২০১৮ সালে আবাসন খাত এর সার্বিক অবস্থা | ইনফোগ্রাফিক

২০১৮ সালে যেমন ছিল আবাসন মার্কেট
Share

প্রপার্টির মার্কেট অর্থাৎ আবাসন খাত হচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম লাভজনক ও নিরাপদ ব্যবসাগুলোর মধ্যে একটি। তবে এ জন্য আপনাকে জানতে হবে কীভাবে এই প্রতিযোগিতার মার্কেটে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তটি নিতে হয়। এই সফল মার্কেট এবং এর বিশেষ ক্ষেত্রগুলোকে ভালোভাবে বোঝার জন্য আপনাকে প্রতি বছর এই ব্যবসার মূল দিকগুলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ ও তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে। আপনার এই কাজটি সহজ করে দেয়ার জন্য আজ আমরা আমাদের এই বিশেষ প্রতিবেদনে ২০১৮ সালে ঢাকা শহরের রিয়েল এস্টেট মার্কেটের একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। একই সাথে এই ব্যবসার বেসিক পর্যালোচনা ও মূল দিকগুলোও উপস্থাপন করেছি। অতএব, সাথেই থাকুন!

ঢাকায় প্রপার্টি বিক্রি হওয়া শীর্ষস্থানীয় এলাকা

ঢাকায় প্রপার্টি বিক্রি হওয়া শীর্ষস্থানীয় এলাকা

২০১৮ সালের সেরা বিক্রিযোগ্য প্রপার্টি গুলোর মধ্যে মেগাসিটি ঢাকার সবচেয়ে আকাঙ্খিত ও পছন্দসই জায়গা হলো বসুন্ধরা। বিক্রির জন্য প্রপার্টি সমূহের মধ্যে প্রায় ২৬%ই এই জায়গায় অবস্থিত, আর এমনটা হওয়াই আসলে স্বাভাবিক। কেননা বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা আপনাদের দিচ্ছে মানসম্মত জীবনযাত্রা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধার দারুণ এক ভারসাম্য। এর পরেই নাম আসে মিরপুরের। সর্বাধিক বিক্রিযোগ্য প্রপার্টির প্রায় ১৮% নিয়ে এবং ক্রমাগত লাইফস্টাইলের উন্নতির কারণে মিরপুর এদেশের আবাসন মার্কেটে নিজের জায়গা করে নিয়েছে খুব একটা ঝামেলা ছাড়াই। তৃতীয় অবস্থানে আমরা দেখেছি ঢাকা শহরের সবচেয়ে বিলাসবহুল এবং সর্বাধিক আকাঙ্খিত জায়গাগুলোর মধ্যে একটিকে। সেই এলাকাটি হচ্ছে গুলশান, যা আপনাদেরকে দিচ্ছে ঢাকা শহরের বিক্রিযোগ্য প্রপার্টি গুলোর মধ্যে প্রায় ১৫% প্রপার্টির বিজ্ঞাপন। ঢাকায় সর্বাধিক বিক্রিত প্রপার্টির প্রায় ১১% নিয়ে রামপুরার অবস্থান আমাদের সেরা এলাকার তালিকায় চতুর্থ। এর কারণ হচ্ছে রামপুরায় আপনারা পাবেন সহনীয় দামের মধ্যে আকর্ষণীয় সব প্রপার্টি এবং প্রায় সব রকম লাইফস্টাইল পণ্যের সমারোহ ঘরের খুব কাছেই, ঘোরাঘুরি ছাড়া এলাকার বাইরে যাওয়ার প্রয়োজনই পড়ে না। এর পরের অবস্থান হলো উত্তরার, যেখানে রয়েছে প্রায় ৯% বিক্রিযোগ্য প্রপার্টির সংগ্রহ। এই এলাকাটি ঢাকা শহরের সবচেয়ে ব্যস্ত ও উন্নত এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম।

ঢাকায় প্রপার্টি ভাড়া হওয়া শীর্ষস্থানীয় এলাকা

ঢাকায় প্রপার্টি ভাড়া হওয়া শীর্ষস্থানীয় এলাকা

ঢাকা শহরে প্রপার্টি ভাড়া দেয়ার বিজ্ঞাপনের তালিকায় আশ্চর্যজনক ভাবে বেশির ভাগই হলো বিলাসবহুল এবং সবচেয়ে আকাঙ্খিত এলাকাগুলো। সর্বাধিক প্রপার্টি ভাড়া দেয়ার বিজ্ঞাপন হলো গুলশান থেকে। এই এলাকা থেকে আমাদের তালিকায় প্রায় ৮১% ভাড়ার জন্য প্রপার্টির বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। এরপর নাম আসে বনানী ও বারিধারার, যেখানে ভাড়ার জন্য প্রপার্টির বিজ্ঞাপন দেয়া হয় যথাক্রমে ৮% ও ৫%।

দাম অনুযায়ী ভাড়ার জন্য প্রপার্টির তালিকা

দাম অনুযায়ী ভাড়ার জন্য প্রপার্টির তালিকা

 

  • <১০,০০০ টাকা: স্বল্প আয়ের এবং ছোট পরিবার ওয়ালা বেশির ভাগ মানুষেরই মূল পছন্দ হলো এই দামের মধ্যে প্রপার্টি ভাড়া পাওয়া। ভাড়ার জন্য প্রপার্টির মধ্যে প্রায় ১৪% এই দামের মধ্যে পড়ে। ১০,০০০ টাকার নিচে আপনারা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ছোট এক বেডরুমের ফ্ল্যাট ভাড়া পেতে পারেন।
  • ১০,০০০-২০,০০০ টাকা: ভাড়ার জন্য প্রপার্টির বিজ্ঞাপনের দ্বিতীয় বৃহত্তম তালিকা এই দামের মধ্যে পড়ে। যেহেতু বাংলাদেশের বৃহত্তর জনসংখ্যা মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ, তাই প্রপার্টি ভাড়া নেয়ার জন্য এই দামই এদেশে অন্যতম পছন্দনীয়। আর প্রায় ২২% ভাড়ার জন্য প্রপার্টি এই দামের মধ্যে পড়ে। ১০,০০০-২০,০০০ টাকার মধ্যে মোটামুটি ছোট মাপের ২ থেকে ৩ বেডরুমের ফ্ল্যাট ভাড়া পাওয়া যায়।
  • ২০,০০০-৩০,০০০ টাকা: এই দামকেও সাধারণ পারিবারিক বাসা ভাড়ার মধ্যে ধরা হয়ে থাকে। ভাড়ার জন্য প্রপার্টির প্রায় ১১% এই দামের মধ্যে পড়ে। মাঝারী থেকে আদর্শ মাপের ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট ২০,০০০-৩০,০০০ টাকার মধ্যে ভাড়া পাওয়া যায়।
  • ৩০,০০০-৪০,০০০ টাকা: এই দামের মধ্যে স্পেসগুলো সাধারণত ছোটখাটো অফিস কিংবা বড় পরিবারের জন্য ভাড়া নেয়া হয়। ভাড়ার জন্য প্রপার্টির প্রায় ৮% এই দামের মধ্যে পড়ে এবং এই দামের বেশির ভাগ প্রপার্টিই জনপ্রিয় আবাসিক এলাকা গুলোতে রয়েছে।
  • >৪০,০০০ টাকা: বাংলাদেশে ভাড়ার জন্য প্রপার্টির সবচেয়ে বড় অংশ পেতে আপনাকে ৪০,০০০ টাকার বেশি খরচ করতে হবে। প্রায় ৪৪% প্রপার্টি এই দামের মধ্যে ভাড়া পাওয়া যায়। কমার্শিয়াল স্পেস, বিশাল সুসজ্জিত ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট, প্লট ও জমি ইত্যাদি চল্লিশ হাজার টাকার বেশি ভাড়ায় বিজ্ঞাপন দেয়া হয়।

দাম অনুযায়ী বিক্রির জন্য প্রপার্টির তালিকা

দাম অনুযায়ী বিক্রির জন্য প্রপার্টির তালিকা

বিক্রির জন্য প্রপার্টি গুলোকে ভালোভাবে বোঝার জন্য আমরা প্রতি বর্গফুট স্পেসের দামের রেট হিসাব করে আলোচনা করব। আপনি যদি এমন প্রপার্টির খোঁজ করেন যার দাম প্রতি বর্গফুটে ৩ হাজার টাকার কম, তাহলে হয়ত আপনি কিছুটা হতাশ হবেন। এই দামের মধ্যে বিক্রির জন্য প্রপার্টি রয়েছে মাত্র ২% এর মত। যদি আপনি প্রতি বর্গফুট স্পেসের দাম ৩ থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যে খুঁজে দেখেন, তাহলে মার্কেটপ্লেসে বিক্রিযোগ্য প্রপার্টির প্রায় ৫% পেতে পারেন। ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা প্রতি বর্গফুট দামে অনলাইনে মোট বিক্রির জন্য প্রপার্টির প্রায় ৯% রয়েছে। কিন্তু সুখবর হচ্ছে যে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা প্রতি বর্গফুট দামের মধ্যে প্রায় ২৮% বিক্রিযোগ্য প্রপার্টি বর্তমানে মার্কেটে রয়েছে। প্রায় ১৭% বিক্রিযোগ্য প্রপার্টি এই দামের মধ্যে পড়ে।

পরবর্তী ১ হাজার টাকা প্রতি বর্গফুট দামের রেঞ্জের মধ্যে এসে প্রপার্টির সংখ্যা আবারো কমে এসেছে। বাংলাদেশে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা ও ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা প্রতি বর্গফুট দামের মধ্যে মাত্র ৪% প্রপার্টি বিক্রির জন্য পাওয়া যায়। যেসব স্পেসের দাম ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা প্রতি বর্গফুট, সেগুলো সমগ্র বিক্রিযোগ্য প্রপার্টির মার্কেটের মধ্যে ৫% মাত্র। কিন্তু আবার ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা প্রতি বর্গফুট দামের মধ্যে এসে আপনি অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোয় প্রায় ২৬% প্রপার্টি বিক্রির জন্য খুঁজে পাবেন। আপনি যদি প্রতি বর্গফুট দামের এই বিশাল ব্যবধান নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান, তাহলে আপনার জেনে নেয়া উচিত যে বিক্রিযোগ্য প্রপার্টি বলতে যে কেবল ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে তা নয়। বরং প্লট ও জমি, কমার্শিয়াল স্পেস, বাড়ি, গ্যারেজ সহ নানা রকমের প্রপার্টি মার্কেটে রয়েছে।

প্রপার্টি কেনার ট্রেন্ড

প্রপার্টি কেনার ট্রেন্ড

আপনি যদি একজন বিক্রেতা হন, তাহলে আপনাকে কাস্টমারদের প্রপার্টি কেনার অভ্যাস ও বছরে আপনার প্রপার্টি বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন পোস্ট করার সঠিক সময় ইত্যাদি জেনে নিতে হবে, তাহলেই আপনি আপনার প্রপার্টি তাড়াতাড়ি বিক্রি করতে পারবেন। যাই হোক, ২০১৮ সালের প্রথম তিন মাসে অনেক সংখ্যক কাস্টমার বিভিন্ন ধরণের প্রপার্টি কিনে নিয়েছেন। গড়ে প্রায় ৮ হাজারের বেশি প্রপার্টি ২০১৮ সালের শুরুর দিকে কেনা হয়েছে। পরের তিন মাসে কোন ভাবে এই ক্রয়ের সংখ্যা গড়ে প্রায় ৬.৯ হাজারে গিয়ে ঠেকেছে। এর পর তৃতীয় ভাগে ধীরে ধীরে ক্রয়ের সংখ্যা আবারও বেড়ে গিয়েছে এবং প্রায় ৭.৮ হাজার প্রপার্টি গড়ে কেনা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রপার্টি গেল বছরের শেষ ৩ মাসে কেনা হয়েছে। অক্টোবর মাসে প্রায় ৮.৮ হাজার প্রপার্টি বেচাকেনা হয় এবং ২০১৮ সালের শেষ মাসগুলোয় এই সংখ্যা গড়ে প্রায় ৮.২ হাজারে গিয়ে ঠেকেছে।

দাম অনুযায়ী সেরা পছন্দের জায়গাগুলো

দাম অনুযায়ী সেরা পছন্দের জায়গাগুলো

 

  • প্রতি বর্গফুট ৫ হাজার টাকার নিচে: এই দামের রেঞ্জের মধ্যে ঢাকা শহরে বিভিন্ন রকম যায়গা রয়েছে। কিন্তু ৫,০০০ টাকা প্রতি বর্গফুট দামের মধ্যে স্পেস খুঁজে পাওয়ার সেরা ৩টি যায়গা হচ্ছে মিরপুর, মোহাম্মদপুর এবং উত্তরা।
  • প্রতি বর্গফুট ৫ থেকে ১০ হাজার টাকায়: বেশির ভাগ আবাসিক এলাকায় ভাড়ার জন্য প্রপার্টির ক্ষেত্রে এই দামের রেঞ্জ প্রযোজ্য। বাংলাদেশে ৫,০০০ – ১০,০০০ টাকা প্রতি বর্গফুট দামে অ্যাপার্টমেন্ট কেনার জন্য সেরা ৩টি যায়গা হচ্ছে বসুন্ধরা, মিরপুর ও রামপুরা।
  • প্রতি বর্গফুট ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায়: এই দামের মধ্যে আপনারা দারুণ সব স্মার্ট স্পেসে আধুনিক সজ্জা সহ উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা পেতে পারেন। ১০,০০০ – ১৫,০০০ টাকা প্রতি বর্গফুট দামের মধ্যে আদর্শ ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট খুঁজে পাওয়ার জন্য সেরা ৩টি যায়গা হচ্ছে ধানমন্ডি, গুলশান এবং বনানী।
  • প্রতি বর্গফুট ১৫ হাজার টাকার উপরে: সেরা সব স্পেসিফিকেশন ও আধুনিক সুযোগ সুবিধা সহ একটি আবাসিক এলাকায় বসবার করার নিরাপত্তা, এ সব কিছুই প্রতি বর্গফুট ১৫ হাজার টাকার উপরে একটি মোটা অংকের দামে পাওয়া সম্ভব। এ ধরণের প্রপার্টি খুঁজে পাওয়ার জন্য সেরা এলাকা গুলো হলো গুলশান, বারিধারা এবং ধানমন্ডি।

ফ্ল্যাটের সাইজ অনুযায়ী সেরা জায়গাগুলো

ফ্ল্যাটের সাইজ অনুযায়ী সেরা জায়গাগুলো

একজন ক্রেতা হিসেবে আপনার প্রয়োজন ও রুচির সাথে তাল মিলিয়ে আপনাকে একটি অ্যাপার্টমেন্টের সাইজ নিয়েও চিন্তা করতে হয়। যদি আপনি সর্বোচ্চ ১০০০ বর্গফুটের মধ্যে ছোট স্পেস খুঁজে থাকেন এবং একটি উন্নত আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা পাওয়ার ইচ্ছা আপনার থাকে, তাহলে আপনার সেরা অপশনগুলো হলো মিরপুর, রামপুরা ও মোহাম্মদপুর। সর্বোচ্চ ২০০০ বর্গফুটের মধ্যে স্পেস পাওয়ার জন্য আপনি মিরপুর, বসুন্ধরা এবং উত্তরার কথা ভাবতে পারেন। সব শেষে যদি আপনি সর্বোচ্চ ৩০০০ বর্গফুটের মধ্যে বড় স্পেস চান, তাহলে আপনার সেরা ৩টি অপশন হচ্ছে গুলশান, বারিধারা এবং উত্তরা। এছাড়াও 

নতুন বনাম ব্যবহৃত ফ্ল্যাট

নতুন বনাম ব্যবহৃত ফ্ল্যাট

আপনি যদি ভেবে থাকেন যে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে শুধুমাত্র ব্যবহৃত ফ্ল্যাটের অফার রয়েছে, তবে আপনার ধারণা ভুল। বিক্রির জন্য প্রায় ৯৬% প্রপার্টির বিজ্ঞাপনে নতুন ও নির্মাণাধীন ফ্ল্যাটের অফার রয়েছে। আর বাকি ৪% বিজ্ঞাপন হচ্ছে পুরনো কিংবা ব্যবহৃত ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য।

সেরা সার্চ হওয়া জায়গাগুলো

সেরা সার্চ হওয়া জায়গাগুলো

একজন রিয়েক এস্টেট ব্যবসায়ী হিসেবে আপনাকে আপনার কাস্টমারদের আচরণ, দাবি এবং তাদের পছন্দের দিকগুলোও নজরে রাখতে হবে। আবাসন ব্যবসার

অনলাইন মার্কেটপ্লেস একট বিশাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। অতএব রিয়েল এস্টেটের মত বিশাল আকারের ব্যবসায় সর্বাধিক সাফল্য লাভ করার জন্য কাস্টমারদের মূল্যবান সার্চের অভ্যাসকে পর্যবেক্ষণ করাটা খুবই জরুরি।

Bikroy-এ, আগ্রহী ক্রেতারা তাদের আকাঙ্খিত জায়গাগুলোতে প্রপার্টির খোঁজ করে থাকেন দামের তুলনা করে দেখা এবং কেনার আগে জেনে শুনে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য। বিক্রির জন্য প্রপার্টির ক্ষেত্রে Bikroy-এ সবচেয়ে বেশি যেই এলাকাটি সার্চ করা হয়ে থাকে, তা হলো বসুন্ধরা। কাস্টমারদের দ্বিতীয় সেরা পছন্দ হলো গুলশান। তারপর যথাক্রমে আসে উত্তরা, ধানমন্ডি এবং মোহাম্মদপুর।

উপসংহার

বাংলাদেশে রিয়েল এস্টেট

অর্থাৎ প্রপার্টির মার্কেট সমগ্র ২০১৮ সাল জুড়ে বেশ উন্নয়নশীল এবং সম্ভাবনাময় রূপে দেখা গিয়েছে। যদিও এ বছর অনলাইনে প্রপাটি কেনার ট্রেন্ডে সামান্য কিছু ভালো বা খারাপ সময় গিয়েছে, কিন্তু তারপরও সংখ্যাগুলো পরস্পর বেশ কাছাকাছিই অবস্থান করছে। পুরনো বা ব্যবহৃত ফ্ল্যাটের তুলনায় মার্কেটে অধিক পরিমাণে নতুন ফ্ল্যাটের অফার ছিলো। প্রপার্টির ক্ষেত্রে মানুষের পছন্দ আগের চেয়ে আরো উন্নত হয়েছে, যার মানে দাঁড়ায় যে এই বছরে দেখের অর্থনীতিতে একটি স্বাস্থ্যকর ও ভালো পরিবর্তন এসেছে।

অতএব কেমন থাকবে ২০১৯ সালে বাংলাদেশের প্রপার্টির মার্কেটের অবস্থা? প্রপার্টির পেছনে বিনিয়োগ করার সুবিধা অপরিসীম এবং ফলদায়কও বটে! হাজার হাজার রিয়েল এস্টেটের বিজ্ঞাপন খুঁজে পাওয়ার জন্য আজই Bikroy.com/propertyএ ব্রাউজ করুন, যেগুলো আমাদের মূল্যবান ও বিশ্বস্ত বিক্রেতা এবং রিয়েল এস্টেট এজেন্টদের দ্বারা প্রতিদিন পোস্ট করা হয়। বিভিন্ন ধরণের প্রপার্টির দামের মধ্যে তুলনা করে দেখুন ও জেনে বুঝে সঠিক সিদ্ধান্তটি নিন।

 

নিচের লিঙ্ক গুলো  থেকে ইনফোগ্রাফিকটি ডাউনলোড করুনঃ

পিন্টারেস্টঃ বাংলাদেশের প্রপার্টি মার্কেট

স্লাইডশেয়ারঃ বাংলাদেশের প্রপার্টি মার্কেট

সাবস্ক্রাইব করুন

No spam guarantee.

Comments

comments