বাংলাদেশে টয়োটা গাড়ির জনপ্রিয়তা

নানা প্রকারের উদ্দেশ্য এবং নির্ভরযোগ্যতার জন্য টয়োটা প্রস্তুত করছে। বাংলাদেশ একমাত্র দেশ যেখানে টয়োটার অনেক বড় ভক্তরা আছে। টয়োটা গাড়ির মধ্যে তো সত্যিকারের বস এবং অনান্য যানবাহনের মধ্যে বেশ নাম রয়েছে দেশজুড়ে। যদি বাংলাদেশের নাগরিকরা একটি ব্র্যান্ড নিউ কার জন্য চোখ রাখে বা পুরানো কারের জন্য। তাহলে মার্কেটে সবার আগে টয়োটের নামই বেশি আসবে। টয়্টোা যানবাহনের জন্য মাল্টিফিচারের কোম্পানী যা সবার জন্য জরুরী। রানার ট্র্যাক শক্ত জমির জন্য বেশ সুবিধার এবং দেশের বাইরে সিটি ট্র্যাফিক এলাকাতে টয়োটার দ্রুতগতির স্পোর্টস কার এর জুড়ি নেই। টয়োটা বলতে গেলে এমনকিছু যা সবার জন্য।তাদের জনপ্রিয়তা, শুধু তাদের জনপ্রিয়তার পাশাপাশি বিভিন্ন সেটিংস এর দিক থেকেও বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় কার হিসেবে বিবেচিত এটি। যা পরিবর্তনশীল ভুমির জন্য এবং খারাপ ভুমির জন্যও ভালো পরিচিত। টয়োটা ব্র্যান্ড বাংলাদেশের জন্য উত্তম জায়গা।

 টয়োটা শুরু থেকেই বিশ্বের অনেক দেশে বেশ জনপ্রিয়, আর সম্প্রতি বাংলাদেশের বাজারেও এই কারের ব্যবহার বা আধিপত্য বেড়েই চলেছে। গ্লোবালাইজেশন, বিজ্ঞাপনের যুদ্ধে বাংলাদেশে সম্প্রতি এই কোম্পানীটির গাড়ি ক্রেতারা হাতে পাওয়ার জন্য দাম ছাড়াও সব ধরনের দায়িত্ব বহন করছে। টয়োটা তৈরী করছে উন্নতমানের ফ্যামিলি কার, গ্যাস মাইলেজ নাম্বারের এর কার, ট্র্যাক জাতীয় রানার এবং সিটি রাস্তার জন্য এমনকি স্পোটিকার, পারফেক্ট কান্ট্রিসাইড রাস্তার জন্য। একটা বড় ধরনের জনপ্রিয় কোম্পানী আছে যা বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য তৈরী, যা সাধরাণত খুব কম বাছাইয়ের সুযোগ থাকে যখন পুরাতন গাড়ি কেনার জন্য আসে।বাংলাদেশের মার্কেটে টয়োটা বিজ্ঞাপনের জন্য অনুমতি নেয়া এবং বলতে গেলে প্রায় সব মডেলের গাড়ি সফলতার সাথে বিক্রয় করে তারা। নতুন থেকে শুরু করে পুরানো গাড়ির ডিলারশিপ পর্যন্ত ক্লাসিফাইড, টয়োটা মডেলের গাড়ি খুব সহজেই পুরানো কার এর বাজারে পাওয়া যায়। এই কোম্পানীর হঠাৎ করেই একটি ভালো কাজ লক্ষ্য করা যায় অ্যাডর্ভাটাইজিং এর ক্যাম্পেইন বিভিন্ন এলাকায়, যা বড় ধরনেরও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন এর খোজ পাওয়ার জন্য উপকারী। টয়োটা খুব তাড়াতাড়িই বাংলাদেশে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, কিন্তু এটি হঠাৎ করেই তাদের মার্কেট ছেড়ে যাচ্ছে না।

অনান্য বিশ্বের দেশগুলোর মত, বাংলাদেশে নানাভাবে এই যানবাহন আসার কোন উপায় নেই। আর এই ধরন, মডেল এবং বয়স বেশি দিনের না এবং অনেক মানুষ অনেক পুরানো কার ছেড়ে দিচ্ছে যে কোন সময়। আর এই সব পুরানো গাড়ি খুব বেশি তাদের কাছেও নেই। সাধারণত কোন ব্র্যান্ডের মডেলর গাড়ি না এবং খুব বেশি রং এর গাড়ি পছন্দ করার সুযোগ ছিল না, লাল এবং গ্রে রং এর গাড়ি এর মধ্যে বেশি জনপ্রিয়। টয়োটা বাংলাদেশি নাগরিকের পছন্দেও ধরণ পরিবর্তন করছে তাদের কার বাজারে এনে। টয়োটা খুব তাড়াতাড়ি মার্কেটে জনপ্রিয়তা পেয়েছে অনেকটা লিডারের মত কারণ তারা বাংলাদেশি মানুষদের বিভিন্ন ধরনের গাড়ি ব্যবহারের সুযোগ করে দিচ্ছে। তারা মানুষের সুখের জন্য কমের মধ্যে ভালো কিছু দিচ্ছে। টয়োটা বাংলাদেশি মানুষদের এই কার ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন অপশন এর গাড়ি কেনার সুযোগ করে দিচ্ছে যা অনেকের স্বপ্ন ছিল। যা হয়তো আগের সময়ের কোন বড় লোকদের সুযোগ ছিল।

এটা খুবই স্বাভাবিক যে জীবনে অনেক সময় বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্ন মার্কেটে প্রোডাক্টের চাহিদা অনুযায়ি, মানুষের চাহিদা অনুযায়ি নির্ভর করতে হয় অনেকটা আবহওয়ার মত। টয়োটা খুব হাতের কাছে থাকা ্উপযুক্ত অপশন যা ব্যবহৃত গাড়ি বিক্রির জন্য লিডার হিসেবে কাছে আসছে। এই ব্র্যান্ডটি শেষ কিছু বছরে এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তৈরী করা হচ্ছে। বাংলাদেশের গরম, শুষ্ক মৌসুমের জন্য বিভিন্ন পরিবেশে এবং স্পেশালি বাংলাদেশে পরিবেশে সাথে মিল রেখে তৈরী করা হচ্ছে। টয়োটা আরো বেশি উন্নত জোনে বিভিন্ন ধরনের আবহাওয়ার সাথে উপযুক্ত কেয়ার ও মেইনটেইন্স নিয়ে তৈরী করা হচ্ছে। অন্যদিকে, টয়োটা যে কোন রেইনি আবহাওয়ায় বিভিন্ন ধরনের যানবহন লম্বা সময় ধরে তৈরী করে আসছে। এটা বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য আরো বেশি উপযুক্ত কারণ এই দেশে বসবাসের জন্য ক্যারিয়ার এর উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ধরনের গাড়ি ব্যবহার করতে হয়। একটি মাঝারি ধরেনর টয়োটা এ দেশে একটি ছোট পরিবারের জন্য অনেককিছু। এটা তাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় পরিবারের মত করে পিতা-মাতার জন্য এবং ফুয়েল এর দামের জন্য, এমনকি ড্রাইভিং এর জন্য বেস্ট।

টয়োটা এবং তাদের যানবাহন বিভিন্ন ধরনের উদ্দেশ্যে তৈরী করে, কিন্তু তারা বাংলাদেশি বাজারের জন্য নিজেদের সেভাবে বুঝে শুনে তুলে ধরেছে। আর কোম্পানী হিসেবে টয়োটা বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় গাড়ি  কোম্পানী। অনান্য যৌথ ব্র্যান্ডের তুলনায় এই দেশের রাস্তায় সবচেয়ে বেশি টয়োটা গাড়ি চলে। বিশেষ করে করোলা, টয়োটা কোম্পানীর সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম্বারের গাড়ি। এখানে হাজার ধরনের করোলা আমাদের দেশের রাস্তায় দেখা যায়, তাও ২০ থেকে ২৫ বছর এর পুরানো। অনান্য মডেলের মধ্যে বাংলাদেশে জনপ্রিয় অ্যালিয়ন, প্রিমিও এবং নোয়া। এই মডেল দেশ থেকে দেশে বিভিন্ন ধরনের নাম বহন করে কিন্তু তারা সাধারণত একই রকম পার্টস দিয়ে তৈরী, বডির ধরণ এবং এমনকি ইঞ্জিনও। যদি দ্রুত ইন্টারনেটে জনপ্রিয় গাড়ি খোঁজার জন্য বলা হয় তাহলে বাংলাদেশে একমাত্র টয়োটা ব্র্যান্ডের গাড়ি দেখা যাবে জনপ্রিয়তার তালিকায়। করোলা এবং দ্য প্রিমিও সম্ভবত বেশি জনপ্রিয় কারণ এটার ফাংশন বেশি এবং দামী। তাদের অনেক দামী গাড়ি আছে, যার ফাংশন একটি বড় পরিবারের জন্য অথবা দৈনিক লং ড্রাইভের জন্য -সবকিছুর একটা দাম নিধার্রিত করা আছে যা বাংলাদেশের অনেকের জন্য সাধ্যের মধ্যে।

আর যদি কেউ রানার ট্র্যাক, দ্রুত কার বা পরিবারের জন্য গাড়ি খোঁজে এমনকি বাচ্চাদের জন্য ও ব্যাগ রাখার জন্য জায়গা দরকার হয়-এমন গাড়ি টয়োটা দিতে পারবে। যে যেমনটি চাই।তারা বাংলাদেশী নাগরিকদের কম দামে ড্রাইভ করার সুযোগ করে দিচ্ছে, যা লাক্সারি এবং ফাংশনের জন্য বেশ কার্যকরী। টয়োটা দেশের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় কোম্পানী, এবং বাংলাদেশি নাগরিকদের উপার্জন এবং প্রয়োজন বুঝে গাড়ি কেনার সুযোগ করে দিচ্ছে। তাদের মার্কেটে রেডিফাইনড এবং বিভিন্ন ধরনের গাড়ি রয়েছে। তারা খুব শিগগিরই বড় ধরনের গাড়ির টাকা পরিশোধের চিন্তা থেকে মুক্ত করার জন্য বাংলাদেশের নাগরিকদের গাড়ির মালিক করে দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে। টয়োটা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সত্যিকারের জীবন পরিবর্তন করে দিচ্ছে যেন যে কেউ প্রয়োজন অনুযায়ী গাড়ি ব্যবহার করতে পারে।

Comments

comments