৃদ্ধ ফিচারের সাথে, শুধুমাত্র ৩০০০এমএএইচ ব্যাটারী আমাদেরকে সর্বোত্তম পাওয়ার সরবরাহ করতে পারে না। আধুনিক স্মার্টফোনে এর সব সেরা ফিচারগুলো ব্যবহার করার জন্য অন্তত পক্ষে ৪০০০ থেকে ৫০০০এমএএইচ এর অধিক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাটারী প্রয়োজন হয়, তা না হলে কিছুক্ষন পর পরই আপনার ফোন চার্জে দিতে হবে।

পানিরোধী ন্যানো কোটিং

পানিরোধী ন্যানো কোটিং

পৃথিবী বিখ্যাত টেক-জায়ান্ট কোম্পানি স্যামসাং ইতোমধ্যে কয়েক বছর ধরে তাদের পানিরোধী ফ্ল্যাগশীপ স্মার্টফোন বাজারে বিক্রি করে আসছে। এরকম সময়ে অন্যান্য কোম্পানিগুলোরও উচিত তাদের ট্রেন্ডী ও আধুনিক ফোন মডেলগুলোতে পানিরোধী ন্যানো কোটিং ব্যবহার করা ও সেগুলোকে পানিরোধী করে তোলা! বিভিন্ন কোম্পানি আজকাল এই বিষয়টা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে দেখছেন, কিন্তু আমরা চাই এই প্রয়োজনীয় ফিচারটি সব ফোনের জন্য খুলে দেয়া হোক। ২০১৮ সালে এসে একটি স্মার্টফোনকে পানিরোধী করতে না পারার যুক্তিগত ও প্রযুক্তিগত কোন কারণ বা অযুহাত থাকতে পারে না!

এই বছর বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক স্মার্টফোন কোম্পানি তাদের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলো পানিরোধী প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা শুরু করেছে, যেমন- স্যামসাং, আপল, গুগল পিক্সেল, এলজি, হুয়াওয়ে, এইচটিসি ইত্যাদি। আশা করি, আসছে বছরে আমরা খুব শীঘ্রই স্বল্প-বিখ্যাত ও সাধ্যের মধ্যে থাকা স্মার্টফোন কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে পানিরোধী বেশ কিছু ফোনের মডেল পাব।

ইউএসবি টাইপ সি

ইউএসবি টাইপ সি

আমরা হয়ত এমনটা শুধু ভাবিই যে টাইপ সি ইউএসবি কেবল বর্তমান সময়ের একটি ডিফল্ট স্ট্যান্ডার্ড হয়ে গেছে, কিন্তু সত্যি বলতে এখনও সব রকম নতুন অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্য এই কেবল চালু হয় নি। যদিও আজকাল মার্কেটপ্লেসে বিভিন্ন ধরণের ইউএসবি অ্যাডাপ্টার ও কনভার্টার পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু এটাই অভ্যাসে পরিণত হওয়া উচিত নয়!

ইউএসবি টাইপ সি এর পোর্টগুলো আকারে ছোট, দ্রুততর, অধিক ফ্লেক্সিবল এবং সবচেয়ে বড় কথা, এটি রিভারসিবল কোয়ালিটি সম্পন্ন। এর মানে হচ্ছে আপনাকে এই কেবল ফোনের সকেটে প্লাগ-ইন করার সময় কোন রকম বিভ্রান্তিতে পড়ার কোন সুযোগই নেই। এটি অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন এবং বর্তমানের ইউএসবি স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং ইতোমধ্যে বিভিন্ন রকম প্রোডাক্টের সাথে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অতএব আমরা স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে আশা করি যে তারা ২০১৮ সাল থেকে শুরু করে এই ফরম্যাটের সাথে ভালোভাবে পরিচিত হয়ে নিয়ে এর সদ্ব্যবহার করতে পারবে।

লেটেস্ট এন্ড্রয়েড ভার্সন ও আপডেট

লেটেস্ট এন্ড্রয়েড ভার্সন ও আপডেট

সত্যি বলতে গেলে এই সময়ে লেটেস্ট এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম সহ চাইনিজ স্মার্টফোন নির্মাতারা তাদের স্মার্ট ডিভাইস বাজারে ছাড়ার ব্যাপারে অনেক বেশি অগ্রবর্তী। কিন্তু এখনও সব ধরণের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড এই চর্চা ব্যাপক ভাবে শুরু করেনি। আজকাল আমরা দেখতে পাই বড় বড় স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলো আপডেটের অপশন দিয়ে দিচ্ছে তাদের সব ডিভাইসে, আর ছোট কম জনপ্রিয় ভেন্ডররা তাদের নতুন স্মার্টফোনগুলো লেটেস্ট এন্ড্রয়েড ওএস সহ তৈরি করছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য বশত এর মাঝামাঝি অবস্থানে থাকা স্মার্টফোন নির্মাতারা এখনও তাদের পুরনো অপারেটিং সিস্টেম ভিত্তিক লেটেস্ট রম বাজারে ছাড়ার খারাপ অভ্যাস ধরে রেখেছে। এতে করে তারা এই বিশাল প্রতিযোগিতামূলক প্রযুক্তির বাজারে নিজেদের অবস্থানকে নড়বড়ে করে ফেলেছে।

আমরা আশা করি সকল স্মার্টফোন কোম্পানিরা এগিয়ে আসবেন এবং ‘স্মার্ট’ কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে কিছু শিখবেন, যারা সত্যিকার অর্থে কাস্টমারের সন্তুষ্টির কথা ভাবেন এবং দ্রুত সকলের মন জয় করে নিতে জানেন।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার

ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার

এটা খুবই স্বাভাবিক যে স্ক্রিনের নিচে লুকানো ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার ইতোমধ্যে ২০১৮ সালের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ফিচার। বিভিন্ন নতুন ও পুরনো স্মার্টফোন কোম্পানি তাদের বিশেষ ফ্ল্যাগশীপ ফোনগুলো এই ফিচার সহ বাজারে ছাড়ছে এবং রাতারাতি খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে নিয়েছে। এই প্রযুক্তির সাহায্যে একটি স্মার্ট ডিভাইস কোম্পানি তাদের নতুন এবং উন্নত স্মার্টফোন মডেলগুলোকে পানিরোধী করে তোলার পথে আরো এক ধাপ এগিয়ে যেতে পারে। এছাড়াও এর সাহায্যে ফোনের পৃষ্ঠে থাকা উঁচু নিচু যায়গা অনেকটা কমে আসে এবং ডিভাইসটি স্পর্শ করা ও ব্যবহারে ক্ষেত্রে অনেক বেশি মসৃণ ও আরামদায়ক হয়ে ওঠে।

আমরা ২০১৮ সালে সব স্মার্টফোন ব্র্যান্ডের থেকে এমন আশা করতে পারি না যে তারা সবাই তাদের সব ডিভাইসের ওপর এই নতুন প্রজন্মের সিকিউরিটি সিস্টেম প্রয়োগ করতে পারবে। কিন্তু আমাদের বিশ্বাস যে তারা অন্তত সব ফ্ল্যাগশীপ ডিভাইস গুলোকে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আপগ্রেড করবে, বিশেষ করে বড় স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলোর কাছ থেকে এটুকু তো আশা করাই যায়।

ক্যামেরা কোয়ালিটি

ক্যামেরা কোয়ালিটি

আমরা এখনও অবাক হয়ে যাই এটা দেখে যে এখনও কত শত এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনে কতটা নিম্ন মানের ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়! আমরা আরো অবাক হই যখন দেখি যে কিছু নির্দিষ্ট উচ্চ মূল্যের স্মার্টফোন নির্মাতারা দিন দিন তাদের পুরনো পদ্ধতিতে ফিরে গিয়ে তাদের স্মার্টফোন ক্যামেরায় শুধুমাত্র একটি ভালো দামের সেন্সর ব্যবহার করছে, অথচ অ্যাপটির পেছনে ব্যবহার হওয়া লেন্স ও সফটওয়্যার এর কোয়ালিটি ভালো করার জন্য কোন চেষ্টাই করছে না!

প্রযুক্তির উৎকর্ষের সাথে সাধারণ মানুষও এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি মাত্রায় ভালো কোয়ালিটির ফটোগ্রাফির দিকে ঝুঁকছে। বেশির ভাগ মানুষের একই সাথে একটি দামী স্মার্টফোন এবং একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা কেনার সামর্থ্য থাকে না। তার উপর এটাও সত্য যে ফটোগ্রাফি আসলে পুরোপুরি নির্ভর করে ভালো ভিজুয়াল সেন্স এবং নূন্যতম কোয়ালিটি সম্পন্ন প্রযুক্তির উপর। আমাদের লিস্টের বেশির ভাগ আইটেমের মতই, এই যুগে এসে কোন স্মার্টফোন দারুণ মানের একটি ক্যামেরা ছাড়া বাজারে ছাড়া বা বিক্রি করার কোন কারণই থাকতে পারে না।

হেডফোন জ্যাক

হেডফোন জ্যাক

আমরা এখনকার টাইপ সি ইউএসবির প্রযুক্তিকে যতটাই ভালোবাসি না কেন, এখনও আমরা একটি অসাধারণ হেডফোন সেটকে ফোনের সাথে সংযোগ দেয়ার একমাত্র অপশন হিসেবে ইউএসবি টাইপ সি পোর্ট থাকার কষ্টটাকে মেনে নিতে পারছি না! কিন্তু হ্যাঁ, আপনি চাইলেই একটি ৩.৫ মিলিমিটার পিনকে একটি টাইপ সি ইউএসবিতে কনভার্ট করার জন্য বিশেষ কেবল ও কনভার্টার কিনতে পারেন। কিন্তু এই ধরণের সমাধান আমরা গতানুগতিক অ্যাপল ডিভাইসের কাছ থেকে আশা করতে পারি বড়জোর, উন্নত কোয়ালিটির এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনগুলোর কাছ থেকে নয়।

সর্বাধুনিক পানিরোধী প্রযুক্তি বাজারে থাকার পরও বর্তমানে হেডফোন জ্যাকে দুর্ভাগ্যজনক ভাবে পানি লাগার মত দুর্ঘটনা নিয়ে ভয় পাওয়ার কোন কারণই থাকা উচিত নয়। আমরা ইতোমধ্যে স্যামসাংকে দেখেছি তাদের লেটেস্ট ফ্ল্যাগশীপ মডেল স্যামসাং গ্যালাক্সী এস৯ একটি ৩.৫ মিলিমিটার হেডফোন জ্যাকের সাথে বাজারে ছেড়েছে। তাই আমরা আশা করতেই পারি যে অন্যান্য স্মার্টফোন কোম্পানিরাও তাদের এই পদাঙ্ক অনুসরণ করবে।

ওয়াও ফ্যাক্টর

ওয়াও ফ্যাক্টর

মনে পড়ে ঘূর্ণনশীল ক্যামেরা, আকর্ষণীয় ডিজাইনের আপগ্রেড এবং ডুয়াল স্ক্রিন ফোনের কথা, যেগুলো আমরা দেখেছি খুব বেশি দিন হয় নি? স্বীকার করতে কষ্ট হয়, কিন্তু এটাই সত্য যে ২০১৮ সালে রিলিজ হওয়া বেশির ভাগ স্মার্টফোনই তাদের ওয়াও ফ্যাক্টর ডিপার্টমেন্টে কিছুটা দমে গিয়েছে। শুধুমাত্র অল্প কিছু স্মার্টফোন তাদের উদ্ভাবনী নতুন ফিচার এবং আইডিয়ার কারণে বাকিদের থেকে সত্যিকার অর্থে আলাদা হয়ে উঠেছে।

মাত্র কয়েক বছর আগের কথা, স্মার্টফোন নির্মাতারা দুনিয়াকে তাক লাগিয়ে দেয়ার জন্য ঝুঁকি নিতে সব সময় প্রস্তুত থাকতেন! তারা তখন দারুণ সব উদ্ভাবনী পণ্য বাজারে নিয়ে আসতো এবং আকর্ষণীয় নতুন ফিচারের সাথে নিজেদের সীমাকে নতুন করে চ্যালেঞ্জ করতে পছন্দ করতো। এই কারণেই সত্যিকার অর্থে চাইনিজ প্রযুক্তির শিল্প বেশির ভাগ ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনের চেয়েও অধিক পরিমানে সেল বাড়াতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু এই বছর মনে হচ্ছে, সেই দিন গুলোকে আমরা অনেক পেছনে ফেলে এসেছি। আমরা সত্যিকার ভাবে আশা করি যে স্মার্টফোন কোম্পানিগুলো নতুন নতুন সব চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবে এবং আমরা অধির আগ্রহে আবারো নতুন করে হতবাক হওয়ার আশা করছি!

উপসংহার

এই সব অসাধারণ ফিচার সহ ২০১৮ এর লেটেস্ট ও সেরা স্মার্টফোন মডেলগুলো বিভিন্ন অনলাইন এবং অফলাইন মার্কেটপ্লেস যেমন Bikroy.com এ পাওয়া যাচ্ছে। খেয়াল করে সব রকম ভিন্ন ভিন্ন স্মার্টফোনের তালিকা থেকে ভালোভাবে ব্রাউজ করে ভিন্ন ভিন্ন মডেলের মধ্যে তুলনা করে দেখুন এবং জেনে নিন কোন ফিচারগুলো আপনার বেশি পছন্দ! বিভিন্ন জনপ্রিয় কোম্পানির পক্ষ হতে ফ্ল্যাগশীপ ফোনগুলোর উপর দারুণ সব ডিল খুঁজে পান Bikroy Deals এ। আজই Bikroy এ আপনার রিসার্চ সম্পন্ন করুন আর আপনার স্বপ্নের স্মার্টফোনটি লুফে নিন!


Bikroy-Google পার্টনারশিপের মাধ্যমে চাকরির জগতে নিয়ে এলো নতুন মাত্রা

Blog Google Jobs

আমাদের মধ্যে প্রতি ১০ জনের একজনকে চাকরি বিরতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। চাকরির বাজার আমাদের সামনে নিত্য নতুন আকর্ষণীয় অফার নিয়ে আসে এবং নিয়োগকারীরা অপেক্ষাকৃত তরুণ কিন্তু দক্ষ কর্মীর খোঁজ করে থাকে। তবুও সঠিক চাকরিটি পাবার ইচ্ছাটি অধরাই রয়ে যায়। কিন্তু এখন আর না।

Bikroy Jobs বেশ অনেকদিন ধরেই কাজ করে যাচ্ছে এবং চাকরি প্রার্থীদের দেশের সেরা নিয়োগকারীদের সাথে যোগাযোগ করে দেওয়ার জন্য দারুণ একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। চাকরির ক্ষেত্রে পুরাতন ধারাকে ভেঙ্গে আমরা এখন আমাদের সেবাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে যাচ্ছি। আমরা আপনাদের অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, Bikroy Jobs, Google এর সাথে পার্টনারশিপের মাধ্যমে চাকরি খোঁজার প্রক্রিয়াটিকে আরও স্মার্ট, সহজ এবং দক্ষ করে তুলবে।

বাংলাদেশে সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে প্রথম শ্রেণীর কাতারে রয়েছে Google. এর সাথে সংযুক্ত হয়ে Bikroy ওয়েব ট্রাফিক হবে আরও বেশি গতিময়, বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি থেকে ভিন্ন ভিন্ন পদবী এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনায় চাকরি খোঁজা যাবে।

চাকরি খুঁজে পাওয়া এখন আরও সহজ। Google এ সার্চের মাধ্যমে  Bikroy Jobs এ আবেদন করুন মাত্র তিনটি ক্লিক এই!

চাকরিতে আবেদনের পুরনো ধারাকে বিদায় জানান এবং Bikroy Jobs এর সাথে চাকরি জগতের নতুন প্রান্তে প্রবেশ করুন। শীঘ্রই যোগ দিন আপনার স্বপ্নের চাকরিতে!


দেশীয় ওয়েবসাইট গুলোর মধ্যে শীর্ষে Bikroy.com

Bikroy Brand Health Report

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস Bikroy.com, স্থানীয় সকল অনলাইন কেনা-বেচার ওয়েবসাইটের মধ্যে সিংহভাগ মানুষের টপ অব মাইন্ডে রয়েছে- “সোমরা-এমবিএল লিমিটেড” পরিচালিত ‘অনলাইন ব্র্যান্ড হেলথ: মার্কেট রিসার্চ রিপোর্ট’ শীর্ষক এক গবেষণার ফলাফলে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। গবেষণার উদ্দেশ্যে ২,৪০০ জন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ওপর সম্প্রতি একটি জরিপ পরিচালিত হয়। ঢাকায় ৭০%, চট্টগ্রামে ২০% এবং সিলেটে ১০% মিলিয়ে মোট ২,৪০০ জন এই জরিপ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের বয়সসীমা ১৮ থেকে ৪০ বছর, যাদের সকলেই নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন।

স্থানীয় ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে শীর্ষে, আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইটের মধ্যে দাপুটে অবস্থান

জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, দেশের অনলাইন মার্কেটপ্লেস হিসেবে টানা তিন বছর ধরে মানুষের টপ অব মাইন্ডে আছে Bikroy। আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে এ অবস্থান চতুর্থ, শীর্ষে আছে ফেসবুক এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে যথাক্রমে গুগল ও ইউটিউব। ফেসবুক, গুগল ও ইউটিউবের পর Bikroy কেবল সবার সেরা পছন্দই নয়, বরং গ্রাহকদের পছন্দের তালিকায় দেশীয় অন্যান্য অনলাইন সাইটগুলোর চেয়ে Bikroy বরাবরের মতো এগিয়ে আছে। ৬৯ শতাংশ মানুষেরই অনলাইন সাইটগুলোর মধ্যে প্রথম পছন্দ Bikroy.com। যাত্রার শুরু থেকেই বাংলাদেশের বাজারে অনলাইন বেচা-কেনার মার্কেটপ্লেস হিসেবে শীর্ষে আছে Bikroy.com।

Brand Health Infographics

ধারাবাহিক সাফল্য

বিগত বছরের ন্যায় এ বছরও Bikroy.com ক্রেতাদের টপ অব মাইন্ডের ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে শীর্ষে অবস্থান করছে এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে Bikroy শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। মোবাইল ফোন বেচা-কেনার ক্ষেত্রে বাজারে Bikroy-এর একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রয়েছে। অনলাইন মার্কেটের বিভিন্ন ক্যাটাগরির মধ্যে ৭৫% জরিপে অংশগ্রহণকারীর প্রথম পছন্দ হচ্ছে মোবাইল/ট্যাবলেট, ১৯% এর ল্যাপটপ, ১০% এর গাড়ি, ৬% এর পছন্দ চাকরি এবং প্রপার্টি ক্যাটাগরি।

Brand Health Infographics Report

ব্যবহৃত পণ্য কেনা-বেচার বাজারে একচ্ছত্র আধিপত্য

২০১৭ সালের ন্যায় এই বছরেও ব্যবহৃত পণ্য কেনা-বেচার বাজারে রাজত্ব করেছে Bikroy. এক্ষেত্রে Bikroy.com ৬৯% ফেসবুককে বিশাল ব্যবধানে পেছনে ফেলে আমাদের দেশে শীর্ষ স্থানে অবস্থান করছে, যেখানে ফেসবুক ৩৩% মার্কেট শেয়ার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে।

Brand Health Infographics Report 3

মোবাইল বিক্রেতাদের বিশ্বস্ত বাজার

অধিকাংশ মোবাইল ফোন বিক্রেতাগণ পছন্দের তালিকায় Bikroy.com কে ১ম স্থানেই রেখেছেন। সোমরা-এমবিএল – এর গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, জরিপে অংশগ্রহণকারীদের শতকরা ৬৫ ভাগই মোবাইল বিক্রি করার জন্য নির্দ্ধিধায় Bikroy – কেই বেছে নেন। এই ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সাইটটি ব্যবহার করতে পছন্দ করে মাত্র ২৬% মানুষ। একইভাবে তৃতীয় এবং চতুর্থ স্থানে থাকা সাইটটি পছন্দ করেন যথাক্রমে ২৫% ও ৭% মানুষ।

Brand Health Infographics Report 4

গাড়ি/মোটবাইক ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, অর্ধেকেরও বেশি গাড়ি বা মোটরবাইক ক্রেতাদের গাড়ি কেনার আগে অনলাইনে যাচাই করে দেখেন এবং অনলাইন যাচাইয়ের ক্ষেত্রে তাদের পছন্দের সেরা ওয়েবসাইট হলো Bikroy.com। গবেষণার জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৬৮% মতামত দিয়েছেন যে, তারা সবার আগে Bikroy.com ভিজিট করেন, ২৯% কখনো কখনো ভিজিট করেন। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা সাইট ভিজিট করতে পছন্দ করেন মাত্র ২৮% মানুষ। একইভাবে তৃতীয় স্থানে থাকা সাইটটি ১৬%, চতুর্থ স্থানে থাকা সাইটটি ৮% এবং পঞ্চম স্থানে থাকা সাইটটি ৫% মানুষ ভিজিট করে।

Brand Health Infographics Report 5

উল্লেখ্য, সার্বিক ব্র্যান্ড হেলথ পর্যালোচনা করার লক্ষ্যে Bikroy প্রতিবছর এ ধরণের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। একই লক্ষ্যে এবছরও Bikroy – এর প্রধান ক্যাটাগরিগুলো যেমন- গাড়ি, প্রপার্টি, ইলেক্ট্রনিকস পণ্য এবং চাকরি ইত্যাদি সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা পেতে এই গবেষণা কার্যক্রমটি পরিচালনা করেছে।


কেন প্লট ও জমিতে বিনিয়োগ আপনার ভবিষ্যতের জন্য সেরা সিদ্ধান্ত?

প্লট ও জমিতে বিনিয়োগ

যখনই বিনিয়োগ নিয়ে ভাবা শুরু করা হয়, তখন বেশিরভাগ মানুষের কিন্তু রিয়েল এস্টেটের কথাই আগে মাথায় আসে। এমনকি অর্থনৈতিক মন্দার সময়েও, রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করাটা বেশ সম্ভাবনাময় ও কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে প্রমাণিত হয়। যেখানে বেশির ভাগ মানুষেরই ধারণা রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ মানেই বাড়ি, ফ্ল্যাট ও এপার্টমেন্ট, কিংবা কমার্শিয়াল স্পেস বেচা কেনা করা, সেখানে প্রকৃতপক্ষে রিয়েল এস্টেটের এমন একটি দিক আছে যেখানে একজন বিনিয়োগকারী খুব সামান্য পরিমান বিনিয়োগ করেই তার পুঁজির সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করতে পারেন– প্লট ও জমি। প্লট ও জমিতে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেয়ার অনেক রকম সুবিধা রয়েছে; আর এই বিষয়ে আরো বেশি পড়াশোনা করার ও জানার পর, আপনি হয়ত এই ধরণের বিনিয়োগকেই আপনার জন্য সেরা সিদ্ধান্ত হিসেবে আবিষ্কার করতে পারবেন। এখন পর্যন্ত ব্যাপক ভাবে প্রচলিত ও ভিত্তিহীন একটি ধারণা মানুষের মনে রয়ে গেছে যে একটি খালি জমিতে বিনিয়োগ করাটা এক ধরণের “দুর্বল” কিংবা অর্থহীন বিনিয়োগ, কেননা…

  • এর থেকে সরাসরি কোন ইনকাম আসে না।
  • এটি শুধু পড়েই থাকে একটা জায়গায়, কিছুই ঘটে না
  • এক কথায় বোরিং!

আমরা মনে করি এইসব কারণে জমিতে বিনিয়োগ না করার কথা ভাবাটা অবান্তর, কেননা আসলে একটি খালি জমি থেকে অনায়াসেই বেশ ভালো পরিমান টাকা-পয়সা কামানো সম্ভব এবং এর সার্বজনীন ও নিষ্ক্রিয় স্বভাবের জন্য একে বিশ্বের সবচেয়ে সেরা বিনিয়োগ বলা চলে। এছাড়াও সত্যি বলতে গেলে, জমির শুধুমাত্র পড়ে থাকা আর কিছুই না ঘটার বৈশিষ্ট্যটা কিন্তু আমার কাছে দারুণ লাগে!

এইরূপ একটি সঠিক প্লট বা জমি বাজারের সেরা দামে কিনে এর মালিক হওয়ার মাধ্যমে যে সহজ ও স্থায়ী সমাধান আপনি অর্জন করে নিচ্ছেন তা অন্য যেকোন ধরণের রিয়েল এস্টেট প্রপার্টির সাথে আসা অগণিত সমস্যার বোঝাকে অনেক পেছনে ফেলে দেয়। আপনি যদি এতদিন ধরে অপরিবর্তিত জমিতে বিনিয়োগ করার মত একটি সম্ভাবনাময় সুযোগকে পাত্তা না দিয়ে থাকেন, তাহলে আজ আপনার উচিত কয়েক মিনিট সময় হাতে নিয়ে খালি জমি সংক্রান্ত বিস্তারিত ধারণা অর্জন করা এবং এর সম্পর্কে ভালো ভাবে জানা!

চলুন এখন আমরা জেনে নিই কেন প্লট ও জমিতে টাকা বিনিয়োগ করা উচিত সেই কারণ গুলো:

প্লট ও জমিতে টাকা বিনিয়োগ

১) একটি খালি জমি কিনলে আপনাকে সেটার জন্য নতুন করে কিছুই করতে হবে না

নির্মাণ কাজ ও সংস্কার করার কথা বাদই দিন! একটি প্রপার্টিকে নিজের হাতে নতুনের মত করে নেয়ার জন্য আপনাকে তেমন কিছুই জানতে হবে না বা কোন এক্সপার্টও হতে হবে না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আপনাকে শুধু একটি প্রশ্নের উত্তর জানতে হবে আর তা হলো ‘জমিটি কি যেকোন ধরণের নির্মাণের জন্য অনুকূল?’ যতদিন পর্যন্ত জমিটিতে যেকোন ব্যক্তি তাদের ইচ্ছামত যেকোন ধরণের প্রপার্টি নির্মাণ করতে পারবে, ততদিন পর্যন্ত যুদ্ধের একটা বড় অংশে আমরা এমনিতেই বিজয়ী!

২) অপরিবর্তিত জমি একটি নিশ্চিন্ত বিনিয়োগের কেন্দ্র

আপনি কি একটি বিল্ডিং এর মালিক হওয়ার পাশাপাশি হোল্ডার, পোকামাকড়, ছত্রাক, টয়লেট, লনের যত্ন, ফাটা পাইপ, ফুটো ছাদ, ভাঙা গ্যাসের লাইন সহ আরো শত শত নানা রকম সমস্যার সাথে মোকাবিলা করতে করতে ক্লান্ত? তবে জেনে রাখুন, একটি খালি জমিতে এ সমস্যাগুলোর কোনটিই নেই। একবার আপনি একটি জমি কিনলেন, তারপর সেটা সেখানেই পড়ে থাকবে আর এতে তেমন কিছুই ঘটবে না!

৩) পরিসংখ্যান অনুযায়ী খালি জমির মালিকেরা জমি বিক্রির ব্যাপারে অধিক আগ্রহী থাকেন

কেন? কেননা খালি জমির মালিকেরা স্বভাবগত ভাবেই অনুপস্থিত মালিক হয়ে থাকেন। কেউ যখন এমন একটি প্রপার্টি বিক্রি করার চেষ্টা করতে থাকেন যেটার আশেপাশে কোথাও তারা বসবাস করেন না, তখন সেই প্রপার্টির প্রতি তাদের আবেগীয় সম্পর্ক বেশ কম থাকে – কেননা এটি তাদের প্রাথমিক বাসস্থান নয়। অনেক ক্ষেত্রেই আপনারা দেখতে পাবেন যে শুধুমাত্র এই জমি বা প্রপার্টি থেকে কোন রকম ইনকাম আসছে না সেই কারণে এ ধরণের বিক্রেতারা তাদের জমিটি অন্যান্য জমিতে বসবাসকারী বিক্রেতাদের তুলনায় বেশ কম দামে বিক্রি করার জন্য ইচ্ছুক থাকেন। এমনটি ঘটার অন্যতম কারণ হচ্ছে তারা ঠিকমত জানেনই না কীভাবে তাদের জমির সঠিক সদ্ব্যবহার করতে হয়, আর সেই ফলস্বরূপ তারা এই ব্যাপারে বেশ উদাসীন হয়ে থাকেন। ঠিক এই মানুষগুলোকেই খুঁজে বের করুন এবং এদের সাথে আপনি পাবেন দারুণ সব ডিল সম্পন্ন করার সুযোগ।

৪) জমি ক্রেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা খুবই কম থাকে

আপনি কি যেকোন প্রপার্টি কেনার চেষ্টা করার সময় তীব্র প্রতিযোগিতার সাথে পাল্লা দিতে দিতে ক্লান্ত? কোন রকমে খুঁজে পাওয়া একটি ভালো অফারে বার বার হেরে যেতে আর ভালো লাগছে না? আপনি কি জানেন? অপরিবর্তিত খালি জমিতে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে এই ধরণের কোন সমস্যা নেই, আর প্রতিযোগিতাও খুবই কম। আসলে বেশির ভাগ রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ অন্যান্য জিনিস যেমন বাড়ি, ফ্ল্যাট ও এপার্টমেন্ট, কমার্শিয়াল প্রপার্টি ইত্যাদির উপর নিবিষ্ট থাকে – কারণ বাকি মানুষেরাও এটাই করে থাকেন। একটি খালি জমির সাথে আসা বৃহত্তর সুযোগ সুবিধাগুলো বেশির ভাগ বিনিয়োগকারীই বুঝতে পারেন না এবং এই ব্যাপারটা নিশ্চয়ই আপনার পক্ষে কিছু বাড়তি সুবিধা যোগ করবে।

৫) জমি বিনিয়োগকারীরা তাদের মনের মত সুযোগ সৃষ্টি করে নিতে পারেন

যখন আপনি সঠিক উপায়ে একটি খালি জমি কিনবেন, তখন প্রত্যেকটি প্রপার্টি আপনি আপনার নিজের ক্যাশ টাকায় খুব সহজেই কিনতে পারবেন এবং যেকোন রকম ব্যাংক লোন করা ও বন্ধক দেয়া থেকে পুরোপুরি দূরে থাকতে পারবেন। যখন আপনি জানেন ঠিক কোথায় প্লট ও জমির সেরা ডিল গুলো খুঁজে পাবেন, তখন আপনার ব্যবসা বা বিনিয়োগকে সক্রিয় ভাবে চালু করার জন্য খুব অল্প পরিমাণ পুঁজি নিয়ে মাঠে নামতে পারবেন। যেসব ব্যক্তি নিজের জমিতে নিজস্ব বাড়ি নির্মাণ করেন তাদের জন্যও এই ব্যাপারটি প্রযোজ্য।

৬) খালি জমি বেচা বা কেনার ক্ষেত্রে সব সময় সেগুলো চোখে দেখার দরকার হয় না

প্লট ও জমির অন্যতম দারুণ একটা ব্যাপার হচ্ছে যে এতে কোন রকম গঠনশৈলী বা নির্মাণ নেই। এর মানে হচ্ছে জমিটি পর্যবেক্ষণ ও নিরীক্ষণ করাটা খুবই সহজ – আর যদি আপনি আপনার রিসার্চ ভালোভাবে সম্পন্ন করে থাকেন, তাহলে আপনি বিনা ঝামেলায় না দেখেই আপনার প্রপার্টি গুলো কিনতে পারবেন। প্লট ও জমি সংক্রান্ত দারুণ সব অফার খুঁজে পাওয়ার জন্য আপনি বিভিন্ন অনলাইন ও অফলাইন প্রপার্টি পোর্টাল, যেমন- bikroy.com/property তে আপনার রিসার্চ সম্পন্ন করতে পারবেন। এখানে আপনি আপনার যেকোন ধরণের প্রপার্টি বেচাকেনাও করতে পারবেন কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই, আর যদি আপনি শুরু থেকেই যথেষ্ট স্মার্ট হন তাহলে সেটি সামনাসামনি যেয়ে দেখারও প্রয়োজন হবে না।

৭) প্লট ও জমির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী কদর

একটি খালি জমি কেনার সবচেয়ে দারুণ ব্যাপার হচ্ছে যে সাধারণত আপনার জমিটি কেনার সময় থাকা অবস্থাতেই অক্ষত রয়ে যায় বহু বছর ধরে। আবহাওয়া এবং আকস্মিক ভুমিকম্পের প্রভাব হয়ত কিছুটা পড়তে পারে, কিন্তু সার্বজনীন ভাবে একটি খালি জমির কদর দীর্ঘমেয়াদ ধরে বেশ উন্নত হয়ে থাকে।

সঠিক পদ্ধতিতে কেনা হলে আপনার জমির কদর বেশ ভালোভাবে বেড়ে যেতে পারে। এটি সচরাচর তখন ঘটে থাকে যখন জমিটি কোন একটি অপছন্দনীয় যায়গায় অবস্থিত থাকে, কিন্তু কোন একটা সময় এর আশে পাশের এলাকা বেশ কিছু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায় এবং যায়গাটি থাকার জন্য বেশ পছন্দনীয় একটি এলাকায় পরিণত হয়। এই ঘটনাটি সেই সব এলাকার জন্য সত্য যেগুলোকে বৃহৎ বর্ধনশীল ও উন্নয়নশীল এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে এবং এরা যেকোন ধরণের আবাসিক এলাকার ক্যাটাগরিতে পড়ে যায়, এইসব কারণে জমিটির দাম রাতারাতি অনেক বেড়ে যেতে পারে।

৮) একটি দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ হিসেবে জমির মালিক হওয়াটা অনেক বেশি সাশ্রয়ী

যখন আপনি শেষমেষ সঠিক দামে এক টুকরো জমি কিনে ফেলেন, তখন আপনাকে আর কোন বন্ধকী পরিশোধ করতে হবে না, কোন আনুষঙ্গিক সুযোগ সুবিধার বিলও দিতে হবে না। প্রপার্টির ইনস্যুরেন্সের খরচ যদি থাকে তবে তা খুবই সামান্য এবং প্রপার্টির ট্যাক্সও অনেক বেশি সাশ্রয়ী। যদি আপনি আপনার ক্যাশ টাকা কোথাও নিরাপদে সংরক্ষণ করে রাখতে ও সে ব্যাপারে ভুলে থাকতে চান, তাহলে একটি খালি জমিতে বিনিয়োগ করাটাই হবে আপনার জন্য সবচেয়ে সেরা অপশন।

৯) জমির মালিক মানসিক ভাবে শান্তিতে থাকেন

অতএব আপনারা ইতোমধ্যে বুঝে গেছেন যে প্লট ও জমি একটি দীর্ঘমেয়াদী, বাস্তবসম্মত সম্পদ যা সময়ের সাথে ক্ষয় কিংবা অবমূল্যায়িত হয় না এবং এর মধ্যে কোন কিছু ভাঙা, চুরি কিংবা ধ্বংস হওয়ার মত কিছুই নেই। এত সব সুবিধার পাশাপাশি যখন আপনি নামমাত্র দামে জমিটি কেনার স্বাধীনতা পাচ্ছেন, তখন এর চেয়ে ভালো কোন অফার কি আপনি ভাবতে পেরেছেন কখনও? এই সমস্ত বিষয় একজন জমির মালিকের মনে অপরিসীম শান্তি বয়ে নিয়ে আসে।

১০) পছন্দমত কাস্টমাইজ করার সুবিধা

একটি খালি জমি কেনার বিশাল একটি সুবিধা হচ্ছে যে জমিটি সম্পূরণ আপনার এবং আপনি এটি নিয়ে যা ইচ্ছা তাই করতে পারবেন, যতক্ষণ আপনি আইন মেনে চলছেন আর কি। আপনি জমিটি এমনিই রেখে দিতে পারেন, কিংবা আপনার মালিকানায় থাকা জমিতে নিজের একয়টি বাড়ি নির্মাণ করতে পারেন। আপনার ও আপনার পরিবারে আরামের জন্য একটি বাংলো ধাঁচের বাড়ি তৈরি করতে পারেন সব রকম আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সহ, অথবা একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করতে পারেন এবং তাতে বিক্রির জন্য ফ্ল্যাট সাজাতে পারেন। এছাড়াও আপনার হাতে অপশন রয়েছে যেকোন ডেভেলপার কোম্পানির কাছে জমিটি বিক্রি করে দেয়ার, যাতে সেখানে কমার্শিয়াল প্রপার্টি নির্মাণ করা যায় আর সেখানে লভ্যাংশ হিসেবে আপনি কয়েকটি ফ্ল্যাটও পেতে পারেন।

মাথায় রাখার মত কিছু ব্যাপার

জমি কেনা

যদিও একটি খালি জমি কেনার মধ্যে বিপুল পরিমাণ সুযোগ সুবিধা রয়েছে, তবুও এর কিছু অসুবিধা বা গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে যেগুলো আপনার মাথায় রাখাটা জরুরি। প্রথমত এটা অত্যাবশ্যক যে আপনি আপনার রিসার্চ ভালোভাবে করে নিয়ে তারপর একটি ভালো যায়গায় জমি কেনেন, যা থেকে পরবর্তী বছরগুলোয় জমিটির মূল্য বহুগুনে বেড়ে যাবে। আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না বিচ্ছিন্ন কোন এলাকায় এমন কোন জমি কিনে বসতে, যা কিনা পরবর্তীতে বিক্রি করা কঠিন হয়ে পড়বে আর আপনার মাথায় বোঝার মত সেই জমিটি গেড়ে বসে থাকবে।

১) জমির ইতিহাস জানুন

একটি খালি জমি কেনার সময় আপনাকে জমিটির ইতিহাস ও আগে জমিটি কি কাজে ব্যবহৃত হত সে সব জেনে নিতে হবে, কেননা এই তথ্য গুলো আপনার ভবিষ্যত ব্যবহারের ক্ষেত্রে কাজে আসবে। আপনি জমিটির একটি টপোগ্রাফি এবং সয়েল রিপোর্ট সংগ্রহ করতে পারেন এবং নিশ্চিত হতে পারেন যে সেই জমিতে কোন কিছু নির্মাণ করা সম্ভব কিনা, একই সাথে এটাও নিশ্চিত হবেন যে জমিটি পুরোপুরি আপনার নামে রয়েছে কিনা এবং এটি অন্য কোন ব্যক্তিকে এর উপর কোন কিছু করার অধিকার দেবে না। আপনার এটাও খুঁজে বের করা উচিত যে আগের মালিক জমিটি কেন বিক্রি করে দিচ্ছেন, বিশেষ করে যখন জমিটি বেশ কম দামে অফার করা হয়, কেননা এতে করে জমিটির কোন সমস্যা থাকলে সেটি আগেভাগেই আপনার নজরে পড়বে।

২) জমি থেকে শুরুতেই কোন ইনকাম আসে না

আপনি যদি আপনার জমি কোন পার্কিং এর জন্য বা কৃষকদের চাষের জন্য ভাড়া দিয়ে না থাকেন, তাহলে আপনার জমি থেকে তৎক্ষণাৎ কোন ইনকাম আসা শুরু হবে না। যদি আপনি জমিটি আপনার কেনা দামের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করে দিতে পারেন, তবেই এর থেকে তাৎক্ষনিক ইনকাম পাওয়া সম্ভব।

৩) রি-জোনিং বা আঞ্চলিক পরিবর্তন

আপনি যদি রি-জোনিং হওয়ার আশায় কোন জমি কিনার চিন্তা ভাবনা করে থাকেন, তাহলে আবারও ভেবে দেখুন। প্রথমত, জমিটি এমন কোন যায়গায় রি-জোন হতে বেশ কিছু সময় লাগবে যেখানে আপনি কিছু নির্মাণ করতে পারবেন, আবার তেমনটা কখনও নাও ঘটতে পারে! সেজন্য এটা অত্যাবশ্যক যে আপনি জমিটির অবস্থান নিয়ে ভালোভাবে চিন্তা করে নিন। মৌলিক চাহিদা ও সুযোগ-সুবিধা, যেমন- দোকান পাট, স্কুল এবং হাসপাতাল ইত্যাদির আশে পাশে জমি কেনার মানে হচ্ছে যে সেই জমিটি কোন সুবিধাবঞ্চিত বা অনুন্নত এলাকার জমির তুলনায় বেশি তাড়াতাড়ি মূল্যবৃদ্ধি হবে ও বিক্রি হবে। অনেক গুলো নিষিদ্ধ জমি থাকার তুলনায় এমন একটি জমি থাকা বেশি লাভজনক যেখানে কিছু নির্মাণ করা সম্ভব।

৪) জমির সাইজ

বড় মাপের প্লট ও জমি কেনার তুলনায় ছোট আকারের জমি কেনা অধিক লাভজনক। কেননা জমির আকার যত বড় হবে, সেটি বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা ততই কম ও কঠিন। আপনাকে জমির আকৃতি ও ভৌগলিক অবস্থান নিয়েও ভেবে ও লক্ষ্য করে দেখতে হবে যে জমিটি বন্যায় কবলিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কিনা। পাহাড়ি জমির তুলনায় সমতল ভূমি অধিক সুবিধার, কেননা এতে যেকোন প্রপার্টি নির্মাণ করা সহজ।

৫) রাস্তাঘাটের অবকাঠামো এবং সুযোগ সুবিধা

আপনাকে এটাও লক্ষ্য করে দেখতে হবে যে আপনার খালি জমিটির কোন রাস্তার সাথে সংযোগ আছে কি না এবং সেখানে মৌলিক সুযোগ সুবিধা, যেমন পানি, গ্যাস এবং বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা সহজ কিনা। যেকোন জমিতে নির্মাণ কাজ করার জন্য সেখানে ইউটিলিটি সংযোগ ও নালা নর্দমা যায়গা মত থাকা বাঞ্ছনীয়।

উপসংহার

সর্বোপরি, আপনার যদি বিনিয়োগ করার মত টাকা থাকে, তাহলে প্লট ও জমির মত একটি রিয়েল এস্টেট প্রপার্টি আপনার ও আপনার বাজেটের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত হতে পারে। এগুলোর দাম নিয়ে সাধ্যের মধ্যে থাকে, আপনার জন্য দারুণ সুযোগ সুবিধা ও স্থিতিস্থাপকতা থাকে, শ্রম কম দিতে হয়, লাভ করার সম্ভাবনা থাকে এবং নিঃসন্দেহে এগুলো আপনার আর্থিক লক্ষ্য অর্জন করার জন্য আপনাকে সাহায্য করবে। আপনার চাহিদা এবং বিনিয়োগের বাজেটের সাথে মিলে যায় এমন একটি সঠিক জমি খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমে আপনি আপনার সম্পূর্ণ জীবনকে বদলে দিতে পারবেন, আর্থিক ও ব্যক্তিগত উভয় দিক থেকেই। আপনার পরবর্তী রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্লট ও জমির কথা বিবেচনা করে দেখুন এবং আজই আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন। আপনার খোঁজ হোক আনন্দের!


নারী স্বাস্থ্যবিধি সচেতনতা ও আমাদের কর্তব্য

Female Hygene

ঘর, সংসার,সামাজিক দায়-দায়িত্ব এসবের ঝক্কি সামলে আমরা নারীরা প্রতিনিয়তই নিজেকে শারীরিক ও মানসিক চাপের মুখে ফেলে দেই। কিন্তু আমরা সুস্থ থাকলেই যে চারপাশের সবকিছুকে আরও ভালোভাবে সামাল দিতে পারবো- সেটা অনেক সময়ই বুঝতে পারি না। গত ২৫ অক্টোবর, ২০১৮ তে Bikroy এর নারী সদস্যদের জন্য আয়োজিত “নারী স্বাস্থ্যবিধি সচেতনতা”-মূলক সেশনে জিসকা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড -এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রফেশনাল হেলথ অ্যাডভাইজার ও পাবলিক হেলথ স্পেশালিস্ট – ডাঃ রাইয়াতুন তেহরিন। এই সেশনে তিনি নারীদের স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত নানা বিষয় তুলে ধরেন ও Bikroy এর নারী সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক নারী স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জটিলতাগুলো কখন ও কিভাবে হয়ঃ

  • অসচেতনতা
  • রোগ প্রতিরোধে অক্ষমতা
  • নিয়মিত শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা না করানো
  • ঋতুস্রাব/ঋতুচক্র
  • সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ (এস টি আই) বা যৌন সংক্রামিত রোগ
  • শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন
  • গর্ভধারণ

উপরোক্ত পরিস্থিতিগুলোই পরবর্তীতে বড় আকার ধারণ করে কেননাঃ

  • আর্থিক পরিস্থিতি
  • সামাজিক বাধা
  • নারী চিকিৎসকের কম অনুপাত
  • স্বাস্থ্যসচেতনতা সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব

এ পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব নারীদের কিছু কমন স্বাস্থ্য সমস্যা ও তার প্রতিকার সম্পর্কেঃ

মেন্সট্রুয়াল ক্র্যাম্পিংঃ

মেন্সট্রুয়াল ক্র্যাম্পিং হচ্ছে মেন্সট্রুয়েশন বা পিরিয়ডের সময় পেটে বা পিঠের দিকে ব্যাথা হয়। এই ব্যাথাকেই মেন্সট্রুয়াল ক্র্যাম্প বলে। প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন নামক হরমোনের প্রভাবে জরায়ুর সংকোচনের কারণে এই ব্যাথা অনুভূত হয়। এই প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন অতি মাত্রায় নিঃসরণ হলেই কোমর বা তলপেটে ব্যাথা, বমি বমি ভাব, ক্ষুধামন্দা, মুড সুয়িং বা অল্পতেই বিরক্তভাব হয় এবং মাথা ঘুরায়। এই ক্ষেত্রে ব্যায়াম সাহায্য করে তবে পিরিয়ডের সময় খুব জটিল কোনো ব্যায়াম করা সবিধাজনক না। খুব হালকা ব্যায়াম করা যেতে পারে যাতে করে ব্যায়ামও হবে আবার শরীরের উপরও খুব বেশি চাপ পড়বে না।

প্রি মেন্সট্রুয়াল সিন্ড্রোম (পি এম এস)  টিপসঃ

  • সর্বদা কিছু না কিছু কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন
  • খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন
  • ক্যাফেইন সেবনের মাত্রা কমিয়ে দিন
  • ইয়োগা বা মেডিটেশনের সাহায্য নিন
  • সামাজিকভাবে মেলামেশা বাড়িয়ে দিন

পিরিয়ড চলাকালীন কিছু টিপসঃ

  • সঠিক পরিচ্ছন্নতা এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন
  • শরীরের অপরিহার্য পুষ্টি সরবরাহ একটি সুষম খাদ্য খাণ
  • চাপ এবং টেনশন এড়াতে সক্রিয় জীবনধারা বজায় রাখুন
  • সর্বদা আপনার সময়ের জন্য পৃথক আন্ডারওয়্যার রাখুন
  • দাগ এড়াতে ভালমানের স্যানিটারি প্যাড বা ন্যাপকিন ব্যবহার করুন
  • নিয়মিত প্রতি চার ঘন্টা পর প্যাড  বা ন্যাপকিন পরিবর্তন করুন
  • সাবান বা ভ্যাজাইনাল ওয়াশ জাতীয় পণ্য ব্যবহার করবেন না

ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (ইউ টি আই)ঃ নারীদের মধ্যে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন একটি প্রচলিত সমস্যা। পর্যাপ্ত পানি পান না করা, জীবাণুর সংক্রমণ ইত্যাদি কারণে এ সমস্যা হতে পারে। ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা ইউ টি আই ব্লাডারে হতে পারে। এটি বয়ঃসন্ধিদের হতে পারে, যেকোনো নারীর হতে পারে এবং ছেলেদেরও হতে পারে। তবে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের সমস্যাটি বেশি হয়। একবার এ রোগে আক্রান্ত হলে পরবর্তীতে আবারো এ সমস্যায় পরার সম্ভাবনা ২০% বেড়ে যায়। তাই এটি এড়াতে প্রচুর পানি পানের পাশাপাশি সঠিক পরিচ্ছন্নতা এবং পরিচ্ছন্নতা মেনে চলুন।

ব্রেস্ট বা স্তন ক্যান্সারঃ ফুসফুসের ক্যান্সারের পর নারীদের মধ্যে দ্বিতীয় ভয়াবহ যে রোগটি হয় তা হচ্ছে ব্রেস্ট ক্যান্সার। স্তনে বা বগলে কোন চাকা, স্থায়ী ব্যথা, নিপলের আশেপাশে লালচে ভাব বা তরল নিঃসরণ, নিপল বসে যাওয়া, স্তনের আকার পরিবর্তন, চামড়া উঠে যাওয়া ইত্যাদি কোন লক্ষণকেই অবহেলা করা যাবেনা। পুরুষদেরও ব্রেস্ট ক্যান্সার হতে পারে, তবে নারীদের ক্ষেত্রে এর ঝুঁকি প্রায় একশ গুণ বেশী। তুলনামূলক কম বয়সে মাসিক শুরু হওয়া, মেনোপজ দেরীতে হওয়া, বেশী বয়সে প্রথম সন্তানধারণ অথবা একেবারেই সন্তান না হলে ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশী থাকে। এছাড়া শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, স্থূলতা, অ্যালকোহল আসক্তি, রেডিয়েশন বা হরমোন থেরাপীতে ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। ব্রেস্ট ক্যান্সারের একটি সমস্যা হল অনেক ক্ষেত্রেই প্রাথমিক অবস্থায় লক্ষণগুলোকে উপেক্ষা করতে করতে এমন পর্যায়ে গিয়ে ধরা পড়ে যখন ক্যান্সার অনেকখানি ছড়িয়ে গেছে, তেমন কিছু আর করার থাকে না। তাই এ রোগের ঝুঁকিগুলোর ব্যাপারে সচেতন হোন, এবং নিজের দিকে খেয়াল রাখুন।

সারভাইক্যাল ক্যান্সার বা জরায়ুমুখের ক্যান্সারঃ মহিলাদের জরায়ুর নিচের অংশ অর্থাৎ সারভিক্সের কোষ যখন অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে তখনি দেখা দেয় সারভাইক্যাল ক্যান্সার তথা জরায়ুমুখের ক্যান্সার। এর কারণ হিসেবে একটি ভাইরাসকে চিহ্নিত করা হয়েছে যার নাম হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচ পি ভি)। সাধারণত এই ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে এটি ছড়িয়ে পড়ে। তবে এইচ পি ভি অনেক রকমের হয়ে থাকে এবং সবগুলো সারভাইক্যাল ক্যান্সারের জন্য দায়ীও নয়। তাই মহিলারা প্রাপ্তবয়স্ক হবার পর, বিশেষ করে বিয়ের পর তাদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা গেলেও, এটি নিজে থেকে সেরে যেতে পারে বা জননতন্ত্রের আঁচিল তৈরী করতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই সংক্রমণ জরায়ুমুখের ক্যান্সারে রূপ নেয়।

সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ (এস টি আই) বা যৌন সংক্রামিত রোগঃ সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ (এস টি আই) বা যৌন সংক্রামিত রোগ যৌন সংস্পর্শের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির কাছ থেকে অন্যের কাছে ছড়ায়। যেমনঃ এইচ আই ভি, হেপাটাইটিস বি, গনরিয়া, সিফিলিস, হারপিস ইত্যাদি। নিরাপদ যৌন মিলনের জন্য কনডম ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া গর্ভপাত এড়াতে অস্থায়ী পদ্ধতি গর্ভনিরোধক পিল বা ইমার্জেন্সি কন্ট্রাসেপটিভ পিল, ইনজেকশন এবং স্থায়ী পদ্ধতি হিসেবে পুরুষ বন্ধ্যাকরণ (ভ্যাসেকটমি) বা মহিলা বন্ধ্যাকরণ (টিউবেকটমি) করা যেতে পারে। তবে কনডম ছাড়া আর কোনটিই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়।

আমাদের নিত্যদিনের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে একটু পরিবর্তন আনলে সহজেই এড়ানো সম্ভব অনেক স্বাস্থ্যগত জটিলতা। দেখে নেওয়া যাক এর কিছু উদাহরণঃ

  • উচ্চ আঁশযুক্ত তরিতরকারি ও ফলমূল গ্রহণ করা
  • প্রত্যেকদিন অন্তত ৩ লিটার পানি পান করা
  • রাতে অন্তত আট ঘণ্টার ঘুমানো
  • সকাল ১০-বিকাল ৪ টার মধ্যে নিয়মিত সূর্যরশ্নির মধ্যে প্রতিদিন কিছু সময় কাটানো
  • নিয়মিত কিছুসময় ব্যায়াম/শরীরচর্চা করা

সুতরাং বলা যায় যে, লজ্জা বা অবহেলা নয় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে চাই সচেতনতা আর একটু নিয়ম মেনে চলা।


বাংলাদেশে মেয়েদের জন্য মৌসুমের সেরা ৫ হাল ফ্যাশনের জুয়েলারি

সেরা ৫ হাল ফ্যাশনের জুয়েলারি

সারল্যেই সৌন্দর্যের সত্যিকার পরিচয়। কিন্তু বাংলাদেশের হাল-ফ্যাশনের জুয়েলারির কথা বলতে গেলে, এই বছরের জাঁকজমকের এই শিল্প পুরোটাই দাঁড়িয়ে আছে কিছুটা সাহসী, নাটকীয়, আবার মাঝে মাঝে একটু পাগলামি করার প্রবণতার উপর। সভ্যতার শুরু থেকে জুয়েলারি পৃথিবীর যেকোন প্রান্তেই মেয়েদের মনকে জয় করে আসছে যুগের পর যুগ ধরে। বাংলাদেশে জুয়েলারির ট্রেন্ড বার বার বদলায় এবং একেকটি ট্রেন্ডের সময়কাল একেক রকম হয়ে থাকে।

আজকে আমরা বাংলাদেশের নারী জনসংখ্যার মাঝে জনপ্রিয় কয়েকটি দারুণ জুয়েলারির ট্রেন্ড সম্পর্কে আলোচনা করবো, সত্যি বলতে এই মৌসুমের সেরা ৫টি জনপ্রিয় জুয়েলারি ট্রেন্ডের কথাই বলবো। এদের মধ্যে কিছু ট্রেন্ড অল্প সময়ের জন্য আসে আর হুট করেই চলে যায়, আবার কিছু ট্রেন্ড এমন রয়েছে যেগুলো মানুষের মনে দাগ কেটে রয়ে যায় বহু বছর ধরে। পক্ষপাত এড়ানোর জন্য আজ আমরা কোন র‍্যাংক বা ক্রমবিভাগ করবো না।

চোকার

চোকার

এ যাবতকালে চোকার যতবারই বিবর্তিত হোক না কেনো, এদের ট্রেন্ড আর জনপ্রিয়তা কখনই পুরোপুরি চলে যায় না। এই চোকারের ইতিহাস আর উৎপত্তি নিয়ে মানুষ যতকিছুই বলুক না কেন, আমরা মেয়েরা সবাই চোকার ভালবাসি! আজকের দিনের উন্নত চোকার গুলো সাধারণ ভেলভেট কিংবা লেইস দিয়ে তৈরি চোকারের চেয়ে অধিক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এগুলো এখনও গলার সাথে একই ভাবে জড়িয়ে থাকে, কিন্তু এখন এটি আয়তনে যেমন বড় হয়েছে তেমনই এতে চলে এসেছে আরো বেশি জাঁকজমক। বর্তমানে নানা রকম উপাদান এবং নানা রকম আকর্ষণীয় ডিজাইনে চোকার নেকলেস পাওয়া যাচ্ছে, কিছু কিছু নেকলেসের সাথে সেট হিসেবে কানের দুলও রয়েছে। রকমারী অপশন হাতে থাকার কারণে, চোকার কিংবা চোকার-কলার নিয়ে আপনার কখনও একঘেয়ে অনুভব হবে না!  

কুন্দন জুয়েলারি

কুন্দন জুয়েলারি

কুন্দন জুয়েলারি যেন আজীবনের জন্য একটি ট্রেন্ড! সুচারু ও দক্ষ হাতে করা সুক্ষ্ম ডিজাইনের জন্য বহু কাল ধরে বিশ্বব্যাপী ফ্যাশন-সচেতন ব্যক্তিদের অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এই কুন্দন। ‘কুন্দন’ শব্দটির অর্থ হচ্ছে ‘উচ্চমাত্রায় পরিশোধিত স্বর্ণ’। এর কারণ হচ্ছে এই জুয়েলারি তৈরির পেছনে যে স্বর্ণ ব্যবহৃত হয়ে থাকে তার কোয়ালিটি হতে হয়  উচ্চমাত্রায় বিশুদ্ধ। এই ধরণের জুয়েলারি এককালে মুঘল রাজ পরিবারের সদস্যরা পরিধান করতেন এবং সেই যুগে করা কিছু গহনার ডিজাইন আজও বেশ জনপ্রিয়। কেননা এই ডিজাইনের জুয়েলারি দেখতে যেমন অনন্য, তেমনি সেগুলোয় আভিজাত্যের ছাপও রয়েছে। বহু মানুষের ধারণার ভুল ভেঙ্গে দিয়ে কুন্দন শব্দটির সাথে এতে ব্যবহৃত পাথরগুলোর কোনও সম্পর্ক নেই, বরং এটি সম্পূর্ণভাবে স্বর্ণের নির্ভেজাল বিশুদ্ধতার সাথে সম্পর্কিত। সেজন্যই এটি সুক্ষ্ম স্বর্ণের কাজের মধ্যে কাঁচের ছোট ছোট টুকরো বিশেষ প্রক্রিয়ায় বসিয়ে নিখাদ মাস্টারপিস তৈরি করার এক শিল্প। চাইলেই যেকোন বিশেষ অনুষ্ঠানে আপনি কুন্দন পরতে পারবেন, কেননা এগুলো বিভিন্ন রকম সাইজ ও স্টাইলে পাওয়া যায়।

টাসেল জুয়েলারী

টাসেল জুয়েলারী

পম পম এর ট্রেন্ডের পর, এখন স্টাইলিশ টাসেল জুয়েলারির ডিজাইন আলোচনায় উঠে এসেছে। এই ঝালরের মত গহনা গুলো একেকটি আলাদা ভাবে একক স্টেটমেন্ট জুয়েলারী হিসেবেও পড়া যায়, আবার কোন একটি নাজুক হালকা গহনার সাথেও সুন্দরভাবে মিলিয়ে পড়া যায়। এই জুয়েলারি বিভিন্ন রকম সুতা, ছোট পুঁতি, মুক্তা, চামড়া বা রেক্সিনের ফিতা সহ আরো নানা রকম উপাদান দিয়ে তৈরি করা যায়। এগুলো যে শুধুমাত্র রঙিন তা নয়, একই সাথে এদের লম্বা, মোলায়েম সুতার ঝালরের মসৃণ পরশ কখনো আপনার গালে বা কাঁধে এসে ছোঁয়ার এক অন্যরকম অনুভূতি এগুলোকে অন্যান্য জুয়েলারীর থেকে অনেকটাই আলাদা করে তোলে। টাসেল কানের দুল এমন একটি অনন্য গহনা যার সাথে আপনাকে মিলিয়ে কোনো নেকলেস কিংবা স্কার্ফ পড়তে হবে না। এমনকি টাসেল দিয়ে তৈরি নেকলেস আপনি চাইলেই যেকোন ডেনিম ও জ্যাকেট, রঙিন ঝালর সমৃদ্ধ ড্রেস ও মডার্ন ক্রপ-শোল্ডার ড্রেস ইত্যাদির সাথে যেকোন অনুষ্ঠানে কিংবা বন্ধুদের আড্ডায়ও পড়তে পারবেন।

জয়পুরী জুয়েলারি

জয়পুরী জুয়েলারি

প্রচলিত জয়পুরি জুয়েলারি আপনাকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পোশাক যেমন শাড়ি, আনারকলি চুড়িদার কিংবা লেহেঙ্গার শোভাকে আরো বহুগুনে বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করবে। যেকোন বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য সেরা এই ডিজাইনের গহনা। জয়পুরী জুয়েলারিতে বিভিন্ন ধরণের ডিজাইন ও কনসেপ্টের অপশন রয়েছে; কখনও এগুলো অনন্য কুন্দন ও মীনাকারী কারচুপি ডিজাইনে পাওয়া যায়, কখনও শুধুমাত্র অমূল্য স্বর্ণ বা রূপার নিখুঁত ও চোখ-ধাঁধানো কাজেও একেকটা মাস্টারপিস তৈরি হয়।

জয়পুরী কুন্দন সেটগুলো প্রচলিত ব্রাইডাল গহনা হিসেবে জনপ্রিয় এবং বিভিন্ন রকম বিয়ের শাড়ি এবং স্বর্ণের কারচুপি করা লেহেঙ্গার সাথে এগুলো দারুন মানিয়ে যায়। মীনাকারীর উজ্জ্বল এবং নজরকাড়া অনুভব আমাদেরকে সিম্পল কিন্তু বিশেষ ডিজাইনের সালওয়ার কামিজ বা কখনও মিশ্র ধাঁচের ককটেল ড্রেসের সাথেও পারফেক্ট অনুষঙ্গ হিসেবে পরার স্বাধীনতা দেয়। আবার এদের মধ্যে এন্টিক পলিশ করা গহনাগুলো চাইলেই যেকোন অনাড়ম্বর পোশাক যেমন কুর্তি না টপসের সাথে মিলিয়ে পরা যায়। জয়পুরী ডিজাইনের সাধারণ স্বল্পমূল্যের গহনাগুলো আরো বেশি সিম্পল ও অনানুষ্ঠানিক পোশাক ও সাধারণ প্রোগ্রামে পরার জন্য তৈরি। অতএব চাইলেই আপনি জয়পুরি জুয়েলারির সাহায্যে প্রায় যেকোনো রকম অনুষ্ঠানে কিছুটা দেশাল ও সাংস্কৃতিক ছোঁয়া যোগ করতে পারবেন খুব বেশি খরচ না করেই!

হাতে তৈরি জুয়েলারি

হাতে তৈরি জুয়েলারি

আজকাল হাতে তৈরি কারুশিল্পের জুয়েলারি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বহু সৃজনশীল ব্যক্তি তাদের এইরূপ সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে একটা গোটা ক্যারিয়ার বা ব্যবসা গড়ে নিয়েছেন। কারুশিল্পের বিভিন্ন কিটস, নানা রকম উপাদান এবং অনলাইনে নানারকম টিউটোরিয়াল আজকাল খুবই সহজলভ্য। অনেক মেয়েরা তাদের নিজ হাতের কারুশিল্পের জুয়েলারি তৈরি করেন নিতান্ত শখের বশেই।

বিভিন্ন ধরণের হাতে রঙ করা বা তৈরি করা জুয়েলারি বিভিন্ন বিশ্বস্ত লোকাল ও অনলাইন মার্কেটপ্লেসে পাওয়া যায়। ইদানিং কাঁচের গম্বুজ ডিজাইনের জুয়েলারি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নানা বয়সের মেয়েদের আকৃষ্ট করে চলেছে, কেননা এদের ডিজাইনে রয়েছে নানা রকম বৈচিত্র ও পরিবর্তনশীল অপশন। আপনি যদি যথেষ্ট সৃজনশীল হয়ে থাকেন, তাহলে খুব সহজে নিজের ঘরে বসেই অনলাইনে গহনা তৈরির উপকরণ কিনে নিতে পারেন এবং নিজের অনন্য একটি জুয়েলারি সেট তৈরি করে নিতে পারেন।

বিভিন্ন ধরণের উপকরণ, হাতে আঁকা ছবি এমনকি ডিজিটাল প্রিন্ট করা ছবি একটি ধাতব ফ্রেমে বসিয়ে তার উপর একই আকৃতির একটি স্বচ্ছ কাঁচের গম্বুজ বসানো হয় স্বচ্ছ আঠা ব্যবহার করে। মড পজ নামে একটি স্বচ্ছ ঘন আঠা দিয়ে সরাসরি এইরূপ স্বচ্ছ গম্বুজ আকৃতির গহনা তৈরি করা সম্ভব, এতে করে কাঁচের গম্বুজ বসানোর প্রয়োজন হয় না। এরূপ অনেক জুয়েলারি আজকাল বাংলাদেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এইরূপ ডিজাইনের মধ্যে আংটি, পেনডেন্ট এমনকি কানের দুলও আজকাল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে, তবে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হচ্ছে আংটি।

অন্যান্য জনপ্রিয় জুয়েলারিসমূহ

এই জুয়েলারি গুলো তো সবে মাত্র শুরু, আরো শত শত রকম দারুন সব জুয়েলারি তৈরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আর যত আকর্ষণীয় জুয়েলারিই কিনি না কেন, আমাদের মেয়েদের গহনার শখ কখনোই পুরোপুরি মিটবে না! কেননা মার্কেটপ্লেস গুলোয় এত বেশি ধরণের জুয়েলারির ছড়াছড়ি আর এত রকম ডিজাইনের বাহার, যে কোনটা রেখে কোনটা নেব, সেই সিদ্ধান্ত নেয়াটা কঠিন হয়ে পড়ে। আজকে আমি এখানে উল্লেখ করতে চাই আরো কিছু জনপ্রিয় জুয়েলারির নাম, যেমন- পম পম জুয়েলারি, এন্টিক কয়েন জুয়েলারি, নেপালি স্টোনের জুয়েলারি, সাংস্কৃতিক এবং মডার্ন ডিজাইনের বড় আংটি, হালকা পাতলা চেইনের সাথে নজরকাড়া পেনডেন্ট, দারুন সব ডিজাইনের নথ বা নাকফুল ইত্যাদি। আর এত সব কিছুর মাঝেও সব সময়ের আকর্ষণ ডায়মন্ড বা অন্যান্য মূল্যবান রত্ন-পাথরের জুয়েলারি, যেগুলাও আসলে আমাদের বর্ণনা করা জুয়েলারিগুলোর মধ্যেও কোন না কোন ভাবে চলে আসে। কেননা এই রত্ন-পাথর গুলো মার্কেটে লভ্য যেকোন ধরণের জুয়েলারির মধ্যেই বসানো সম্ভব।

উপসংহার

পোশাক যদি একজন নারীর আত্মার প্রতিফলন হয়, তাহলে জুয়েলারি হচ্ছে একজন নারীর হৃদয়ের প্রতিফলন। যেভাবে একজন নারী নিজেকে অলংকৃত করেন, সেই থেকে তার মনের ভাব, রুচি, এমনকি ব্যক্তিত্বেরও পরিচয় পাওয়া যায়। একজন ব্যক্তি যদি কোন একটি স্টাইলকে অনুভব না করতে পারেন তাহলে তার উপর সেই স্টাইলটি চাপিয়ে দেয়া কোন ভাবেই সম্ভব নয়। কিন্তু ট্রেন্ড ব্যাপারটা বেশ মজার এবং একটি ট্রেন্ডকে নিজের মধ্যে ধারণ করার জন্য যথেষ্ট পরিমান আত্মবিশ্বাস এবং অনেক বেশি সাহসের প্রয়োজন হয়, এমনকি যদি ট্রেন্ডটি মাঝে মাঝে আমাদের স্বাচ্ছন্দ্য ও আরামের সাথে খাপ না খায় তারপরও। অতএব আপনি যদি কোন ট্রেন্ডের ব্যাপারে সন্দিহান থাকেন, তাহলে বেশি চিন্তা ভাবনা না করে বিশ্বাসের উপর ভর করে ডানা মেলে দিন, নতুন কিছু করার চেষ্টা একবার হলেও করে দেখুন। কেননা সত্যিকারের সৌন্দর্য নির্ভর করে আপনি কীভাবে আপনার ভেতরের স্বত্বাকে বাইরে ফুটিয়ে তুলছেন তার উপর।

আমাদের সাইট bikroy.com তে ভিসিট করুন এবং আজই নতুন কিছু করে দেখুন। আমাদের বিশ্বস্ত বিক্রেতার পক্ষ হতে পোস্ট করা শত শত বাস্তব ও সম্ভাবনাময় অনুষঙ্গের বিজ্ঞাপন থেকে খুঁজে নিন আপনার নিজস্ব স্টাইল। শপিং হোক আনন্দের!


অ্যাপল ২০১৮: নতুন iPhone XS রিভিউ!

প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অ্যাপল প্রতি বছর অবিরাম ভাবে নতুন প্রযুক্তির ডিভাইস বাজারে নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে চলেছে। সামগ্রিক ভাবে এটি এখন সব স্মার্টফোন উৎপাদক কোম্পানির জন্যই একটি রীতি বা প্রচলন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য কিছু পরিবর্তন নিয়ে হলেও প্রায় সকল স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক কোম্পানির অবিরাম নিত্য নতুন ফোন রিলিজ করার প্রবণতা যেন কোন দিন শেষ হবার নয়!

গত বছর অ্যাপল এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আইফোন ডিজাইনের জগতে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে তাদের এনিভার্সারি এডিশন স্মার্টফোন আইফোন এক্স। এই বছর তারই উত্তরসূরির সাথে আমাদের পরিচয় হয়েছে, অ্যাপলের আইফোন এক্সএস। সব সময়ের মত নামেই এর পরিচয় পাওয়া যায়, এটি অ্যাপলের প্রচলিত এস ভার্সন যা দেখতে হুবহু আগের ফোনটির মতই হয়ে থাকে, কিন্তু তারপরও বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের মনে হাহাকার সৃষ্টি করে প্রতিবার।

একদিকে এখন বর্তমান আইফোন এক্স স্মার্টফোনের অধিকারীরা একটি আপগ্রেড করার জন্য যুতসই কারণ খুঁজে বেড়াবেন, এর সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে হিসাব নিকাশ করতে চাইবেন। অপরদিকে পুরনো মডেল ব্যবহারকারীরা দ্বিধায় ভুগবেন যে এ বছরের মডেল কেনা ঠিক হবে নাকি আগের বছরেরটা। আইফোন এক্স থেকে এক্সএস এ আপগ্রেড করাটা বলতে গেলে খুবই সামান্য একটি আপগ্রেড, যা কিনা সাধারণ ব্যবহারকারীদের চোখে ধরা পড়বে না বললেই চলে! এখন এই কথাটা শুনতে অনেকের কাছে কিছুটা কঠোর মনে হতে পারে, কিন্তু কথাটা সত্যি নাকি মিথ্যে তা আপনার বিবেচনার জন্য ছেড়ে দিচ্ছি।

এখন যেহেতু এটি তেমন বড় মাপের কোন আপগ্রেড নয়, তাই অ্যাপলও এই ডিভাইসের স্পেসিফিকেশন ও ফিচারের চেয়ে বিভিন্ন রকম দিক থেকে কর্মদক্ষতা কিভাবে বাড়ানো যায় সেই  ব্যাপারে বেশি মনোযোগ দিয়েছে। এর স্পেসিফিকেশনের তালিকা ঠিক আইফোন এক্স এর মতই একই ধাঁচের। সেজন্য অ্যাপল অন্যকিছু নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে তাদের নতুন ডিভাইসের কর্মক্ষমতা ও বিভিন্ন রকম ফাংশনের দিকে মনোযোগ দিয়ে বুদ্ধিমানের কাজ করেছে। একটি রঙ…বাজারের সবচেয়ে সেরা ডিসপ্লে…সাথে সামান্য কিছু বাড়তি সংযোগ…চলুন দেখে নিই কি আছে অ্যাপলের নতুন আইফোন এক্সএস ২০১৮ এ!

২০১৭ সালে অ্যাপলের আইফোন এক্স এর উন্মোচন ছিলো সত্যিকার অর্থে এক উন্মাদনার বিষয়বস্তু! সারা বিশ্বের মানুষ অ্যাপল আইফোনের সম্পূর্ণ নতুন ডিজাইন এবং উদ্ভাবনী স্টাইলকে আপন করে নেয়ার জন্য উৎসুক ছিলেন। কিন্তু এই বছর এই রকম কোন হাইপই তৈরি হয় নি!

অকল্পনীয় কিছু পাওয়ার কোটাটা গত বছরই পূর্ণ হয়ে গেছে এবং সেজন্য এবছর আর আশা করার তেমন কিছুই নেই। এইবারের মডেলটি দেখতে হুবহু আইফোন এক্সের মত, এর সাথে কিছু বিশেষ আপগ্রেড। এতে রয়েছে একটি বড় ৫১২জিবি স্টোরেজ, স্পিড ও ক্যামেরা পারফর্মেন্স বাড়ানোর জন্য একটি সম্পূর্ণ নতুন এ১২ বায়োনিক চিপসেট, এবং একটি উন্নততর ডিসপ্লে। এখন অ্যাপল আইফোন এক্সএস ফোন কেনার জন্য প্রি-অর্ডার নেয়া হচ্ছে এবং সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৮ তারিখ থেকে মার্কেটপ্লেসগুলোতে পাওয়া যাবে।

চলুন কথা বলি এক্সএস এর মধ্যে পরিবর্তনের অভাব সম্পর্কে!

যেমনটা আমরা আগেই জানি, প্রকৃতপক্ষে ডিজাইনের পরিবর্তন বলতে তেমন কিছু আলাপ করার নেই। অ্যাপল তার রীতি অনুযায়ী আগের বছরে রিলিজ করা পণ্যের মত একই ডিজাইনে একটি নতুন এস এডিশন ফোন পরবর্তী বছরে রিলিজ করে। অতএব, আইফোন এক্সএস এর ডিজাইনে কোন বাহ্যিক পরিবর্তন নেই এবং দু’টো ভার্সন পাশাপাশি একসাথে রাখা হলেও এদেরকে আলাদা করে চেনা প্রায় অসম্ভব।

অল্প সংখ্যক লক্ষণীয় ডিজাইনের পরিবর্তনের মধ্যে বডির নতুন রঙ অন্যতম। আইফোনের মিক্সের ভেতর একটি সোনালি শেড যোগ করার পর এর এক অভূতপূর্ব নতুন লুক এসেছে। এসব ব্যাতিরেকে ফোনটির ফ্রেম এবং আকৃতি আগের মতই এবং স্ক্রিনের উপরের দিকে খাঁজকাটা আকৃতির জনপ্রিয় ডিজাইনটি আবারো ফিরে এসেছে, যার সাথে নেই কোন হোম বাটন, ঠিক যেন আইফোন এক্স এর মতই।

সামনে ও পেছনে বিতর্কিত কাঁচের তৈরি বডি আবারো ফিরে এসেছে। অতএব এখনও সর্বশেষ আইফোন মডেলটি সামান্য আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়ে গেছে। যদিও বাজারে মসৃণ ও উন্নত ডিজাইনের অনেক স্মার্টফোনই রয়েছে, তারপরও অ্যাপল নজর কাড়া ডিজাইনের দিক দিয়ে সবার চেয়ে সেরা অবস্থান ঠিকই ধরে রেখেছে। অন্যান্য নকলবাজ ডিজাইনের ফোন হয়ত একই রকম সুন্দর দেখতে হয়, কিন্তু আইফোনের স্পর্শানুভূতি এবং প্রিমিয়াম বিল্ড কোয়ালিটির সাথে কোন কিছুই সমতুল্য হতে পারে না।

আইফোনের উচ্চমূল্যের প্রতি আক্ষেপ ফোনটি হাতে নেয়া মাত্রই কেটে যাবে, কেননা এর অনুভূতিটাই অন্যরকম। বর্তমান বাজারের যেকোন ব্যান্ডের ফোন এর বিল্ড কোয়ালিটি আর মসৃণ ডিজাইনের কাছে হেরে যাবে। বাজারের সবচেয়ে নজরকাড়া স্মার্টফোনেটি এবং হ্যাঁ, এতে নেই কোন প্রচলিত হেডফোন জ্যাক, কেননা অনেক আগেই আইফোন এই জ্যাক বর্জন করেছে। এক্সএস এর বাম ও ডান দিক ঠিক আগের মডেলগুলোর মতই তাদের ট্রেডমার্ক স্টাইলে ভলিউম এবং লক বাটন ও সাইলেন্সার রয়েছে।

এক্সএস এর পেছন দিকটা একদম আইফোন এক্স এর মত দেখতে, এরই সাথে রয়েছে খুব সুন্দর একটি উল্লম্ব ডুয়াল ক্যামেরা। অ্যাপলের ভাষ্যমতে এর কাঁচের ব্যাক বডি অনেক বেশি টেকসই এবং এর স্পর্শানুভূতি তো অসাধারণ তা আগেই বলেছি। এবারের এক্সএস এ গোল্ডেন রঙের বডি যুক্ত হওয়াতে এর বাহ্যিক রূপ সত্যিই অপরূপ এবং স্পষ্টতই এ বছরে কেনার মত একটি স্মার্টফোন বলা চলে একে।

তাহলে আসুন দেখে নিই কেন ব্যবহারকারীরা ২০১৮ সালে অ্যাপলের নতুন আইফোন এক্সএস কিনতে আগ্রহী হতে বাধ্য!

Iphone review in Bangla

সত্যিই, কী অসাধারণ একটি স্ক্রিন!

নতুন আইফোন এক্সএস এ রয়েছে একটি ৫.৮ ইঞ্চি ওএলইডি স্ক্রিন, যার দ্বারা এটি ২০১৮ সালে অ্যাপলের সবচেয়ে ছোট মাপের নতুন ডিভাইস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ছে। এটি আজকের বাজারের যেকোন স্মার্টফনে থাকা অন্যতম সেরা আকর্ষণীয় ডিসপ্লে গুলোর মধ্যে একটি, যাতে রয়েছে উজ্জ্বল সমৃদ্ধ রঙের মেলা, গাঢ় কালো রঙ এবং শক্তিশালী কনট্রাস্ট রেশিও। এর আকৃতিটি হাতের জন্য একেবারে পারফেক্ট, কেননা এর ডিসপ্লে অন্যান্য আইফোনের তুলনায় বেশ বড় কিন্তু ফোনটি অন্যান্য ফোনের মত অস্বস্তিকর রকম বড় আকারের নয়।

চিত্তাকর্ষক ও আরো উন্নত সাউন্ড

নতুন আইফোনের ডুয়াল স্পিকারটিও আগের মত একই অবস্থানে রয়েছে, ফোনের ঠিক নিচের দিকে। যদিও তারা তাদের সাউন্ড ডিভাইসের নিচের দিক থেকে বের করে থাকে, তবুও এর আরো উন্নত সাউন্ড ও উচ্চ ভলিউমের কারণে হেডফোন ছাড়াই যেকোন ধরণের মিডিয়া প্লে করে অনেক বেশি উপভোগ করতে পারবেন।তাদের উন্নত অডিও আউটপুটের প্রযুক্তির মানে হচ্ছে আপনি এতে যে সাউন্ড শুনতে পাবেন তা আরো স্পষ্ট ও প্রগতিশীল।

এর ক্যামেরা কিভাবে শ্যুট করে

এর নতুন ক্যামেরা আপডেট আইফোনকে ছবির সূক্ষ্ম সব ডিটেইল ধারণ করতে সহায়তা করে, আরো নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে এর ডুয়াল ক্যামেরাগুলো সত্যিই অসাধারণ, যা কিনা আগে শুধুমাত্র প্লাস এডিশনে সীমাবদ্ধ ছিলো। এবারের আইফোনের ক্যামেরা ছবিকে বুঝে এবং প্রতিটি দৃশ্যের ঊপর আলাদা ভাবে কাজ করে সামগ্রিক ফটো কোয়ালিটি অনেক গুনে বাড়িয়ে দেয়। এতে ধারণকৃত ছবিগুলো সত্যিই অসাধারণ হয়ে থাকে, যেমনটা অ্যাপল তাদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গর্বের সাথে প্রদর্শন করেছে।

নতুন আইফোনটি টিকবে কত দিন?

সব সময়ের মতই অ্যাপল তাদের ডিভাইসের ব্যাটারীর সংক্রান্ত সংখ্যা সম্পর্কে তেমন কিছু বলে নি বা উল্লেখও করে নি, বরং এর পারফর্ম করার ক্ষমতার উপর বেশি মনোযোগ দিয়েছে। গত বছরের আইফোন এক্স একটি ২৭০০ এমএএইচ এর উপরে ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাটারি ব্যবহার করে চলেছে। ২০১৮ সালের আইফোন এক্সএস এর দাবী যে এই সেট গুলো আগের মডেল গুলোর তুলনায় অন্তত ৩০ মিনিট বেশি ব্যাটারি ব্যাক আপ দিতে সক্ষম, কেননা এতে রয়েছে নতুন এবং আরো উন্নত দীর্ঘস্থায়ী এ১২ বায়োনিক চিপসেট।

নতুন অ্যাপল আইওএস এর সাথে এবার আর নেই কোন পারফর্মেন্সের সমস্যা

আইফোন এক্সএস ব্যবহার করাটা একটা দারুণ অভিজ্ঞতা ছিলো নিঃসন্দেহে! অ্যাপ গুলো স্টার্ট আর শাট ডাউন হচ্ছিলো তৎক্ষণাৎ, ক্যামেরায় শ্যুট হচ্ছিলো দ্রুত এবং ফোনের স্ক্রিনে শুধুমাত্র স্ক্রলিং করাটাও ছিলো এক জাদুকরী অভিজ্ঞতার মতন। নতুন এ১২ বায়োনিক চিপসেটের সাথে নতুন আইফোনের স্পিডও ছিলো অভাবনীয়। এটি চিপসেট বর্তমান বাজারে সকল নতুন আইফোনের ভেতরে শক্তি জুগিয়ে চলেছে। এর প্রসেসরে রয়েছে আটটি কোর বিশিষ্ট ‘নেক্সট জেনারেশনে নিউরাল ইঞ্জিন’, যা একে প্রতি সেকেন্ডে ৫ ট্রিলিওন অপারেশন একনাগাড়ে চালাতে সাহায্য করে।

নির্ণয়ের সময় এসেছে : সাফল্য নাকি বাড়াবাড়ি?

সময়ের সাথে সাথে অ্যাপলের আগের দিনের উন্মোচন গুলির দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, ‘এস’ সিরিজের ফোন রিলিজ হবার বছরগুলো প্রতিবারই এক রকম নিরামিষ ভাবে কাটে। সব সময়ের মত অ্যাপলের ব্যবসায়িক দিক থেকে ফলাফল ভালোই ছিল, কিন্তু গ্রাহকরা প্রতিবারই একটা দ্বিধার মধ্যে পড়ে যান যে এমন একটি ডিভাইস কেনা উচিত হবে কিনা যার একই জিনিসের মধ্যে সামান্য কিছু উন্নত স্পেসিফিকেশন রয়েছে মাত্র, বলতে গেলে হুবহু একই ডিভাইস বলে মনে হয়, তাই দ্বিধা বেড়ে যায় বহু গুনে।

এই ডিভাইসে আসা কিছু কিছু উন্নত আপগ্রেড সত্যিই প্রশংসার দাবীদার। এর স্টোরেজ ক্ষমতা, ভলিউম, সেরা স্ক্রিনের উজ্জ্বল রঙের মেলা, এ সব কিছুই অ্যাপল আইফোন এক্সএস এর হাইলাইট হয়ে থাকবে। কিন্তু এগুলো কি আপনার আপগ্রেড করার ক্ষেত্রে যথেষ্ট?

গত বছরের মডেলটি এই বছর কিছুটা কম দামে পাওয়া যাবে, কিন্তু নতুন করে কেনার ক্ষেত্রে এই প্রশ্নটা আপনি কিছুতেই অবহেলা করতে পারবেন না, তা হলো কোনটি কিনবেন? আইফোন এক্সএস, এক্সআর নাকি ম্যাক্স?

একবার আপনার নতুন আইফোনটি হাতে পাওয়ার পর যে তাৎক্ষণিক একটা এড্রেনালিন রাশ বয়ে যাবে আপনার ভেতর দিয়ে তা আজীবন মনে রাখার মত। এটাই অ্যাপলের নতুন আইফোন এক্সএস এর জাদুকরী প্রভাব। কিন্তু আপনাকে সময়ের সাথে এই ডিভাইসের প্রাথমিক সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য একটি কেস বা কভার ব্যবহার করতে হবে অবশ্যই। আমি নিজে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আমার নতুন আইফোন এক্সএস হাতে পাওয়া ও ব্যবহার করার জন্য অপেক্ষায় রয়েছি। আশা করি আজকের এই বিস্তারিত রিভিউ পড়ে অ্যাপল স্টোরে গিয়ে আপনার পরবর্তী আইফোন কেনার ব্যাপারে আপনার মনে যে শঙ্কার পাহাড় গড়ে উঠেছে তা কিছুটা হলেও কমে যাবে এবং আপনার সিদ্ধান্ত নিতে আর কষ্ট হবে না।

আমি আশা রাখি যে এই রিভিউটি পড়ার পর আপনি অ্যাপলের নতুন আইফোন এক্সএস এর ব্যাপারে আরো বেশি কিছু জানতে পেরেছেন। এতক্ষণে নতুন অ্যাপল উন্মাদনায় আপগ্রেড করার ব্যাপারে আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়াটা যথেষ্ট সহজ হয়ে যাওয়ার কথা। অ্যাপলের নতুন আইফোনের বিষয়ে আপনার চিন্তা ভাবনা ও মতামত  নিচের কমেন্ট সেকশনে জানাতে ভুলবেন না।

Bikroy.com এর মার্কেটপ্লেসে আজই ভিসিট করুন এবং খুঁজে নিন নতুন এবং ব্যবহৃত ফোনের হাজার হাজার বিজ্ঞাপনের তালিকা। আপনার নির্দিষ্ট চাহিদা, দামের রেঞ্জ, ব্র্যান্ড, মডেল ইত্যাদি তথ্য ব্যবহার করে আরো ভালো ভাবে সার্চ করে দেখুন আর নিজে থেকেই বুঝে নিন আপনার জন্য কোন ফোনটি সবচেয়ে সেরা।