বাংলাদেশের জনপ্রিয় মধ্য সারির বাইকগুলোর দাম

Share

বিগত বছরগুলোতে ব্যক্তিগত যানবাহন হিসেবে মোটরসাইকেলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। বাইক ব্যবহারের মাধ্যমে কোনরকম ঝক্কি পোহানো ছাড়াই একজন পৌঁছাতে পারছেন তার নিদিষ্ট গন্তব্যে। জ্যামের এই শহর ঢাকায় নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌছানোটাই যেন ভাগ্যের ব্যাপার, আর একটি বাইক রাইড আপনাকে দিচ্ছে সেই ঝামেলা থেকে মুক্তি। এরসঙ্গে ইদানিংকালে পাঠাও, উবার মটো, সহজ সহ নানা রাইড শেয়ারিং অ্যাপগুলোর কারণে মোটরবাইক ক্রয়ের চাহিদাও বাড়ছে। বর্তমান বাজারে ক্রেতাদের জন্য রয়েছে সাধ্যের মধ্যে নানা ব্র্যান্ডের বাইক। আজ আর্টিকেলটিতে আমরা এমনি ৫টি জনপ্রিয় মধ্য সারির দামের বাইক নিয়ে আলোচনা করবো। 

বাংলাদেশের জনপ্রিয় মধ্য সারির বাইকের দাম (২০১৯)

ব্র্যান্ড দাম
সুকুজি জিক্সার ডিডি ২৩০,০০০ টাকা
বাজাজ পালসার ১৫০ ১৮০,০০০ টাকা
হোন্ডা সিবি হর্নেট ১৬০আর এসডি ২০০,০০০ টাকা
ইয়ামাহা সিজেডএস এফআই ভার্সন-২ ২৪৯,০০০ টাকা
কাওয়াসাকি কেএসআর প্রো ৩০০,০০০ টাকা

বাইকগুলোর দাম বিক্রেতা কিংবা ডিলার ভেদে তারতম্য হতে পারে। তাই পাঠকদের সুবিধার্থে এর দাম নিকটতম পূর্ণসংখ্যায় দেয়া হয়েছে।

আমাদের দৃষ্টিতে সেরা বাছাইকৃত বাইকগুলো 

সুজুকি জিক্সার ডিডি

Suzuki Gixxer DD price in BD

ব্যবহারকারীদের কাছে সুজুকি একটি সাধ্যের মধ্যে অন্যতম সেরা ব্র্যান্ড। জাপানে প্রতিষ্ঠিত এই ব্র্যান্ডটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারকারীদের কাছে একটি বিশ্বস্ত নাম হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। ওয়ারেন্টিকালীন সময়ে সুজুকির বিক্রয় পরবর্তী সেবার মানও অসাধারণ। সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছে এগুলো অবশ্যই আকর্ষনীয় কিছু বিষয়। 

সুজুকি জিক্সার ডিডি মডেলটিতে রয়েছে ১৫৫ সিসি ইঞ্জিন যা ঢাকার ব্যবহারকারীদের জন্য আদর্শ একটি বাইক। এর এরোডিনামিক্স ডিজাইন উঁচু নিচু ভাঙ্গা রাস্তায়ও চালককে একটি দারুণ অভিজ্ঞতা দিয়ে থাকে। এটি এদেশে আমদানি করেছে র‍্যানকন মোটরবাইকস  ও এর দামআনুমানিক ২৩০,০০০ টাকা। 

অসাধারণ এই গাড়িটিতে রয়েছে কার্বুরেটর ইঞ্জিন ও ইলেকট্রিক স্ট্রার্টিং অপশনস যা গাড়ি ও ফোর হুইলারগুলোতে দেখা যায়। এটির পেছনে রয়েছে ডিস্ক ব্রেক যা বাইকারদের দেয় একটি আরামদায়ক রাইডের গ্যারান্টি। এটির সেরা স্পিড ঘণ্টায় ১১৫ কিলোমিটার এবং এটির পেছনে আরও রয়েছে এলইডি লাইট।  

বাইকটির বিবরণী নিচে দেয়া হলোঃ 

বিবরণ

ধরণ ৪ স্ট্রোক, ১ সিলিন্ডার, এয়ার কুলড
ডিসপ্লেসমেন্ট (সিসি) ১৫৪.৯
সর্বোচ্চ পাওয়ার ১৪.৮পিএস @ ৮০০০ আরপিএম
সর্বোচ্চ টর্ক ১৪ এনএম @ ৬০০০ আরপিএম
মাইলেজ (কোম্পানী) ৬৪ কিমি/লিটার (আনুমানিক)
কুলিং এয়ার কুলড
চালু করার অপশন ইলেকট্রিক ও কিক
গিয়ারস
সামনের সাস্পেনশন টেলিস্কোপিক
পেছনের সাস্পেনশন সুয়িং আর্ম, মনো সাস্পেনশন
সামনের ব্রেক ডিস্ক
পেছনের ব্রেক ডিস্ক
দাম ২৩০,০০০ টাকা

বাজাজ পালসার ১৫০

Bajaj Pulsar 150 price in BD

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের ব্র্যান্ড বাজাজ বাইক প্রস্তুতকারক হিসেবে সারা বিশ্বে অন্যতম প্রতিষ্ঠিত একটি ব্র্যান্ড। মজার বিষয় হচ্ছে এই ব্র্যান্ডের বাইকগুলো অ্যাসেম্বল হচ্ছে বাংলাদেশেই যার ফলে ক্রেতারা পাচ্ছে সুলভ মূল্য ও নানা মডেল থেকে পছন্দসই মডেলটি বেছে নেয়ার সুযোগ। বাইকগুলো এদেশে বিক্রি হচ্ছে উত্তরা মোটরস সহ নানা আমদানিকারকদের শো-রুম এর মাধ্যমে। ব্র্যান্ডটির অন্যতম ফ্ল্যাগশিপ মডেলের নাম বাজাজ পালসার। বাইকটি তৈরি হয়েছে ১৫০ সিসি ইঞ্জিন দ্বারা যা ক্রেতাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যের এবং উপযুক্ত। বাইকটির সেরা স্পিড ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার যা লং ড্রাইভ এর জন্য আদর্শ। পালসার ১৫০ মডেলটির বাইকটি তাই অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় চালকদের প্রিয় পছন্দ। 

ইঞ্জিনিটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ডিটিএসআই। এটি বাজাজের জন্য একটি প্যাটেন্ট প্রযুক্তি যার পূর্ণ রূপ ডিজিটাল টুইন / ট্রিপল স্পার্ক ইগনিশন। এর সিলিন্ডার হেডে ব্যবহৃত হয়েছে ২ ও ৩ স্পার্ক প্লাগ যা ডিজিটাল ইগনিশন প্রযুক্তির সঙ্গে কাপল করা, এর ফলশ্রুতিতে ব্যবহারকারী পাচ্ছে উন্নত মাইলেজ। 

বাইকটির বিবরণীঃ 

বিবরণ
ধরণ একক সিলিন্ডার, ৪ স্ট্রোক
ডিসপ্লেসমেন্ট (সিসি) ১৫০
সর্বোচ্চ পাওয়ার ১৪ পিএস @ ৮০০০ আরপিএম
সর্বোচ্চ টর্ক ১৩.৪ এনএম @ ৬০০০ আরপিএম
সর্বোচ্চ স্পিড ১২০ কিমি/ঘন্টা (আনুমানিক)
মাইলেজ (কোম্পানী) ৬০ কিমি/লিটার (আনুমানিক) 
কুলিং এয়ার কুলড
চালু করার অপশন ইলেকট্রিক ও কিক
গিয়ারস
ক্লাচ ওয়েট টাইপ মাল্টিপ্লেট
সামনের সাস্পেনশন টেলিস্কোপিক ফর্কস
পেছনের সাস্পেনশন ৫ ওয়ে অ্যাডজাষ্টেবল টুইন শক অবজারভারস
সামনের ব্রেক ডিস্ক
পেছনের ব্রেক ড্রাম
দাম ১৮০,০০০ টাকা

হোন্ডা সিবি হর্নেট ১৬০আর এসডি

Honda CB Hornet 160R SD price in BD

বর্তমান প্রজন্মের কাছে ‘মোটরবাইক’ এর সামর্থক শব্দ হিসেবে রূপ নিয়েছে ‘হোন্ডা’ ব্র্যান্ডটি, আমরা স্বভাববশতই যে কোন ব্র্যান্ডের বাইককেই মাঝে মধ্যে হোন্ডা ডেকে ফেলি। দক্ষিণ এশিয়ায় ব্র্যান্ডটির তুমুল জনপ্রিয়তাই এমনটি ঘটার মূল কারণ। হোন্ডা মূলত একটি জাপানিজ ব্র্যান্ড যার বাইকগুলো অ্যাসেম্বল হয় ভারতে, এতে বাইকের স্পিড থেকে গুরুত্ব দেয়া হয় গুনগত মানকে।বাইকটির মেইনটেন্যান্স খরচ তাই অনেক কম। 

হোন্ডা ব্র্যান্ড থেকে আমরা পছন্দ করেছি হোন্ডা সিবি হর্নেট ১৬০ আর এসডি মডেলের গাড়িকে। এই বাইকটিতে রয়েছে ১৬২ সিসি ইঞ্জিন যা যে কোন ধরনের রাস্তার জন্য অনায়াসে চালানোর উপযোগী। এটির রোবাষ্ট ডিজাইন ঢাকার রাস্তায় চালানোর জন্য পুরোপুরি আদর্শ। আসলে বাইকটি এতটাই ক্রেতাপ্রিয় যে গত বছর আমরা হোন্ডা সিবি হর্নেট উপর একটি রিভিউ প্রকাশ করেছিলাম।

চলুন দেখে নেয়া যাক অসাধারণ বাইকটির ফিচারগুলোঃ 

বিবরণ
ধরণ ৪ স্ট্রোক, ১ সিলিন্ডার, এয়ার কুলড
ডিসপ্লেসমেন্ট (সিসি) ১৬২.৭১
সর্বোচ্চ পাওয়ার ১৫.৪৪ বিএইচপি @ ৮৫০০ আরপিএম
সর্বোচ্চ টর্ক ১৪.৭৬ এনএম @ ৬৫০০ আরপিএম
সর্বোচ্চ স্পিড ১১০ কিমি/ঘন্টা (আনুমানিক)  
মাইলেজ (কোম্পানী) ৬০ কিমি/লিটার (আনুমানিক)
কম্প্রেশন অনুপাত ১০:০১
চালু করার অপশন ইলেকট্রিক ও কিক
গিয়ারস ৫ স্পিড
ক্লাচ ওয়েট মাল্টিপ্লেট
সামনের সাস্পেনশন টেলিস্কোপিক
পেছনের সাস্পেনশন মনোশক
সামনের ব্রেক ডিস্ক
পেছনের ব্রেক ড্রাম
দাম ২০০,০০০ টাকা

ইয়ামাহা সিজেডএস এফআই ভার্সন-২

Yamaha FZS Fi v2 price in BD

বহু প্রজন্মের ব্যবহারকারীকে সেবা দিয়ে আসছে ইয়ামাহা মোটরবাইক ব্র্যান্ডটি। জাপানী এ প্রতিষ্ঠানটি তাদের বাইককে বহু দেশে অ্যাসেম্বল করাচ্ছে যার মধ্যে ভারতও রয়েছে। দামী ব্র্যান্ডটি হিসেবে পরিচিতি হলেও এর স্বল্প বাজেটের কিছু বাইকও রয়েছে। 

ইয়ামাহা সিজেডএস এফআই ভার্সন-২ মডেলটির কিছু আগের ও পরের মডেল রয়েছে, তবে স্পেসিফিকেশনের দিক দিয়ে অন্যতম সেরা এই মডেলটি। বর্তমান বাজারে এটির দাম আনুমানিক ২৪৯,০০০ টাকা। বাংলাদেশে গতির উপরে বিধিনিষেধ আনার পর  ১৫০ সিসির বাইকটি এদেশের ক্রেতাদের নজরে এসেছে।

এই বাইকে যা যা থাকছেঃ 

বিবরণ
ধরণ এয়ার কুলড, ৪ স্টোক, এসওএইচসি, ২ ভালভ
ডিসপ্লেসমেন্ট (সিসি) ১৪৯
সর্বোচ্চ পাওয়ার ১৩ বিএইচপি @ ৮০০০ আরপিএম
সর্বোচ্চ টর্ক ১২.৮ এনএম @ ৬০০০ আরপিএম
টপ স্পিড ১২০ কিমি/ঘন্টা (আনুমানিক) 
মাইলেজ (কোম্পানী) ৪৫ কিমি/লিটার (আনুমানিক) 
কম্প্রেশন অনুপাত ৯.৫:১
কুলিং এয়ার কুলড
চালু করার অপশন ইলেকট্রিক
ইগনিশনের ধরণ টিসিআই
গিয়ারস
ক্লাচ ওয়েট, মাল্টিপাল ডিস্ক
সামনের সাস্পেনশন টেলিস্কোপিক
পেছনের সাস্পেনশন মনোক্রস
সামনের ব্রেক ডিস্ক
পেছনের ব্রেক ড্রাম
দাম ২৪৯,০০০ টাকা

কাওয়াসাকি কেএসআর প্রো

Kawasaki KSR Pro price in BD

এদেশে আশির দশকে আমাদের আগের প্রজন্মকে ঢাকার রাস্তায় কাওয়াসাকি ব্র্যান্ডের গাড়ি চড়তে দেখা গেছে। জাপানী এই ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশে বহু আগেই প্রবেশ করেছে এবং এখনও কিছু ব্যবহারকারীদের কাছে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদেরকে ধরে রেখেছে। ব্র্যান্ডটির মধ্যে আমরা যে মডেলটিকে নির্বাচন করেছি তা হলো কাওয়াসাকি কেএসআর প্রো। এতে রয়েছে ১১০ সিসি ইঞ্জিন যা বাংলাদেশের গতিবেগ বিধিনিষেধ এর প্রেক্ষাপটে আদর্শ। ঠিকঠাক মেইনটেন্যান্স এর দ্বারা কাওয়াসাকি ব্র্যান্ডের বাইককে দীর্ঘদিন চালানো যেতে পারে। 

বাইকটির বিবরণী নিম্নোক্তঃ

বিবরণ
ধরণ একক সিলিন্ডার, ৪ স্ট্রোক
ডিসপ্লেসমেন্ট (সিসি) ১১০
সর্বোচ্চ পাওয়ার ৮.৬০ বিএইচপি @ ৮০০০ আরপিএম
সর্বোচ্চ টর্ক ৮.৬০ এনএম @ ৬০০০ আরপিএম
মাইলেজ (কোম্পানী) ৪০ কিমি/লিটার (আনুমানিক)  
কার্বুরেটর কেইহিন বিপি১৮
কম্প্রেশন অনুপাত ৯.৫:১
কুলিং এয়ার কুলড
ইগনিশনের ধরন ডিজিটাল ডিসি-সিডিআই
সামনের সাস্পেনশন টেলিস্কোপিক ইউএসডিই
পেছনের সাস্পেনশন মনোশক
সামনের ব্রেক ডিস্ক
পেছনের ব্রেক ডিস্ক
দাম ৩০০,০০০ টাকা

 

আপনার পছন্দসই বাইক নির্বাচনের আগে, কিছু বিষয় অবশ্যই লক্ষ রাখতে হবেঃ 

  • মানানসই বাইক নির্বাচন করুনঃ এটি বলতে শুধু স্বস্তি নয়, বাইকটির ওজন ও ডিজাইনের দিকেও নজর দিতে বলা হচ্ছে। মধ্য সারির বাইকারদের জন্য এটি অবশ্যই কঠিন, তবে নিজের মনোমতো বাইকটি কাস্টমাইজেশন এর উপায় তো সবসময়েই খোলা রয়েছে।
  • পর্যাপ্ত রিসার্চ করুনঃ বাইক কেনার আগে প্রাথমিক জানাশোনার ব্যাপারটি সেরে নেয়া অতীব জরুরি। উক্ত আর্টিকেলটিতে মধ্য সারির পাঁচটি বাইকের নানা দিক সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে যেটি আপনার রিসার্চে আপনাকে অনেকখানি সাহায্য করবে। বাইক কেনার আগে বাইকের ডিলার ও একই ব্র্যান্ডের বর্তমান ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে বাইকটির নানা দিকগুলি সম্পর্কে আরও বিশদভাবে জেনে নিন। এবং অবশ্যই Bikroy.com এ ভিজিট করে খুঁজে নিন আপনার পছন্দসই মডেলের বাইক।
  • আইনী নীতিমালার কথা মাথায় রাখুনঃ এটা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যে এদেশে বাইক চালানোর নীতিমালায় কিছু আইনী সীমাবদ্ধতা আছে। তাই এমন উচ্চ স্পিড সীমার বাইক নির্বাচন করবেন না যেটি এদেশে আইনত চালানো যায়না। এছাড়া রাস্তায় অযাচিত স্পিড বাড়ানো দূর্ঘটনার ঝুঁকিকে অনেকাংশে বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • ব্যবহৃত মোটরবাইকও নির্বাচন করতে পারেনঃ সবসময় নতুন বাইক কেনা যে লাভজনক তেমনটি কিন্তু নয়। নতুন বাইকারদের ক্ষেত্রে ব্র্যান্ড নিউ বাইক কেনার আগে ব্যবহৃত বাইক চালিয়ে বাইক বিষয়টিতে ধাতস্থ হওয়া যেতে পারে। Bikroy.com এ রয়েছে নানা পদের ব্যবহৃত বাইক যা আপনি কিনতে পারবেন সুলভমূল্যে।

শেষকথা

মোটরবাইক নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের রাস্তায় সর্বাধিক ব্যবহৃত ব্যক্তিগত যানবাহন। মধ্য সারির বাইকগুলো দামেরর কারণে বাইকারদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। সেরা বাইকিং অভিজ্ঞতার জন্য আর্টিকেলটিতে উল্লেখিত চেনা ব্র্যান্ডগুলির জুড়ি মেলা ভার। এছাড়া আপনার যদি হাতে থাকে বাড়তি বাজেট, তবে অবশ্যই আপনি ঢু মারতে পারেন এদেশের জনপ্রিয় দামি বাইকগুলোর ফিচারে। 

তাই বাইক কেনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে প্রাথমিক জানাশোনার ব্যাপারটি সেরে নিন, আর আপনার পছন্দসই বাইক খুঁজে নিতে ভিজিট করুন Bikroy.com। তবে অবশ্যই বাইক চালানোর আগে সেইফটি গিয়ারগুলো অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে, কারণ বাইকারদের কাছে বাইক চালানোর সময় সবার আগে ‘সেফটি ফাস্ট’। 

সাবস্ক্রাইব করুন

No spam guarantee.

Comments

comments

About Md. Altamis Nabil

ডিজিটাল সার্ভিস বিশেষজ্ঞ | লেখক, কলামিস্ট ও স্বাধীন চলচ্চিত্রকার কন্টেন্ট লেখক, বিক্রয়.কম অতিথি লেখক, ভোরের কাগজ ও বাংলানিউজ২৪.কম প্রকাশিত গ্রন্থঃ মহারাজা তোমারে সেলাম (২০১৯)