Bikroyইলেকট্রনিক্স

কেমন ছিল ২০১৯ সালে বাংলাদেশের কম্পিউটার মার্কেট? | ইনফোগ্রাফিক

বাংলাদেশের কম্পিউটার মার্কেট কেমন দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে তা আমরা সকলেই জানি। বিগত দশক জুড়ে আমাদের আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে উন্নতির এক অভাবনীয় জোয়ার বয়ে চলেছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষের এই যুগে আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরো জোরদার করার মত অনেক কিছুই ঘটে গিয়েছে। নতুন দশকের প্রাক্কালে ইতোমধ্যে ‘ডিজিটাল’ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশে আরো অনেক কিছু নিয়ে আসার প্রেক্ষিতে ২০২০ সালকে সত্যিই বেশ সম্ভাবনাময় এক বছর বলে মনে হচ্ছে। 

আজ আমরা দেখবো যে বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উপর দেশের কম্পিউটার মার্কেট ঠিক কতখানি প্রভাব ফেলেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০১৭ সালে শুধুমাত্র ল্যাপটপ কম্পিউটারের মার্কেট মূল্য দাঁড়িয়েছিল ১৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, আর এরপর তা ২০১৮ সালে ১৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে গিয়ে পৌঁছায়। যদিও ২০১৯ সালের ব্যাপারে এখনও এই রকম কোনো স্পষ্ট পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি, তবে সেটা যে পূর্ববর্তী বছরগুলোর চেয়ে আরো বেশি, তাতে আর সন্দেহের অবকাশ নেই।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস Bikroy.com-এ কম্পিউটারের বিজ্ঞাপনগুলোর দিকে তাকালেই দেশের সামগ্রিক কম্পিউটার মার্কেট সম্পর্কে একটা বাস্তবসম্মত ধারণা ও প্রতিচ্ছবি পাওয়া যায়।

কম্পিউটারের বিজ্ঞাপন পোস্ট বনাম বিক্রির পরিমাণ

চলুন দেখে নিই নতুন ও ব্যবহৃত উভয় ধরণের কম্পিউটারের জন্য ২০১৯ সালের প্রতি মাসে পোস্ট হওয়া বিজ্ঞাপন এবং একই সাথে ঐ মাসে বিক্রি হওয়া কম্পিউটারের সংখ্যার মধ্যে তুলনা করার একটা গ্রাফ।

কম্পিউটারের বিক্রির পরিমাণ

উপরের বার চার্টটি লক্ষ্য করলে আমরা দেখতে পাই যে, ২০১৯ সালে Bikroy-এ প্রতি মাসে (নতুন ও ব্যবহৃত দুই ধরণের বিজ্ঞাপন মিলিয়ে) গড়ে প্রায় ৩০ হাজার কম্পিউটারের বিজ্ঞাপন পোস্ট করা হয়েছে।

এছাড়াও প্রতি মাসেই গড়ে ১৫ হাজার কম্পিউটার বিক্রি হয়েছে। একেকটি কম্পিউটারের দাম যেমনই হোক না কেন, বাংলাদেশের মত একটি উন্নয়নশীল দেশে শুধুমাত্র একটি বৃহত্তর অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে এরকম উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কম্পিউটার বিক্রি হওয়াটা সত্যিই এক বিরাট ব্যাপার। এই বিস্ময়কর পরিসংখ্যানই আমাদের বলে দেয় যে, বাংলাদেশের সামগ্রিক কম্পিউটার মার্কেটের সম্ভাবনা ও মূল্যমান আসলে কতটা বেশি।

এলাকা ভিত্তিতে পোস্ট হওয়া কম্পিউটারের বিজ্ঞাপন

এলাকা ভিত্তিতে কম্পিউটারের বিজ্ঞাপন

এখন চলুন আমরা দেখে নিই Bikroy-এর গ্রাহকদের দ্বারা পোস্ট হওয়া কম্পিউটারের বিজ্ঞাপনগুলোর মূল উৎস ও অবস্থানগুলো।

প্রত্যাশিতভাবেই, পোস্ট হওয়া সমস্ত কম্পিউটারের বিজ্ঞাপনের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশই এসেছে রাজধানী ঢাকা শহর থেকে। Bikroy-এর মার্কেটপ্লেসে বিক্রির জন্য কম্পিউটারের মধ্যে শতকরা ৭৮ ভাগই ঢাকার।

আরও একটি উল্লেখযোগ্য এলাকা বা শহর হচ্ছে চট্টগ্রাম, যেখান থেকে বিক্রির জন্য কম্পিউটারের বিজ্ঞাপন পোস্ট হয়েছে ১২%। বাকি ১০% কম্পিউটারের বিজ্ঞাপন বাংলাদেশের অন্যান্য শহর কিংবা এলাকা থেকে বিভিন্ন অনুপাতে পোস্ট করা হয়েছে।

রাজধানীতে বিপুল সংখ্যক মানুষের বসবাস থাকার কারণে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয় ধরণের গ্রাহকদের সবচেয়ে বড় অংশ ঢাকায় থাকার সম্ভাবনাও দেশের যেকোনো এলাকার চেয়ে অনেক বেশি। একইভাবে কম্পিউটারের বিজ্ঞাপনের বিস্তৃতির উপর এই জনসংখ্যার প্রভাব পড়ার দরুণ কম্পিউটার বিক্রি হওয়ার দিক থেকেও এই এলাকাটি অনেক বেশি এগিয়ে রয়েছে।

শুধুমাত্র ঢাকা শহরের সম্ভাবনা এত বেশি হওয়ার ফলে, অদূর ভবিষ্যতে সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে ব্যাপক হারে উৎপাদিত ও বিস্তৃত কম্পিউটারের মার্কেটের ধারণাটা আসলেই বেশ সম্ভাবনাময় বলে মনে হচ্ছে।

দাম ও ক্যাটাগরির ভিত্তিতে পোস্ট হওয়া ‘বিক্রির জন্য কম্পিউটার’ শীর্ষক বিজ্ঞাপন

‘বিক্রির জন্য কম্পিউটার’ শীর্ষক বিজ্ঞাপনগুলোকে বিস্তর ভাবে দু’টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায় – ডেস্কটপ এবং ল্যাপটপ কম্পিউটার।

আপনারা লক্ষ্য করে থাকবেন যে, বিক্রির জন্য ডেস্কটপ ও ল্যাপটপের বিজ্ঞাপনের সংখ্যায় তেমন কোনো ব্যবধান নেই; শতকরা ৫৪ ভাগ ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং শতকরা ৪৬ ভাগ ল্যাপটপ কম্পিউটার। এই দুই ধরণের কম্পিউটার বিক্রির ক্ষেত্রে একটি অন্যতম মজার ব্যাপার হচ্ছে, নতুন ও ব্যবহৃত কম্পিউটারের জন্য চাহিদার ধরণে বেশ পার্থক্য দেখা যায়।

বিক্রির জন্য সব গুলো ডেস্কটপ কম্পিউটারের মধ্যে শতকরা ৭৪ ভাগই হচ্ছে নতুন  ডেস্কটপ কম্পিউটার। অন্যদিকে বিক্রির জন্য সমস্ত ল্যাপটপ কম্পিউটারের বিজ্ঞাপনের মধ্যে শতকরা ৯৭ ভাগই ছিল ব্যবহৃত  ল্যাপটপ। তাই আমরা স্পষ্ট বুঝতে পারি যে, ডেস্কটপ ক্রেতাদের মধ্যে বেশির ভাগ মানুষই পরবর্তী ডেস্কটপটি নতুন  কিনতে চান। কিন্তু তার চেয়েও অধিক সংখ্যক ক্রেতা ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত  কম্পিটার কিনতে বেশি ইচ্ছুক।

শুধুমাত্র বাংলাদেশেই না, বরং সমগ্র বিশ্বেই কম্পিউটারের বাজারে ল্যাপটপ কম্পিউটারের মার্কেট বেশ দ্রুত গতিতে প্রসার লাভ করছে। এর সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে এর বহনযোগ্যতা এবং বেশ কমপ্যাক্ট একটা সাইজের মধ্যে সব রকম লেটেস্ট প্রযুক্তি ও ফিচার সংযোজনের মাধ্যমে বিভিন্ন মাত্রার পারফরম্যান্স দেয়ার ক্ষমতা ল্যাপটপগুলোতে চলে আসছে।

দাম ও ক্যাটাগরির ভিত্তিতে বিক্রির জন্য কম্পিউটার

এবার চলুন দেখে নিই ২০১৯ সালে বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দেয়া ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ কম্পিউটারগুলোর দাম। ল্যাপটপ কম্পিউটারের তুলনায় ডেস্কটপ কম্পিউটারের মার্কেটে বেশ সাশ্রয়ী দামের ক্যাটাগরি তৈরি করা হচ্ছে। ২০ হাজার টাকার উপরে দাম, এমন কম্পিউটারের বিজ্ঞাপন সমগ্র ডেস্কটপ কম্পিউটারের বিজ্ঞাপনের মাত্র ৫ শতাংশ। ডেস্কটপ কম্পিউটারের বিজ্ঞাপনের মধ্যে বেশির ভাগই ১০ হাজার টাকার নিচে বিক্রি হচ্ছে। যেখানে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে ডেস্কটপ কম্পিউটারের পরিমাণ শতকরা ৪২ ভাগ।

তবে ল্যাপটপ কম্পিউটারের বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে, এর মার্কেট অনেক বেশি মূল্যমান সম্পন্ন। সাশ্রয়ী ল্যাপটপের সংখ্যা বাংলাদেশে ডেস্কটপ কম্পিউটারের বাজারে ৫৩ শতাংশ শেয়ার থাকা ১০ হাজার টাকার কম দামের ডেস্কটপ কম্পিউটারের তুলনায় সম্পূর্ণ উল্টো। পুরো ল্যাপটপ বাজারের মাত্র ৫% ল্যাপটপের বিজ্ঞাপন ১০ হাজার টাকার কম দামে পোস্ট করা হয়েছে।

বেশির ভাগ গ্রাহক ডেস্কটপের চেয়ে ল্যাপটপ কেনায় বেশি আকৃষ্ট হওয়ার পেছনে অনেক রকম কারণ রয়েছে। ল্যাপটপের বহনযোগ্যতা নিঃসন্দেহে একটি বিশাল সুবিধা, কিন্তু ইলেকট্রিসিটির মত আরো বিভিন্ন সুবিধা এতে রয়েছে। ব্যাটারি চালিত হওয়ায় ল্যাপটপ বাংলাদেশের মত একটি দেশে বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াই গড়ে প্রায় ২ থেকে ৩ ঘন্টা কম্পিউটার ব্যবহারের স্বাধীনতা দেয়। আর এদেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার করুণ অবস্থার কথা ভেবে দেখলে এটা সত্যিই একটা বিরাট সুবিধা।

অন্যান্য সুবিধার পাশাপাশি আরো একটা ব্যাপার হচ্ছে ল্যাপটপের কমপ্যাক্ট ও আকর্ষণীয় গড়ন। আবার প্রতিটি নতুন মডেল বাজারে আসার সাথে ডেস্কটপ কম্পিউটারের বেশ কাছাকাছি মানের পারফরম্যান্সও এতে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে গড়ে একটি ল্যাপটপের দাম ৪০ হাজার টাকার মত, যা এদেশে ডেস্কটপ কম্পিউটারের গড় দামের চেয়ে প্রায় ৪ গুণ বেশি।

বিক্রির জন্য পোস্ট হওয়া ল্যাপটপ কম্পিউটারের একটা বিরাট অংশের (শতকরা ৭৯ ভাগ) দাম বাংলাদেশে ১০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে ধরা হয়। আর শতকরা ৫ ভাগ হচ্ছে উচ্চ-স্তরের দামি ল্যাপটপ, যেগুলোর দাম বাংলাদেশে ৫০ হাজার টাকার উপরে। 

জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলো

কম্পিউটারের জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলো

২০১৯ সালে বাংলাদেশের সব কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সার্চ হওয়া ব্র্যান্ডের কথা বলে গেলে, বিপুল ভোটে বিজয়ী ব্র্যান্ড হচ্ছে ‘হিউলেট প্যাকার্ড’ অর্থাৎ এইচপি। আমি নিজেও একটি এইচপি ল্যাপটপের গর্বিত মালিক! এইচপির পর আসে বর্তমান পৃথিবীর অন্যতম বিশাল এক ব্র্যান্ডের নাম – অ্যাপল। এর পর খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে ডেল, আসুস, লেনোভো এবং এসার।

ল্যাপটপের ক্ষেত্রে সেরা ৬ টি সর্বাধিক সার্চ হওয়া ব্র্যান্ডের মধ্যে আপনাকে অন্তত পক্ষে ৫ টির সাথে একমত হতেই হবে। আর এই তালিকা শুধুমাত্র বাংলাদেশের ল্যাপটপ কম্পিউটারের মার্কেটেই না, বরং সমগ্র বিশ্বের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

ব্র্যান্ডের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ সংখ্যায় পোস্ট হওয়া ল্যাপটপের বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে অ্যাপল ৬ষ্ঠ অবস্থানে নেমে এসেছে, যেখানে এইচপি গর্বের সাথে এখানেও তার প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে। এখান থেকে আমরা শুধু অ্যাপল-এর স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য এবং বাংলাদেশে ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীর সংখ্যা কম হওয়ারই প্রমাণ পাই, এক্ষেত্রে কোয়ালিটি কিংবা অন্য কোনো জিনিসে ঘাটতি থাকার কোনো ব্যাপার নেই।

শুধুমাত্র কম্পিউটারের জন্যই না, বরং সামগ্রিকভাবে প্রযুক্তি ভিত্তিক যেকোনো পণ্যের দিক থেকে বাংলাদেশ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট। একটি উন্মুক্ত জরিপে জানা গেছে যে, বাংলাদেশে টেকভিত্তিক পণ্যের মার্কেটের আনুমানিক সাইজের মূল্যমান ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চেয়েও বেশি।

অতএব, খুব স্বাভাবিকভাবেই স্যামসাং, লেনোভো, এইচপি, ইনটেল, মাইক্রোসফট, গুগল ইত্যাদির মত বৃহত্তর ব্র্যান্ড ও কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের কম্পিউটার মার্কেটকে লক্ষ্য করছে এবং উদ্ভাবনী পণ্যের মাধ্যমে এই মার্কেটে রাজত্ব করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ডেস্কটপের কথা বলতে গেলে আমরা দুইটা নতুন নাম দেখতে পাই – ইনটেল এবং স্যামসাং, যেখানে আবার সর্বাধিক চাহিদা সম্পূর্ণ কাস্টমাইজ করা ডেস্কটপের দিকেই। ডেস্কটপ কম্পিউটারের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হচ্ছে এর পাওয়ার ও পারফরম্যান্স, যা গেমিং এর মত ক্ষেত্রগুলোয় সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। একই সাথে এতে রয়েছে এমন একটি সিস্টেম তৈরি করার সুবিধা, যেখানে বিভিন্ন ম্যানুফ্যাকচারিং ব্র্যান্ড থেকে বাছাই করে নানা ধরণের পার্টস সংযোজন করা সম্ভব।

শেষকথা

এ কথায়ও কোন সন্দেহের অবকাশ নেই যে, যেখানে আইটি সেক্টরে অগ্রগতি ও উন্নয়নের কারণে অনেক রকম চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে, সেখানে আবার এর থেকে বহু দেশ ও জাতি সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণাও পেয়েছে। সম্প্রতি বেশ কয়েক বছরে দক্ষ আইটি সেক্টর এবং উদ্ভাবনী টেক গ্যাজেটের কার্যকরী ব্যবহারের কারণে বাংলাদেশ অন্যান্য উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় আরো বেশি প্রযুক্তি নির্ভর ও অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছে।

সামগ্রিকভাবে বিশ্বের কম্পিউটার মার্কেটে সফল দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করার ব্যাপারে নিশ্চিতভাবে বাংলাদেশ সঠিক পথে এবং সঠিক গতিতেই এগিয়ে চলেছে। ধীরে ধীরে, কিন্তু অবশ্যই একদিন আমরা বিশ্বের বুকে আমাদের ন্যায্য অবস্থান তৈরি করে নিতে পারবো!

সরকারী সমর্থন এবং দেশের প্রতিভাবান তরুণদের বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টির তুমুল আগ্রহ থেকেই সামনের বছরগুলোতে বাংলাদেশের কম্পিউটার মার্কেট নিশ্চিতভাবে এক অভাবনীয় সাফল্যের মুখ দেখতে পাবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

প্রতিটি নতুন বছরে পা রাখার সময় একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম কীভাবে প্রতিনিয়ত অধিক থেকে অধিকতর সাফল্য অর্জন করতে পারে, তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হচ্ছে Bikroy.com. ভিজিট করুন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন মার্কেটপ্লেস Bikroy.com-এ, আর বিক্রির জন্য কম্পিউটারের সবচেয়ে বড় ও আকর্ষণীয় ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে থেকে ব্রাউজ করে খুঁজে পান নতুন কিংবা ব্যবহৃত সব ধরণের ডেস্কটপ, ল্যাপটপ এবং স্মার্টফোন, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী সহ নান রকম উদ্ভাবনী গ্যাজেট।

বাংলাদেশের কম্পিউটার মার্কেটের ব্যাপারে আপনার মূল্যবান মতামত এবং ২০২০ সাল ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনার অনুমান ও প্রত্যাশাগুলো জানান আমাদের কমেন্ট সেকশনে!

সম্পূর্ণ ইনফোগ্রাফিকটি দেখুনঃ

সাবস্ক্রাইব করুন

No spam guarantee.

আরও দেখুন

অনুরূপ লেখা গুলো

Back to top button
Close
Close