ফ্ল্যাট খোঁজার টিপসঃ ইউনিভার্সিটি ভর্তির জন্য ঢাকায় আসা ছাত্র ছাত্রীদের জন্য

Share

যেকোনো জায়গায় বসবাসের জন্য একটি পারফেক্ট থাকার জায়গা খুঁজে বের করা যথেষ্ট কষ্টসাধ্য ব্যাপার। ঢাকা শহরে থাকার জন্য মেস, সাবলেট বা ছোট ফ্ল্যাট যে যেটাই খুঁজচ্ছেন না কেনো – দিনশেষে নিজে মনমতো না হলে কারোরই ভালো লাগেনা। জায়গা খোঁজা শুরু করার আগে থাকার ঘরটির সাইজ কত স্কয়ার-ফিট চাচ্ছেন, বাসা ভাড়ার জন্য আপনার বাজেট কীরকম কিংবা বন্ধুদের সাথে শেয়ারে ফ্ল্যাটে উঠতে চাচ্ছেন কিনা তা আগে নির্ধারণ করে নিন। প্রথমবারের মত যারা ঢাকায় স্টুডেন্ট হিসেবে আসছেন তাদের সাহায্যের উদ্দেশ্যেই আমাদের এই আর্টিকেলটি। এই আর্টিকেলটি ছাড়াও ঢাকা শহরে থাকার জন্য পছন্দসই জায়গা খুজে পেতে ভিজিট করতে পারেন এই লিঙ্কটি – ঢাকা শহরে নতুন? খুঁজে নিন ভাড়া বা কেনার জন্য উপযুক্ত বাসা

কর্মক্ষেত্রের আশেপাশে থাকার জায়গা খুঁজে বের করা-  

একজন স্টুডেন্টের থাকার জন্য নিজস্ব একটি জায়গা থাকা অতি প্রয়োজনীয় কারণ এতে করে সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে নিজের মত করে থাকা, সময় কাটানো যায়। এছাড়াও নিজের থাকার জায়গা থাকলে নিজের প্রাইভেসির সাথেও কম্প্রোমাইজ করতে হয় না যেটা কিনা আত্মীয় বা পরিচিত কারো বাসায় থাকতে গেলে সম্ভব হয়ে উঠেনা। অনেকে আবার যারা পড়াশুনার পাশাপাশি পার্ট টাইম জব করেন তাদের সারাদিন বাধা-ধরা রুটিন শেষে নিজের মত করে একটু পারসোনাল সময় কাটাতে ইচ্ছা করে। কর্মসংস্থান থাকলে একা থাকার ব্যাপারটা অনেকাংশে সহজ হয়ে যায় যেহেতু নির্দিষ্ট আয়ের একটা ব্যবস্থা  থাকে।

একা থেকে ক্লাস এবং অফিসের প্রতিদিনের টানা পোড়ন সামলানো, সেই সাথে বাসা অফিস ইউনিভার্সিটি যাতায়াতের যেই খরচ সেটার দিকেও নজর রাখতে কর্মক্ষেত্রের কাছাকাছি বাসা নেওয়াটা জরুরি। অফিস বা ইউনিভার্সিটির কাছাকাছি থাকার জায়গাটি কিভাবে  খুঁজে বের করতে পারবেন অনায়াসেই, জানতে ভিজিট করুন এই লিঙ্কটিতে- কিভাবে আপনার আশেপাশেই ভাড়ার জন্য অ্যাপার্টমেন্ট খুঁজে পাবেন

জায়গা খোঁজা শুরুর আগে যেসব বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে

  • ভাড়াঃ ঢাকা শহরে মেস, সাবলেট বা ছোট অ্যাপার্টমেন্ট যেটাই হোক না কেনো ভাড়া মোটামুটি ভালোই পড়ে যায়। আবার এলাকার ভিত্তিতেও ভাড়ার তারতম্য দেখা যায়। আপনি যদি থাকার জন্য বারিধারা বা ধানমন্ডি এলাকা বেছে নেন তাহলে খরচ তুলনামূলক একটু বেশিই পড়বে। অন্যদিকে বসুন্ধরা বা উওরার দিকের এলাকাগুলোতে একটু কম বাজেটের মধ্যেই বাসা পাওয়ার সুযোগ আছে। বাসা ভাড়া আনুমানিক ৫,০০০/- টাকা থেকে শুরু করে ২০,০০০/- টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে, যা সাধারণত একজন স্টুডেন্টের পক্ষে অনেক ব্যয়বহুল। যারা ছোট খাট বা পার্ট টাইম জবও করেন তাদের জন্যেও খরচটা ভালোই পড়ে যায়। সারাদিন অফিস ক্লাস সামলে, ছুটির দিনে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে নিজের পছন্দসই থাকার জায়গা খুঁজে খুঁজে হয়রান হওয়ার থেকে ঘরে বসেই Bikroy.com থেকে পছন্দের শহর এবং এলাকার ভিত্তিতে খুব সহজেই খুজে দেখতে পারবেন থাকার জায়গা। এতে করে আপনার যেমন বেঁচে যাবে যাতায়াতের খরচটা সেইসাথে বেঁচে যাবে অনেকখানি সময়।    
  • থাকার জায়গাটির আশেপাশের অবস্থার প্রতি নজর রাখাঃ থাকার জায়গা খোঁজার সময় সবার যেটা নজরে থাকে তা হচ্ছে, এলাকাটি কিরকম, আশেপাশের মানুষেরা কিরকম সেটার প্রতি। খরচ বাচানোর জন্য অনিরাপদ বা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বেছে নেওয়া মোটেও ভালো না কারো জন্যই। থাকার জায়গা নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা এবং নির্ঝঞ্ঝাট এলাকাই পছন্দের তালিকার শীর্ষে হওয়া চাই। সেই সাথে আশে পাশে কোন ধরণের মানুষ বসবাস করছে সেই দিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে নিজেকে যেকোন অপ্রীতিকর অবস্থা থেকে নিরাপদ রাখার জন্য। সবচেয়ে ভালো হয় যদি একসাথে কয়েকজন মিলে থাকা যায়। একই পেশা, বয়সের হলে সবার সাথে সবার খাপ খাওয়াতেও সুবিধা হয় সাথে অন্য সবদিক থেকেও সহজ হয়। সারাদিনের কর্মব্যস্ততার পরে বৈরি বা প্রতিকূল পরিবেশে থাকাটা যেমন অস্বস্তিকর তেমনি মানসিক চাপেরও সৃষ্টি করে।
  • রুমমেটঃ একা থাকার চেয়ে রুমমেট নিয়ে থাকাটা অনেকাংশে উপকারী। বিশেষ করে যারা ঢাকায় একদমই নতুন তাদের জন্য। দুই তিনজন মিলে যদি একসাথে থাকেন সেক্ষেত্রে সবদিক থেকেই সুবিধা হয়। বাসা ভাড়াটা ভাগাভাগি করে নেওয়া, সেই সাথে খাওয়ার খরচ সহ অন্যান্য আনুষাঙ্গিক খরচাপাতিগুলোও ভাগাভাগি করে নেওয়া যায়। ফলে সাশ্রয় হয় অনেক। তাছাড়া বিপদে আপদে অচেনা এই ব্যস্ত শহরে জুটে যায় কয়েকজন আপনজন।
  • দূরত্বঃ ঢাকা শহরের জ্যামের ভয়াবহতার কথা সবারই কম বেশি জানা। তাই থাকার জায়গাটি যদি হয় অফিস বা ইউনিভার্সিটির কাছাকাছি তাহলে যথেষ্ট সময় বেঁচে যায় প্রতিদিন। সেই সাথে যাতায়াতের খরচটাও বাঁচে অনেকখানি। বাসা যদি দূরে হয় তাহলে সবদিন হাতে অনেকখানি সময় নিয়েই বের হতে হবে ঠিক সময়ে ক্লাস বা অফিস ধরার জন্য।
  • কোচিং সেন্টারঃ কলেজ বা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির জন্য অনেকেই এক্সট্রা কোচিং এ ভর্তি হওয়ার দরকার অনুভব করেন। সেক্ষেত্রে কোচিং সেন্টারের আশেপাশে বাসা নিতে পারলে অনেক সহজ হবে ক্লাস করা সেই সাথে পড়াশুনায় একটু বেশি সময় দেওয়ার। এছাড়া বাসা থেকে কোচিং এর দূরত্ব হাঁটা পথ হলে জ্যামেও অযথা সময় নষ্ট হবেনা।
  • ফিমেল স্টুডেন্টঃ ঢাকা শহরে কলেজ বা ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনার করতে আসা ছাত্রীদের জন্য ভালো একটা থাকার জায়গা খুজে পাওয়া খুব একটা সোজা কাজ নয়, কিন্তু কেউ যদি থাকার জন্য একটা আদর্শ জায়গা খুঁজে পেয়ে যায় তাহলে নিত্যদিনের জীবনযাপন অনেকটা সহজ এবং আরামদায়ক হয়ে যায়। ছাত্রীদের নিজেদের নিরাপত্তা এবং নিরাপদে থাকার জন্য সবচেয়ে ভালো হয় অন্য একজন ছাত্রীর সাথে শেয়ারে থাকা তার সাথে যেই এলাকায় থাকার জন্য বাসা ঠিক করেছেন সেই এলাকাটি ভালো কিনা এবং থাকার উপযুক্ত কিনা তা বাসা ভাড়া নেওয়ার আগে যাচাই বাছাই করে নেওয়া । ঘনবসতিপূর্ণ এবং সেই সাথে লোকালয় থেকে বিচ্ছিন্ন এলাকা পরিহার করে যাওয়াই ভালো।
  • অন্যান্য সুযোগ সুবিধাসমূহঃ এলাকা অনুযায়ী, থাকার জায়গার সাথে দেওয়া আনুষাঙ্গিক অন্যান্য সুযোগ সুবিধার তারতম্য দেখা যায়। এসব অন্যান্য সুযোগ সুবিধার মধ্যে রয়েছে, পানি, বিদ্যুৎ এবং গ্যাস লাইনের সংযোগ। থাকার জায়গা ঠিক করার আগে, সব ধরণের সুযোগ সুবিধা না থাকলেও প্রাথমিক সুবিধাগুলো যেনো পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করে নিতে হবে। যেসব এলাকায়, পানি, বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের সমস্যা রয়েছে সেসব এলাকায় বাসা নিলে দৈনন্দিন জীবনে পড়তে হতে পারে নানা সমস্যায়। এতে করে ক্ষতি হতে পারে পড়ালেখারও।

আদর্শ থাকার জায়গা নির্বাচনের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে-

Flats in Dhaka

উপরের বিষয়গুলো ছিলো জায়গা নির্বাচনের সময় যেগুলোর খেয়াল রাখতে হবে। এখন হচ্ছে সেসব বিষয়গুলো নিয়ে কথা যেগুলো জায়গা ঠিক করার পরে খেয়াল করতে হবে। রুমের সাথে  নিজস্ব বাথরুম এবং রান্নাঘর থাকলে সুবিধা হয় কমন বা শেয়ারড হওয়ার থেকে। সবার জন্য একটি মাত্র রান্নাঘর থাকার সবচেয়ে বড় অসুবিধা হচ্ছে সবাই একই বাসনপত্র , কড়াই, রান্নায় ব্যবহৃত মসলাপাতি এবং অন্যান্য দরকারি জিনিসপত্র ব্যবহার করে থাকে। একই সাথে থাকা সবগুলো মানুষের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা একই রকম না হওয়াটাই স্বাভাবিক। কমন বাথরুমের বেলায়ও  একই ব্যাপার।

বাসায় কয়টা বেডরুমের দরকার তা নির্ভর করবে আপনি একা থাকবেন না সাথে রুমমেট থাকছে এবং থাকলে কয়জন রুমমেট একসাথে থাকছেন সেটার উপর। বড় বাসা হলে বেশি রুমমেট হলেও সমস্যা হয়না যেহেতু ঘরের সংখ্যা বেশি থাকে।

মেসে থাকা নির্ধারণ করলে, আপনাকে প্রথমে কতগুলো বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। যেসব মেসের বেশিরভাগ বাসিন্দাই ছাত্র সেসব মেসে সাধারণত সিট পাওয়া মুশকিল এবং কষ্টসাধ্য। এজন্য সেমিস্টার শুরু হওয়ার আগেই মেস খুঁজে সিট বুকিং দিয়ে রাখতে হবে যেনো পরবর্তীতে সমস্যায় না পড়তে হয়। মেসে থাকার আরেকটি জরুরি বিষয় হচ্ছে, মেসে থাকতে গেলে নানা স্বভাবের, নানা ধরণের মানুষের সাথে থাকতে হয়। তাই সকলের সাথে মানিয়ে চলার অভ্যাস না থাকলে এবং শুধু আত্মকেন্দ্রিক হলে মেসে থাকাটা সহজ না হয়ে বরং কঠিনই হয়ে পড়ে। তাছাড়া মেস এমন একটি জায়গা যেটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নোংরা থাকে কিন্তু আপনি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা পছন্দ করলে, আপনার নিজেরই আগ বারিয়ে নিজের অংশটুকু পরিষ্কার রাখতে হবে। এসব সত্ত্বেও মেসে সবার সাথে থাকার আলাদা একটা আনন্দ আছে এবং অনেকে একসাথে থাকায় শত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও দিন শেষে আনন্দময় একটা পরিবেশই বজায় থাকে।

ঢাকা শহরে সাবলেট খুজে পাওয়া একটু কঠিনই কিন্তু ঠিকভাবে খোঁজাখুঁজি করলে আবার সহজেই পাওয়া যাবে। সাবলেট ঠিক করার আগে, সেটার ভাড়া, বাথরুম এবং রান্নাঘরের অবস্থা দেখে নিতে হবে। অনেক ছাত্র ছাত্রীর জন্য সাবলেট থাকাই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত। কারণ সাবলেটে নিজস্ব একটি থাকার জায়গা হয় সেই সাথে খরচটাও তুলনামূলকভাবে বেশি পড়েনা অন্য বাসা ভাড়া নেওয়ার মত।  

ঢাকা শহরে উপযুক্ত এবং পছন্দসই জায়গা খুঁজে পাওয়াটা খুব একটা সহজ কাজ না কিন্তু তারপরেও Bikroy.com এর মত প্ল্যাটফর্ম গুলো থাকায় এখন অনেকেই খুব সহজে খুঁজে নিতে পারছেন নিজেদের কাঙ্ক্ষিত বসবাসের জায়গাটি।

নিজের জন্য জায়গা খুঁজবেন কীভাবে?

এতক্ষণ তো কথা হল, কোন ধরণের জায়গার ক্ষেত্রে কী কী বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে এখন জানা যাক কিভাবে খুব সহজেই কীভাবে নিজের পছন্দের জায়গাটি খুঁজে বের করতে পারবেন।

গতানুগতিক উপায়ঃ

ফ্ল্যাট, মেস বা সাবলেট খোঁজার সবচেয়ে গতানুগতিক উপায় হচ্ছে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে বা টু-লেটের সাইনবোর্ড দেখে দেখে গিয়ে খোঁজ নেওয়া। অনেকেই আবার ঢাকা আসার আগে নিজেদের পরিচিত আত্মীয়দের ফোন করেও আশেপাশের পরিচিত থাকা যাবে এমন জায়গার খোঁজ খবর নিয়ে থাকেন। আবার অনেকে তাদের চেনা শোনা রিয়েল এস্টেটের এজেন্টদের থেকেও খবর সংগ্রহ করেন যেটা কিনা বেশিরভাগ সময়ই একটু বেশি খরচের হয়ে থাকে।

আধুনিক উপায়ঃ

পছন্দসই থাকার জায়গা খোঁজার আধুনিক পন্থা হচ্ছে, অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট/প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে বাসা খোঁজা। যেমন Bikroy.com। বর্তমানে Bikroy.com এর মাধ্যমে খুব সহজেই বিনা ঝামেলায় ঘরে বসেই পছন্দসই থাকার জায়গা খুঁজে নিচ্ছেন অনেকে। ওয়েবসাইটে গিয়ে পছন্দের এলাকা এবং নিজের ভাড়ার বাজেটের পরিমাণ উল্লেখ করে নিমেষেই পেয়ে যাবেন থাকার জায়গার লিস্ট। এখন সব কিছুর সাথে সাথে প্রপার্টি মার্কেটও ডিজিটাল হয়ে গেছে। এভাবে সরাসরি বাড়ির মালিকের সাথে ভাড়াটিয়ার যোগাযোগের রাস্তা থাকায় দালাল বা কোনো তৃতীয় ব্যক্তির সাহায্যের দরকার পড়েনা। অনলাইন প্রপার্টি মার্কেট প্রসঙ্গে আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট Bikroy Blogs এর এই লিঙ্কটি- ডিজিটাল যুগে বাংলাদেশের প্রপার্টির বাজার

সর্বোপরি, নিজের থাকার জন্য ফ্ল্যাট, মেস বা সাবলেট যে কোনটাই ঠিক করা একটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিন্ধান্ত। কোথায় থাকা হচ্ছে তার উপর ব্যক্তির দৈহিক এবং মানসিক অবস্থা দুটোই নির্ভর করে। থাকার জায়গাটি যদি আরামদায়ক এবং পছন্দসই না হয় সেক্ষেত্রে ক্লাস,পড়াশুনা কোন কিছুতেই কোন আগ্রহ আসেনা। এজন্য ভালো একটি থাকার জায়গা নির্বাচন করা জরুরি। এজন্য ভিজিট করতে পারেন- Bikroy Blogs এর এই লিঙ্কটি – কিভাবে আপনার আশেপাশেই ভাড়ার জন্য অ্যাপার্টমেন্ট খুঁজে পাবেন। নিত্য পরিবর্তনশীল প্রপার্টি মার্কেটে যদি সেরা লেনদেন সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আপনার বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট মার্কেট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা চাই। বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট মার্কেট সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন এই লিঙ্কটি – ২০১৮ সালে আবাসন খাত এর সার্বিক অবস্থা। জায়গা নির্ধারিত হয়ে যাওয়ার পরে ভাড়া, আশেপাশের প্রতিবেশীরা কে কীরকম, থাকার জায়গাটির অবস্থা এবং অন্যান্য সুবিধা সেগুলোও দেখে নিতে হবে যেনো পরবর্তীতে কোন ঝামেলায় না পড়তে হয়। আশা করছি আমাদের এই আর্টিকেলটি আপনাকে আপনার পছন্দসই জায়গা খুঁজে পেতে সহযোগীতা করবে। তাছাড়া আপনি চাইলে কমেন্টে শেয়ার করতে পারেন আপনার মতামত।

Pujan Kumar Editor
SEO Specialist , Bikroy.com
follow me
সাবস্ক্রাইব করুন

No spam guarantee.

Comments

comments

About Pujan Kumar

It's Pujan Kumar Saha, a Digital Marketing Expert from Bangladesh. I am passionate about Search Engine Optimization (SEO), Social Media Marketing (SMM) and other sectors of Digital Marketing. I also have experience in Programmatic Ad Operations sector.