চাকরি

দীর্ঘ সময় পরে কাজে ফেরার সময় যে বিষয়গুলো বিবেচনা করা উচিত

দীর্ঘ বিরতির পর কর্মজীবনে প্রবেশ করা বেশ কঠিন কাজই বটে। সেটা হতে পারে সাপ্তাহিক ছুটি, ভ্রমণজনিত ছুটি, বাড়ি থেকে কয়েক মাস কাজ করার ফলে সৃষ্ট দূরত্ব, মাতৃত্বকালীন ছুটি বা এক চাকরি থেকে নতুন চাকরিতে স্থানান্তর – অফিস থেকে দূরে থাকা ব্যবধানটি পুনরায় শুরু করার ব্যাপারকে আরও কঠিন করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে আমাদের অধিকাংশেরই হয় কাজ করা বন্ধ হয়ে গেছে বা বাড়ি থেকে কাজ করতে হয়েছে বা এখনো হচ্ছে। বাড়ি থেকে কাজ করার পন্থাটি যদিও উদ্যোক্তা বা ফ্রিল্যান্সারদের পক্ষে আদর্শ, ৯ টা – ৫ টার কর্পোরেট চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে এটি খুব একটা সুবিধার না।

করোনাভাইরাসের আগে, এই সমস্যাটি হাতেগোনা কয়েকটি সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বা গোটাকয়েক সংস্থার কর্ম-সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে এখন, এটি বিশ্বব্যাপী অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ব্যবসা, শহর বা দেশ নির্বিশেষে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন, আইন এবং বিধিবিধান থাকা সত্ত্বেও, দীর্ঘদিন বিরতির পরে প্রতিটি ব্যক্তির কাজে ফিরিয়ে আসার প্রক্রিয়া কিছুটা হলেও ব্যাঘাতগ্রস্থ হতে পারে এটাই স্বাভাবিক।

আপনার অফিসে ফিরে আসার প্রক্রিয়াটিকে কীভাবে আরও মসৃণ করা সম্ভব তা নিয়ে আসুন বিস্তারিত জেনে নেই আজকের আর্টিকেল থেকে।

কাজে ফিরে যাওয়ার সময় বিবেচনা করার মতো ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

কর্মীদের পক্ষে এটি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে লকডাউনের কারণে সবার জীবনেই ভিন্ন ভিন্ন ভাবে বিরূপ পড়েছে। ব্যক্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, জাতি এবং বিশ্ব অর্থনীতি – করোনার করাল থাবা থেকে বাদ পড়েনি কেউ।

কোভিড-১৯ পরবর্তীতে বেশিরভাগ কর্মক্ষেত্রগুলোর ধরণে পরিবর্তন এসেছে এবং একটি নিরাপদ কাজের পরিবেশ তৈরি করতে এই পরিবর্তন অব্যাহত থাকবে। যেকোনো ধরণের স্বাভাবিকতা ফিরে আসার জন্য সময় প্রয়োজন।

এখানে বিবেচনা করার জন্য মতো কিছু বিষয় রয়েছেঃ

  • আপনার অংশীদারদের মানসিকতার পার্থক্য বিবেচনা করুন

স্টেকহোল্ডার বা অংশীদার হচ্ছে সেই সমস্ত ব্যক্তি যাদের আপনি যে কোম্পানিতে নিযুক্ত রয়েছেন সেই কোম্পানিতে অংশীদার রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার সহকর্মী, ক্লায়েন্ট, সরবরাহকারী, অ্যাফিলিয়েটস এবং অবশ্যই তাৎক্ষণিক স্টেকহোল্ডার – ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ।

এটা বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে প্রায় ৬ মাসের ব্যবধানের পর আবারও কাজে ফিরে আসার ক্ষেত্রে তাঁদের সবার দৃষ্টিভঙ্গিতে পার্থক্য থাকবে। কেউ কেউ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার জন্য মুখিয়ে থাকবেন, আবার কেউ কেউ ‘’নিউ নরমাল” বিষয় সম্পর্কে অতিরিক্ত সতর্ক থাকবেন।

আপনার নিজের সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের অবস্থান এবং সেইসাথে নিজের অবস্থান বুঝতে হবে। এটি আপনাকে তাদের পরিস্থিতি অনুধাবন করতে এবং এই পরিস্থিতিতে একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে সহায়তা করবে যা প্রত্যেককে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।

  • কর্মক্ষেত্রে আপনার নীতি-নৈতিকতা কোম্পানির মানোন্নয়নে প্রতিফলিত করুন

নতুন কর্মচারী হিসেবে যোগদানের সময় আপনার কাজের নীতি-নৈতিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যবোধ ও মিশনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে যে নীতিগুলি সেট করেছিলেন সেগুলো নিজেকে স্মরণ করিয়ে দিন।

এগুলো আপনাকে কর্মক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরণের চ্যালেঞ্জ এবং আবেগের ভারসাম্য রক্ষা করতে অনুপ্রাণিত করবে।

আপনার কাজের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সর্বদা সচেতন থাকুন এবং তারপরে এটি সম্পাদন করার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি অবলম্বন করুন। নীতিগত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আপনার চিন্তাশক্তিকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে প্রতিষ্ঠানের মিশন স্টেটমেন্ট এর সহায়তা নিন।

এই কাজগুলি কেবল আপনাকে কঠিন পরিস্থিতিকে সহজতরই করবে না, আপনাকে গর্বিত এবং তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানেও রাখবে। এবং আপনার আশেপাশের অন্যরাও আপনার ইতিবাচক মনোভাব থেকে শিখতে পারবেন।

  • আপনার কাজে সাহসী হোন এবং সমস্যার সমাধানে ক্রিয়েটিভ হোন

আপনি যখন এত দীর্ঘ এবং চ্যালেঞ্জিং বিরতির পরে কাজে ফিরে আসবেন, তখন আপনি দেখতে পাবেন যে কিছু জিনিসে বেশ পরিবর্তন এসেছে। পূর্ববর্তী সব নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে না, এবং বেশ কিছু পরিবর্তনে মানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন হবে। ঠিক তেমনি, আপনার কাজ ভিন্নভাবে পরিচালনা করার জন্য কিছুটা নমনীয়তা দেওয়া হতে পারে।

এটি আপনাকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে কাজগুলো দেখার সুযোগ করে দেবে এবং প্রচলিত পন্থার বাইরে গিয়ে সমস্যা সমাধানের পথ দেখিয়ে দেবে। “নিউ নরমাল” এর অংশ হিসাবে এটি কোম্পানির ব্যবস্থাপক বা পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরাও স্বাগত জানাতে পারেন।

  • মীমাংসা করার ক্ষেত্রে কৌশলী হোন

সৃজনশীল চিন্তাভাবনার মতো, আপনার কৌশলেও পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে। আপনার মীমাংসা বা নিষ্পত্তি করার সময় এমন কিছু উপায় বেছে নিন যা আপনি আগে করার সুযোগ পাননি।

বর্তমানে সংস্থাগুলো কম সংখ্যক কর্মচারী নিয়ে কাজ করার কারণে, প্রতিটি কর্মচারীর কাছ থেকে আরও বেশি কাজের প্রত্যাশা থাকে। এর পূর্ণ সুবিধা নিন এবং আপনার কৌশলগত চিন্তাভাবনাকে কাজে লাগান।

কোনও সহকর্মীকে এমন কোনো কাজে উৎসাহিত করুন যা আপনার সহকর্মী এবং সংস্থা উভয়ের পক্ষে সহায়ক হবে। টিম মেম্বারদের লুকানো প্রতিভা খুঁজে বের করে তা ব্যবহার করুন যা হয়ত ব্যবস্থাপনা বা পরিচালনা পর্ষদের চোখ এড়িয়ে গেছে।

চরম অর্থনৈতিক সংকটের এই সময়ে আপনার প্রতিষ্ঠানের ব্যয় তথা বাজেট হ্রাসে আপনার চিন্তা-ভাবনা কী তার একটি পরিকল্পনা প্রস্তাব করতে পারেন। এটি একদিকে যেমন আপনার প্রতিষ্ঠানের পক্ষে উপকারী হবে, অন্যদিকে আপনার ক্যারিয়ারের জন্যেও আরও সুযোগের দ্বার উন্মুক্ত করবে।

  • পারস্পারিক যোগাযোগের উপর গুরুত্ব দিন

একজন সিনিয়র সদস্য হিসাবে, আপনি দলের সকল সদস্যের সাথে পরিকল্পনা শেয়ার করার সময় পারস্পারিক যোগাযোগের দিকে মনোনিবেশ করতে পারেন। আর যদি আপনি জুনিয়র সদস্য হয়ে থাকেন তবে আপনার মতামত জানাতে ভয় করবেন না কারণ যেকোনো বৈধ উদ্বেগ যা আপনি তুলে ধরবেন তা হয়ত কোনোভাবে অন্যদের দৃষ্টিগোচর হয়ে গেছে।

পরিকল্পনার বড় হোক বা ছোট – এর সাথে জড়িত সদস্যদের সাথে একটি দৃঢ় যোগাযোগ ব্যবস্থা পরিকল্পনার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবে। এছাড়াও, গুজব বা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থেকেও দূরে থাকা যায় যদি পারস্পারিক যোগাযোগ ব্যবস্থা দৃঢ় ও মজবুত হয়।

আপনি ঠিক কী করছেন, আপনি এটি কেন করছেন এবং এটি কীভাবে প্রভাব ফেলবে তা সমস্ত অংশীদারদের কাছে পরিষ্কার করে দিন। ফলে জড়িত সকল পক্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা পরিবর্তনের সময় আরও স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারবেন।

  • আপনার দলটিকে শুরু থেকে পুনর্নির্মাণ করুন

সাপ্তাহিক ছুটির পর আর দীর্ঘ ছুটির পর কাজে ফেরা কিন্তু এক নয়। আপনার সহকর্মী, ক্লায়েন্ট এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে অনেকে হয়ত কাছের মানুষটি হারিয়েছেন বা বিরতির সময় অন্য কোনো দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন।

সদস্যদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার মাধ্যমে তাঁদের সুবিধা-অসুবিধাগুলো বুঝতে চেষ্টা করুন। মূলত, এমনভাবে দলটিকে পুনর্নির্মাণ করুন যেন এটি আপনাদের একসাথে কাজ করার প্রথম দিন।

অনেকেই হয়ত শারীরিক, মানসিকভ বা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন এবং স্বাভাবিকতায় ফিরে আসতে কিছুটা সময় প্রয়োজন হবে। এসব বিষয়কে সম্মান করুন এবং প্রচুর ধৈর্য এবং একটি নতুন দৃষ্টিকোণ দিয়ে নতুন করে শুরু করুন।

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট লকডাউন পরবর্তী প্রভাব

আমাদের আলোচনার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে লকডাউন যা গোটা বিশ্বকে তার পদক্ষেপে থামতে দেখেছিল। করোনভাইরাস মহামারী প্রায় প্রতিটি দেশে মানুষের জীবনকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করেছে।

এখন কোনো কিছুই আর আগের মতো নেই।

জনগণকে বিস্তীর্ণ প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে কতিপয় দেশের সরকার কর্তৃক আরোপিত লকডাউনের কারণে আমরা বেশিরভাগ মানুষই ঘরে বসে আছি। অনেক উন্নত দেশের কর্মচারীরা বিনা বেতনে ছুটি নিতে বাধ্য হয়েছেন।

ব্যবসা সীমিত থাকা সত্ত্বেও সরকার এবং সংস্থাগুলো উভয়ই একত্রিত হয়ে স্থায়ী চুক্তিবদ্ধ কর্মীদের বেতন প্রদানের জন্য নানাবিধ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তবে অনেক ছোট সংস্থাগুলো এটি বহন করতে অক্ষম ছিল এবং পরবর্তী সময়ে তাদের ব্যবসা বন্ধ না করলেও কম কর্মচারীদের সাথে চালানোর তাগিদে কর্মী ছাঁটাইয়ে বাধ্য হয়েছিল।

দুর্ভাগ্যক্রমে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সরকারের আর্থিক সহযোগিতা বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশের মতো ততটা শক্তিশালী নয়।

লকডাউনের প্রভাবে অনেক সংস্থা ব্যবসা পরিচালনার কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে, অনেক ব্যক্তি চাকরি হারিয়েছেন এবং পুরনো রূপে ফিরে যাওয়ার জন্য ক্রমাগত কাজ খুঁজে চলেছেন। একইভাবে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের স্বাভাবিক ব্যবসায় কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে সুযোগের সন্ধান করছে।

সুতরাং এটি স্বীকার করতেই হবে যে লকডাউন দ্বারা প্রতিটি মানুষের জীবন পৃথকভাবে প্রভাবিত হয়েছে এবং অফিসের কাজে ফিরে আসা ব্যক্তিদের উপরও এটির উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েছে।

কর্মীরা কাজে ফিরে আসার পর তাঁদের যত্ন ও মানবিকতার সাথে পরিচালনা করা

নিয়োগকর্তা এবং কর্মচারীরা একে অপরকে যত্ন সহকারে পরিচালনা করবেন বলেই ধারণা করা হয় কারণ অফিসের কাজে ফিরে আসার সময় উত্তেজনা এবং আবেগ কাজ করবে। ধৈর্য সহকারে প্রতিটি পরিস্থিতি পরিচালনা করুন এবং ভালো-খারাপ উভয় সংবাদের প্রতি সংবেদনশীল হোন।

বাসা থেকে কাজ করা অনেকের পক্ষে চ্যালেঞ্জ হতে পারে, আবার অনেকের পক্ষে এটি সহজ হতে পারে। অনেকেরই হয়তো দীর্ঘদিন কাজের সাথে দূরত্ব থাকায় ফিরে আসার জন্য বেশি সময় লাগবে। যেকোনো প্রকল্প বাজেট কম থাকায় পরিচালনা ও বাস্তবায়ন অধিক চ্যালেঞ্জিং হবে।

হতাশা ও উদ্বেগ এক্ষেত্রে থাকতেই পারে। তবে এর জন্য ব্যবসায়ের সিদ্ধান্তগুলোকে প্রভাবিত না করে অনুভূতি নিষ্পত্তি করে কর্মক্ষেত্রের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সামগ্রিক ভাবে, সকল স্টেকহোল্ডারদের একে অপরের প্রতি উচ্চ স্তরের সংবেদনশীলতা প্রয়োজন।

অফিসের কাজে সহজেই ফিরে আসার জন্য কিছু টিপস

এটা মনে রাখা জরুরি যে একটি ব্যবসা এর সকল স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতায় নির্মিত। সুতরাং, কোম্পানির সাফল্য নিশ্চিত করতে প্রতিটি ব্যক্তির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

আপনার কাজের দিকে ফিরে প্রক্রিয়াটি যতটা সম্ভব মসৃণ তা নিশ্চিত করার জন্য নিম্নলিখিত কয়েকটি টিপস আমরা নিচে উল্লেখ করছিঃ

  • বেকার অবস্থায় বা ঘরে বসে অফিস থেকে কাজের জায়গায় ফিরে যাওয়ার জন্য সামঞ্জস্য করতে সময় নিন,
  • যখন প্রয়োজন হবে তখন অন্যের সাহায্য চান এবং এ বিষয়ে কোনো সংকোচ নেই, 
  • কর্মক্ষেত্রে সব ধরণের পরিবর্তনকে আলিঙ্গন করতে এবং স্বাগত জানাতে প্রস্তুত হোন,
  • কর্মক্ষেত্রে অন্যদের কাছ থেকে সমস্ত ধারণা, পরামর্শ এবং সহায়তা সম্পর্কে নমনীয় এবং মুক্তমনা হোন,
  • ব্যক্তিগত ও কর্মজীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুন, হারানো সময়ের জন্য কাজ করার মধ্যে গভীরভাবে ডুবে যাবেন না,
  • আপনার সময় এবং শক্তির সাথে আপনার শারীরিক, মানসিক এবং মানসিক সীমানা জানুন,
  • বন্ধু, পরিবার এবং সহকর্মীদের সাথে ভালো যোগাযোগের মাধ্যমে এই রূপান্তরে তাঁদের সাহায্য নিন,
  • শৃঙ্খলা রক্ষা করার চেষ্টা করুন এবং শক্তি এবং ইতিবাচকতার জন্য স্বাস্থ্যকর খাওয়া, জীবনযাত্রা ইত্যাদির দিকে মনোনিবেশ করুন,
  • নতুন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করার জন্য এবং নিজের উন্নয়নে নতুন জিনিস শিখুন।

প্রত্যেকের পরিস্থিতি ভিন্ন থাকবে এবং আপনাকে সবচেয়ে উপযুক্ত মোকাবেলা করার পদ্ধতিটি খুঁজে নিতে হবে। তবে, এই টিপসগুলো নিশ্চিত করবে যে আপনার কাজে ফিরে আসার প্রাথমিক পর্যায়ে ব্রেক কোনো ব্রেক হবে না।

সর্বশেষ ভাবনা

বিরতি শেষে অফিসে ফিরে পাওয়া কঠিন। আপনার সাপ্তাহিক ছুটির দিন সম্পর্কে চিন্তা করুন। সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনটি সেটি শনিবার, রবিবার বা সোমবার যেটাই হোক না কেন – এটি বেশ কষ্টকর!

সুতরাং, আপনি যদি বেকারত্বের স্বল্প বিরতির পরে ফিরে আসেন, বাড়ি থেকে কাজ করার চ্যালেঞ্জিং বিরতি বা আপনার ক্যারিয়ারের অন্য কোনো ফাঁকফোকর থেকে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ছোট ছোট পদক্ষেপ নেওয়া। নিজেকে সফল হওয়ার সুযোগ দিতে ধাপে ধাপে এগিয়ে যান।

চ্যালেঞ্জ যাই হোক না কেন, আপনার মাথার সমস্ত ভয় এবং সন্দেহকে ঠেলে সরিয়ে দিন এবং নিজেকে সংবেদনশীলতার সাথে কাজ শুরু করুন। প্রত্যেককেই তাঁদের অনন্য পথ সন্ধান করতে হবে তাই নিজের উপর আস্থা রাখুন, অন্যের প্রতি সদয় হোন।

আপনি যদি চাকরি হারিয়ে ফেলে থাকেন তবে হাল ছেড়ে দেবেন না। BikroyJOBS পোর্টালের মাধ্যমে অনুসন্ধান করুন, নিজেকে সময় দিন এবং সর্বোপরি, আপনার পছন্দসই ফলাফল পাওয়ার জন্য কাজ করুন।

শুভকামনা!

সাবস্ক্রাইব করুন

No spam guarantee.

আরও দেখুন

অনুরূপ লেখা গুলো

Back to top button
Close
Close