ঢাকা শহরে চলাফেরার জন্য কেন টয়োটা গাড়িই সেরা?

Share

টয়োটা গাড়ির সাথে আমাদের পরিচয় বেড়ে ওঠার প্রায় একই সাথে। এই গাড়িগুলো কয়েক প্রজন্ম ধরেই আমাদের জীবনের এক অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর কখনও এই গাড়িগুলোতে চড়েননি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়াও প্রায় অসম্ভবই বলা চলে। ঢাকা শহরে, এমনকি সারা দেশ জুড়েই টয়োটার এই গাড়িগুলো অসম্ভব রকম জনপ্রিয়। এমনকি আজকের যুগে এসে বাজারে এত সব নজরকাড়া গাড়ির ব্র্যান্ড থাকা সত্ত্বেও এ দেশের বেশির ভাগ মানুষ আজও গাড়ি কেনা কিংবা ব্যবহারের জন্য টয়োটার উপর ভরসা করেন সবার আগে। বাংলাদেশের সেরা ৫ সর্বাধিক বিক্রিত গাড়ির হিসাবে আমাদের তালিকায় সবচেয়ে বেশি দাপট যদি কোন ব্র্যান্ডের হয়, তাহলে সেটাও হচ্ছে টয়োটা। তাই আজ আমাদের আলোচনার মূল বিষয় হিসেবে আমরা দেখবো টয়োটার বিপুল জনপ্রিয়তার পেছনে কিছু অন্তর্নিহিত কারণ। পাশাপাশি দেশের মার্কেটে এক প্রভাবশালী গাড়ির ব্র্যান্ড হিসেবে এই গাড়িগুলোর কাছ থেকে আমরা ঠিক কী আশা করতে পারি সেটাও জানার চেষ্টা করবো।

কেন বেছে নেবেন একটি টয়োটা গাড়ি?

মূলত টয়োটা হলো একটি জাপানিজ অটোমোবাইল কোম্পানি। এই কোম্পানিটি বেশ লম্বা একটা সময় ধরে গাড়ি তৈরি ও বাজারজাত করে আসছে এবং বিশ্ব বাজারে এখন অবধি একটি বিশেষ অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়াও এশিয়া মহাদেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশে টয়োটা গাড়ির গ্রাহক সংখ্যা চোখে পড়ার মত। যদিও ঢাকা শহরে সব সময় টয়োটা গাড়ির পরিচিতি ও প্রসার এত বেশি ছিল না। বেশ আগের দিনগুলোতে ফোর্ড এবং ভোক্সওয়াগনের মত নামি ব্র্যান্ডগুলো বেশি জনপ্রিয় ছিল। তবে সাম্প্রতিক এই যুগে এসে টয়োটা অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের ছাড়িয়ে আরো বেশি প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে। টয়োটার মত অন্যান্য ব্র্যান্ডের গাড়িগুলো রাস্তাঘাটে এত বেশি পরিমাণে চোখেও পড়ে না। এর পেছনে সবচেয়ে বড় ও অন্যতম একটি কারণ হলো, টয়োটা তাদের গাড়িগুলোতে সব সময় ব্যাপক পরিমাণ সুবিধা ও ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য অফার করে। যেকোনো ধরণের মানুষ কিংবা প্রয়োজনের জন্য তাঁদের কাছে গাড়ির অপশন রয়েছে। চলুন দেখে নিই টয়োটা গাড়ির নানারকম সুবিধার মধ্যে কিছু বিশেষ দিকঃ

সাধ্যের মধ্যে সাশ্রয়ী দাম

টয়োটা গাড়ির জনপ্রিয়তার সর্বপ্রথম ও অন্যতম বড় একটি কারণ হলো এর সাশ্রয়ী দাম। অন্যান্য ব্র্যান্ডের রিকন্ডিশনড বা সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ির তুলনায় এই টয়োটা গাড়িগুলোর দাম বেশ যৌক্তিক এবং সাশ্রয়ী। একটি গাড়ি কেনার সময় এর স্পেসিফিকেশন ও বৈশিষ্ট্যগুলো অবশ্যই দেখতে হয়, কিন্তু কেনার সিদ্ধান্ত নেয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ইন্ধন গাড়িটির দামই দিতে পারে। কখনও কখনও কোন জায়গা থেকে কিনছেন তার ভিত্তিতেও গাড়ির দাম কিছুটা উনিশ বিশ হতে পারে। একজন বিক্রেতার কাছ থেকে সরাসরি কেনার চেয়ে গাড়ির শোরুম থেকে কিনতে গেলে দাম কিছুটা হলেও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদি আপনি ঢাকা শহরে একটি টয়োটা গাড়ি কেনার কথা ভেবে থাকেন, তাহলে Bikroy.com -এ ভিজিট করে আপনার পছন্দ অনুযায়ী গাড়ির দামের একটি ধারণা নিতে পারেন এবং বাজেটের মধ্যে খুঁজে নিতে পারেন আপনার পারফেক্ট গাড়িটি। এতে করে একটি নতুন টয়োটা গাড়ি কিংবা ব্যবহৃত একটি টয়োটা গাড়ি কেনার সুযোগ আপনি পেয়ে যাবেন একজন বিশ্বস্ত ও অনুমোদিত বিক্রেতার কাছ থেকে।

স্থায়ী ও টেকসই

টয়োটা আপনাদের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রস্তুত করেছে যেকোন ধরণের ভূমিতে চালানোর মত গাড়ি। ঢাকা শহরের মত একটি ব্যস্ত ও উন্নয়নশীল নগরীতে গাড়ি চালানোর সময় আমাদের রাস্তার অবস্থা সম্পর্কে ধারণা থাকা খুবই জরুরি। এই শহরে প্রতিনিয়ত যে পরিমাণ নির্মাণ কাজ ও রাস্তা সংস্করণের কাজ চলে, সেখানে এই উঁচু নিচু ও কখনও চলাচলের অযোগ্য হয়ে ওঠা রাস্তাগুলোতে গাড়ি চালালে সেগুলোর বেশ ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর ঠিক এখানেই টয়োটা তাদের গাড়ির জন্য সুবিধা তৈরি করে নিয়েছে। মজবুত ও বলিষ্ঠ গড়ন হওয়ার কারণে টয়োটা গাড়িগুলোর বডি অনেক বেশি পরিমাণে ঝাঁকুনি ও ধাক্কা সহ্য করতে পারে, যা কিনা ঢাকা শহরে চলাচলের জন্য আদর্শ। এছাড়াও টয়োটা কোম্পানির উৎপাদন তালিকায় রয়েছে বহু ধরণের পিক-আপ ট্রাক, এসইউভি, অফ রোড বা রাস্তার বাইরের যানবাহন ও দূরপাল্লার ভার বহনকারী যানবাহন। এই গাড়ি গুলো শহরের বাইরে ভ্রমণের জন্য বেশ কার্যকরী, কেননা এরকম পথে রাস্তাঘাট বেশ খারাপ থাকে। এগুলোকে টাইম-টেস্ট করার মাধ্যমে দেখা গেছে যে এই গাড়িগুলো সত্যিই ব্যাপক টেকসই। সাধারণত গ্রাহকরা এমন ব্র্যান্ডের সাথেই টিকে থাকেন যেগুলো তাদেরকে দীর্ঘমেয়াদী পণ্য এবং ভালো সার্ভিস দিতে পারে। আর বাংলাদেশি মার্কেটে টয়োটা ঠিক এই ব্যাপারটাই প্রতিষ্ঠা করে নিয়েছে।

বৈচিত্র

চলুন টয়োটার কালেকশনে যে সব ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যময় গাড়ির সংগ্রহ রয়েছে তা দেখে নিইঃ

কেনো টয়োটা গাড়িই সেরা

টয়োটার ফ্যামিলি গাড়ি

আপনি যদি আপনার পরিবারের জন্য সেরা ফ্যামিলি গাড়িটির খোঁজ করেন, তাহলে টয়োটা ব্র্যান্ডের বাইরে আপনাকে আর কিছু দেখতেই হবে না। কেননা এই ব্র্যান্ড আপনাদের জন্য এনেছে বিভিন্ন ধরণের সেডান ও হ্যাচব্যাক গাড়ি সহ আরো কত কি। দীর্ঘ দিন ধরে সকলের প্রিয় টয়োটা করোলা ছাড়াও, তাদের কাছে রয়েছে টয়োটা এক্সিও, টয়োটা এলিয়ন এবং টয়োটা প্রোবক্স, যেগুলোর প্রত্যেকটিই ফ্যামিলি গাড়ি হিসেবে দারুণ একেকটি অপশন।

টয়োটার ছোট গাড়ি

যদি আপনার চাহিদা একটি ছোট ব্যক্তিগত গাড়ি হয়ে থাকে, তাহলে টয়োটা আইএসটি, টয়োটা পাসো, টয়োটা একুয়া কিংবা টয়োটা ভিটজ এই গাড়িগুলো নিশ্চয়ই আপনার প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হবে। ছোট গাড়ি গুলো তুলনামূলক কম দাম আর কিছুটা বেশি জ্বালানী সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য জনপ্রিয়। ঢাকা শহরের দম বন্ধ করা ট্র্যাফিক আর সরু রাস্তা ঘাটে চলাফেরা করার ক্ষেত্রে একটি ছোট গাড়ি থাকা সত্যিই বেশ শান্তির হতে পারে। কেননা এই গাড়িগুলো সরু পথে পরিচালনা করা ও পার্ক করা যায় সহজেই। কম বয়সী হোক কিংবা বয়স্ক, যে কারো জন্যই এই ধরণের গাড়িগুলো আদর্শ হতে পারে। এছাড়াও যেসব মানুষ নতুন নতুন ড্রাইভিং শিখছেন তাদের জন্য এই ছোট গাড়ি গুলো নিয়ন্ত্রণ করা বেশ সহজ হবে।

টয়োটার বিলাসবহুল গাড়ি

টয়োটা প্রিমিয়ো, টয়োটা নোয়াহ, এবং টয়োটা ক্রাউনের মত গাড়ি গুলো স্বাভাবিক সময়ে হোক কিংবা ঢাকা শহরের জ্যামে ভরা রাস্তায় পর্যন্ত একজন চালককে সর্বাধুনিক ও প্রিমিয়াম পর্যায়ের অভিজ্ঞতা দিতে পারে। কারো কারো জন্য একটি গাড়ি তার মনের প্রশান্তির জায়গা হতে পারে, আর সেই গাড়িতে একটি খোলামেলা বড় স্পেস, আরামদায়ক সিট ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক বিলাসবহুল অনুভূতি থাকাটা খুবই দরকার। তার উপর টয়োটার নতুন বিলাসবহুল গাড়ি গুলো সব সময় বাংলাদেশি মার্কেটে বেশ জলদিই পৌঁছে যায়, যেমন সদ্য মুক্তি পাওয়া টয়োটা করোলা আলটিস

জ্বালানী দক্ষতা ও সাশ্রয়

ঢাকা শহরের বাড়ন্ত ট্র্যাফিক জ্যাম প্রতিনিয়ত আমাদের গাড়িগুলোর জ্বালানী দক্ষতার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। আমাদের গাড়ি গুলো যখন ঘন্টার পর ঘন্টা ট্র্যাফিক জ্যামে বসে অপেক্ষা করে, তখন তাদের ইঞ্জিন প্রচুর পরিমাণ জ্বালানী টেনে নেয়। এখান থেকে জ্বালানীর চাহিদা দিনকে দিন শুধু বেড়েই চলে আর দামটাও ধীরে ধীরে অসম্ভবের কোঠায় গিয়ে ঠেকে। মার্কেটে টয়োটার বেশ কিছু জ্বালানী দক্ষতা সম্পন্ন গাড়ি রয়েছে, আর সেগুলো ব্যবহার করে আপনারা চাইলেই খুব সহজে আপনাদের জ্বালানীর খরচ কমিয়ে আনতে চাচ্ছেন। এরকম একটি গাড়ি হচ্ছে হাইব্রিড ধাঁচের টয়োটা প্রিয়াস এবং এটি বেশ দ্রুত গতিতে ঢাকা শহরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এছাড়াও আপনার যাতায়তের খরচ কমানোর জন্য চাইলে আপনার গাড়িটিকে পেট্রোল থেকে সিএনজিতে রূপান্তর করিয়ে নিতে পারেন, আজকাল অনেকে তাদের টয়োটা গাড়িতে জ্বালানী রূপান্তর করে এভাবেই খরচ বাঁচাচ্ছেন।

সহজলভ্যতা

বাংলদেশে টয়োটা গাড়ির জনপ্রিয়তার একটি বিশেষ সুবিধা হচ্ছে যে দেশের যেকোনো জায়গায় সবগুলো ভার্চুয়াল শোরুমে এই ব্র্যান্ডের প্রায় সবগুলো গাড়িই পাওয়া যায়। যেহেতু ঢাকার রাস্তায় এই গাড়িগুলোই সবচেয়ে বেশি করে চোখে পড়ে, সেহেতু আপনার কাছাকাছি যেকোন একটা শোরুমে গেলেই আপনার পছন্দের টয়োটা গাড়িটি খুঁজে পেতে পারেন নিশ্চিত ভাবে। এর মানে এটাও দাঁড়ায় যে আপনি বেছে নেয়ার জন্য বিপুল সংখ্যক টয়োটা গাড়ির অপশনও চোখের সামনে পাচ্ছেন, কেননা টয়োটা ব্র্যান্ডের চাহিদাই বাজারে সবচেয়ে বেশি। শুধুমাত্র গাড়ি কেনাই নয়, আপনার টয়োটা গাড়িটি মেরামত কিংবা রক্ষণাবেক্ষণ করাও ঢাকা শহরে খুবই সহজ। এর পেছনে প্রথম কারণ হচ্ছে যে ঢাকার বেশির ভাগ গাড়ির ওয়ার্কশপেই টয়োটা গাড়ির পার্টস ও উপকরণ বেশ সহজলভ্য।

সর্বোচ্চ রি-সেল ভ্যালু

ঢাকা শহরে অন্যান্য ব্র্যান্ডের গাড়ির তুলনায় টয়োটা গাড়িগুলো রি-সেল ভ্যালু বেশি হওয়ার জন্য সুপরিচিত। যেহেতু এই গাড়িগুলো গ্রাহকরা সবচেয়ে বেশি মাত্রায় সার্চ করেন এবং কিনে থাকেন, সেজন্য এই গাড়িগুলো বিক্রি হওয়ার সময় তাদের রি-সেল ভ্যালু যে তুলনামূলক বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক। অবশ্য সেটা পুরোপুরি নির্ভর করে একজন ব্যবহারকারী তার টয়োটা গাড়িটি কোন কন্ডিশনে বিক্রি করছেন এবং সেটিকে কত ভালো ভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করে রেখেছেন তার উপর। অতএব, আপনি যদি আপনার যত্নে রাখা ও মেইনটেন্যান্স করা টয়োটা গাড়িটি বিক্রি করার কথা ভেবে থাকেন, তাহলে বেশ কিছু সম্ভাব্য ক্রেতার কাছ থেকে গাড়িটির জন্য একটি ভালো দাম আশা করতেই পারেন।

আপনার টয়োটা গাড়িটি কিনতে কোথায় যাবেন?

ঢাকা শহরে গাড়ির শোরুমগুলো বেশ প্রভাবশালী অবস্থায় রয়েছে। অনেকগুলো শোরুম পাশাপাশি সারি বেঁধে সাজানো থাকে, তাই আপনি যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে চাইলে বেশ কয়েকটা দোকান ঘুরে দেখতে পারবেন। আপনার স্বপ্নের গাড়িটি বেছে নেয়ার আগে খেয়াল করে আপনার বাজেটের মধ্যে সবগুলো অপশন বিভিন্ন দোকান থেকে ঘুরে দামের তুলনা ও বাছবিচার করে তারপরই নেয়া উচিত। কিছু কিছু গাড়ির ডিলাররা আপনার ব্যক্তিগত চাহিদা ও প্রয়োজনগুলোর খেয়াল রাখার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন সব সময়। এছাড়াও আপনি অনলাইনেও গাড়ি সম্পর্কে সার্চ করতে পারেন। আজকের আধুনিক যুগে এসে বেশির ভাগ পণ্যের মত গাড়ি বেচাকেনাটাও ডিজিটাল হয়ে গেছে। Bikroy.com সম্ভাব্য গাড়ির ক্রেতাদের নিজ নিজ ঘরে বসে স্বাচ্ছন্দ্যে বিপুল সংখ্যক গাড়ির সংগ্রহ থেকে বাছাই করার সুযোগ করে দিয়েছে। একবার যখন আপনি একটি নির্দিষ্ট গাড়ি কেনার জন্য মনস্থির করে ফেলবেন, তখন আপনি চাইলে বিক্রেতার সাথে সরাসরি দেখা করে গাড়িটি নিজ চোখে ভালোমত দেখে নিতে পারবেন। এছাড়াও Bikroy.com -এ আপনারা পাবেন ভালো মানের সেকেন্ড হ্যান্ড কিংবা ব্যবহৃত গাড়ি কেনা কিংবা আপনার নিজের ব্যবহৃত গাড়িটি ভালো দামে বিক্রি করার দারুণ সুযোগ।

শেষকথা

আপনার চাহিদা মত সঠিক গাড়িটি খুঁজে পাওয়া কোন সহজ ব্যাপার নয়। কিন্তু আপনি যে ধরণের গাড়িই কিনতে চাচ্ছেন না কেন-হোক তা বড়, ছোট, বাহারি বা ফ্যান্সি, সাদামাটা কিংবা হোক কোন হাইব্রিড মডেল, টয়োটার কাছে আপনার মনের মত কোনো না কোনো গাড়ি থাকবেই। যেহেতু গাড়ি কেনাটা যে কারো জন্য এক ধরণের বড়সড় বিনিয়োগ, তাই আমাদের আজকের প্রতিবেদনে আলোচিত বিষয়গুলো ভালোভাবে ভেবে চিন্তে ও পর্যালোচনা করে নিলে আপনি অবশ্যই আপনার পরবর্তী গাড়িটি কেনার ব্যাপারে একটি ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। যদি আপনি অনলাইন থেকে একটি টয়োটা গাড়ি কেনার কথা চিন্তা করে থাকেন, তাহলে আজই ব্রাউজ করুন Bikroy.com -এ আর দেখে নিন কোন সব নতুন অফার এখন চলছে। ভিজিট করুন আজই আর ঘরে নিয়ে আসুন আপনার নিজের টয়োটা গাড়িটি!

সাবস্ক্রাইব করুন

No spam guarantee.

Comments

comments